সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer
সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer: নমস্কার বন্ধুরা, আজকের আলোচনার বিষয় ‘সিন্ধুতীরে’ (কবিতা) – সৈয়দ আলাওল, যা মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। এই পোস্টে WBBSE Class 10 Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer-এর পাশাপাশি কবিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলি ভালোভাবে পড়া এবং অনুশীলন করা অত্যন্ত উপকারী।
যেসব ছাত্রছাত্রী সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর, WBBSE Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer অথবা পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা প্রশ্নোত্তর খুঁজছো, তারা এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে পড়তে পারো। সিন্ধুতীরে কবিতা থেকে পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এমন বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যা West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Exam Preparation এবং Revision-এর সময় বিশেষভাবে কাজে আসবে।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই (WBBSE) |
| ক্লাস | মাধ্যমিক দশম শ্রেণী (WB Class 10 Madhyamik) |
| বিষয় | মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা (Madhyamik Bengali) |
| পাঠ | সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল |
সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা | West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Sindhutire Question and Answer
বহুনির্বাচনী : সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Sindhutire MCQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটি কোন কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে?
(ক) তোহফা
(খ) সেকান্দরনামা
(গ) পদ্মাবতী
(ঘ) সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল
উত্তরঃ (গ) পদ্মাবতী
২. ‘সিন্ধু’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) নদী
(খ) হ্রদ
(গ) পুকুর
(ঘ) সমুদ্র
উত্তরঃ (ঘ) সমুদ্র
৩. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটি কার লেখা?
(ক) দৌলত কাজী
(খ) সৈয়দ আলাওল
(গ) ভারতচন্দ্র রায়
(ঘ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
উত্তরঃ (খ) সৈয়দ আলাওল
৪. ‘পঞ্চকন্যা’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
(ক) পদ্মা ও তাঁর চার সখীকে
(খ) পদ্মাবতী ও তাঁর চার সখীকে
(গ) পাঁচজন দেবীকে
(ঘ) পাঁচজন সাধারণ মেয়েকে
উত্তরঃ (খ) পদ্মাবতী ও তাঁর চার সখীকে
৫. ‘মাঞ্জস’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) নৌকা
(খ) ভেলা
(গ) জাহাজ
(ঘ) প্রাসাদ
উত্তরঃ (খ) ভেলা
৬. “সিন্ধু-নৃপতি-সুতা” বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
(ক) লক্ষ্মী
(খ) পদ্মা
(গ) গঙ্গা
(ঘ) পদ্মাবতী
উত্তরঃ (খ) পদ্মা
৭. “দেখিয়া রূপের কলা” — কার রূপের কথা বলা হয়েছে?
(ক) পদ্মার
(খ) সখীদের
(গ) পদ্মাবতীর
(ঘ) সমুদ্রের
উত্তরঃ (গ) পদ্মাবতীর
৮. পদ্মা অচেতন কন্যাদের কোথায় নিয়ে গিয়েছিলেন?
(ক) নিজের প্রাসাদে
(খ) উদ্যানের মাঝে
(গ) সমুদ্রের ধারে
(ঘ) মন্দিরে
উত্তরঃ (খ) উদ্যানের মাঝে
৯. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় কোন দেবতার উল্লেখ আছে?
(ক) শিব
(খ) বিষ্ণু
(গ) ইন্দ্র
(ঘ) ব্রহ্মা
উত্তরঃ (গ) ইন্দ্র
১০. পদ্মা কার কন্যা ছিলেন?
(ক) সমুদ্র-নৃপতির
(খ) রাজার
(গ) দেবতার
(ঘ) ঋষির
উত্তরঃ (ক) সমুদ্র-নৃপতির
১১. “বিধি মোরে না করো নৈরাশ” — বক্তা কে?
(ক) পদ্মাবতী
(খ) সখী
(গ) পদ্মা
(ঘ) সমুদ্র-নৃপতি
উত্তরঃ (গ) পদ্মা
১২. পদ্মাবতীকে দেখে পদ্মা প্রথমে কী ভেবেছিলেন?
(ক) কোনো সাধারণ মানবী
(খ) সমুদ্রের ডাকাত
(গ) কোনো দেবী অথবা ইন্দ্রের শাপে স্বর্গভ্রষ্ট অপ্সরা
(ঘ) কোনো মৃতদেহ
উত্তরঃ (গ) কোনো দেবী অথবা ইন্দ্রের শাপে স্বর্গভ্রষ্ট অপ্সরা
১৩. ‘মহৌষধ’ কী?
(ক) অমৃত
(খ) বিশেষ পাতা
(গ) শ্রেষ্ঠ ঔষধ
(ঘ) মন্ত্র
উত্তরঃ (গ) শ্রেষ্ঠ ঔষধ
১৪. “চারি সখী চারিভিতে” — কার চারিভিতে?
(ক) পদ্মার
(খ) মন্দিরের
(গ) পদ্মাবতীর
(ঘ) ভেলার
উত্তরঃ (গ) পদ্মাবতীর
১৫. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটি কোন শতকের রচনা?
(ক) পঞ্চদশ
(খ) ষোড়শ
(গ) সপ্তদশ
(ঘ) অষ্টাদশ
উত্তরঃ (গ) সপ্তদশ
১৬. পদ্মা কিসের শয্যা প্রস্তুত করেছিলেন?
(ক) ফুলের
(খ) রেশমের
(গ) কাষ্ঠের
(ঘ) বস্ত্রের
উত্তরঃ (ঘ) বস্ত্রের
১৭. “তড়িৎ-উজ্জ্বল তনু” — কার তনু?
(ক) পদ্মার
(খ) সখীর
(গ) অপ্সরার
(ঘ) পদ্মাবতীর
উত্তরঃ (ঘ) পদ্মাবতীর
১৮. পঞ্চকন্যার চেতনা ফিরতে কত দণ্ড সময় লেগেছিল?
(ক) এক দণ্ড
(খ) দুই দণ্ড
(গ) তিন দণ্ড
(ঘ) চারি দণ্ড
উত্তরঃ (ঘ) চারি দণ্ড
১৯. পঞ্চকন্যার জ্ঞান ফিরিয়ে আনার জন্য কী করা হয়েছিল?
(ক) জল ছেটানো হয়েছিল
(খ) আগুন জ্বেলে সেক দেওয়া হয়েছিল
(গ) মন্ত্র পড়া হয়েছিল
(ঘ) বাতাস করা হয়েছিল
উত্তরঃ (খ) আগুন জ্বেলে সেক দেওয়া হয়েছিল
২০. “অম্বর পরিধান” — ‘অম্বর’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) আকাশ
(খ) বস্ত্র
(গ) অলঙ্কার
(ঘ) মেঘ
উত্তরঃ (খ) বস্ত্র
২১. পদ্মাবতীর বসন কীসে ভেজা ছিল?
(ক) জলে
(খ) রক্তে
(গ) শিশিরে
(ঘ) অশ্রুতে
উত্তরঃ (ক) জলে
২২. “এ কী! সখী, সবে মিলি” — এই উক্তিটি কার?
(ক) পদ্মা
(খ) পদ্মাবতী
(গ) সখী
(ঘ) কবি
উত্তরঃ (খ) পদ্মাবতী
২৩. উদ্যানটি কেমন ছিল?
