হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer: নমস্কার বন্ধুরা, আজকের আলোচনার বিষয় ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ (প্রবন্ধ) – নিখিল সরকার, যা মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। এই পোস্টে WBBSE Class 10 Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer-এর পাশাপাশি প্রবন্ধ থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলি ভালোভাবে পড়া এবং অনুশীলন করা অত্যন্ত উপকারী।
যেসব ছাত্রছাত্রী হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর, WBBSE Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer অথবা পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা প্রশ্নোত্তর খুঁজছো, তারা এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে পড়তে পারো। হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধ থেকে পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এমন বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যা West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Exam Preparation এবং Revision-এর সময় বিশেষভাবে কাজে আসবে।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই (WBBSE) |
| ক্লাস | মাধ্যমিক দশম শ্রেণী (WB Class 10 Madhyamik) |
| বিষয় | মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা (Madhyamik Bengali) |
| পাঠ | হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার |
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা | West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer
বহুনির্বাচনী : হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom MCQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধটির লেখকের ছদ্মনাম কী?
(A) বনফুল
(B) শ্রীপান্থ
(C) যাযাবর
(D) কালকূট
উত্তরঃ (B) শ্রীপান্থ
২. লেখকের আসল নাম কী?
(A) নিখিল সেন
(B) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
(C) সমরেশ বসু
(D) নিখিল সরকার
উত্তরঃ (D) নিখিল সরকার
৩. লেখক প্রথম ফাউন্টেন পেনটি কোথা থেকে কিনেছিলেন?
(A) কলেজ স্ট্রিট
(B) নিউ মার্কেট
(C) শ্যামবাজার
(D) ধর্মতলা
উত্তরঃ (A) কলেজ স্ট্রিট
৪. “কলম তাদের কাছে আজ অস্পৃশ্য”—কাদের কাছে?
(A) সাংবাদিকদের
(B) পকেটমারদের
(C) বৃদ্ধদের
(D) শিশুদের
উত্তরঃ (B) পকেটমারদের
৫. লর্ড কার্জন কী পছন্দ করতেন?
(A) বাঙালি পোশাক
(B) বাঙালি রান্না
(C) বাঙালি কলম
(D) বাঙালি সংস্কৃতি
উত্তরঃ (A) বাঙালি পোশাক
৬. কালি তৈরির জন্য লেখকেরা কী ব্যবহার করতেন?
(A) নিমপাতা
(B) ত্রিফলা
(C) তুলসীপাতা
(D) ভেষজ রং
উত্তরঃ (B) ত্রিফলা
৭. ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কারক কে?
(A) লুইস এডসন ওয়াটারম্যান
(B) জর্জ পার্কার
(C) ওয়াল্টার শেফার
(D) টমাস এডিসন
উত্তরঃ (A) লুইস এডসন ওয়াটারম্যান
৮. সত্যজিৎ রায়ের সংগ্রহে কত ডজন ফাউন্টেন পেন ছিল?
(A) এক ডজন
(B) দুই ডজন
(C) পাঁচ ডজন
(D) কয়েক ডজন
উত্তরঃ (D) কয়েক ডজন
৯. “একদা বলা হত”—কী বলা হত?
(A) লেখা পড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে
(B) কালি কলম মন, লেখে তিনজন
(C) পড়া লেখা না করলে, চাষবাস করতে হয়
(D) কলম তরোয়ালের চেয়ে শক্তিশালী
উত্তরঃ (B) কালি কলম মন, লেখে তিনজন
১০. পালকের কলমের ইংরেজি নাম কী?
(A) Fountain Pen
(B) Stylus
(C) Quill
(D) Reed Pen
উত্তরঃ (C) Quill
১১. ফাউন্টেন পেনের বাংলা নাম ‘ঝরনা কলম’ কে দিয়েছিলেন?
(A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তরঃ (C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১২. “কখনো বা শিংওয়ালা”—কার শিং?
(A) হরিণের
(B) গরুর
(C) ছাগলের
(D) মোষের
উত্তরঃ (B) গরুর
১৩. কঞ্চির কলম কী দিয়ে তৈরি হতো?
(A) শরের ডগা
(B) বাঁশের কঞ্চি
(C) খাগের ডগা
(D) গাছের ডাল
উত্তরঃ (B) বাঁশের কঞ্চি
১৪. অনেক রকম নিব পাওয়া যেত। তার মধ্যে কোনটি ছিল?
(A) স্টিলের নিব
(B) সোনার নিব
(C) গরুর শিংয়ের নিব
(D) সবকটিই
উত্তরঃ (D) সবকটিই
১৫. কোন বিখ্যাত লেখকের দোয়াত সংগ্রহ ছিল?
(A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(C) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
(D) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তরঃ (C) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
১৬. ফাউন্টেন পেনের জন্মদাতা লুই ওয়াটারম্যান পেশায় কী ছিলেন?
(A) ব্যবসায়ী
(B) লেখক
(C) কেরানি
(D) ইঞ্জিনিয়ার
উত্তরঃ (A) ব্যবসায়ী
১৭. “এই নেশা আমি পেয়েছি”—লেখক কার কাছ থেকে এই নেশা পেয়েছিলেন?
(A) রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে
(B) শরৎচন্দ্রের কাছ থেকে
(C) শৈলজানন্দের কাছ থেকে
(D) বাবার কাছ থেকে
উত্তরঃ (C) শৈলজানন্দের কাছ থেকে
১৮. সিজার যে কলমটি দিয়ে কাসকাকে আঘাত করেছিলেন, তার পোশাকি নাম কী?
(A) কুইল
(B) স্টাইলাস
(C) নিব
(D) শলাকা
উত্তরঃ (B) স্টাইলাস
১৯. ‘দোয়াত’ কী?
