অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer
অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer: নমস্কার বন্ধুরা, আজকের আলোচনার বিষয় ‘অভিষেক’ (কবিতা) – মাইকেল মধুসূদন দত্ত, যা মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। এই পোস্টে WBBSE Class 10 Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer-এর পাশাপাশি কবিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলি ভালোভাবে পড়া এবং অনুশীলন করা অত্যন্ত উপকারী।
যেসব ছাত্রছাত্রী অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর, WBBSE Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer অথবা পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা প্রশ্নোত্তর খুঁজছো, তারা এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে পড়তে পারো। অভিষেক কবিতা থেকে পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এমন বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যা West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Exam Preparation এবং Revision-এর সময় বিশেষভাবে কাজে আসবে।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই (WBBSE) |
| ক্লাস | মাধ্যমিক দশম শ্রেণী (WB Class 10 Madhyamik) |
| বিষয় | মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা (Madhyamik Bengali) |
| পাঠ | অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত |
অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা | West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Abhishek Question and Answer
বহুনির্বাচনী : অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Abhishek MCQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশটি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর কোন সর্গ থেকে নেওয়া হয়েছে?
(ক) প্রথম সর্গ
(খ) দ্বিতীয় সর্গ
(গ) তৃতীয় সর্গ
(ঘ) নবম সর্গ
উত্তরঃ (ক) প্রথম সর্গ
২. ‘বিধুমুখী’ বলে কাকে সম্বোধন করা হয়েছে?
(ক) মন্দোদরী
(খ) প্রমীলা
(গ) প্রভাষা
(ঘ) সীতা
উত্তরঃ (খ) প্রমীলা
৩. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কোন ছন্দে রচিত?
(ক) স্বরবৃত্ত
(খ) মাত্রাবৃত্ত
(গ) অমিত্রাক্ষর
(ঘ) পয়ার
উত্তরঃ (গ) অমিত্রাক্ষর
৪. ইন্দ্রজিতের কাছে বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ কে নিয়ে এসেছিলেন?
(ক) মন্দোদরী
(খ) রাবণ
(গ) প্রভাষার ছদ্মবেশী লক্ষ্মী
(ঘ) বিভীষণ
উত্তরঃ (গ) প্রভাষার ছদ্মবেশী লক্ষ্মী
৫. ‘অরিন্দম’ কার অপর নাম?
(ক) রাবণ
(খ) লক্ষ্মণ
(গ) রামচন্দ্র
(ঘ) ইন্দ্রজিৎ
উত্তরঃ (ঘ) ইন্দ্রজিৎ
৬. ‘অভিষেক’ শব্দটির অর্থ কী?
(ক) পূজা
(খ) সংবর্ধনা
(গ) বিশেষ ধর্মীয় আচারসহ পদে বরণ
(ঘ) উৎসব
উত্তরঃ (গ) বিশেষ ধর্মীয় আচারসহ পদে বরণ
৭. ‘হৈমবতীসুত’ কে?
(ক) গণেশ
(খ) শিব
(গ) ইন্দ্র
(ঘ) কার্তিকেয়
উত্তরঃ (ঘ) কার্তিকেয়
৮. “কনক-আসন ত্যাজি”— কে কনক-আসন ত্যাগ করেছিলেন?
(ক) রাবণ
(খ) ইন্দ্রজিৎ
(গ) বীরবাহু
(ঘ) লক্ষ্মী
উত্তরঃ (খ) ইন্দ্রজিৎ
৯. ইন্দ্রজিৎকে কোন পদে অভিষিক্ত করা হয়েছিল?
(ক) রাজা
(খ) যুবরাজ
(গ) সেনাপতি
(ঘ) মন্ত্রী
উত্তরঃ (গ) সেনাপতি
১০. ‘মহাশোকী’ বলে কাকে বোঝানো হয়েছে?
(ক) প্রমীলা
(খ) মন্দোদরী
(গ) ইন্দ্রজিৎ
(ঘ) রাবণ
উত্তরঃ (ঘ) রাবণ
১১. “এ মায়া, পিতঃ, বুঝিতে না পারি”— বক্তা কে?
(ক) রাবণ
(খ) ইন্দ্রজিৎ
(গ) বিভীষণ
(ঘ) কুম্ভকর্ণ
উত্তরঃ (খ) ইন্দ্রজিৎ
১২. ‘রত্নাকর-রত্নোত্তমা’ কার বিশেষণ?
(ক) সীতা
(খ) লক্ষ্মী
(গ) মন্দোদরী
(ঘ) প্রমীলা
উত্তরঃ (খ) লক্ষ্মী
১৩. ইন্দ্রজিৎ কার রথ চেয়েছিলেন?
(ক) রাবণের
(খ) ইন্দ্রের
(গ) বায়ুর
(ঘ) কুম্ভকর্ণের
উত্তরঃ (ক) রাবণের
১৪. “হাসিবে মেঘবাহন”— ‘মেঘবাহন’ কে?
(ক) বায়ু
(খ) বরুণ
(গ) ইন্দ্র
(ঘ) মেঘনাদ
উত্তরঃ (গ) ইন্দ্র
১৫. “তবু শরে মরিয়া বাঁচিল”— কার শরাঘাতে কে মরে বেঁচে উঠেছিল?
(ক) রাবণের শরাঘাতে বীরবাহু
(খ) ইন্দ্রজিতের শরাঘাতে রামচন্দ্র
(গ) রামের শরাঘাতে রাবণ
(ঘ) লক্ষ্মণের শরাঘাতে ইন্দ্রজিৎ
উত্তরঃ (খ) ইন্দ্রজিতের শরাঘাতে রামচন্দ্র
১৬. “নাহি কাজ সীতায় উদ্ধারি”— বক্তা কে?
(ক) রাবণ
(খ) ইন্দ্রজিৎ
(গ) বিভীষণ
(ঘ) কুম্ভকর্ণ
উত্তরঃ (ক) রাবণ
১৭. “বিদায় এবে দেহ, বিধুমুখী”— ‘বিধুমুখী’ কে?
(ক) সীতা
(খ) প্রমীলা
(গ) মন্দোদরী
(ঘ) লক্ষ্মী
উত্তরঃ (খ) প্রমীলা
১৮. ‘নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে’ ইন্দ্রজিৎ কার পূজা করতেন?
(ক) শিবের
(খ) ব্রহ্মার
(গ) অগ্নিদেবের
(ঘ) বিষ্ণুর
উত্তরঃ (গ) অগ্নিদেবের
১৯. ‘কৌশিক-ধ্বজ’ বলতে কী বোঝায়?
(ক) রেশমি পতাকা
(খ) কুশ ঘাসের পতাকা
(গ) স্বর্ণপতাকা
(ঘ) পাখির পালকের পতাকা
উত্তরঃ (ক) রেশমি পতাকা
২০. বীরবাহু কার হাতে নিহত হয়েছিলেন?
(ক) লক্ষ্মণের হাতে
(খ) হনুমানের হাতে
(গ) রামচন্দ্রের হাতে
(ঘ) সুগ্রীবের হাতে
উত্তরঃ (গ) রামচন্দ্রের হাতে
২১. “কে কবে শুনেছে পুত্র, ভাসে শিলা জলে”— বক্তা কে?
(ক) ইন্দ্রজিৎ
(খ) রাবণ
(গ) বিভীষণ
(ঘ) মন্দোদরী
উত্তরঃ (খ) রাবণ
২২. ইন্দ্রজিৎ লঙ্কা থেকে কী দূর করতে চেয়েছিলেন?
(ক) দারিদ্র্য
(খ) শত্রু
(গ) অপবাদ
(ঘ) শোক
উত্তরঃ (গ) অপবাদ
২৩. “ত্যজিল কনক-লঙ্কা”— কে কনক-লঙ্কা ত্যাগ করেছিলেন?
(ক) রাবণ
(খ) বিভীষণ
(গ) ইন্দ্রজিৎ
(ঘ) লক্ষ্মী
উত্তরঃ (ঘ) লক্ষ্মী
২৪. “এই কি সাজে আমারে”— ইন্দ্রজিতের কী করা শোভন নয় বলে মনে হয়েছে?