(ক) সুন্দর ও ফলফুলে ভরা
(খ) পাথুরে
(গ) শুকনো
(ঘ) কাঁটাঝোপে পূর্ণ
উত্তরঃ (ক) সুন্দর ও ফলফুলে ভরা
২৪. ‘দিব্যপুরী’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
(ক) সমুদ্র
(খ) স্বর্গ
(গ) পদ্মার বাসস্থান
(ঘ) একটি মন্দির
উত্তরঃ (গ) পদ্মার বাসস্থান
২৫. সৈয়দ আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
(ক) গৌড়
(খ) আরাকান
(গ) দিল্লি
(ঘ) অযোধ্যা
উত্তরঃ (খ) আরাকান
২৬. “কতো রবি শশী” — এই তুলনাটি কী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) সময়
(খ) সৌন্দর্য
(গ) ক্ষমতা
(ঘ) আলো
উত্তরঃ (খ) সৌন্দর্য
২৭. “মনেতে কৌতুক বাসি” — কার মনে কৌতুক জেগেছিল?
(ক) পদ্মাবতীর
(খ) সখীদের
(গ) কবির
(ঘ) পদ্মার
উত্তরঃ (ঘ) পদ্মার
২৮. “সমুদ্রের মাঝারে” কী ভাসছিল?
(ক) নৌকা
(খ) মাঞ্জস
(গ) জাহাজ
(ঘ) মৃতদেহ
উত্তরঃ (খ) মাঞ্জস
২৯. “অচেতন পঞ্চকন্যা” — তারা কেন অচেতন ছিল?
(ক) ভয়ে
(খ) সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাতে
(গ) অসুস্থতায়
(ঘ) ঘুমে
উত্তরঃ (খ) সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাতে
৩০. ‘বৈথান’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) বৈঠকখানা
(খ) বেদি
(গ) স্থান
(ঘ) বাইরে
উত্তরঃ (গ) স্থান
৩১. ‘সত্বরে’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) ধীরে
(খ) সত্ব বা গুণের সঙ্গে
(গ) সত্বর বা দ্রুত
(ঘ) সাবধানে
উত্তরঃ (গ) সত্বর বা দ্রুত
৩২. পদ্মাবতীর কেশ কেমন ছিল?
(ক) ছোট
(খ) স্বর্ণের মতো
(গ) মেঘের মতো কালো ও লম্বা
(ঘ) রুক্ষ
উত্তরঃ (গ) মেঘের মতো কালো ও লম্বা
৩৩. “আলাইয়া ছিল বেণী” — ‘বেণী’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) সাপ
(খ) বিনুনি করা চুল
(গ) নদীর ধারা
(ঘ) অলঙ্কার
উত্তরঃ (খ) বিনুনি করা চুল
৩৪. “করুণা-স্বরূপ” কে?
(ক) বিধি
(খ) পদ্মা
(গ) সমুদ্র
(ঘ) পদ্মাবতী
উত্তরঃ (ক) বিধি
৩৫. পদ্মা কার প্রতি হতাশ না হতে বলেছিলেন?
(ক) পিতা
(খ) সখী
(গ) পদ্মাবতী
(ঘ) বিধি বা ঈশ্বর
উত্তরঃ (ঘ) বিধি বা ঈশ্বর
৩৬. “এ কী! সখী, সবে মিলি” — পদ্মাবতী এই উক্তিটি কেন করেছিলেন?
(ক) আনন্দ প্রকাশ করতে
(খ) বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করতে
(গ) রাগ প্রকাশ করতে
(ঘ) ভয় প্রকাশ করতে
উত্তরঃ (খ) বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করতে
৩৭. ‘সখি সবে’ কী করছিল?
(ক) কাঁদছিল
(খ) সেবা করছিল
(গ) কথা বলছিল
(ঘ) অচেতন ছিল
উত্তরঃ (খ) সেবা করছিল
৩৮. “কনক মন্দির” — ‘কনক’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) রুপা
(খ) তামা
(গ) সোনা
(ঘ) লোহা
উত্তরঃ (গ) সোনা
৩৯. ‘অচৈতন্য’ এবং ‘অচেতন’ শব্দদুটির অর্থ কী?
(ক) আলাদা
(খ) একই অর্থে ব্যবহৃত, অর্থাৎ জ্ঞানহীন
(গ) বিপরীত
(ঘ) সম্পর্কহীন
উত্তরঃ (খ) একই অর্থে ব্যবহৃত, অর্থাৎ জ্ঞানহীন
৪০. “যদি হয় জীবিত” — এই আশায় পদ্মা কী করেছিলেন?
(ক) প্রার্থনা করেছিলেন
(খ) চিকিৎসা শুরু করেছিলেন
(গ) জল ছিটিয়েছিলেন
(ঘ) ডেকেছিলেন
উত্তরঃ (খ) চিকিৎসা শুরু করেছিলেন
৪১. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় কোন রসের প্রাধান্য রয়েছে?
(ক) বীররস
(খ) করুণ রস
(গ) শান্ত রস
(ঘ) অদ্ভুত রস
উত্তরঃ (ঘ) অদ্ভুত রস
৪২. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় ঘটনাটি দিনের কোন সময়ে ঘটে?
(ক) সকালে
(খ) দুপুরে
(গ) সন্ধ্যায়
(ঘ) কবিতায় উল্লেখ নেই
উত্তরঃ (ঘ) কবিতায় উল্লেখ নেই
৪৩. পদ্মাবতীর জ্ঞান ফেরার পর তিনি নিজেকে কোথায় আবিষ্কার করেন?
(ক) সমুদ্রের ধারে
(খ) স্বর্গে
(গ) একটি মনোরম উদ্যানে
(ঘ) নিজের প্রাসাদে
উত্তরঃ (গ) একটি মনোরম উদ্যানে
৪৪. “হৃদয়ে ভাবিত…” — কে হৃদয়ে ভাবছিলেন?
(ক) পদ্মাবতী
(খ) সখী
(গ) পদ্মা
(ঘ) কবি
উত্তরঃ (গ) পদ্মা
৪৫. পদ্মাবতীর কেশের সঙ্গে কিসের তুলনা করা হয়েছে?
(ক) ফুলের
(খ) মেঘের
(গ) নদীর
(ঘ) সোনার
উত্তরঃ (খ) মেঘের
৪৬. ‘সিন্ধুতীরে’ কোন ভাষারীতির নিদর্শন?
(ক) সাধু ভাষা
(খ) চলিত ভাষা
(গ) মিশ্র ভাষা
(ঘ) আধুনিক বাংলা
উত্তরঃ (ক) সাধু ভাষা
৪৭. “বাহুরক সখী” — প্রদত্ত প্রশ্নমালার তথ্য অনুযায়ী কে সখীদের বাহুড়িয়েছিল?
(ক) পদ্মা
(খ) পদ্মাবতী
(গ) সমুদ্র-নৃপতি
(ঘ) এক সখী অন্য সখীকে
উত্তরঃ (খ) পদ্মাবতী
৪৮. “বিধি মোরে না করো নৈরাশ” — এখানে ‘বিধি’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
(ক) রাজাকে
(খ) সমুদ্র-নৃপতিকে
(গ) ঈশ্বর বা ভাগ্যনিয়ন্তাকে
(ঘ) কোনো সখীকে
উত্তরঃ (গ) ঈশ্বর বা ভাগ্যনিয়ন্তাকে
৪৯. “তথা কন্যা থাকে সর্বক্ষণ” — ‘কন্যা’টি কে?
(ক) পদ্মাবতী
(খ) লক্ষ্মী
(গ) পদ্মা
(ঘ) সখী
উত্তরঃ (গ) পদ্মা
৫০. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশের মূল ভাব কী?
(ক) প্রকৃতির সৌন্দর্য
(খ) সমুদ্রযাত্রা
(গ) এক নারীর দ্বারা অন্য নারীর উদ্ধার ও সেবা
(ঘ) যুদ্ধবিগ্রহ
উত্তরঃ (গ) এক নারীর দ্বারা অন্য নারীর উদ্ধার ও সেবা
[Madhyamik Bengali Suggestion Click Here]
অতিসংক্ষিপ্ত : সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণীর বাংলা | WBBSE Madhyamik Bengali Sindhutire SAQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘মাঞ্জস’ কী?