(A) কলমদানি
(B) কালির পাত্র
(C) লেখার ডেস্ক
(D) কাগজ রাখার পাত্র
উত্তরঃ (B) কালির পাত্র
২০. কোন কলমের ‘মৃত্যু’ নিয়ে লেখক আক্ষেপ করেছেন?
(A) পালকের কলম
(B) কঞ্চির কলম
(C) ঝরনা কলম
(D) বল পয়েন্ট পেন
উত্তরঃ (C) ঝরনা কলম
২১. “সবই আজ অবলুপ্তির পথে”—কোনটি অবলুপ্তির পথে নয়?
(A) দোয়াত
(B) কালি
(C) কলম
(D) কম্পিউটার
উত্তরঃ (D) কম্পিউটার
২২. কালি তৈরির জন্য কীসের ছাগদুগ্ধ মেশানো হতো?
(A) কালিকে স্থায়ী করতে
(B) কালিকে ঘন করতে
(C) কালির রং বদলাতে
(D) কালিকে সুগন্ধি করতে
উত্তরঃ (B) কালিকে ঘন করতে
২৩. “কানে কলম গুঁজে দুনিয়া খোঁজেন”—কারা?
(A) দারোগা
(B) সাংবাদিক
(C) দার্শনিক
(D) লেখক
উত্তরঃ (C) দার্শনিক
২৪. কলমকে কীসের চেয়ে শক্তিশালী বলা হয়েছে?
(A) বন্দুকের
(B) বোমার
(C) তরোয়ালের
(D) কামানের
উত্তরঃ (C) তরোয়ালের
২৫. ‘স্টাইলাস’ কী দিয়ে তৈরি ছিল?
(A) লোহা
(B) রুপা
(C) ব্রোঞ্জ
(D) সোনা
উত্তরঃ (C) ব্রোঞ্জ
২৬. ছেলেবেলায় লেখক কী দিয়ে কলম তৈরি করতেন?
(A) পালক
(B) খাগের ডগা
(C) গাছের ডাল
(D) বাঁশের কঞ্চি
উত্তরঃ (D) বাঁশের কঞ্চি
২৭. ফাউন্টেন পেনের আগের নাম কী ছিল?
(A) কুইল পেন
(B) স্টাইলাস
(C) রিজার্ভার পেন
(D) ঝরনা কলম
উত্তরঃ (C) রিজার্ভার পেন
২৮. শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় কী দিয়ে লিখতেন?
(A) কঞ্চির কলম
(B) পালকের কলম
(C) ফাউন্টেন পেন
(D) বল পয়েন্ট পেন
উত্তরঃ (C) ফাউন্টেন পেন
২৯. “কালি কলম মন, লেখে তিনজন”—এখানে ‘তিনজন’ কারা?
(A) তিনজন লেখক
(B) তিনজন দেবতা
(C) কালি, কলম এবং মন
(D) লেখক, পাঠক ও প্রকাশক
উত্তরঃ (C) কালি, কলম এবং মন
৩০. ‘কিলক’ কী?
(A) একটি গাছ
(B) একটি যন্ত্র
(C) ব্রোঞ্জের শলাকা
(D) একটি কলম
উত্তরঃ (C) ব্রোঞ্জের শলাকা
৩১. “লাঠি তোমার দিন ফুরাইয়াছে”—কে বলেছিলেন?
(A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(D) প্রমথ চৌধুরী
উত্তরঃ (C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩২. অন্নদাশঙ্কর রায় বিদেশে গেলে কীসের বিজ্ঞাপন দেখতেন?
(A) বইয়ের
(B) কলমের
(C) ঘড়ির
(D) গাড়ির
উত্তরঃ (B) কলমের
৩৩. ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধটি কোন শ্রেণির রচনা?
(A) তথ্যমূলক
(B) আত্মজীবনীমূলক
(C) ব্যঙ্গাত্মক
(D) রম্যরচনা
উত্তরঃ (D) রম্যরচনা
৩৪. ফাউন্টেন পেনের নিব কী কী ধাতু দিয়ে তৈরি হতো?
(A) সোনা
(B) রুপা
(C) ইস্পাত
(D) সবকটিই
উত্তরঃ (D) সবকটিই
৩৫. দোয়াত আগে কী কী উপাদানে তৈরি হতো?
(A) কাঁচের
(B) মাটির
(C) সোনার
(D) সবকটিই
উত্তরঃ (D) সবকটিই
৩৬. “সম্ভবত শেষ পর্যন্ত নিবের কলমের মান-মর্যাদা”—কে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন?
(A) অন্নদাশঙ্কর রায়
(B) সত্যজিৎ রায়
(C) শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়
(D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তরঃ (B) সত্যজিৎ রায়
৩৭. ঝরনা কলমের সবচেয়ে বড়ো দোষ কী ছিল?
(A) দাম বেশি
(B) কালি ফুরিয়ে যাওয়া
(C) পকেটে কালি লেগে যাওয়া
(D) সহজে ভেঙে যাওয়া
উত্তরঃ (C) পকেটে কালি লেগে যাওয়া
৩৮. চীনারা কোথায় লিখত?
(A) কাগজের ওপর
(B) তুলোর ওপর
(C) সিল্কের ওপর
(D) চামড়ার ওপর
উত্তরঃ (C) সিল্কের ওপর
৩৯. “দার্শনিক তাকেই বলি”—কাকে?
(A) যিনি দর্শন নিয়ে আলোচনা করেন
(B) যিনি চোখে চশমা পরেন
(C) যিনি কলম কানে গুঁজে দুনিয়া খোঁজেন
(D) যিনি বই পড়েন
উত্তরঃ (C) যিনি কলম কানে গুঁজে দুনিয়া খোঁজেন
৪০. পালকের কলম তৈরিতে কীসের পালক লাগত?