(ক) যুদ্ধ করা
(খ) বিশ্রাম নেওয়া
(গ) নারীদের মাঝে আমোদ-প্রমোদ করা
(ঘ) পিতার আজ্ঞা পালন করা
উত্তরঃ (গ) নারীদের মাঝে আমোদ-প্রমোদ করা
২৫. ইন্দ্রজিতের রথের রং কেমন ছিল?
(ক) সোনালি
(খ) মেঘবর্ণ
(গ) রুপালি
(ঘ) লাল
উত্তরঃ (খ) মেঘবর্ণ
২৬. “কাপিলা লঙ্কা, কাঁপিলা জলধি”— কীসের কারণে?
(ক) ভূমিকম্পের কারণে
(খ) ইন্দ্রজিতের ধনুকের টঙ্কারে
(গ) রাবণের চিৎকারে
(ঘ) যুদ্ধের কারণে
উত্তরঃ (খ) ইন্দ্রজিতের ধনুকের টঙ্কারে
২৭. “আগে পূজ ইষ্টদেবে”— ইন্দ্রজিতের ইষ্টদেব কে?
(ক) শিব
(খ) ব্রহ্মা
(গ) অগ্নি
(ঘ) বিষ্ণু
উত্তরঃ (গ) অগ্নি
২৮. ‘প্রমোদ উদ্যান’ বলতে কী বোঝায়?
(ক) যুদ্ধক্ষেত্র
(খ) কারাগার
(গ) আনন্দ-কানন
(ঘ) যজ্ঞাগার
উত্তরঃ (গ) আনন্দ-কানন
২৯. রাবণ কোথায় সিংহাসনে বসেছিলেন?
(ক) অশোকবনে
(খ) রাজসভায়
(গ) কাঞ্চন-সভায়
(ঘ) নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে
উত্তরঃ (গ) কাঞ্চন-সভায়
৩০. “এ কলঙ্ক, পিতঃ, ঘুষিবে জগতে”— ‘কলঙ্ক’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) দাগ
(খ) পাপ
(গ) অপযশ বা লোকনিন্দা
(ঘ) পরাজয়
উত্তরঃ (গ) অপযশ বা লোকনিন্দা
৩১. “জিজ্ঞাসিলা মহাবাহু”— ‘মহাবাহু’ কে?
(ক) রাবণ
(খ) রামচন্দ্র
(গ) ইন্দ্রজিৎ
(ঘ) লক্ষ্মণ
উত্তরঃ (গ) ইন্দ্রজিৎ
৩২. ইন্দ্রজিৎ কাকে ‘রাক্ষসকুল-শেখর’ বলেছেন?
(ক) নিজেকে
(খ) রাবণকে
(গ) বিভীষণকে
(ঘ) কুম্ভকর্ণকে
উত্তরঃ (ক) নিজেকে
৩৩. ‘বৈরীদল’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
(ক) রাক্ষসদের
(খ) দেবতাদের
(গ) রাম-লক্ষ্মণের বাহিনীকে
(ঘ) লঙ্কার প্রজাদের
উত্তরঃ (গ) রাম-লক্ষ্মণের বাহিনীকে
৩৪. ইন্দ্রজিৎ রামচন্দ্রকে কী বলে অভিহিত করেছেন?
(ক) সিংহ
(খ) দেবতা
(গ) সামান্য মানব
(ঘ) মহাবীর
উত্তরঃ (গ) সামান্য মানব
৩৫. ‘শূলী-শম্ভুনিভ’ বলে কাকে বোঝানো হয়েছে?
(ক) ইন্দ্রজিৎ
(খ) কুম্ভকর্ণ
(গ) রাবণ
(ঘ) বীরবাহু
উত্তরঃ (খ) কুম্ভকর্ণ
৩৬. ইন্দ্রজিৎ কতবার রামচন্দ্রকে যুদ্ধে পরাজিত করেছিলেন?
(ক) একবার
(খ) দুবার
(গ) তিনবার
(ঘ) চারবার
উত্তরঃ (খ) দুবার
৩৭. ‘ধাত্রী’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) দেবী
(খ) সেবিকা
(গ) পালনকারিণী মাতা
(ঘ) রাজমাতা
উত্তরঃ (গ) পালনকারিণী মাতা
৩৮. “ত্বরায় আমি আসিব ফিরিয়া”— ইন্দ্রজিৎ কোথায় যাওয়ার কথা বলেছিলেন?
(ক) যুদ্ধক্ষেত্রে
(খ) পিতার কাছে
(গ) নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে
(ঘ) প্রমীলার কাছে
উত্তরঃ (ক) যুদ্ধক্ষেত্রে
৩৯. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশের মূল রস কোনটি?
(ক) করুণ রস
(খ) শান্ত রস
(গ) বীর রস
(ঘ) হাস্য রস
উত্তরঃ (গ) বীর রস
৪০. ‘একতিল রোষানলে’— এখানে ‘তিল’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) শস্য
(খ) সামান্য বা অল্প পরিমাণ
(গ) একটি মুহূর্ত
(ঘ) ক্রোধ
উত্তরঃ (খ) সামান্য বা অল্প পরিমাণ
৪১. “কি হেতু, মাতঃ, গতি তব আজি এ ভবনে?”— বক্তা কে?
(ক) রাবণ
(খ) প্রমীলা
(গ) ইন্দ্রজিৎ
(ঘ) মন্দোদরী
উত্তরঃ (গ) ইন্দ্রজিৎ
৪২. “ত্যজিল কনক-লঙ্কা”— ‘অম্বুরাশি-সুতা’ কে?
(ক) গঙ্গা
(খ) লক্ষ্মী
(গ) সরস্বতী
(ঘ) যমুনা
উত্তরঃ (খ) লক্ষ্মী
৪৩. “ধিক্ মোরে”— ইন্দ্রজিৎ নিজেকে কেন ধিক্কার দিয়েছিলেন?
(ক) রামচন্দ্রের ভয়ে
(খ) রাবণের আদেশ অমান্য করায়
(গ) নারীদের মাঝে আমোদ-প্রমোদে মগ্ন থাকার জন্য
(ঘ) প্রমীলার সঙ্গে বিবাদ হওয়ায়
উত্তরঃ (গ) নারীদের মাঝে আমোদ-প্রমোদে মগ্ন থাকার জন্য
৪৪. “অভিষেক করিলা কুমারে”— কে ইন্দ্রজিতের অভিষেক করেছিলেন?
(ক) পুরোহিত
(খ) মন্দোদরী
(গ) রাবণ
(ঘ) বিভীষণ
উত্তরঃ (গ) রাবণ
৪৫. ইন্দ্রজিতের স্ত্রী কে?
(ক) মন্দোদরী
(খ) সীতা
(গ) সরমা
(ঘ) প্রমীলা
উত্তরঃ (ঘ) প্রমীলা
৪৬. রাবণ তার মৃত পুত্র বীরবাহুর দেহকে কিসের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন?
(ক) শুকতারা
(খ) অকালে-পড়া বৃক্ষের সঙ্গে
(গ) ঝরা ফুল
(ঘ) ভাঙা পর্বত
উত্তরঃ (খ) অকালে-পড়া বৃক্ষের সঙ্গে
৪৭. “নাহি কাজ সীতায় উদ্ধারি”— এই বক্তব্যের তাৎপর্য কী?
(ক) সীতাকে উদ্ধার করাই প্রধান কর্তব্য
(খ) সীতা উদ্ধারের প্রয়োজন নেই
(গ) যুদ্ধ বন্ধ করা উচিত
(ঘ) রাবণ সীতাকে মুক্তি দিতে চেয়েছিলেন
উত্তরঃ (খ) সীতা উদ্ধারের প্রয়োজন নেই
৪৮. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর প্রথম সর্গের নাম কী?
(ক) বধ
(খ) সমাগম
(গ) অভিষেক
(ঘ) প্রেতপুরী
উত্তরঃ (গ) অভিষেক
৪৯. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশটি কোন কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে?
(ক) বীরাঙ্গনা কাব্য
(খ) মেঘনাদবধ কাব্য
(গ) ব্রজাঙ্গনা কাব্য
(ঘ) তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
উত্তরঃ (খ) মেঘনাদবধ কাব্য
৫০. “তবু শরে মরিয়া বাঁচিল”— এই ঘটনার ফলে ইন্দ্রজিতের মনে কী প্রশ্ন জেগেছিল?