উত্তরঃ মাঞ্জস হলো ভেলা।
২. ‘পঞ্চকন্যা’ কারা?
উত্তরঃ পঞ্চকন্যা হলেন রাজকুমারী পদ্মাবতী এবং তাঁর চারজন সখী।
৩. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটি কোন কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটি সৈয়দ আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে।
৪. ‘সমুদ্র-নৃপতি-সুতা’ কে?
উত্তরঃ ‘সমুদ্র-নৃপতি-সুতা’ হলেন পদ্মা।
৫. পঞ্চকন্যা কেন অচেতন ছিলেন?
উত্তরঃ সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাতে এবং বিপর্যয়ের কারণে পঞ্চকন্যা অচেতন ছিলেন।
৬. ‘মহৌষধ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘মহৌষধ’ শব্দের অর্থ হলো শ্রেষ্ঠ বা অব্যর্থ ঔষধ।
৭. “বিধি মোরে না করো নৈরাশ”—বক্তা কে?
উত্তরঃ এই উক্তিটির বক্তা হলেন পদ্মা।
৮. পদ্মা অচেতন কন্যাদের কোথায় নিয়ে গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ পদ্মা অচেতন কন্যাদের একটি মনোরম উদ্যানের মাঝে নিয়ে গিয়েছিলেন।
৯. কত দণ্ড পরে পঞ্চকন্যার জ্ঞান ফিরেছিল?
উত্তরঃ চারি দণ্ড পরে পঞ্চকন্যার জ্ঞান ফিরেছিল।
১০. ‘বৈথান’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘বৈথান’ শব্দের অর্থ হলো স্থান বা জায়গা।
১১. পদ্মাবতীর বসন কেমন ছিল?
উত্তরঃ পদ্মাবতীর বসন সমুদ্রের জলে ভেজা ছিল।
১২. পদ্মা কার কন্যা ছিলেন?
উত্তরঃ পদ্মা সমুদ্র-নৃপতির কন্যা ছিলেন।
১৩. সৈয়দ আলাওল কোন যুগের কবি?
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওল মধ্যযুগের কবি।
১৪. পদ্মাবতীর কেশের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ পদ্মাবতীর কেশ ছিল মেঘের মতো কালো ও দীর্ঘ; তা বিনুনি করে সাজানো ছিল।
১৫. পদ্মা কার কাছে প্রার্থনা করেছিলেন?
উত্তরঃ পদ্মা বিধি বা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন।
১৬. ‘সত্বরে’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘সত্বরে’ শব্দের অর্থ হলো দ্রুত বা তাড়াতাড়ি।
১৭. “এ কী! সখী, সবে মিলি”—পদ্মাবতী কেন এই উক্তি করেছিলেন?
উত্তরঃ জ্ঞান ফেরার পর নিজেকে এক অচেনা সুন্দর উদ্যানে এবং সখীদের সেবারত দেখে বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করে পদ্মাবতী এই উক্তি করেছিলেন।
১৮. ‘সিন্ধুতীরে’ কোন ভাষারীতির নিদর্শন?
উত্তরঃ ‘সিন্ধুতীরে’ মধ্যযুগীয় বাংলা বা সাধু ভাষারীতির নিদর্শন।
১৯. ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটি কোন কাব্যের অনুবাদ?
উত্তরঃ ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটি মালিক মহম্মদ জায়সীর ‘পদুমাবৎ’ কাব্যের অনুবাদ।
২০. ‘তথা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘তথা’ শব্দের অর্থ হলো সেখানে।
২১. কন্যাদের চেতনা ফেরানোর জন্য কী করা হয়েছিল?
উত্তরঃ কন্যাদের চেতনা ফেরানোর জন্য আগুন জ্বেলে সেক দেওয়া হয়েছিল এবং ঔষধ প্রয়োগ করা হয়েছিল।
২২. জ্ঞান ফেরার পর পদ্মাবতী কাকে দেখতে পান?
উত্তরঃ জ্ঞান ফেরার পর পদ্মাবতী দেখেন যে, তাঁর চারজন সখী তাঁর সেবা করছে।
২৩. পদ্মা কন্যাদের জন্য কীসের শয্যা তৈরি করেছিলেন?
উত্তরঃ পদ্মা কন্যাদের জন্য নরম বস্ত্রের শয্যা তৈরি করেছিলেন।
২৪. ‘অচৈতন্য’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘অচৈতন্য’ শব্দের অর্থ হলো চৈতন্যহীন বা জ্ঞানহীন।
২৫. কে কন্যাদের বসন শুকানোর ব্যবস্থা করেছিলেন?
উত্তরঃ পদ্মা আগুন জ্বেলে কন্যাদের বসন শুকানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।
২৬. ‘দিব্যপুরী’র বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ ‘দিব্যপুরী’ ছিল সমুদ্রতীরে অবস্থিত এক মনোরম স্থান, যেখানে কোনো দুঃখ বা কষ্ট ছিল না।
২৭. “অতিরিক্ত হয় রূপ”—কার রূপ?
উত্তরঃ এখানে পদ্মাবতীর অপরূপ রূপের কথা বলা হয়েছে।
২৮. ‘সখী সবে’ কী করছিল?
উত্তরঃ জ্ঞান ফেরার পর ‘সখী সবে’ পদ্মাবতীর সেবা করছিল।
২৯. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় কার মানবিকতার পরিচয় পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় পদ্মার মানবিকতার পরিচয় পাওয়া যায়।
৩০. পদ্মা অচেতন কন্যাদের দেখে কী করতে উদ্যত হন?
উত্তরঃ পদ্মা অচেতন কন্যাদের দেখে তাদের সেবা ও চিকিৎসার জন্য উদ্যত হন।
৩১. ‘পরিধান’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘পরিধান’ শব্দের অর্থ হলো পোশাক বা পরিধেয় বস্ত্র।
৩২. ‘বেণী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘বেণী’ শব্দের অর্থ হলো বিনুনি করা চুল।
৩৩. পদ্মা ও পদ্মাবতীর মধ্যে সম্পর্ক কী?
উত্তরঃ পদ্মা হলেন উদ্ধারকর্ত্রী এবং পদ্মাবতী হলেন উদ্ধারপ্রাপ্তা।
৩৪. ‘কনক মন্দির’ কোথায় ছিল?
উত্তরঃ ‘কনক মন্দির’ সমুদ্রতীরে অবস্থিত দিব্যপুরীতে ছিল।
৩৫. “বিস্মিত হইল বালা”—‘বালা’ কে?
উত্তরঃ এখানে ‘বালা’ বলতে পদ্মাবতীকে বোঝানো হয়েছে।
৩৬. দিব্যপুরীটি কোথায় অবস্থিত ছিল?
উত্তরঃ দিব্যপুরীটি সিন্ধুতীরে বা সমুদ্রের তীরে অবস্থিত ছিল।
৩৭. অচেতন কন্যাদের দেখে পদ্মা প্রথমে কী ভেবেছিলেন?
উত্তরঃ অচেতন কন্যাদের দেখে পদ্মা প্রথমে ভেবেছিলেন, তাঁরা হয়তো কোনো দেবী অথবা ইন্দ্রের শাপে স্বর্গ থেকে বিচ্যুত কোনো অপ্সরা।
৩৮. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটি কোন পর্বের অন্তর্গত?