(A) হাঁসের
(B) ময়ূরের
(C) কাকের
(D) সবকটিই
উত্তরঃ (D) সবকটিই
৪১. “ওস্তাদ কলমবাজদের” কী বলা হতো?
(A) লিপিকর
(B) ক্যালিগ্রাফিস্ট
(C) লেখক
(D) প্রবন্ধকার
উত্তরঃ (B) ক্যালিগ্রাফিস্ট
৪২. গ্রামের বয়স্করা কী দেখে লেখককে আশীর্বাদ করতেন?
(A) তাঁর পড়াশোনা দেখে
(B) তাঁর ভালো লেখা দেখে
(C) তাঁর হাতের লেখা দেখে
(D) তাঁর আচরণ দেখে
উত্তরঃ (C) তাঁর হাতের লেখা দেখে
৪৩. ফাউন্টেন পেনের একটি নাম কী ছিল?
(A) নিব পেন
(B) কালি পেন
(C) রিজার্ভার পেন
(D) পকেট পেন
উত্তরঃ (C) রিজার্ভার পেন
৪৪. “সব আজ ______ জগতে”—শূন্যস্থান পূরণ করো।
(A) কম্পিউটারের
(B) বলপেনের
(C) যন্ত্রের
(D) ছাপাখানার
উত্তরঃ (A) কম্পিউটারের
৪৫. লেখক কোন কলমটি কেনার পরদিনই তার ‘বিয়োগব্যথা’ পেয়েছিলেন?
(A) একটি জাপানি পাইলট
(B) একটি শেফার পেন
(C) একটি পার্কার পেন
(D) একটি ওয়াটারম্যান পেন
উত্তরঃ (A) একটি জাপানি পাইলট
৪৬. ‘দোয়াত’ কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
(A) কালি রাখার কাজে
(B) কাগজ রাখার কাজে
(C) কলম রাখার কাজে
(D) বই রাখার কাজে
উত্তরঃ (A) কালি রাখার কাজে
৪৭. টাইপরাইটারে লিখে বিখ্যাত হয়েছিলেন কোন বাঙালি লেখক?
(A) অন্নদাশঙ্কর রায়
(B) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
(C) সত্যজিৎ রায়
(D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তরঃ (A) অন্নদাশঙ্কর রায়
৪৮. লেখক কালি বানানোর জন্য কীসের পাতা ব্যবহার করতেন?
(A) কলাপাতা
(B) লাউপাতা
(C) শালপাতা
(D) পদ্মপাতা
উত্তরঃ (A) কলাপাতা
৪৯. রোমে ব্রোঞ্জের শলাকার পোশাকি নাম কী ছিল?
(A) নিব
(B) স্টাইলাস
(C) কুইল
(D) পেন
উত্তরঃ (B) স্টাইলাস
৫০. ঝরনা কলমের ‘খুনী’ কে?
(A) কঞ্চির কলম
(B) পালকের কলম
(C) বল পয়েন্ট পেন
(D) কম্পিউটার
উত্তরঃ (C) বল পয়েন্ট পেন
[Madhyamik Bengali Suggestion Click Here]
অতিসংক্ষিপ্ত : হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণীর বাংলা | WBBSE Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom SAQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘ত্রিফলা’ কী?
উত্তরঃ হরিতকী, আমলকী ও বহেড়া—এই তিনটি ফলের মিশ্রণকে ত্রিফলা বলে।
২. ‘কলম তাদের কাছে আজ অস্পৃশ্য’—কাদের কাছে?
উত্তরঃ পকেটমারদের কাছে কলম আজ অস্পৃশ্য।
৩. পালকের কলমের ইংরেজি নাম কী?
উত্তরঃ পালকের কলমের ইংরেজি নাম কুইল (Quill)।
৪. ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কর্তা কে?
উত্তরঃ ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কর্তা লুইস এডসন ওয়াটারম্যান।
৫. লেখক ছেলেবেলায় কালি কোথায় রাখতেন?
উত্তরঃ লেখক ছেলেবেলায় মাটির দোয়াত অথবা কলাপাতা কেটে তৈরি পাত্রে কালি রাখতেন।
৬. ‘কানে কলম গুঁজে দুনিয়া খোঁজেন’—কারা?
উত্তরঃ দার্শনিকরা কানে কলম গুঁজে দুনিয়া খোঁজেন।
৭. ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ প্রবন্ধটি ‘কালি কলম মন’ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
৮. ‘স্টাইলাস’ কী?
উত্তরঃ স্টাইলাস হলো ব্রোঞ্জের তৈরি একধরনের শলাকা, যা প্রাচীন রোমে লেখার কাজে ব্যবহৃত হতো।
৯. লেখক প্রথম কোন পেন কিনেছিলেন?
উত্তরঃ লেখক প্রথম একটি জাপানি পাইলট পেন কিনেছিলেন।
১০. “লাঠি তোমার দিন ফুরাইয়াছে”—এই উক্তিটি কার?
উত্তরঃ এই উক্তিটি সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
১১. ‘কালি কলম মন, লেখে তিনজন’—এই প্রবাদটির অর্থ কী?
উত্তরঃ এই প্রবাদটির অর্থ হলো, ভালো লেখার জন্য কালি, কলম এবং লেখকের মনোযোগ—এই তিনটি বিষয়ের প্রয়োজন।
১২. ঝরনা কলমের সবচেয়ে বড়ো সুবিধা কী ছিল?
উত্তরঃ ঝরনা কলমের সবচেয়ে বড়ো সুবিধা ছিল, এর সঙ্গে আলাদা করে কালি বা দোয়াত বয়ে নিয়ে বেড়াতে হতো না।
১৩. কোন লেখকের দোয়াত সংগ্রহের নেশা ছিল?
উত্তরঃ সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের দোয়াত সংগ্রহের নেশা ছিল।
১৪. ‘রিজার্ভার পেন’ কোন কলমকে বলা হতো?