(ক) রাবণ কেন যুদ্ধে যাচ্ছেন
(খ) মৃত রামচন্দ্র কীভাবে পুনরায় জীবিত হলেন
(গ) বীরবাহু কেন যুদ্ধে গেল
(ঘ) লক্ষ্মণ কোথায় গেল
উত্তরঃ (খ) মৃত রামচন্দ্র কীভাবে পুনরায় জীবিত হলেন
[Madhyamik Bengali Suggestion Click Here]
অতিসংক্ষিপ্ত : অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণীর বাংলা | WBBSE Madhyamik Bengali Abhishek SAQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘অম্বুরাশি-সুতা’ কে?
উত্তরঃ ‘অম্বুরাশি-সুতা’ হলেন সমুদ্রকন্যা দেবী লক্ষ্মী।
২. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশটির কবি কে?
উত্তরঃ ‘অভিষেক’ কাব্যাংশটির কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
৩. ইন্দ্রজিৎ কার কাছে যুদ্ধযাত্রার অনুমতি চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিৎ পিতা রাবণের কাছে যুদ্ধযাত্রার অনুমতি চেয়েছিলেন।
৪. ‘ধাত্রী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘ধাত্রী’ শব্দের অর্থ পালনকারিণী মা বা উপমাতা।
৫. বীরবাহু কার হাতে নিহত হন?
উত্তরঃ বীরবাহু রামচন্দ্রের হাতে নিহত হন।
৬. ‘কৌশিক-ধ্বজ’ অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘কৌশিক-ধ্বজ’ অর্থ রেশমি কাপড়ের পতাকা।
৭. রাবণ কাকে ‘মহাশোকী’ বলেছেন?
উত্তরঃ রাবণ পুত্রশোকে নিজেকেই ‘মহাশোকী’ বলেছেন।
৮. “হৈমবতীসুত” কাকে বলা হয়েছে?
উত্তরঃ দেবসেনাপতি কার্তিকেয়কে “হৈমবতীসুত” বলা হয়েছে।
৯. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর উৎস কী?
উত্তরঃ ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর প্রধান উৎস রামায়ণ; তবে কবি নিজস্ব কল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে কাহিনিটিকে নতুন রূপ দিয়েছেন।
১০. ইন্দ্রজিৎ নিজেকে ধিক্কার দিয়েছিলেন কেন?
উত্তরঃ দেশের ঘোর বিপদের দিনে নারীদের মাঝে আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত ছিলেন বলে ইন্দ্রজিৎ নিজেকে ধিক্কার দিয়েছিলেন।
১১. ‘কনক-আসন’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘কনক-আসন’ শব্দের অর্থ সোনার আসন।
১২. “কাপিলা লঙ্কা, কাঁপিলা জলধি”—কেন?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিতের ধনুকের টঙ্কারের প্রচণ্ড শব্দে লঙ্কা ও সমুদ্র কেঁপে উঠেছিল।
১৩. “কে কবে শুনেছে, পুত্র, ভাসে শিলা জলে?”—এই উক্তির অর্থ কী?
উত্তরঃ শিলা যেমন জলে ভাসে না, তেমনি মৃত মানুষও সহজে বেঁচে ওঠে না—এই অসম্ভবতার কথাই উক্তিটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে।
১৪. ‘অরিন্দম’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘অরিন্দম’ শব্দের অর্থ—যে অরি বা শত্রুকে দমন করে।
১৫. ইন্দ্রজিৎ তখন কোথায় ছিলেন?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিৎ তখন প্রমোদ-কাননে স্ত্রী প্রমীলার সঙ্গে আমোদ-প্রমোদে রত ছিলেন।
১৬. রাবণ ইন্দ্রজিৎকে কী পদে অভিষেক করেন?
উত্তরঃ রাবণ ইন্দ্রজিৎকে সেনাপতি পদে অভিষেক করেন।
১৭. “বিদায় এবে দেহ, বিধুমুখী”—‘বিধুমুখী’ কে?
উত্তরঃ ‘বিধুমুখী’ হলেন ইন্দ্রজিতের স্ত্রী প্রমীলা।
১৮. ইন্দ্রজিতের ধাত্রী মাতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিতের ধাত্রী মাতার নাম ছিল প্রভাষা।
১৯. “এ কলঙ্ক, পিতঃ, ঘুষিবে জগতে”—কোন কলঙ্কের কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিৎ জীবিত থাকতে পিতা রাবণ যুদ্ধে গেলে জগতে যে অপযশ রটবে, সেই কলঙ্কের কথা বলা হয়েছে।
২০. ইন্দ্রজিতের রথের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ ইন্দ্রজিতের রথ ছিল মেঘবর্ণ; তার চাকায় বিজলির ছটা ছিল এবং তাতে রেশমি পতাকা উড়ছিল।
২১. “আগে পূজ ইষ্টদেবে”—কে, কাকে এই পরামর্শ দেন?
উত্তরঃ রাবণ তাঁর পুত্র ইন্দ্রজিৎকে এই পরামর্শ দেন।
২২. ইন্দ্রজিৎ কোথায় গিয়েছিলেন যুদ্ধসাজে সজ্জিত হতে?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিৎ অস্ত্রাগারে বা সাজঘরে যুদ্ধসাজে সজ্জিত হতে গিয়েছিলেন।
২৩. ‘বৈরীদল’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘বৈরীদল’ শব্দের অর্থ শত্রুদল।
২৪. বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ কে নিয়ে এসেছিলেন?
উত্তরঃ দেবী লক্ষ্মী প্রভাষা ধাত্রীর ছদ্মবেশে বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ নিয়ে এসেছিলেন।
২৫. “ত্বরায় আমি আসিব ফিরিয়া”—বক্তা কার কাছে ফিরে আসার কথা বলেছেন?
উত্তরঃ বক্তা তাঁর স্ত্রী প্রমীলার কাছে দ্রুত ফিরে আসার কথা বলেছেন।
২৬. ‘মেঘবাহন’ কে?
উত্তরঃ ‘মেঘবাহন’ হলেন দেবরাজ ইন্দ্র।
২৭. অভিষেক করার জন্য কোথা থেকে জল আনা হয়েছিল?
উত্তরঃ অভিষেকের জন্য বিভিন্ন তীর্থ ও নদী থেকে পবিত্র জল আনা হয়েছিল।
২৮. ইন্দ্রজিৎ কী সমূলে নির্মূল করতে চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিৎ শত্রুপক্ষকে, বিশেষত রামচন্দ্রকে, সমূলে নির্মূল করতে চেয়েছিলেন।
২৯. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
উত্তরঃ ‘অভিষেক’ কাব্যাংশটি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর অন্তর্গত।
৩০. “কি ছার সে নর”—‘নর’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘নর’ বলতে রামচন্দ্রকে, অর্থাৎ একজন সাধারণ মানুষকে, বোঝানো হয়েছে।
৩১. “ছদ্মবেশী অম্বুরাশি-সুতা”—কে এবং কেন ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন?
উত্তরঃ দেবী লক্ষ্মী প্রভাষা ধাত্রীর ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন। ইন্দ্রজিৎকে লঙ্কার বিপদের সংবাদ দিয়ে দ্রুত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করতেই তিনি এই ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন।
৩২. ইন্দ্রজিৎ দ্বিতীয়বার কাকে পরাজিত করার কথা বলেছেন?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিৎ দ্বিতীয়বার রামচন্দ্রকে পরাজিত করার কথা বলেছেন।
৩৩. রাবণ স্বয়ং যুদ্ধে যেতে চেয়েছিলেন কেন?
উত্তরঃ প্রিয় পুত্র বীরবাহুর মৃত্যুতে শোকার্ত ও ক্রুদ্ধ হয়ে রাবণ স্বয়ং যুদ্ধে যেতে চেয়েছিলেন।
৩৪. ‘কনক-আসন’ কার সঙ্গে সম্পর্কিত?
উত্তরঃ ‘কনক-আসন’ ইন্দ্রজিতের সোনার আসনকে বোঝায়।
৩৫. ইন্দ্রজিৎকে কেন ‘ইন্দ্রজিৎ’ বলা হয়?