উত্তরঃ ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটি ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের ‘পদ্মা-সমুদ্র খণ্ড’ পর্বের অন্তর্গত।
৩৯. পদ্মাবতীর রূপ কেমন ছিল?
উত্তরঃ পদ্মাবতীর রূপ ছিল অত্যন্ত সুন্দর; তাঁর রূপের কাছে সূর্য-চন্দ্রও ম্লান হয়ে যায় এবং তাঁর তনু বিদ্যুতের মতো উজ্জ্বল ছিল।
৪০. পদ্মা অচেতন কন্যাদের দেখে কীভাবে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ পদ্মা অচেতন কন্যাদের উদ্ধার করে উদ্যানের মধ্যে নিয়ে যান, তাঁদের শয্যার ব্যবস্থা করেন, সেক দেন এবং চিকিৎসার মাধ্যমে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করেন।
[Madhyamik Suggestion Click Here]
সংক্ষিপ্ত : সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Sindhutire QNA [প্রশ্নমান – ৩]
১. “দেখিয়া রূপের কলা / বিস্মিত হইল বালা”—কার রূপ দেখে কে বিস্মিত হয়েছিল? রূপের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ পদ্মাবতীর অপরূপ রূপ দেখে সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মা বিস্মিত হয়েছিলেন। পদ্মাবতীর তনু ছিল তড়িৎ-উজ্জ্বল। তাঁর রূপের কাছে রবি-শশীও ম্লান হয়ে যেত। তাঁর কেশ ছিল মেঘের মতো কালো ও দীর্ঘ এবং বেণীবদ্ধ। তাঁর সৌন্দর্য ছিল অলৌকিক ও অতুলনীয়।
২. “পঞ্চকন্যা পাইলা চেতন”—তারা কীভাবে চেতনা ফিরে পেয়েছিল?
উত্তরঃ পদ্মা ও তাঁর সখীরা পঞ্চকন্যার যত্নসহকারে সেবা-শুশ্রূষা করেন। আগুন জ্বেলে সেক দেওয়া, ভেজা বস্ত্র শুকানোর ব্যবস্থা এবং মহৌষধ প্রয়োগের ফলে পঞ্চকন্যার চেতনা ফিরে আসে। প্রায় চারি দণ্ড পরে তারা জ্ঞান ফিরে পায়।
৩. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় পদ্মার চরিত্রটি কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ পদ্মা একজন দয়ালু, পরোপকারী ও মানবিক নারী। অচেতন পঞ্চকন্যাকে দেখে তিনি শুধু সহানুভূতি প্রকাশ করেননি, সক্রিয়ভাবে তাদের উদ্ধার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। তাঁর সেবা-শুশ্রূষা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে তাঁর মহৎ হৃদয় ও মানবিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. “বিধি মোরে না করো নৈরাশ”—বক্তা কে? তিনি এমন প্রার্থনা করেছেন কেন?
উত্তরঃ উক্তিটির বক্তা সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মা। অচেতন পঞ্চকন্যাকে দেখে তাঁদের জীবন নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁদের প্রাণরক্ষা করতে পারার আশায় তিনি বিধি বা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন, যেন তিনি নিরাশ না হন।
৫. “চারি সখী চারিভিতে / মধ্যে যে কন্যাখানি”—এই দৃশ্যের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ মাঞ্জসের মধ্যে পাঁচজন কন্যা অচেতন অবস্থায় ছিল। মাঝখানে ছিলেন রাজকুমারী পদ্মাবতী এবং তাঁকে ঘিরে চারদিকে ছিলেন তাঁর চার সখী। তাঁদের বসন ছিল জলে ভেজা এবং তাঁরা বিপর্যস্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। দৃশ্যটি তাঁদের অসহায় অবস্থাকে প্রকাশ করে।
৬. “কিঞ্চিতরূপেতে তার আছে মাত্র শ্বাস”—এই পঙক্তিটির তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ পঙক্তিটির মাধ্যমে পঞ্চকন্যার আশঙ্কাজনক শারীরিক অবস্থার কথা বোঝানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জীবনের চিহ্ন হিসেবে কেবল সামান্য শ্বাস-প্রশ্বাস অবশিষ্ট ছিল। অর্থাৎ তাঁরা জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন।
৭. “সখি সবে আজ্ঞা দিল”—কে, কেন আজ্ঞা দিয়েছিল?
উত্তরঃ পদ্মা তাঁর সখীদের আজ্ঞা দিয়েছিলেন। অচেতন পঞ্চকন্যাকে বাঁচানোর জন্য তাঁদের সেবা, সেক দেওয়া এবং ভেজা বস্ত্র শুকানোর ব্যবস্থা করতে তিনি সখীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
৮. “সিন্ধুতীরে দেখি দিব্য স্থান”—দিব্য স্থানটির বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ সিন্ধুতীরে অবস্থিত দিব্য স্থানটি ছিল অত্যন্ত মনোরম। সেখানে সুন্দর উদ্যান, ফল-ফুল এবং কনক মন্দিরের উল্লেখ রয়েছে। স্থানটির সৌন্দর্য ও শান্ত পরিবেশ তাকে একটি দিব্য ও মনোরম আশ্রয়স্থল করে তুলেছিল।
৯. ‘তথা কন্যা থাকে সর্বক্ষণ’—‘কন্যা’টির পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ‘কন্যা’টি হলেন সমুদ্র-নৃপতির কন্যা পদ্মা। তিনি দিব্যপুরীতে বাস করতেন। বিপন্ন পঞ্চকন্যাকে উদ্ধার ও সেবা করে তিনি তাঁর দয়া, পরোপকার ও মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন।
১০. অচেতন কন্যাদের দেখে পদ্মার মনে কী কী ভাবনা এসেছিল?
উত্তরঃ অচেতন কন্যাদের অপরূপ রূপ দেখে পদ্মা প্রথমে ভেবেছিলেন, তাঁরা হয়তো কোনো দেবী। পরে তাঁর মনে হয়, তাঁরা হয়তো ইন্দ্রের শাপে স্বর্গ থেকে বিচ্যুত অপ্সরা। তাঁদের পরিচয় নিয়ে তাঁর মনে বিস্ময় ও কৌতূহল জেগেছিল।
১১. জ্ঞান ফেরার পর পদ্মাবতী কী দেখেছিলেন এবং তাঁর প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
উত্তরঃ জ্ঞান ফেরার পর পদ্মাবতী নিজেকে একটি মনোরম উদ্যানে দেখতে পান এবং তাঁর চার সখীকে সেবারত অবস্থায় দেখতে পান। অপরিচিত পরিবেশ দেখে তিনি বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন হন এবং কীভাবে তাঁরা সেখানে এলেন তা নিয়ে জানতে চান।
১২. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় অলৌকিকতার পরিচয় দাও।
উত্তরঃ কবিতায় দিব্যপুরী, সমুদ্র-নৃপতির কন্যা পদ্মা এবং পদ্মাবতীর অলৌকিক সৌন্দর্য—এসবের মাধ্যমে অলৌকিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। বিশেষত পদ্মাবতীর রূপের সঙ্গে রবি-শশীর তুলনা কবিতায় এক অলৌকিক ও বিস্ময়কর আবহ সৃষ্টি করেছে।
১৩. “সিন্ধু-নৃপতি” কে? তাঁর কন্যার পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ‘সিন্ধু-নৃপতি’ বলতে সমুদ্রের অধিপতি বা সমুদ্র-রাজকে বোঝানো হয়েছে। তাঁর কন্যা হলেন পদ্মা। পদ্মা পঞ্চকন্যাকে উদ্ধার ও সেবা করে তাঁর দয়ালু ও মানবিক চরিত্রের পরিচয় দিয়েছেন।
১৪. “অচৈতন্য পড়ি আছে”—কারা এবং কেন অচৈতন্য ছিল?