উত্তরঃ ফাউন্টেন পেনকে ‘রিজার্ভার পেন’ বলা হতো।
১৫. কলমকে কীসের চেয়ে শক্তিশালী বলা হয়?
উত্তরঃ কলমকে তরোয়ালের চেয়ে শক্তিশালী বলা হয়।
১৬. কম্পিউটারের দাপটে কারা বেকার হয়ে গেছেন?
উত্তরঃ কম্পিউটারের দাপটে অনেক মুদ্রণশিল্পী বা ক্যালিগ্রাফিস্ট বেকার হয়ে গেছেন।
১৭. ক্যালিগ্রাফিস্ট কাদের বলা হয়?
উত্তরঃ যাঁরা সুন্দর ও শিল্পসম্মত হাতের লেখার চর্চা করেন, তাঁদের ক্যালিগ্রাফিস্ট বলা হয়।
১৮. ঝরনা কলমের বাংলা নামটি কে দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ ঝরনা কলমের বাংলা নামটি দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৯. লেখকের কেনা প্রথম পেনটি কীভাবে হারিয়েছিল?
উত্তরঃ কেনার পরদিনই লেখকের প্রথম পেনটি চুরি হয়ে গিয়েছিল।
২০. ‘কিলক’ কী দিয়ে তৈরি?
উত্তরঃ ‘কিলক’ ব্রোঞ্জ দিয়ে তৈরি।
২১. প্রাচীনকালে কী কী ধরনের কলম ব্যবহৃত হতো?
উত্তরঃ প্রাচীনকালে বাঁশের কঞ্চি, খাগ, নল ও পালকের কলম ব্যবহৃত হতো।
২২. কালি তৈরির জন্য ব্যবহৃত একটি ফলের নাম লেখো।
উত্তরঃ কালি তৈরির জন্য ব্যবহৃত একটি ফলের নাম হরিতকী।
২৩. ফাউন্টেন পেনের জন্ম হয়েছিল কেন?
উত্তরঃ চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করার সময় দোয়াতের কালি পড়ে যাওয়ার মতো বিপত্তি এড়ানোর প্রয়োজন থেকেই ফাউন্টেন পেন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
২৪. সত্যজিৎ রায়ের প্রিয় কলম কী ছিল?
উত্তরঃ সত্যজিৎ রায়ের প্রিয় কলম ছিল পার্কার বা শেফার পেন।
২৫. কলম কোথায় গোঁজার কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ কলম কানে গোঁজার কথা বলা হয়েছে।
২৬. লেখকের মতে, কলমের দুনিয়ায় বিপ্লব এনেছিল কে?
উত্তরঃ লেখকের মতে, কলমের দুনিয়ায় বিপ্লব এনেছিল ফাউন্টেন পেন।
২৭. দোয়াতের কালি কীভাবে তৈরি হতো?
উত্তরঃ বাড়িতে কাঠ জ্বালিয়ে তৈরি কালি, ভেষজ উপাদান এবং ত্রিফলা ব্যবহার করে দোয়াতের কালি তৈরি হতো।
২৮. লেখককে কে হাতের লেখা দেখে আশীর্বাদ করতেন?
উত্তরঃ গ্রামের বয়স্করা লেখকের হাতের লেখা দেখে তাঁকে আশীর্বাদ করতেন।
২৯. ফিনিসীয়রা কীসের ওপর লিখত?
উত্তরঃ ফিনিসীয়রা হাড় বা পশুর চামড়ার ওপর লিখত।
৩০. বলপেনের ‘খুনী’ কে?
উত্তরঃ লেখক ঝরনা কলমের অবলুপ্তির জন্য বলপেনকে দায়ী করেছেন।
৩১. কালিকে আরও কালো করার জন্য কী মেশানো হতো?
উত্তরঃ কালিকে আরও কালো করার জন্য আতপ চাল ভেজে পুড়িয়ে তা মেশানো হতো।
৩২. ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধের লেখকের ছদ্মনাম কী?
উত্তরঃ লেখকের ছদ্মনাম শ্রীপান্থ।
৩৩. লেখকের আসল নাম কী?
উত্তরঃ লেখকের আসল নাম নিখিল সরকার।
৩৪. শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় কীসের জন্য বিখ্যাত ছিলেন?
উত্তরঃ শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় ফাউন্টেন পেন দিয়ে লেখার জন্য পরিচিত ছিলেন।
৩৫. পকেটমাররা কেন কলম নেয় না?
উত্তরঃ বর্তমানে সাধারণ কলমের দাম কম এবং সেগুলি বিক্রি করে বিশেষ লাভ হয় না বলে পকেটমাররা কলম নিতে আগ্রহী নয়।
৩৬. ‘কালি-কলম’ এখন কোথায় দেখা যায়?
উত্তরঃ ‘কালি-কলম’ এখন মূলত মিউজিয়াম বা সংগ্রহশালায় দেখা যায়।
৩৭. কলম তৈরির জন্য বাঁশের কঞ্চি কীভাবে কাটা হতো?
উত্তরঃ বাঁশের কঞ্চির মুখ সরু করে চিরে কলম তৈরি করা হতো।
৩৮. ‘সবই আজ অবলুপ্তির পথে’—‘সবই’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘সবই’ বলতে হাতে তৈরি কালি, বাঁশের কলম, খাগের কলম, পালকের কলম, দোয়াত প্রভৃতি বোঝানো হয়েছে।
৩৯. প্রবন্ধের শেষে লেখক কী নিয়ে আক্ষেপ করেছেন?