উত্তরঃ যুদ্ধে দেবরাজ ইন্দ্রকে জয় করেছিলেন বলে তাঁকে ‘ইন্দ্রজিৎ’ বলা হয়।
৩৬. ইন্দ্রজিৎ কার মতো করে অস্ত্রাগারে প্রবেশ করেন?
উত্তরঃ তারকাসুরকে বধ করার সময় কার্তিকেয় যেমন অস্ত্রাগারে প্রবেশ করেছিলেন, ইন্দ্রজিৎও তেমনভাবে অস্ত্রাগারে প্রবেশ করেন।
৩৭. ইন্দ্রজিতের গলার স্বর কেমন ছিল?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিতের গলার স্বর মেঘের গর্জনের মতো গম্ভীর ছিল।
৩৮. “এ কলঙ্ক, পিতঃ, ঘুষিবে জগতে”—ইন্দ্রজিৎ কেন এই কথা বলেছিলেন?
উত্তরঃ ইন্দ্রজিৎ জীবিত থাকা সত্ত্বেও রাবণ যুদ্ধে গেলে পিতার সেই যুদ্ধযাত্রা রাক্ষসকুলের কাছে অপমান ও অপযশের কারণ হবে—এই আশঙ্কায় তিনি কথাটি বলেছিলেন।
৩৯. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কোন শ্রেণির কাব্য?
উত্তরঃ ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ একটি মহাকাব্য।
৪০. রাবণের শোককে কবি কীসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তরঃ কবি রাবণের শোককে বিশাল পাথরের নিচে চাপা পড়া স্রোতস্বিনীর সঙ্গে তুলনা করেছেন।
[Madhyamik Suggestion Click Here]
সংক্ষিপ্ত : অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Abhishek QNA [প্রশ্নমান – ৩]
১. “কি হেতু, মাতঃ, গতি তব আজি এ ভবনে?”—বক্তা কে? তাঁর এই প্রশ্নের কারণ কী?
উত্তরঃ উক্তিটির বক্তা ইন্দ্রজিৎ। তাঁর ধাত্রী মাতা প্রভাষার ছদ্মবেশে দেবী লক্ষ্মী প্রমোদ-কাননে এলে ইন্দ্রজিৎ বিস্মিত হন। কারণ, লঙ্কা যখন গভীর সংকট ও শোকে নিমজ্জিত, তখন ধাত্রী মায়ের এই আকস্মিক আগমন তাঁর কাছে অপ্রত্যাশিত মনে হয়েছিল। তাই তিনি তাঁর আগমনের কারণ জানতে চেয়েছিলেন।
২. “কাপিলা লঙ্কা, কাঁপিলা জলধি”—এই পঙক্তিটির কাব্যসৌন্দর্য ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ ইন্দ্রজিতের ধনুকের টঙ্কারের প্রচণ্ড শব্দে লঙ্কা ও সমুদ্র পর্যন্ত কেঁপে উঠেছিল—এই অতিশয়োক্তিপূর্ণ চিত্রের মাধ্যমে কবি ইন্দ্রজিতের অসীম শক্তি ও বীরত্ব প্রকাশ করেছেন। ‘লঙ্কা’ ও ‘জলধি’র কম্পনের চিত্র যুদ্ধযাত্রার পূর্বে এক ভয়ঙ্কর ও মহাকাব্যিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
৩. “আগে পূজ ইষ্টদেবে”—বক্তা কেন এই পরামর্শ দিয়েছেন?
উত্তরঃ বক্তা রাবণ। যুদ্ধযাত্রার আগে ইন্দ্রজিৎ যেন তাঁর ইষ্টদেবের পূজা করেন—এই পরামর্শ রাবণ দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রাকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুত করতে এবং তার সাফল্য কামনা করতে চেয়েছিলেন।
৪. “হা ধিক্, মোরে!”—বক্তা কে? তাঁর এই আত্মধিক্কারের কারণ কী?
উত্তরঃ বক্তা মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিৎ। লঙ্কার ঘোর বিপদের দিনে এবং বীরবাহুর মৃত্যুর সময় তিনি প্রমোদ-কাননে নারীদের সঙ্গে আমোদ-প্রমোদে মগ্ন ছিলেন। তাই নিজের কর্তব্যে অবহেলার জন্য তিনি নিজেকেই ধিক্কার দিয়েছিলেন।
৫. ‘অভিষেক’ নামটি কতখানি সার্থক হয়েছে?
উত্তরঃ ‘অভিষেক’ নামকরণ অত্যন্ত সার্থক। বীরবাহুর মৃত্যুর পর রাবণ শোকার্ত হয়ে নিজে যুদ্ধে যেতে চাইলে ইন্দ্রজিৎ তাঁকে নিবৃত্ত করে নিজে যুদ্ধযাত্রার অনুমতি চান। এরপর রাবণ ইন্দ্রজিৎকে সেনাপতি পদে অভিষেক করেন। এই অভিষেকই কাব্যাংশের অন্যতম প্রধান ঘটনা। তাই ‘অভিষেক’ নামটি যথার্থ ও সার্থক।
৬. “এ মায়া, পিতঃ, বুঝিতে না পারি”—বক্তা কোন মায়া বুঝতে পারছেন না?
উত্তরঃ বক্তা ইন্দ্রজিৎ। তিনি বুঝতে পারছেন না, যাঁকে তিনি পূর্বে পরাজিত করেছিলেন এবং মৃত মনে করেছিলেন, সেই রামচন্দ্র কীভাবে আবার জীবিত হয়ে উঠলেন। রামচন্দ্রের এই পুনর্জীবনকে তিনি ‘মায়া’ বলে অভিহিত করেছেন।
৭. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে রাবণের চরিত্রটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ রাবণ এখানে একদিকে শোকার্ত ও স্নেহশীল পিতা, অন্যদিকে গর্বিত ও দায়িত্বশীল রাজা। বীরবাহুর মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত হন এবং প্রথমে নিজেই যুদ্ধে যেতে চান। আবার ইন্দ্রজিতের বীরত্বে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে সেনাপতি পদে অভিষেক করেন। তাই রাবণের চরিত্রে পিতৃস্নেহ, বীরত্ব ও রাজকর্তব্যের সমন্বয় দেখা যায়।
৮. “বিদায় এবে দেহ, বিধুমুখী”—বক্তা কার কাছে বিদায় চেয়েছেন? এই বিদায় দৃশ্যের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ বক্তা ইন্দ্রজিৎ তাঁর স্ত্রী প্রমীলার কাছে বিদায় চেয়েছেন। যুদ্ধযাত্রার আগে প্রিয় স্ত্রীর কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার দৃশ্যটি করুণ ও মর্মস্পর্শী। ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধের কর্তব্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রমীলাকে বিদায় জানান এবং ফিরে আসার আশ্বাস দেন। এতে বীরের কর্তব্যবোধের সঙ্গে দাম্পত্য ভালোবাসা ও বিচ্ছেদ-বেদনার প্রকাশ ঘটেছে।
৯. ইন্দ্রজিতের বীরধর্মের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ইন্দ্রজিৎ একজন বীরোচিত চরিত্র। লঙ্কার বিপদের সময় আমোদ-প্রমোদে মগ্ন থাকার জন্য তিনি নিজেকে ধিক্কার দেন। পিতাকে যুদ্ধে যেতে না দিয়ে নিজে যুদ্ধের দায়িত্ব নিতে চান। শত্রুকে পরাজিত করে অপবাদ ঘোচানোর দৃঢ় সংকল্প, আত্মমর্যাদাবোধ ও কর্তব্যনিষ্ঠা তাঁর বীরধর্মের পরিচয় বহন করে।
১০. “ঘুচাব এ অপবাদ, বধি রিপুকুলে”—বক্তা কে? কোন অপবাদ, কীভাবে তিনি ঘোচাতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ বক্তা ইন্দ্রজিৎ। লঙ্কা যখন বিপন্ন, তখন তিনি প্রমোদ-কাননে আমোদ-প্রমোদে মগ্ন ছিলেন—এই কারণে নিজের ওপর যে অপবাদের বোঝা এসেছে, তা তিনি অনুভব করেন। শত্রুদলকে বধ করে যুদ্ধজয় করার মাধ্যমে সেই অপবাদ ঘোচাতে চেয়েছিলেন।
১১. ছদ্মবেশী লক্ষ্মী কীভাবে ইন্দ্রজিতের মনে যুদ্ধের উত্তেজনা জাগিয়ে তুলেছিলেন?