উত্তরঃ পদ্মাবতী ও তাঁর চার সখী অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে ছিলেন। সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাত ও বিপর্যয়ের কারণে তাঁরা জ্ঞান হারিয়েছিলেন।
১৫. “করুণা-স্বরূপ” কে? তাঁকে কেন এমন বলা হয়েছে?
উত্তরঃ ‘করুণা-স্বরূপ’ বলতে বিধি বা ঈশ্বরকে বোঝানো হয়েছে। পদ্মা বিপন্ন কন্যাদের জীবনরক্ষার জন্য ঈশ্বরের ওপর ভরসা করেছিলেন। তাই ঈশ্বরকে করুণার মূর্ত প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৬. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় প্রকৃতির বর্ণনা কীভাবে এসেছে?
উত্তরঃ কবিতায় প্রকৃতির দুটি বিপরীত রূপ দেখা যায়। একদিকে সমুদ্রের ঢেউ ও বিপর্যয়ের ভয়ঙ্কর রূপ পঞ্চকন্যাকে বিপন্ন করেছে। অন্যদিকে সমুদ্রতীরের সুন্দর উদ্যান ও মনোরম পরিবেশ তাদের আশ্রয় দিয়েছে।
১৭. “জিনিয়া কতো রবি শশী”—এই উপমাটির সার্থকতা কী?
উত্তরঃ এই পঙক্তির মাধ্যমে পদ্মাবতীর অপরূপ সৌন্দর্য প্রকাশ করা হয়েছে। সূর্য ও চন্দ্র আলোক ও সৌন্দর্যের প্রতীক। কিন্তু পদ্মাবতীর রূপের ঔজ্জ্বল্য এত বেশি যে রবি-শশীর সৌন্দর্যও তাঁর কাছে ম্লান হয়ে যায়। এর মাধ্যমে তাঁর রূপের অতুলনীয়তা প্রকাশ পেয়েছে।
১৮. পদ্মাবতীর জ্ঞান ফেরার পরের মানসিক অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তরঃ জ্ঞান ফেরার পর পদ্মাবতীর মনে বিস্ময়, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। তিনি নিজেকে একটি অচেনা সুন্দর উদ্যানে এবং সখীদের সেবারত অবস্থায় দেখতে পান। কীভাবে তাঁরা সেখানে পৌঁছেছেন, তা বুঝতে না পেরে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।
১৯. পদ্মা কীভাবে পঞ্চকন্যার সেবা করেছিলেন?
উত্তরঃ পদ্মা পঞ্চকন্যাকে উদ্যানের মধ্যে নিয়ে গিয়ে বস্ত্রের শয্যায় শুইয়ে দেন। আগুন জ্বেলে তাঁদের সেক দেন এবং ভেজা বস্ত্র শুকানোর ব্যবস্থা করেন। পরে মহৌষধ প্রয়োগ করে তাঁদের চেতনা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন।
২০. “বাহুরক সখী”—এই উক্তির মাধ্যমে পদ্মাবতীর চরিত্রের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তরঃ উক্তিটির মাধ্যমে পদ্মাবতীর স্নেহপ্রবণতা ও সখীদের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। জ্ঞান ফেরার পর সখীদের কাছে পেয়ে তাঁর আপনজনদের প্রতি নির্ভরতা ও মমত্বের পরিচয় পাওয়া যায়।
২১. “মনেতে কৌতুক বাসি”—পদ্মার মনে কী নিয়ে কৌতুক জেগেছিল?
উত্তরঃ অচেতন কন্যাদের অপরূপ সৌন্দর্য ও রহস্যময় পরিচয় দেখে পদ্মার মনে কৌতূহল জেগেছিল। তাঁরা কারা, কোথা থেকে এসেছেন এবং কীভাবে এই অবস্থায় পড়েছেন—এসব জানার জন্য তিনি উৎসুক হয়ে উঠেছিলেন।
২২. “তুরিত” শব্দের অর্থ কী? কবিতায় এর প্রয়োগ দেখাও।
উত্তরঃ ‘তুরিত’ শব্দের অর্থ দ্রুত বা সত্বর। কবিতায় এই শব্দের মাধ্যমে পদ্মার দ্রুত এগিয়ে এসে অচেতন কন্যাদের দেখার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। এতে ঘটনার দ্রুততা ও তৎপরতা প্রকাশ পেয়েছে।
২৩. ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের মূল কাহিনির পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের মূল কাহিনি সিংহলের রাজকুমারী পদ্মাবতী ও চিতোরের রাজা রত্নসেনের প্রেমকাহিনিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। কাব্যটি মালিক মহম্মদ জায়সীর ‘পদুমাবৎ’-এর অনুসরণে রচিত। কাহিনিতে প্রেম, বিরহ, যুদ্ধ ও আত্মমর্যাদার নানা ঘটনা স্থান পেয়েছে।
২৪. সৈয়দ আলাওলকে ‘মহাকবি’ বলা হয় কেন?
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর রচনায় পাণ্ডিত্য, কাব্যপ্রতিভা, ভাষার সৌন্দর্য ও মানবিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। ‘পদ্মাবতী’-র মতো উল্লেখযোগ্য কাব্য রচনা এবং চরিত্রচিত্রণের নৈপুণ্যের জন্য তাঁকে ‘মহাকবি’ বলা হয়।
২৫. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় নারী চরিত্রের ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় নারী চরিত্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পদ্মা এখানে উদ্ধারকর্ত্রী ও সেবিকার ভূমিকা পালন করেছেন। অন্যদিকে পদ্মাবতী ও তাঁর চার সখী বিপন্ন নারীর প্রতীক। এক নারীর দ্বারা অন্য নারীর উদ্ধার, সেবা, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে কবিতায় নারীশক্তির মানবিক ও ইতিবাচক রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
রচনাধর্মী : সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Sindhutire LAQ [প্রশ্নমান – ৫]
১. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশে মানবিকতা ও সেবার যে আদর্শ ফুটে উঠেছে, তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: সৈয়দ আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের অন্তর্গত ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটি শুধুমাত্র একটি কাহিনিনির্ভর রচনা নয়; এর মধ্যে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও নিঃস্বার্থ সেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মার চরিত্রের মধ্য দিয়ে কবি এই আদর্শকে তুলে ধরেছেন।
মানবিকতা ও সেবার প্রকাশ:
১. বিপন্নের প্রতি করুণা: সমুদ্রতীরে পাঁচজন অচেতন কন্যাকে দেখে পদ্মার মনে গভীর করুণা ও সহানুভূতির জন্ম হয়। তাদের বিপন্ন অবস্থা দেখে তিনি সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন।
২. সক্রিয় উদ্ধারকার্য: পদ্মা শুধু করুণা প্রকাশ করেই থেমে থাকেননি। তিনি অচেতন কন্যাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন এবং তাদের প্রাণরক্ষার চেষ্টা করেন।