উত্তরঃ প্রবন্ধের শেষে লেখক কালি-কলমের হারিয়ে যাওয়া এবং যন্ত্রনির্ভর লেখার প্রসারের ফলে হাতে লেখার আবেগ ও শিল্পের বিলুপ্তি নিয়ে আক্ষেপ করেছেন।
৪০. ঝরনা কলমের সবচেয়ে বড়ো অসুবিধা কী ছিল?
উত্তরঃ ঝরনা কলমের সবচেয়ে বড়ো অসুবিধা ছিল, অনেক সময় কলম থেকে কালি চুঁইয়ে পকেটে দাগ লেগে যেত।
[Madhyamik Suggestion Click Here]
রচনাধর্মী : হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom LAQ [প্রশ্নমান – ৫]
১. ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক কালি ও কলম নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তরঃ ভূমিকা: শ্রীপান্থের ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক কালি-কলমের ইতিহাসের পাশাপাশি নিজের ছেলেবেলার স্মৃতিও অত্যন্ত আন্তরিকভাবে তুলে ধরেছেন।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা:
১. কলম তৈরি: লেখক জানান, তিনি ছেলেবেলায় বাঁশের কঞ্চি কেটে কলম তৈরি করতেন। কঞ্চির মুখটি সরু করে কেটে মাঝখানটা চিরে দেওয়া হতো, যাতে লেখার সময় কালি ধীরে ধীরে নেমে আসে।
২. কালি তৈরি: লেখক বাড়িতেই কালি তৈরি করতেন। মা, পিসি বা দিদিদের সাহায্যে কাঠ জ্বালিয়ে তৈরি কালি, ভেষজ উপাদান ও ত্রিফলা ব্যবহার করে লোহার পাত্রে কালি তৈরি করা হতো। সেই কালি কলাপাতা কেটে তৈরি পাত্রে অথবা মাটির দোয়াতে রাখা হতো।
৩. প্রথম ফাউন্টেন পেন: লেখকের মনে পড়ে তাঁর প্রথম ফাউন্টেন পেন কেনার কথা। তিনি কলেজ স্ট্রিটের একটি দোকান থেকে জাপানি পাইলট পেন কিনেছিলেন। কিন্তু কেনার পরদিনই সেটি চুরি হয়ে যায়। এই ঘটনায় তিনি অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছিলেন।
উপসংহার: এই ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়ে লেখক কালি-কলমের সঙ্গে তাঁর শৈশবের আবেগ ও ভালোবাসার সম্পর্ক ফুটিয়ে তুলেছেন। ফলে প্রবন্ধটি আরও আন্তরিক ও মনোগ্রাহী হয়ে উঠেছে।
২. “সবই আজ অবলুপ্তির পথে”—কোন কোন জিনিস আজ অবলুপ্তির পথে? এই অবলুপ্তির কারণ কী?
উত্তরঃ ভূমিকা: শ্রীপান্থের ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক অতীতের কালি-কলমের ঐতিহ্য এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রভাবে সেগুলির ক্রমশ হারিয়ে যাওয়ার চিত্র তুলে ধরেছেন।
অবলুপ্তির পথে থাকা জিনিস: লেখকের মতে, কালি-কলমের সঙ্গে জড়িত বহু ঐতিহ্য আজ অবলুপ্তির পথে। যেমন—
১. হাতে তৈরি কালি। ২. বাঁশের কঞ্চি বা খাগের কলম। ৩. পালকের কলম বা কুইল। ৪. মাটির ও কাঁচের দোয়াত। ৫. কালি শুকানোর জন্য ব্যবহৃত ব্লটিং পেপার। ৬. নিব ও হোল্ডারের কলম।
এমনকি একসময় আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ফাউন্টেন পেনের ব্যবহারও আজ অনেক কমে গেছে।
অবলুপ্তির কারণ: এই অবলুপ্তির প্রধান কারণ হলো প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ও মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন।
১. বলপেনের আগমন: বলপেনের সহজলভ্যতা, কম দাম এবং কালি ভরার ঝামেলা না থাকায় এটি দ্রুত ফাউন্টেন পেনের জায়গা দখল করে নেয়।
২. কম্পিউটার ও আধুনিক প্রযুক্তি: কম্পিউটারের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে হাতে লেখার প্রয়োজন অনেক কমে গেছে। আধুনিক মুদ্রণশিল্পেও হাতে লেখা ও ক্যালিগ্রাফির ব্যবহার কমেছে।
উপসংহার: এভাবেই প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ও আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাবে কালি-কলমের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
৩. ফাউন্টেন পেনের জন্মবৃত্তান্তটি সংক্ষেপে লেখো। এর বাংলা নাম ‘ঝরনা কলম’ কে দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ জন্মবৃত্তান্ত: ফাউন্টেন পেনের জন্মের পেছনে একটি ব্যবসায়িক প্রয়োজন ও দুর্ঘটনার কাহিনি রয়েছে। এর আবিষ্কর্তা লুইস এডসন ওয়াটারম্যান পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। একবার তিনি একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু দোয়াতের কালি কাগজের ওপর পড়ে যাওয়ায় চুক্তিপত্রটি নষ্ট হয়ে যায়। তিনি নতুন কাগজের ব্যবস্থা করতে গেলে অন্য একজন সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে চলে যান। এই ঘটনায় তিনি অত্যন্ত হতাশ হন।
এরপর তিনি এমন একটি কলম তৈরির কথা ভাবেন, যাতে আলাদা করে দোয়াতের প্রয়োজন হবে না এবং কালি পড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও কম থাকবে। এই ভাবনা থেকেই তিনি রিজার্ভার পেন বা ফাউন্টেন পেন তৈরি করেন।