উত্তরঃ দেবী লক্ষ্মী প্রভাষা ধাত্রীর ছদ্মবেশে এসে প্রথমে বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ দেন। এরপর রাবণের শোক ও তাঁর স্বয়ং যুদ্ধে যাওয়ার প্রস্তুতির কথা জানান। এই সংবাদে ইন্দ্রজিতের মনে আত্মগ্লানি, ক্রোধ ও কর্তব্যবোধ জেগে ওঠে। ফলে তিনি দ্রুত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হন।
১২. “নাহি কাজ সীতায় উদ্ধারি”—বক্তার এই উক্তির কারণ কী?
উত্তরঃ বক্তা রাবণ। বীরবাহুর মৃত্যুশোকে তিনি এতটাই মর্মাহত যে সেই মুহূর্তে তাঁর কাছে সীতা উদ্ধার বা যুদ্ধজয়ের চেয়েও পুত্রশোক বড় হয়ে উঠেছিল। এই উক্তির মাধ্যমে রাবণের গভীর পিতৃস্নেহ ও শোকের তীব্রতা প্রকাশ পেয়েছে।
১৩. প্রমীলা চরিত্রটি সম্পর্কে যা জানো লেখো।
উত্তরঃ প্রমীলা ইন্দ্রজিতের স্ত্রী। তিনি স্বামীর প্রতি গভীরভাবে অনুরক্ত ও প্রেমময়ী। ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধযাত্রা করলে তাঁর মনে স্বামীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাঁর চরিত্রে দাম্পত্যপ্রেম, স্নেহ ও বিচ্ছেদজনিত বেদনা প্রকাশ পেয়েছে।
১৪. “এ কলঙ্ক, পিতঃ, ঘুষিবে জগতে”—কোন ঘটনাকে বক্তা ‘কলঙ্ক’ বলেছেন এবং কেন?
উত্তরঃ বক্তা ইন্দ্রজিৎ। তিনি মনে করেন, তিনি জীবিত থাকা সত্ত্বেও তাঁর পিতা রাবণকে যুদ্ধে যেতে হলে তা রাক্ষসকুলের পক্ষে অপমানজনক হবে। পুত্র জীবিত থাকা অবস্থায় পিতাকে যুদ্ধ করতে পাঠানোর অপযশকেই তিনি ‘কলঙ্ক’ বলেছেন।
১৫. মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের বিষয়বস্তু সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর প্রথম সর্গের নাম ‘অভিষেক’। বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে ইন্দ্রজিৎ প্রমোদ-কানন থেকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হন। রাবণ প্রথমে নিজে যুদ্ধে যেতে চাইলে ইন্দ্রজিৎ তাঁকে নিবৃত্ত করেন এবং নিজে যুদ্ধযাত্রার অনুমতি চান। এরপর রাবণ তাঁকে সেনাপতি পদে অভিষেক করেন। পরে ইন্দ্রজিৎ স্ত্রী প্রমীলার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যুদ্ধযাত্রার জন্য প্রস্তুত হন।
১৬. “কে কবে শুনেছে, পুত্র, ভাসে শিলা জলে,/কে কবে শুনেছে, লোক মরে পুনঃ বাঁচে?”—বক্তা কে? এই উক্তির মাধ্যমে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ বক্তা রাবণ। ইন্দ্রজিৎ রামচন্দ্রের পুনর্জীবন নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করলে রাবণ এই কথা বলেন। শিলা জলে ভাসা বা মৃত মানুষের পুনরায় বেঁচে ওঠা যেমন অসম্ভব বলে মনে হয়, তেমনি রামচন্দ্রের পুনর্জীবনও সাধারণ যুক্তিতে ব্যাখ্যা করা যায় না—এই বিস্ময় ও রহস্যই উক্তিটির মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
১৭. “সাজিলা রথীন্দ্রর্ষভ বীর-আভরণে”—‘রথীন্দ্রর্ষভ’ কে? তাঁর সজ্জার বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ ‘রথীন্দ্রর্ষভ’ অর্থ শ্রেষ্ঠ রথী; এখানে ইন্দ্রজিৎকে বোঝানো হয়েছে। তিনি যুদ্ধের জন্য বীর-আভরণে সজ্জিত হন। তাঁর মেঘবর্ণ রথ, রথের চাকায় বিজলির ছটা এবং রেশমি পতাকার বর্ণনা তাঁর বীরোচিত ও ঐশ্বর্যময় যুদ্ধসজ্জাকে উজ্জ্বল করে তুলেছে।
১৮. “ছিঁড়িলা কুসুমদাম রোষে মহাবলী”—‘মহাবলী’ কে? তাঁর এই আচরণের কারণ কী?
উত্তরঃ ‘মহাবলী’ হলেন ইন্দ্রজিৎ। বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ শুনে তিনি নিজের আমোদ-প্রমোদ ও ভোগবিলাসের জন্য অনুতপ্ত ও ক্রুদ্ধ হন। সেই ক্রোধ ও আত্মগ্লানিতে তিনি পরিহিত কুসুমমালা ছিঁড়ে ফেলেন। এর মাধ্যমে তাঁর ভোগবিলাস ত্যাগ করে কর্তব্য ও যুদ্ধের পথে ফিরে আসার সংকল্প প্রকাশ পেয়েছে।
১৯. ইন্দ্রজিৎ ও রাবণের কথোপকথনের সারমর্ম লেখো।
উত্তরঃ ইন্দ্রজিৎ লঙ্কার সংকটে নিজে যুদ্ধযাত্রার অনুমতি চান এবং পিতাকে যুদ্ধে না যাওয়ার অনুরোধ করেন। রাবণ পুত্রশোকে নিজে যুদ্ধে যেতে চাইলেও ইন্দ্রজিতের বীরত্ব ও দৃঢ় সংকল্পে সন্তুষ্ট হন। শেষ পর্যন্ত তিনি ইন্দ্রজিৎকে সেনাপতি পদে অভিষেক করেন। এই কথোপকথনে পিতৃস্নেহ ও বীরধর্মের সুন্দর সমন্বয় দেখা যায়।
২০. কাব্যাংশে বীররস কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদে ইন্দ্রজিতের ক্রোধ, নিজের কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা, যুদ্ধযাত্রার দৃঢ় সংকল্প এবং শত্রুদলকে বধ করে অপবাদ ঘোচানোর প্রতিজ্ঞার মধ্যে বীররস প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর যুদ্ধসজ্জা ও ধনুকের টঙ্কারে লঙ্কা ও সমুদ্রের কম্পনের বর্ণনাও বীরত্বের আবহকে তীব্র করেছে।
২১. “কনক-লঙ্কার দশা” কেমন ছিল?
উত্তরঃ কনক-লঙ্কার অবস্থা তখন অত্যন্ত সংকটময় ও শোকাচ্ছন্ন। বীরবাহু নিহত হয়েছেন এবং শত্রুপক্ষের সঙ্গে ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। রাবণ পুত্রশোকে কাতর। এই গভীর শোক, বিপদ ও যুদ্ধের আশঙ্কায় সমগ্র লঙ্কাপুরী আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল।
২২. দেবী লক্ষ্মী কেন ইন্দ্রজিতের কাছে এসেছিলেন?
উত্তরঃ দেবী লক্ষ্মী প্রভাষা ধাত্রীর ছদ্মবেশে ইন্দ্রজিতের কাছে এসেছিলেন। বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ ও লঙ্কার সংকটের কথা জানিয়ে ইন্দ্রজিৎকে যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করাই ছিল তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য। এর ফলে ইন্দ্রজিৎ দ্রুত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হন।
২৩. রাবণ কীভাবে ইন্দ্রজিৎকে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করেছিলেন?