৩. নিঃস্বার্থ সেবা: পদ্মা ও তাঁর সখীরা অত্যন্ত যত্নসহকারে পঞ্চকন্যার সেবা করেন। আগুন জ্বেলে শরীর গরম করা, ভেজা পোশাক শুকানোর ব্যবস্থা করা, ঔষধ প্রয়োগ করা এবং নরম শয্যার ব্যবস্থা করার মধ্য দিয়ে তাঁদের সেবাপরায়ণতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. নারীশক্তির পরিচয়: এই উদ্ধার ও সেবার কাজ নারীদের দ্বারাই সম্পন্ন হয়েছে। পদ্মা ও তাঁর সখীদের ভূমিকা প্রমাণ করে যে নারী কেবল সৌন্দর্যের প্রতীক নন, তিনি শক্তি, মমতা ও মানবিকতারও আধার।
উপসংহার: সুতরাং, ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশে পদ্মার নিঃস্বার্থ সেবার মধ্য দিয়ে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক শাশ্বত মানবিক আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
২. “পঞ্চকন্যা পাইলা চেতন”—‘পঞ্চকন্যা’ কারা? তারা কীভাবে অচেতন হয়েছিল এবং কীভাবে তাদের চেতনা ফিরিয়ে আনা হয়েছিল? বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ পঞ্চকন্যার পরিচয়: ‘পঞ্চকন্যা’ বলতে সিংহলের রাজকুমারী পদ্মাবতী এবং তাঁর চারজন সখীকে বোঝানো হয়েছে।
অচেতন হওয়ার কারণ: ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের কাহিনি অনুসারে, রাজকুমারী পদ্মাবতী ও তাঁর সখীরা সমুদ্রপথে যাত্রাকালে ভয়ংকর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েন। সমুদ্রের প্রবল ঢেউ ও বিপর্যয়ের আঘাতে তাঁরা বিপন্ন হয়ে পড়েন। তাঁদের আশ্রয় ছিল একটি ভেলা বা ‘মাঞ্জস’। সমুদ্রের প্রচণ্ড আঘাতে পাঁচজনই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং অচেতন অবস্থায় ভেলাসহ সমুদ্রতীরে এসে পৌঁছান।
চেতনা ফিরিয়ে আনার বৃত্তান্ত: সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মা তাঁদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধারের ব্যবস্থা করেন। তিনি ও তাঁর সখীরা মিলে—
১. পঞ্চকন্যাকে মনোরম উদ্যানে নিয়ে গিয়ে নরম বস্ত্রের শয্যায় শুইয়ে দেন।
২. আগুন জ্বেলে তাঁদের শরীর গরম করার এবং ভেজা পোশাক শুকানোর ব্যবস্থা করেন।
৩. তাঁদের সুস্থ করে তোলার জন্য বিভিন্ন ধরনের ‘মহৌষধ’ বা উৎকৃষ্ট ঔষধ প্রয়োগ করেন।
এই নিবিড় পরিচর্যা ও চিকিৎসার ফলে প্রায় চার দণ্ড বা ৯৬ মিনিট পরে পঞ্চকন্যার চেতনা ফিরে আসে।
উপসংহার: পদ্মা ও তাঁর সখীদের আন্তরিক সেবা ও চিকিৎসার ফলেই পঞ্চকন্যা নতুন জীবন ফিরে পেয়েছিল। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে পদ্মার দয়া, মমতা ও সেবাপরায়ণতার পরিচয় পাওয়া যায়।
৩. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশ অবলম্বনে পদ্মা চরিত্রটির পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ভূমিকা: সৈয়দ আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের অন্তর্গত ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশে সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মা এক প্রধান ও উজ্জ্বল চরিত্র। তাঁর চরিত্রের মধ্য দিয়ে কবি দয়া, সেবা, কৌতূহল ও মানবিকতার আদর্শ তুলে ধরেছেন।
চরিত্রের বৈশিষ্ট্য:
১. কৌতূহলী ও সৌন্দর্য-পিপাসু: সমুদ্রতীরে অচেতন পঞ্চকন্যাকে দেখে পদ্মার মনে তীব্র কৌতূহল জাগে। তাঁদের অসাধারণ রূপ দেখে তিনি মুগ্ধ হন এবং তাঁদের পরিচয় জানার জন্য উৎসুক হয়ে ওঠেন।
২. দয়ালু ও পরোপকারী: পদ্মা অত্যন্ত দয়ালু ও পরোপকারী। বিপন্ন ও অসহায় কন্যাদের দেখে তাঁর মনে গভীর করুণার উদ্রেক হয়। তিনি তাঁদের উদ্ধারের জন্য সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসেন।
৩. সেবাপরায়ণা ও মানবিক: পদ্মার চরিত্রের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য তাঁর সেবাপরায়ণতা। তিনি অচেতন কন্যাদের মনোরম উদ্যানে নিয়ে গিয়ে আগুন জ্বেলে, ঔষধ প্রয়োগ করে এবং নানাভাবে সেবা করে তাঁদের প্রাণরক্ষার ব্যবস্থা করেন।
৪. ঈশ্বরবিশ্বাসী: কন্যাদের জীবন নিয়ে সন্দিহান হয়ে পদ্মা বিধি বা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন—“বিধি মোরে না করো নৈরাশ”। এই উক্তির মধ্য দিয়ে তাঁর ঈশ্বরবিশ্বাসী মনের পরিচয় পাওয়া যায়।
উপসংহার: সুতরাং, পদ্মা চরিত্রটি দয়া, সেবা, পরোপকার ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর নিঃস্বার্থ সেবাই কাব্যাংশের ঘটনাপ্রবাহকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।
৪. “বিস্মিত হইল বালা/দেখিয়া রূপের কলা”—কার রূপের কথা বলা হয়েছে? সেই রূপের বর্ণনা দাও এবং এই রূপ দেখে বক্তার কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল?
উত্তরঃ ভূমিকা: সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশে এই উক্তিটি রাজকুমারী পদ্মাবতীর অপরূপ সৌন্দর্য প্রসঙ্গে করা হয়েছে।
রূপের বর্ণনা: কবি পদ্মাবতীর রূপকে অলৌকিক ও স্বর্গীয় সৌন্দর্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
১. দৈহিক সৌন্দর্য: পদ্মাবতীর শরীর ছিল বিদ্যুতের মতো উজ্জ্বল। কবি তাঁর শরীরের সৌন্দর্য বোঝাতে ‘তড়িৎ-উজ্জ্বল তনু’ কথাটি ব্যবহার করেছেন। তাঁর রূপের কাছে সূর্য ও চন্দ্রের সৌন্দর্যও ম্লান হয়ে যায়।
২. কেশের সৌন্দর্য: তাঁর চুল ছিল মেঘের মতো কালো ও দীর্ঘ। তাঁর কেশ বিনুনি করে সাজানো ছিল।
৩. সামগ্রিক সৌন্দর্য: পদ্মাবতীর রূপ ছিল এতটাই অসাধারণ যে তা সাধারণ ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। তাঁর রূপের অপূর্ব কারুকার্য দর্শককে সহজেই মুগ্ধ করে।
বক্তার প্রতিক্রিয়া: এখানে বক্তা ও দর্শক হলেন সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মা। পদ্মাবতীর অলৌকিক সৌন্দর্য দেখে পদ্মা বিস্মিত ও হতবাক হয়ে যান। তাঁর মনে হয়, এমন অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারিণী কোনো সাধারণ মানবী হতে পারেন না। তিনি ভাবেন, এই কন্যা হয়তো কোনো দেবী অথবা ইন্দ্রের শাপে স্বর্গ থেকে পতিত কোনো অপ্সরা। এই সৌন্দর্য পদ্মার মনে গভীর কৌতূহল সৃষ্টি করে।