নামকরণ: ফাউন্টেন পেনের বাংলা নাম ‘ঝরনা কলম’ দিয়েছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
উপসংহার: ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কার লেখার জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।
৪. “আমরা কালিও তৈরি করতাম নিজেরাই”—লেখকদের কালি তৈরির পদ্ধতিটি প্রবন্ধ অনুসারে বর্ণনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক প্রাচীনকালে বাড়িতে কালি তৈরির পদ্ধতির এক মনোগ্রাহী বর্ণনা দিয়েছেন।
কালি তৈরির উপকরণ: কালি তৈরির প্রধান উপকরণ ছিল ত্রিফলা—হরিতকী, আমলকী ও বহেড়া। এ ছাড়া কাঠের উনুনে রান্না করার ফলে কড়াইয়ের তলায় জমে থাকা কালি, লোহার পাত্র এবং ছাগলের দুধও ব্যবহার করা হতো।
কালি তৈরির পদ্ধতি:
১. প্রথমে ত্রিফলা জলে ভিজিয়ে রাখা হতো। ২. এরপর সেই জল একটি লোহার পাত্রে নিয়ে ফোটানো হতো। ৩. কালি আরও কালো করার জন্য কখনো কখনো আতপ চাল ভেজে পুড়িয়ে মেশানো হতো। ৪. কালিকে ঘন করার জন্য মিশ্রণের সঙ্গে সামান্য ছাগলের দুধ মেশানো হতো।
কালি সংরক্ষণ: তৈরি করা কালি মাটির দোয়াত অথবা কলাপাতা কেটে তৈরি পাত্রে রাখা হতো।
উপসংহার: কালি তৈরির এই পদ্ধতির মধ্যে যেমন পরিশ্রম ছিল, তেমনই ছিল এক ধরনের শিল্প ও আনন্দ। এটি ছিল অতীতের বাঙালি ঘরের নিজস্ব সংস্কৃতির একটি অংশ।
৫. ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: শ্রীপান্থের ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধটির নামকরণ এর বিষয়বস্তু ও মূল বক্তব্যকে যথার্থভাবে প্রকাশ করেছে। এটি মূলত কালি-কলমের অতীত ঐতিহ্য এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রভাবে তার ক্রমশ হারিয়ে যাওয়ার কাহিনি নিয়ে রচিত একটি মনোগ্রাহী রম্যরচনা।
নামকরণের সার্থকতা:
১. হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য: একসময় মানুষের জীবনের সঙ্গে হাতে তৈরি কালি, বাঁশের কঞ্চি, খাগ ও পালকের কলম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল। এগুলি ছিল লেখার প্রধান উপকরণ।
২. কলমের বিবর্তন: ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কার লেখার জগতে বিপ্লব এনেছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে বলপেনের আগমন ফাউন্টেন পেনের ব্যবহার অনেকটাই কমিয়ে দেয়।
৩. আধুনিক প্রযুক্তির প্রভাব: বলপেনের পাশাপাশি কম্পিউটার ও কিবোর্ডের ব্যাপক ব্যবহারে হাতে লেখার প্রয়োজন কমে গেছে। ফলে পুরোনো কালি-কলমের ঐতিহ্য আজ প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে।
৪. স্মৃতি ও আবেগ: লেখক কালি তৈরির পদ্ধতি, বিভিন্ন ধরনের কলমের ব্যবহার এবং নিজের ছেলেবেলার স্মৃতির মাধ্যমে কালি-কলমের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আবেগ ও সংস্কৃতির পরিচয় দিয়েছেন।
উপসংহার: প্রবন্ধের মূল বিষয়ই হলো কালি-কলমের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার চাপে তার ধীরে ধীরে হারিয়ে যাওয়া। তাই ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ নামকরণটি অত্যন্ত ব্যঞ্জনাময় ও সার্থক।
৬. প্রবন্ধ অনুসারে পালকের কলম ও কঞ্চির কলমের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ভূমিকা: শ্রীপান্থের ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক আধুনিক কলমের পূর্বসূরি হিসেবে পালকের কলম ও কঞ্চির কলমের পরিচয় দিয়েছেন।
কঞ্চির কলম: কঞ্চির কলম ছিল সহজলভ্য ও সাধারণ মানুষের ব্যবহারের উপযোগী একটি লেখার উপকরণ। গ্রামের ছেলেমেয়েরা বাঁশের সরু কঞ্চি কেটে এই কলম তৈরি করত। কঞ্চির মুখটি সরু করে কেটে মাঝখানটা চিরে দেওয়া হতো, যাতে লেখার সময় কালি ধীরে ধীরে নেমে আসে। লেখক নিজেও ছেলেবেলায় এই কলম ব্যবহার করতেন।
পালকের কলম বা কুইল: পালকের কলম কঞ্চির কলমের তুলনায় উন্নত ধরনের লেখার উপকরণ ছিল। রাজহাঁস, ময়ূরসহ বিভিন্ন পাখির পালক দিয়ে এটি তৈরি করা হতো। পালকের ডগাটি সরু করে কেটে নিবের মতো তৈরি করা হতো। ইংরেজি ‘Quill’ শব্দটি পালকের কলমকে বোঝায়। ইংরেজি ‘Pen’ শব্দটির উৎস ল্যাটিন ‘Penna’, যার অর্থ পালক।
উপসংহার: কঞ্চির কলম ও পালকের কলম একসময় লেখার জগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। আধুনিক কলমের আবির্ভাবে এই প্রাচীন লেখার উপকরণগুলি আজ প্রায় হারিয়ে গেছে।
৭. “কলম তাদের কাছে আজ অস্পৃশ্য”—‘কলম’ কাদের কাছে এবং কেন অস্পৃশ্য হয়ে উঠেছে? এই উক্তির মাধ্যমে লেখক কোন সামাজিক পরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করেছেন?