উত্তরঃ রাবণ ইন্দ্রজিতের বীরত্বে আস্থা রেখে তাঁকে সেনাপতি পদে অভিষেক করেন। তিনি ইন্দ্রজিৎকে ইষ্টদেবের পূজা করার পরামর্শ দেন এবং তাঁর কর্তব্যপালনের পথে উৎসাহিত করেন। এভাবেই তিনি ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রাকে আনুষ্ঠানিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করে দেন।
২৪. কাব্যাংশে বীররস কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদে ইন্দ্রজিতের ক্রোধ, কর্তব্যবোধ, যুদ্ধযাত্রার দৃঢ় সংকল্প এবং শত্রুদলকে বধ করার প্রতিজ্ঞা বীররসের প্রধান প্রকাশ। তাঁর যুদ্ধসজ্জা এবং ধনুকের টঙ্কারে লঙ্কা ও সমুদ্রের কম্পনের বর্ণনাও বীররসকে আরও তীব্র করেছে।
২৫. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-কে ট্র্যাজিক মহাকাব্য বলা হয় কেন?
উত্তরঃ ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এ বীরত্ব, সংগ্রাম, পিতৃস্নেহ ও দেশরক্ষার মতো মহৎ গুণের পাশাপাশি অনিবার্য করুণ পরিণতি দেখা যায়। রাবণ ও ইন্দ্রজিৎ প্রমুখ বীর চরিত্রের গৌরব ও সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত করুণ পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়। এই বীরোচিত সংগ্রাম ও করুণ পরিণতির সমন্বয়ের জন্য কাব্যটিকে ট্র্যাজিক মহাকাব্য হিসেবে দেখা হয়।
রচনাধর্মী : অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Abhishek LAQ [প্রশ্নমান – ৫]
১. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশ অবলম্বনে ইন্দ্রজিৎ চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর প্রথম সর্গ ‘অভিষেক’-এ ইন্দ্রজিৎ একদিকে বীর ও কর্তব্যপরায়ণ যোদ্ধা, অন্যদিকে পিতৃভক্ত পুত্র ও স্নেহশীল স্বামী হিসেবে চিত্রিত হয়েছেন।
১. বিলাসিতা থেকে কর্তব্যবোধে উত্তরণ: কাব্যাংশের শুরুতে ইন্দ্রজিৎ প্রমোদ-কাননে স্ত্রী প্রমীলার সঙ্গে আমোদ-প্রমোদে মগ্ন ছিলেন। কিন্তু লঙ্কার বিপদের সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মনে কর্তব্যবোধ জেগে ওঠে। নিজের বিলাসিতার জন্য তিনি নিজেকেই ধিক্কার দেন এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হন।
২. অসামান্য বীরত্ব ও আত্মবিশ্বাস: ইন্দ্রজিৎ একজন মহাবীর। তিনি পূর্বে দেবরাজ ইন্দ্রকে পরাজিত করেছিলেন এবং রামচন্দ্রের সঙ্গেও যুদ্ধে সাফল্য লাভ করেছিলেন। তাই নিজের শক্তির ওপর তাঁর গভীর আস্থা ছিল। শত্রুকে পরাজিত করে লঙ্কার সম্মান রক্ষার দৃঢ় সংকল্প তাঁর বীরত্বের পরিচয়।
৩. পিতৃভক্তি ও কর্তব্যপরায়ণতা: পিতা রাবণ স্বয়ং যুদ্ধে যেতে চাইলে ইন্দ্রজিৎ তা মেনে নিতে পারেননি। পিতা জীবিত থাকতে তাঁকে যুদ্ধে যেতে দেওয়াকে তিনি নিজের জন্য ‘কলঙ্ক’ মনে করেন। তাই নিজেই যুদ্ধের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
৪. স্নেহশীল স্বামী: যুদ্ধযাত্রার আগে তিনি স্ত্রী প্রমীলার কাছ থেকে বিদায় নেন। “বিদায় এবে দেহ, বিধুমুখী”—এই উক্তিতে তাঁর দাম্পত্যপ্রেম ও প্রমীলার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে।
উপসংহার: সুতরাং, ইন্দ্রজিৎ চরিত্রে বীরত্ব, আত্মমর্যাদা, কর্তব্যবোধ, পিতৃভক্তি ও দাম্পত্যপ্রেমের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। এই কারণেই তিনি বাংলা মহাকাব্য সাহিত্যের এক স্মরণীয় চরিত্র।
২. “নাহি কাজ সীতায় উদ্ধারি”—বক্তা কে? তাঁর এই উক্তির মধ্যে দিয়ে যে মানসিক দ্বন্দ্ব ও যন্ত্রণা প্রকাশ পেয়েছে, তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ বক্তার পরিচয়: উক্তিটির বক্তা লঙ্কাধিপতি রাবণ। পুত্র বীরবাহুর মৃত্যুর সংবাদে তিনি গভীর শোকে আচ্ছন্ন হয়ে এই কথা বলেছেন।
১. পিতৃসত্তার যন্ত্রণা: একজন পিতা হিসেবে বীরবাহুর মৃত্যু রাবণকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেয়। পুত্রশোকের কাছে তাঁর কাছে রাজ্য, যুদ্ধ এবং সীতাকে উদ্ধারের মতো বিষয়ও তুচ্ছ হয়ে পড়ে।
২. রাজসত্তা ও পিতৃসত্তার দ্বন্দ্ব: রাবণ একদিকে লঙ্কার রাজা, অন্যদিকে সন্তানের শোকে কাতর পিতা। রাজা হিসেবে তাঁর যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কর্তব্য রয়েছে; কিন্তু পিতা হিসেবে পুত্রহারা বেদনা তাঁকে সমস্ত কর্তব্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে।
৩. হতাশা ও অসহায়ত্ব: একের পর এক বীরের মৃত্যু এবং বীরবাহুর পতন তাঁর মনে গভীর হতাশা সৃষ্টি করেছে। ফলে তাঁর উক্তিতে পরাজয়ের আশঙ্কা, অসহায়ত্ব ও মানসিক বিপর্যয়ের প্রকাশ ঘটেছে।
উপসংহার: তাই “নাহি কাজ সীতায় উদ্ধারি” শুধু একটি শোকোক্তি নয়; এটি একজন পরাক্রমী রাজার অন্তরে লুকিয়ে থাকা অসহায় পিতার মর্মস্পর্শী আর্তনাদ।
৩. “এ মায়া, পিতঃ, বুঝিতে না পারি”—বক্তা কে? তাঁর এই ‘মায়া’ বা বিস্ময়ের কারণ কী? এই প্রসঙ্গে রাবণের প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
উত্তরঃ বক্তা ইন্দ্রজিৎ। তিনি রামচন্দ্রের পুনরায় জীবিত হয়ে ওঠার ঘটনাকে ‘মায়া’ বলে উল্লেখ করেছেন।
মায়ার কারণ: ইন্দ্রজিতের কাছে বিস্ময়ের বিষয় ছিল—যাঁকে তিনি পূর্বে যুদ্ধে পরাজিত ও মৃতপ্রায় করেছিলেন, সেই রামচন্দ্র কীভাবে আবার জীবিত হয়ে উঠলেন। মৃত মানুষের পুনরায় বেঁচে ওঠা তাঁর কাছে অসম্ভব ও রহস্যময় বলে মনে হয়েছিল।
রাবণের প্রতিক্রিয়া: ইন্দ্রজিতের প্রশ্নের উত্তরে রাবণও এই ঘটনার রহস্য ও বিস্ময় স্বীকার করেন। তিনি বলেন—
“কে কবে শুনেছে, পুত্র, ভাসে শিলা জলে,/কে কবে শুনেছে, লোক মরে পুনঃ বাঁচে?”