উপসংহার: পদ্মাবতীর অপরূপ সৌন্দর্য দেখে পদ্মার বিস্ময় ও কৌতূহল কাব্যাংশের এই অংশটিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
৫. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: সাহিত্যের নামকরণ সাধারণত বিষয়বস্তু, ঘটনাস্থল অথবা মূল ভাবনার ওপর নির্ভর করে। সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটির নামকরণ ঘটনাস্থল-ভিত্তিক এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
ঘটনাস্থলের গুরুত্ব: কাব্যাংশের প্রধান ঘটনাগুলি সিন্ধুতীর বা সমুদ্রের তীরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
১. ঘটনার সূচনা: কাব্যাংশের শুরুতেই কবি বলেছেন, “সিন্ধুতীরে দেখি দিব্য স্থান”। এই সিন্ধুতীরেই সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মার বাসস্থান অবস্থিত।
২. মূল ঘটনা: সমুদ্রের বুকে ভেসে আসা অচেতন পঞ্চকন্যাকে পদ্মার দেখতে পাওয়া এবং তাঁদের উদ্ধার করার ঘটনা সিন্ধুতীরকে কেন্দ্র করেই ঘটেছে।
৩. আশ্রয় ও আরোগ্য: পঞ্চকন্যাকে উদ্ধার করে যে মনোরম উদ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়, সেটিও সিন্ধুতীরের পরিবেশের অন্তর্গত। সেখানেই তাঁদের সেবা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
ব্যঞ্জনাধর্মী তাৎপর্য: ‘সিন্ধুতীরে’ শুধু একটি ভৌগোলিক স্থানকে বোঝায় না; কাব্যাংশের ঘটনাপ্রবাহে এটি আশ্রয় ও নতুন জীবনের পরিবেশ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্রের বিপর্যয়ে পঞ্চকন্যা অচেতন হয়ে পড়লেও সমুদ্রতীরেই তাঁরা উদ্ধার ও সেবার সুযোগ পান। এইভাবে সিন্ধুতীর বিপদের পর আশ্রয় লাভের একটি তাৎপর্যপূর্ণ স্থান হয়ে উঠেছে।
উপসংহার: যেহেতু কাব্যাংশের প্রধান ঘটনাগুলি সিন্ধুতীরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এবং এই স্থানটি কাহিনির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, তাই ‘সিন্ধুতীরে’ নামকরণটি যথার্থ ও সার্থক।
৬. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশে মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কোন কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটি সপ্তদশ শতকের রচনা। এই কাব্যাংশে বিষয়বস্তু, চরিত্র, ভাষা ও ভাবনার দিক থেকে মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একাধিক বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।
বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. দেবদেবীর প্রভাব ও অলৌকিকতা: মধ্যযুগীয় সাহিত্যে দেবদেবী ও অলৌকিক ঘটনার প্রভাব লক্ষ করা যায়। এই কাব্যাংশেও সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মার উপস্থিতি, পদ্মাবতীর অলৌকিক সৌন্দর্য এবং তাঁকে দেবী বা ইন্দ্রের শাপে স্বর্গচ্যুত অপ্সরা বলে মনে করার ঘটনা অলৌকিকতার পরিচয় বহন করে।
২. ধর্মীয় অনুষঙ্গ ও ঈশ্বরবিশ্বাস: কাব্যাংশে বিধি বা ঈশ্বরের প্রতি আস্থার পরিচয় পাওয়া যায়। পদ্মা বিপন্ন কন্যাদের জীবন নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে প্রার্থনা করেন—“বিধি মোরে না করো নৈরাশ”। এই উক্তিতে ঈশ্বরবিশ্বাসের প্রকাশ ঘটেছে।
৩. প্রাচীন শব্দের ব্যবহার: কাব্যাংশে ‘বৈথান’, ‘মাঞ্জস’, ‘তুরিত’ প্রভৃতি প্রাচীন শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। এই শব্দগুলি মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষার বৈশিষ্ট্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
৪. কাব্যিক কল্পনা ও অতিরঞ্জন: পদ্মাবতীর সৌন্দর্যকে সূর্য-চন্দ্রের সৌন্দর্যের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধরনের কল্পনাপ্রবণ ও অলংকারসমৃদ্ধ বর্ণনা মধ্যযুগীয় কাব্যধারার পরিচায়ক।
৫. আখ্যানধর্মিতা: কাব্যাংশে চরিত্র, ঘটনাপ্রবাহ, বিপদ, উদ্ধার ও পরিচয় জানার মতো ধারাবাহিক কাহিনির উপস্থাপন রয়েছে। এটি মধ্যযুগীয় আখ্যানকাব্যের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।
উপসংহার: বিষয়বস্তু, কাব্যিক কল্পনা, প্রাচীন শব্দের ব্যবহার, ধর্মীয় অনুষঙ্গ ও আখ্যানধর্মিতার মধ্য দিয়ে ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশে মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
৭. “সিন্ধুতীরে রহি নানা সুখে”—বক্তা কে? তাঁর সুখের পরিচয় দাও। এই সুখের আবহে হঠাৎ কী ঘটনা ঘটল?
উত্তরঃ বক্তা: এই পঙ্ক্তিতে কবি সৈয়দ আলাওল সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মার সুখী জীবনযাত্রার বর্ণনা করেছেন। পদ্মা সিন্ধুতীরে অবস্থিত দিব্যপুরীতে নানা সুখে বাস করতেন।
সুখের পরিচয়: পদ্মার বাসস্থান ‘দিব্যপুরী’ ছিল এক মনোরম ও স্বর্গীয় স্থান। সেখানে সুন্দর উদ্যান, ফল ও ফুলের সমারোহ এবং সোনার মন্দিরের উল্লেখ পাওয়া যায়। পদ্মা তাঁর সখীদের নিয়ে এই শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় পরিবেশে বসবাস করতেন। তাঁর জীবন ছিল সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যে পরিপূর্ণ।
আকস্মিক ঘটনা: এই সুখের পরিবেশে একদিন হঠাৎ একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। পদ্মা তাঁর সখীদের সঙ্গে উদ্যানে ভ্রমণ করার সময় সমুদ্রের জলে একটি ভেলা বা ‘মাঞ্জস’ ভাসতে দেখেন। সেই ভেলার ওপর পাঁচজন কন্যাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁদের করুণ অবস্থা দেখে পদ্মার মনে গভীর সহানুভূতি জাগে। তিনি তাঁদের উদ্ধারের উদ্যোগ নেন।
উপসংহার: এই আকস্মিক ঘটনাই পদ্মার শান্তিপূর্ণ জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে এবং কাব্যাংশের মূল ঘটনাপ্রবাহকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
৮. “এ কী! সখী, সবে মিলি/আমরা আসি এথা”—বক্তা কে? তাঁর এই বিস্ময় ও উদ্বেগের কারণ কী? এর পরবর্তী ঘটনা কী ঘটেছিল?