উত্তরঃ ভূমিকা: শ্রীপান্থের ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধ থেকে গৃহীত এই উক্তিটির মধ্যে লেখক আধুনিক সমাজে কলমের ব্যবহার ও মূল্যবোধের পরিবর্তনের একটি চিত্র তুলে ধরেছেন।
অস্পৃশ্যতার কারণ: এখানে ‘কলম’ বলতে মূলত পকেটমারদের কাছে মূল্যবান ফাউন্টেন পেনের আকর্ষণ কমে যাওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে। অতীতে ফাউন্টেন পেন ছিল একটি মূল্যবান ও শৌখিন বস্তু। পকেটমাররা সুযোগ পেলেই তা চুরি করত। কিন্তু বর্তমানে সস্তা বলপেনের ব্যাপক প্রচলনে ফাউন্টেন পেনের ব্যবহার কমে গেছে। সাধারণ সস্তা কলম চুরি করে বিক্রি করে বিশেষ লাভ হয় না। তাই পকেটমারদের কাছে কলম আজ ‘অস্পৃশ্য’ হয়ে উঠেছে।
সামাজিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত:
১. প্রযুক্তির পরিবর্তন: বলপেনের সহজলভ্যতা ও কম দাম ফাউন্টেন পেনের জনপ্রিয়তা কমিয়ে দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রাকে বদলে দিয়েছে।
২. রুচি ও অভ্যাসের পরিবর্তন: একসময় ফাউন্টেন পেন ছিল আভিজাত্য ও রুচির পরিচায়ক। বর্তমানে সহজে ব্যবহারযোগ্য বলপেন সেই জায়গা দখল করেছে।
৩. মূল্যবোধের পরিবর্তন: যে বস্তু একসময় মূল্যবান ও আকর্ষণীয় ছিল, সময়ের পরিবর্তনে তার কদর কমে গেছে।
উপসংহার: সুতরাং, এই একটি উক্তির মধ্য দিয়ে লেখক প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের পাশাপাশি মানুষের অভ্যাস, রুচি ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরেছেন।
৮. ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক কলমের বিবর্তনের যে ইতিহাস তুলে ধরেছেন, তা নিজের ভাষায় সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ ভূমিকা: শ্রীপান্থ তাঁর ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে অত্যন্ত সহজ ও মনোগ্রাহী ভাষায় কলমের বিবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরেছেন।
কলমের বিবর্তনের ধারা:
১. প্রাচীন যুগ: প্রাচীনকালে বিভিন্ন সভ্যতায় লেখার জন্য নল, খাগ, তুলি ও ব্রোঞ্জের শলাকা বা স্টাইলাস ব্যবহার করা হতো। মিশর, চিন ও রোমের মতো প্রাচীন সভ্যতায় লেখার বিভিন্ন উপকরণের প্রচলন ছিল।
২. পালকের কলমের যুগ: পরবর্তী সময়ে পালকের কলম বা কুইলের প্রচলন ঘটে। বিভিন্ন পাখির পালক দিয়ে তৈরি এই কলম বহুদিন ধরে লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। আমাদের দেশেও বাঁশের কঞ্চি ও খাগের কলমের প্রচলন ছিল।
৩. ফাউন্টেন পেনের আবির্ভাব: কলমের ইতিহাসে বড়ো পরিবর্তন নিয়ে আসে ফাউন্টেন পেন। লুইস এডসন ওয়াটারম্যানের আবিষ্কৃত এই কলমে আলাদা করে দোয়াত বহন করার প্রয়োজন হতো না। ফলে লেখার কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।
৪. বলপেনের প্রচলন: পরবর্তীকালে বলপেনের আগমন ঘটে। কম দাম, সহজলভ্যতা এবং ব্যবহারের সুবিধার কারণে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে ফাউন্টেন পেনের ব্যবহার কমতে থাকে।
৫. কম্পিউটারের যুগ: বর্তমানে কম্পিউটার ও কিবোর্ডের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে হাতে লেখার প্রয়োজন আরও কমে গেছে। এর ফলে প্রাচীন কালি-কলমের ঐতিহ্য অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে।
উপসংহার: এভাবেই লেখক প্রাচীন নল ও কঞ্চির কলম থেকে শুরু করে ফাউন্টেন পেন, বলপেন এবং কম্পিউটার পর্যন্ত লেখার উপকরণের দীর্ঘ বিবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরেছেন।
৯. “কালি কলম মন, লেখে তিনজন”—এই প্রবাদটির তাৎপর্য কী? বর্তমান যুগে এই প্রবাদটি কতটা প্রাসঙ্গিক বলে তোমার মনে হয়?