এর মাধ্যমে রাবণ রামচন্দ্রের সঙ্গে সংঘর্ষের অলৌকিক ও অপ্রত্যাশিত দিকটি তুলে ধরেছেন এবং নিজের গভীর হতাশাও প্রকাশ করেছেন।
উপসংহার: এই কথোপকথনে ইন্দ্রজিতের বিস্ময় ও বীরোচিত যুক্তিবোধের সঙ্গে রাবণের শোক, হতাশা ও অসহায়তার প্রকাশ ঘটেছে।
৪. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে ইন্দ্রজিৎ ও রাবণের কথোপকথন অবলম্বনে পিতা-পুত্রের সম্পর্কটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে ইন্দ্রজিৎ ও রাবণের সম্পর্ক শুধু পিতা-পুত্রের সম্পর্ক নয়; এর সঙ্গে পিতৃস্নেহ, পিতৃভক্তি, বীরত্ব ও রাজকর্তব্য গভীরভাবে যুক্ত।
১. পিতৃস্নেহ: বীরবাহুর মৃত্যুর পর রাবণ শোকে মুহ্যমান। তিনি চান না তাঁর আরেক পুত্র ইন্দ্রজিৎও বিপদের মুখে পড়ুক। তাই পিতৃস্নেহ থেকেই তিনি প্রথমে ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রা নিয়ে উদ্বিগ্ন হন।
২. পুত্রের পিতৃভক্তি: ইন্দ্রজিৎ পিতাকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন। তিনি পিতাকে যুদ্ধে যেতে দিতে চান না এবং নিজেই যুদ্ধের দায়িত্ব নিতে চান। পিতার সম্মান ও লঙ্কার মর্যাদা রক্ষা করাই তাঁর প্রধান কর্তব্য হয়ে ওঠে।
৩. পারস্পরিক আস্থা: রাবণ ইন্দ্রজিতের বীরত্বে গভীরভাবে আস্থাশীল। তাঁকে ‘রাক্ষসকুল-ভরসা’ বলে অভিহিত করা তাঁর পুত্রের প্রতি বিশ্বাস ও গর্বের পরিচায়ক।
৪. রাজধর্ম ও বীরধর্ম: শেষ পর্যন্ত রাবণের পিতৃস্নেহ রাজকর্তব্যের কাছে নতি স্বীকার করে। তিনি ইন্দ্রজিৎকে সেনাপতি পদে অভিষেক করে যুদ্ধের দায়িত্ব অর্পণ করেন।
উপসংহার: তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে স্নেহ, শ্রদ্ধা, গর্ব, কর্তব্য ও আত্মত্যাগের এক মহৎ সমন্বয় দেখা যায়।
৫. “সাজিলা রথীন্দ্রর্ষভ বীর-আভরণে”—‘রথীন্দ্রর্ষভ’ কে? তাঁর বীর-সজ্জার বর্ণনা দাও। এই সজ্জা তাঁর চরিত্রের কোন দিকটিকে তুলে ধরে?
উত্তরঃ ‘রথীন্দ্রর্ষভ’ অর্থ শ্রেষ্ঠ রথী বা শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা। ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে এই শব্দটি ইন্দ্রজিতের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
বীর-সজ্জা: পিতার অনুমতি পাওয়ার পর ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধসাজে সজ্জিত হন। কবি তাঁর সাজের সঙ্গে দেবসেনাপতি কার্তিকেয়ের তারকাসুর-বধের প্রস্তুতির তুলনা করেছেন। তাঁর রথ ছিল মেঘবর্ণ, রথের চাকায় ছিল বিজলির ছটা এবং রেশমি পতাকা উড়ছিল।
চরিত্রের প্রকাশ: এই বীর-সজ্জার মাধ্যমে ইন্দ্রজিতের অসামান্য বীরত্ব, রাজকীয় মহিমা, আত্মবিশ্বাস ও যুদ্ধের প্রতি দৃঢ় সংকল্প প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর যুদ্ধসজ্জা যেন তাঁর অন্তর্নিহিত বীরসত্তারই বাহ্যিক প্রকাশ।
উপসংহার: তাই ইন্দ্রজিতের বীর-সজ্জা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের বর্ণনা নয়; এটি তাঁর বীরোচিত চরিত্রের প্রতীক।
৬. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে মাইকেল মধুসূদন দত্ত পৌরাণিক কাহিনির পাত্র ও ঘটনাকে যেভাবে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন, তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রামায়ণের কাহিনি অবলম্বন করলেও তার পাত্র-পাত্রীর চরিত্রকে নতুন মানবিক ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছেন। ‘অভিষেক’ কাব্যাংশেও তার স্পষ্ট পরিচয় পাওয়া যায়।
১. রাবণের মানবিকীকরণ: প্রচলিত রামায়ণে রাবণ প্রধানত বিরোধী চরিত্র। কিন্তু মধুসূদনের কাব্যে তিনি শোকার্ত পিতা, স্নেহশীল মানুষ এবং গর্বিত রাজা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছেন। বীরবাহুর মৃত্যুতে তাঁর আর্তনাদ তাঁর মানবিক দিককে উজ্জ্বল করেছে।
২. ইন্দ্রজিতের নায়কোচিত রূপ: ইন্দ্রজিৎ এখানে শুধু রাক্ষসপুত্র নন। তিনি বীর, কর্তব্যপরায়ণ, পিতৃভক্ত ও স্নেহশীল স্বামী। লঙ্কার বিপদের সময় নিজের বিলাসিতা ত্যাগ করে যুদ্ধের দায়িত্ব গ্রহণ তাঁর মহত্ত্বকে প্রকাশ করে।
৩. দৈব ও নিয়তির ভূমিকা: দেবী লক্ষ্মীর প্রভাষার ছদ্মবেশ ধারণ এবং ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রায় তাঁর ভূমিকা কাহিনিতে দৈবচক্র ও নিয়তির অনিবার্যতার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে।
৪. মানবিক অনুভূতির প্রাধান্য: পৌরাণিক চরিত্রগুলিকে মধুসূদন প্রেম, শোক, আত্মগ্লানি, কর্তব্য ও আত্মমর্যাদার মতো মানবিক অনুভূতিতে সমৃদ্ধ করেছেন।
উপসংহার: তাই মধুসূদন পুরাণের কাহিনি গ্রহণ করলেও তার চরিত্র ও ঘটনাকে নতুন মানবিক, মনস্তাত্ত্বিক ও মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায় সমৃদ্ধ করেছেন।
৭. “ঘুচাব এ অপবাদ, বধি রিপুকুলে।”—বক্তা কে? কোন অপবাদ, কীভাবে তিনি ঘোচাতে চেয়েছেন? তাঁর এই উক্তির মধ্যে দিয়ে চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ উক্তিটির বক্তা ইন্দ্রজিৎ।
অপবাদ: লঙ্কার ঘোর বিপদের সময় বীরবাহু নিহত হয়েছেন এবং পিতা রাবণ যুদ্ধে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অথচ ইন্দ্রজিৎ তখন প্রমোদ-কাননে আমোদ-প্রমোদে মগ্ন ছিলেন। এই অবস্থাকে তিনি নিজের জন্য অপমানজনক বলে মনে করেন।
অপবাদ মোচনের উপায়: তিনি মনে করেন, শত্রুদলকে বধ করে যুদ্ধজয় করাই এই অপবাদ মোচনের একমাত্র উপায়।
চরিত্রের বৈশিষ্ট্য: এই উক্তির মধ্যে দিয়ে ইন্দ্রজিতের প্রবল আত্মমর্যাদাবোধ, কর্তব্যপরায়ণতা, বীরধর্ম ও দৃঢ়সংকল্প ফুটে উঠেছে। তিনি শুধু অনুতপ্ত হননি, নিজের ভুল সংশোধনের জন্য সঙ্গে সঙ্গে কর্মে প্রবৃত্ত হয়েছেন।
উপসংহার: এই উক্তি ইন্দ্রজিতের সক্রিয় বীরসত্তা ও আত্মসম্মানবোধের উজ্জ্বল পরিচয়।
৮. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে যে সমস্ত পৌরাণিক অনুষঙ্গ ব্যবহৃত হয়েছে, তার পরিচয় ও সার্থকতা বিচার করো।
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে বিভিন্ন পৌরাণিক অনুষঙ্গ ব্যবহার করে কাহিনিকে মহাকাব্যিক গাম্ভীর্য ও ব্যাপ্তি দিয়েছেন।
১. হৈমবতীসুত: ‘হৈমবতীসুত’ বলতে কার্তিকেয়কে বোঝানো হয়েছে। তারকাসুর-বধের সময় কার্তিকেয়ের যুদ্ধসজ্জার সঙ্গে ইন্দ্রজিতের যুদ্ধসজ্জার তুলনা করা হয়েছে। এতে ইন্দ্রজিতের বীরত্ব ও মহত্ত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
২. অম্বুরাশি-সুতা: ‘অম্বুরাশি-সুতা’ হলেন দেবী লক্ষ্মী। তিনি প্রভাষার ছদ্মবেশে ইন্দ্রজিতের কাছে আসেন। এর মাধ্যমে দৈবশক্তি ও নিয়তির ভূমিকা কাব্যে প্রকাশিত হয়েছে।
৩. মেঘবাহন: ‘মেঘবাহন’ হলেন দেবরাজ ইন্দ্র। ইন্দ্রজিতের অতীত বীরত্ব ও ইন্দ্র-বিজয়ের স্মৃতি এই অনুষঙ্গের মাধ্যমে উজ্জ্বল হয়েছে।
৪. পৌরাণিক তুলনা: কার্তিকেয়ের সঙ্গে ইন্দ্রজিতের তুলনা তাঁকে দেবসেনাপতির সমতুল্য এক মহাবীরের মর্যাদা দিয়েছে।
উপসংহার: এই পৌরাণিক অনুষঙ্গগুলি কেবল অলংকার নয়; চরিত্রের মহত্ত্ব বৃদ্ধি, ঘটনার গাম্ভীর্য সৃষ্টি এবং কাব্যের মহাকাব্যিক পরিবেশ নির্মাণে এগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