উত্তরঃ বক্তা: উক্তিটির বক্তা হলেন সিংহলের রাজকুমারী পদ্মাবতী।
বিস্ময় ও উদ্বেগের কারণ: সমুদ্রের বিপর্যয়ের পর পদ্মাবতী ও তাঁর চার সখী অচেতন হয়ে পড়েছিলেন। পদ্মার সেবা ও পরিচর্যায় তাঁদের জ্ঞান ফিরে এলে পদ্মাবতী নিজেকে এক অচেনা অথচ মনোরম উদ্যানে আবিষ্কার করেন। তিনি দেখতে পান, তাঁর সখীরা তাঁর সেবা করছে। কিন্তু কীভাবে তাঁরা সমুদ্রের বিপদ থেকে এই অচেনা স্থানে এসে পৌঁছেছেন, তা তিনি বুঝতে পারছিলেন না। এই অজানা পরিস্থিতিই তাঁর মনে বিস্ময় ও উদ্বেগের সৃষ্টি করে।
পরবর্তী ঘটনা: পদ্মাবতীর প্রশ্নে তাঁর সখীরাও বিস্মিত হয় এবং কীভাবে তাঁরা সেখানে এসে পৌঁছেছেন, তা জানাতে পারে না। তারা শুধু বুঝতে পারে যে, কোনো এক অপরূপা কন্যা তাঁদের উদ্ধার করে সেবা করেছেন। এরপর পদ্মার সঙ্গে পদ্মাবতীর পরিচয় ও কথোপকথনের সূত্রপাত হয়। এইভাবেই কাব্যাংশের কাহিনি নতুন দিকে এগিয়ে যায়।
উপসংহার: পদ্মাবতীর এই উক্তির মধ্য দিয়ে তাঁর বিস্ময়, উদ্বেগ ও অজানা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে।
৯. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশ অবলম্বনে পদ্মাবতীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ ভূমিকা: সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশে পদ্মাবতীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার দুটি ভিন্ন পর্যায়ের পরিচয় পাওয়া যায়। প্রথমে তিনি সমুদ্রের বিপর্যয়ে অচেতন হয়ে পড়েন এবং পরে পদ্মার সেবায় চেতনা ফিরে পান।
শারীরিক অবস্থা: সমুদ্রের বিপর্যয়ের পর পদ্মাবতী যখন ভেলায় ভেসে আসেন, তখন তাঁর শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটজনক। তিনি সম্পূর্ণ অচেতন অবস্থায় পড়েছিলেন। তাঁর মধ্যে জীবনের চিহ্ন হিসেবে শুধু ক্ষীণ শ্বাস-প্রশ্বাসটুকু ছিল। তাঁর শরীর ও পোশাক সমুদ্রের জলে ভিজে গিয়েছিল। কিন্তু এই অবস্থাতেও তাঁর অপরূপ সৌন্দর্য ম্লান হয়নি। তাঁর শরীর ছিল বিদ্যুতের মতো উজ্জ্বল এবং রূপ ছিল সূর্য-চন্দ্রকেও হার মানানোর মতো।
মানসিক অবস্থা: পদ্মা ও তাঁর সখীদের সেবায় পদ্মাবতীর জ্ঞান ফিরে এলে তাঁর মনে বিস্ময়, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। তিনি নিজেকে এক অচেনা ও মনোরম স্থানে আবিষ্কার করেন। তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে, কীভাবে তাঁরা সেখানে এসে পৌঁছলেন এবং কে তাঁদের উদ্ধার করল। এই অজানা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানার আগ্রহ তাঁর উক্তি—“এ কী! সখী, সবে মিলি”—এর মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে।
উপসংহার: সুতরাং, পদ্মাবতীর শারীরিক সংকট এবং চেতনা ফিরে পাওয়ার পর তাঁর মানসিক বিস্ময় ও উদ্বেগ কাব্যাংশে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
১০. “তথা আমি থাকি সর্বক্ষণ”—‘আমি’ কে? তাঁর বাসস্থান ও জীবনযাত্রার পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ‘আমি’-র পরিচয়: এখানে ‘আমি’ বলতে সমুদ্র-রাজকন্যা পদ্মা নিজেকে বুঝিয়েছেন। তিনি ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশের অন্যতম প্রধান চরিত্র।
বাসস্থান ও জীবনযাত্রার পরিচয়:
১. বাসস্থান: পদ্মার বাসস্থান হলো সিন্ধুতীরে অবস্থিত এক ‘দিব্যপুরী’। এটি একটি মনোরম ও স্বর্গীয় পরিবেশের স্থান।
২. প্রাকৃতিক পরিবেশ: দিব্যপুরী সুন্দর ফল-ফুলে ভরা উদ্যান দ্বারা পরিবেষ্টিত। সেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমারোহ রয়েছে।
৩. ঐশ্বর্য: পদ্মার বাসস্থানে সোনার মন্দিরের উল্লেখ পাওয়া যায়। এটি স্থানটির ঐশ্বর্য ও সৌন্দর্যকে প্রকাশ করে।
৪. জীবনযাত্রা: পদ্মা তাঁর সখীদের নিয়ে এই শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় পরিবেশে বসবাস করেন। তিনি সখীদের সঙ্গে মনের আনন্দে উদ্যানে ভ্রমণ করেন এবং সুখে দিন কাটান।
এই শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রার মধ্যেই একদিন তিনি সমুদ্রতীরে অচেতন পঞ্চকন্যাকে দেখতে পান। তাঁদের উদ্ধার ও সেবার মধ্য দিয়ে তাঁর মানবিক চরিত্রের পরিচয় প্রকাশ পায়।
উপসংহার: পদ্মার দিব্যপুরীর বাসস্থান ও সুখী জীবনযাত্রার বর্ণনার মধ্য দিয়ে কবি এক মনোরম ও কল্পনাময় পরিবেশের ছবি তুলে ধরেছেন।
Madhyamik All Subjects Suggestion | মাধ্যমিক সাজেশন:
- Madhyamik Bengali Suggestion Click Here
- Madhyamik English Suggestion Click Here
- Madhyamik History Suggestion Click Here
- Madhyamik Geography Suggestion Click Here
- Madhyamik Life Science Suggestion Click Here
- Madhyamik Mathematics Suggestion Click Here
- Madhyamik Physical Science Suggestion Click Here
- Madhyamik All Subjects Suggestion Click Here
PDF: সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer PDF Download
সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer PDF Download: সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর সহ একটি PDF File শিক্ষার্থীদের revision-এর সুবিধার জন্য দেওয়া হলো।
PDF Download: সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer PDF Click Here
| আমাদের YouTube Channel টি সাবস্ক্রাইব করুন Click Here To Subscribe Now |
West Bengal Class 10 Bengali Board Exam Details
West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) conducts the Madhyamik Examination for Class 10 students across West Bengal. Bengali is one of the important subjects in the Madhyamik Board Exam, and students need to prepare each chapter carefully according to the prescribed syllabus. Here you will find useful Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer, study materials, important questions and other resources to help students prepare effectively for the Class 10 Bengali Board Exam.
Madhyamik Bengali Sindhutire Syllabus PDF
Madhyamik Bengali Sindhutire ‘সিন্ধুতীরে’ (কবিতা) – সৈয়দ আলাওল অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। এই অধ্যায় থেকে বিভিন্ন ধরনের MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং বর্ণনামূলক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত সিলেবাস অনুযায়ী অধ্যায়টি মন দিয়ে পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি বারবার অনুশীলন করা।
Madhyamik Bengali Syllabus PDF: Click Here
সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer
Madhyamik Bengali Sindhutire সিন্ধুতীরে (কবিতা) – সৈয়দ আলাওল থেকে মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি উপরে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে অধ্যায়ের বিভিন্ন অংশ থেকে নির্বাচিত MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় শিক্ষার্থীরা এগুলি ভালোভাবে পড়তে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে পারে।
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Sindhutire Suggestion Question and Answer
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Sindhutire Suggestion Question and Answer খুঁজছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য এই পোস্টে ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতা – সৈয়দ আলাওল অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর একসঙ্গে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার আগে দ্রুত Revision করার পাশাপাশি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই প্রশ্নোত্তরগু,লি সহায়ক হবে।
সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Sindhutire Question and Answer
আশা করি, ‘Madhyamik Bengali Sindhutire’ ‘সিন্ধুতীরে (কবিতা) – সৈয়দ আলাওল’-এর এই প্রশ্নোত্তরগুলি তোমাদের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে। পোস্টটি উপকারী মনে হলে সহপাঠীদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারো। West Bengal Board-এর সিলেবাস অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের Notes, Question Answer, Suggestion ও শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু, পাশাপাশি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় Study Material পেতে নিয়মিত ভিজিট করো Porasuna.in। ধন্যবাদ।





