উত্তরঃ প্রবাদটির তাৎপর্য: “কালি কলম মন, লেখে তিনজন”—এই প্রাচীন প্রবাদটির তাৎপর্য হলো, একটি সার্থক লেখা তৈরির জন্য তিনটি বিষয়ের সমন্বয় প্রয়োজন—কালি, কলম এবং লেখকের মন। কালি ও কলম লেখার বাহ্যিক উপকরণ হলেও লেখকের মনোযোগ, চিন্তাভাবনা ও সৃজনশীলতা লেখার মূল প্রাণ। এই তিনের সুষ্ঠু সমন্বয়েই একটি সুন্দর ও অর্থবহ লেখা সৃষ্টি হয়।
বর্তমান যুগে প্রাসঙ্গিকতা: বর্তমান কম্পিউটার ও বলপেনের যুগে এই প্রবাদটির আক্ষরিক প্রাসঙ্গিকতা কিছুটা কমে গেলেও এর মূল ভাব আজও অটুট রয়েছে। বর্তমানে লেখার জন্য কালি ও দোয়াতের পরিবর্তে কম্পিউটার, কিবোর্ড কিংবা আধুনিক কলম ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ভালো লেখা সৃষ্টির জন্য এখনও লেখকের মনোযোগ, চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতার প্রয়োজন হয়।
অর্থাৎ, লেখার মাধ্যম পরিবর্তিত হলেও লেখকের মনের গুরুত্ব কমেনি। উপযুক্ত মাধ্যমের সঙ্গে গভীর চিন্তা ও মনোযোগের সমন্বয় ছাড়া ভালো লেখা সম্ভব নয়।
উপসংহার: তাই বলা যায়, সময়ের পরিবর্তনে কালি ও কলমের রূপ বদলেছে, কিন্তু ‘মন’-এর গুরুত্ব আজও অপরিবর্তিত। এই কারণেই প্রবাদটির মূল তাৎপর্য বর্তমান যুগেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
১০. “আমার মতো আরও অনেকেই হয়তো…”—লেখক এবং তাঁর মতো আরও অনেকের আক্ষেপের কারণ কী? প্রবন্ধ অবলম্বনে আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: শ্রীপান্থের ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধের শেষে লেখক কালি-কলমের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য নিয়ে গভীর আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। এই আক্ষেপ শুধু তাঁর ব্যক্তিগত নয়, বরং অতীতের কালি-কলমের জগতের সঙ্গে পরিচিত অনেক মানুষের।
আক্ষেপের কারণ:
১. শিল্পের বিলুপ্তি: লেখকের মতে, কালি-কলমে লেখা শুধু একটি সাধারণ কাজ ছিল না; এর সঙ্গে শিল্প ও সৌন্দর্যের সম্পর্ক ছিল। সুন্দর হাতের লেখা, কালির ব্যবহার এবং দোয়াতের বৈচিত্র্যের মধ্যে এক ধরনের শৈল্পিক আনন্দ ছিল। আধুনিক প্রযুক্তির প্রভাবে সেই শিল্পের গুরুত্ব কমে গেছে।
২. ব্যক্তিগত আবেগের অভাব: হাতে লেখা চিঠি বা লেখার মধ্যে লেখকের নিজস্ব হাতের ছোঁয়া ও ব্যক্তিগত আবেগ প্রকাশ পেত। কম্পিউটারে টাইপ করা লেখায় সেই স্বতন্ত্র হাতের লেখার পরিচয় থাকে না।
৩. ঐতিহ্যের অবসান: কালি তৈরি করা, বাঁশের কঞ্চি দিয়ে কলম বানানো এবং দোয়াত ব্যবহার করার সঙ্গে পারিবারিক ও সামাজিক ঐতিহ্য জড়িয়ে ছিল। আধুনিকতার প্রভাবে এই অভ্যাসগুলি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
৪. প্রযুক্তির প্রভাব: বলপেন ও কম্পিউটারের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে পুরোনো কালি-কলমের ব্যবহার কমেছে। এর ফলে লেখার সঙ্গে যুক্ত বহু পুরোনো উপকরণ ও শিল্পও অবলুপ্তির পথে।
উপসংহার: লেখক ও তাঁর মতো অনেকেই নিজেদের চোখের সামনে কালি-কলমের ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে দেখেছেন। অতীতের সেই পরিচিত জগৎ, তার শিল্প ও আবেগের অবসানই তাঁদের গভীর আক্ষেপের মূল কারণ।
Madhyamik All Subjects Suggestion | মাধ্যমিক সাজেশন:
- Madhyamik Bengali Suggestion Click Here
- Madhyamik English Suggestion Click Here
- Madhyamik History Suggestion Click Here
- Madhyamik Geography Suggestion Click Here
- Madhyamik Life Science Suggestion Click Here
- Madhyamik Mathematics Suggestion Click Here
- Madhyamik Physical Science Suggestion Click Here
- Madhyamik All Subjects Suggestion Click Here
PDF: হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer PDF Download
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer PDF Download: হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর সহ একটি PDF File শিক্ষার্থীদের revision-এর সুবিধার জন্য দেওয়া হলো।
PDF Download: হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer PDF Click Here
| আমাদের YouTube Channel টি সাবস্ক্রাইব করুন Click Here To Subscribe Now |
West Bengal Class 10 Bengali Board Exam Details
West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) conducts the Madhyamik Examination for Class 10 students across West Bengal. Bengali is one of the important subjects in the Madhyamik Board Exam, and students need to prepare each chapter carefully according to the prescribed syllabus. Here you will find useful Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer, study materials, important questions and other resources to help students prepare effectively for the Class 10 Bengali Board Exam.
Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Syllabus PDF
Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ (প্রবন্ধ) – নিখিল সরকার অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। এই অধ্যায় থেকে বিভিন্ন ধরনের MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং বর্ণনামূলক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত সিলেবাস অনুযায়ী অধ্যায়টি মন দিয়ে পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি বারবার অনুশীলন করা।
Madhyamik Bengali Syllabus PDF: Click Here
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer
Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) – নিখিল সরকার থেকে মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি উপরে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে অধ্যায়ের বিভিন্ন অংশ থেকে নির্বাচিত MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় শিক্ষার্থীরা এগুলি ভালোভাবে পড়তে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে পারে।
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Suggestion Question and Answer
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Suggestion Question and Answer খুঁজছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য এই পোস্টে ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধ – নিখিল সরকার অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর একসঙ্গে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার আগে দ্রুত Revision করার পাশাপাশি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই প্রশ্নোত্তরগু,লি সহায়ক হবে।
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer
আশা করি, ‘Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom’ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (প্রবন্ধ) – নিখিল সরকার’-এর এই প্রশ্নোত্তরগুলি তোমাদের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে। পোস্টটি উপকারী মনে হলে সহপাঠীদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারো। West Bengal Board-এর সিলেবাস অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের Notes, Question Answer, Suggestion ও শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু, পাশাপাশি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় Study Material পেতে নিয়মিত ভিজিট করো Porasuna.in। ধন্যবাদ।




