৯. “কাপিলা লঙ্কা, কাঁপিলা জলধি”—এই পঙক্তিটির প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে এর তাৎপর্য ও কাব্যসৌন্দর্য ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ প্রেক্ষাপট: রাবণের কাছ থেকে যুদ্ধযাত্রার অনুমতি পাওয়ার পর ইন্দ্রজিৎ বীর-আভরণে সজ্জিত হন। এরপর তাঁর ধনুকের টঙ্কারে লঙ্কা ও সমুদ্র পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পঙক্তিটি ব্যবহৃত হয়েছে।
তাৎপর্য: এই পঙক্তির মাধ্যমে ইন্দ্রজিতের অসীম শক্তি, বীরত্ব ও যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর ধনুকের শব্দ যেন শত্রুপক্ষের জন্য আসন্ন বিপদের বার্তা বহন করছে।
কাব্যসৌন্দর্য: এখানে অতিশয়োক্তির মাধ্যমে ইন্দ্রজিতের শক্তিকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। বাস্তবে ধনুকের শব্দে সমুদ্র কেঁপে ওঠা সম্ভব না হলেও কাব্যিক কল্পনায় এটি ইন্দ্রজিতের বীরত্বকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ‘কাপিলা’ ও ‘কাঁপিলা’ শব্দের ধ্বনিগত সাদৃশ্য পঙক্তিতে শব্দঝঙ্কার ও শ্রুতিমাধুর্য সৃষ্টি করেছে।
উপসংহার: তাই পঙক্তিটি বীরত্ব, অতিশয়োক্তি, ধ্বনিসৌন্দর্য ও মহাকাব্যিক ব্যাপ্তির এক অনন্য উদাহরণ।
১০. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে করুণ রস ও বীর রসের সমন্বয় কীভাবে ঘটেছে, তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘অভিষেক’ কাব্যাংশের প্রধান রস বীর রস হলেও এর সঙ্গে করুণ রসের গভীর সমন্বয় ঘটেছে। এই দুই রসের মিলনেই কাব্যাংশটি একই সঙ্গে বীরোচিত ও মর্মস্পর্শী হয়ে উঠেছে।
করুণ রসের প্রকাশ:
১. রাবণের পুত্রশোক: বীরবাহুর মৃত্যুর পর রাবণের গভীর শোক, হতাশা ও আর্তনাদ করুণ রসের সৃষ্টি করেছে।
২. প্রমীলার বিচ্ছেদ-বেদনা: যুদ্ধযাত্রার আগে ইন্দ্রজিৎ ও প্রমীলার বিদায় দৃশ্যে দাম্পত্যপ্রেম ও আসন্ন বিচ্ছেদের বেদনা প্রকাশ পেয়েছে।
৩. নিয়তির পরিহাস: ইন্দ্রজিতের মতো মহাবীরের সামনে যে করুণ পরিণতির ইঙ্গিত রয়েছে, তাতেও একটি ট্র্যাজিক আবহ তৈরি হয়েছে।
বীর রসের প্রকাশ: ইন্দ্রজিতের আত্মধিক্কার, যুদ্ধযাত্রার সংকল্প, শত্রুদলকে বধ করার প্রতিজ্ঞা, বীরসজ্জা এবং ধনুকের টঙ্কার—সবকিছুর মধ্যেই বীর রসের প্রকাশ ঘটেছে।
দুই রসের সমন্বয়: রাবণের করুণ শোকের পর ইন্দ্রজিতের বীরোচিত সংকল্প কাহিনিতে নতুন গতি আনে। আবার যুদ্ধযাত্রার পূর্বে প্রমীলার কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার দৃশ্য বীরত্বের মধ্যে মানবিক বেদনা সৃষ্টি করে। ফলে বীরত্বের সঙ্গে শোক, কর্তব্যের সঙ্গে ভালোবাসা এবং যুদ্ধের সঙ্গে বিচ্ছেদ-বেদনার সুন্দর সমন্বয় ঘটেছে।
উপসংহার: এইভাবেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত বীর রস ও করুণ রসকে পাশাপাশি রেখে ‘অভিষেক’ কাব্যাংশকে মহাকাব্যিক গাম্ভীর্য ও মানবিক মর্মস্পর্শিতায় সমৃদ্ধ করেছেন।
Madhyamik All Subjects Suggestion | মাধ্যমিক সাজেশন:
- Madhyamik Bengali Suggestion Click Here
- Madhyamik English Suggestion Click Here
- Madhyamik History Suggestion Click Here
- Madhyamik Geography Suggestion Click Here
- Madhyamik Life Science Suggestion Click Here
- Madhyamik Mathematics Suggestion Click Here
- Madhyamik Physical Science Suggestion Click Here
- Madhyamik All Subjects Suggestion Click Here
PDF: অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer PDF Download
অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer PDF Download: অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর সহ একটি PDF File শিক্ষার্থীদের revision-এর সুবিধার জন্য দেওয়া হলো।
PDF Download: অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer PDF Click Here
| আমাদের YouTube Channel টি সাবস্ক্রাইব করুন Click Here To Subscribe Now |
West Bengal Class 10 Bengali Board Exam Details
West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) conducts the Madhyamik Examination for Class 10 students across West Bengal. Bengali is one of the important subjects in the Madhyamik Board Exam, and students need to prepare each chapter carefully according to the prescribed syllabus. Here you will find useful Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer, study materials, important questions and other resources to help students prepare effectively for the Class 10 Bengali Board Exam.
Madhyamik Bengali Abhishek Syllabus PDF
Madhyamik Bengali Abhishek ‘অভিষেক’ (কবিতা) – মাইকেল মধুসূদন দত্ত অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। এই অধ্যায় থেকে বিভিন্ন ধরনের MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং বর্ণনামূলক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত সিলেবাস অনুযায়ী অধ্যায়টি মন দিয়ে পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি বারবার অনুশীলন করা।
Madhyamik Bengali Syllabus PDF: Click Here
অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer
Madhyamik Bengali Abhishek অভিষেক (কবিতা) – মাইকেল মধুসূদন দত্ত থেকে মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি উপরে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে অধ্যায়ের বিভিন্ন অংশ থেকে নির্বাচিত MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় শিক্ষার্থীরা এগুলি ভালোভাবে পড়তে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে পারে।
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Abhishek Suggestion Question and Answer
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Abhishek Suggestion Question and Answer খুঁজছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য এই পোস্টে ‘অভিষেক’ কবিতা – মাইকেল মধুসূদন দত্ত অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর একসঙ্গে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার আগে দ্রুত Revision করার পাশাপাশি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই প্রশ্নোত্তরগু,লি সহায়ক হবে।
অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Abhishek Question and Answer
আশা করি, ‘Madhyamik Bengali Abhishek’ ‘অভিষেক (কবিতা) – মাইকেল মধুসূদন দত্ত’-এর এই প্রশ্নোত্তরগুলি তোমাদের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে। পোস্টটি উপকারী মনে হলে সহপাঠীদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারো। West Bengal Board-এর সিলেবাস অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের Notes, Question Answer, Suggestion ও শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু, পাশাপাশি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় Study Material পেতে নিয়মিত ভিজিট করো Porasuna.in। ধন্যবাদ।




















