পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer
পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer: নমস্কার বন্ধুরা, আজকের আলোচনার বিষয় ‘পথের দাবী’ (গল্প) – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যা মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। এই পোস্টে WBBSE Class 10 Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer-এর পাশাপাশি গল্প থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলি ভালোভাবে পড়া এবং অনুশীলন করা অত্যন্ত উপকারী।
যেসব ছাত্রছাত্রী পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর, WBBSE Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer অথবা পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা প্রশ্নোত্তর খুঁজছো, তারা এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে পড়তে পারো। পথের দাবী গল্প থেকে পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এমন বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যা West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Exam Preparation এবং Revision-এর সময় বিশেষভাবে কাজে আসবে।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই (WBBSE) |
| ক্লাস | মাধ্যমিক দশম শ্রেণী (WB Class 10 Madhyamik) |
| বিষয় | মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা (Madhyamik Bengali) |
| পাঠ | পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা | West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Pather Dabi Question and Answer
বহুনির্বাচনী : পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Pather Dabi MCQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের লেখক কে?
(ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তরঃ (গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২. গিরীশ মহাপাত্রের পায়ে কী রঙের ফুল-মোজা ছিল?
(ক) সাদা
(খ) নীল
(গ) কালো
(ঘ) সবুজ
উত্তরঃ (ঘ) সবুজ
৩. পলিটিক্যাল সাসপেক্টের নাম কী ছিল?
(ক) গিরীশ মহাপাত্র
(খ) নিমাইবাবু
(গ) সব্যসাচী মল্লিক
(ঘ) রামদাস তলওয়ারকর
উত্তরঃ (গ) সব্যসাচী মল্লিক
৪. গিরীশ মহাপাত্রের বয়স কত বলে মনে হয়েছিল?
(ক) কুড়ি-বাইশ বছর
(খ) পঁচিশ-ছাব্বিশ বছর
(গ) ত্রিশ-বত্রিশ বছরের অধিক নয়
(ঘ) চল্লিশের কাছাকাছি
উত্তরঃ (গ) ত্রিশ-বত্রিশ বছরের অধিক নয়
৫. গিরীশ মহাপাত্রের ট্যাঁক থেকে কী পাওয়া গিয়েছিল?
(ক) একটি ছুরি
(খ) একটি পিস্তল
(গ) একটি টাকা ও গণ্ডা-ছয়েক পয়সা
(ঘ) একটি মানিব্যাগ
উত্তরঃ (গ) একটি টাকা ও গণ্ডা-ছয়েক পয়সা
৬. গিরীশ মহাপাত্রের রুমালে কীসের ছবি আঁকা ছিল?
(ক) হরিণের
(খ) পাখির
(গ) বাঘের
(ঘ) ফুলের
উত্তরঃ (গ) বাঘের
৭. অপূর্ব কোথায় চাকরি করত?
(ক) রেল অফিসে
(খ) বোথা কোম্পানিতে
(গ) ডাকঘরে
(ঘ) পুলিশ বিভাগে
উত্তরঃ (খ) বোথা কোম্পানিতে
৮. গিরীশ মহাপাত্রের মাথার চুল থেকে কিসের গন্ধ আসছিল?
(ক) নারকেল তেলের
(খ) সরষের তেলের
(গ) লেবুর তেলের
(ঘ) সুগন্ধি তেলের
উত্তরঃ (গ) লেবুর তেলের
৯. অপূর্বর সহকর্মী কে ছিলেন?
(ক) নিমাইবাবু
(খ) রামদাস তলওয়ারকর
(গ) জগদীশবাবু
(ঘ) গিরীশ মহাপাত্র
উত্তরঃ (খ) রামদাস তলওয়ারকর
১০. ‘পথের দাবী’ কী ধরনের রচনা?
(ক) ছোটোগল্প
(খ) নাটক
(গ) উপন্যাস
(ঘ) প্রবন্ধ
উত্তরঃ (গ) উপন্যাস
১১. “বাবুটির স্বাস্থ্য গেছে, কিন্তু শখ ষোলো আনাই বজায় আছে”—‘বাবুটি’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
(ক) অপূর্বকে
(খ) নিমাইবাবুকে
(গ) গিরীশ মহাপাত্রকে
(ঘ) রামদাসকে
উত্তরঃ (গ) গিরীশ মহাপাত্রকে
১২. গিরীশ মহাপাত্রের জামাটি কেমন ছিল?
(ক) সাদা সুতির
(খ) নীল রঙের
(গ) রামধনু-রঙের জাপানি সিল্কের
(ঘ) কালো মখমলের
উত্তরঃ (গ) রামধনু-রঙের জাপানি সিল্কের
১৩. গিরীশ মহাপাত্রের হাতে কী ছিল?
(ক) লাঠি
(খ) ছাতা
(গ) হরিণের শিঙের হাতল দেওয়া বেতের ছড়ি
(ঘ) টিনের বাক্স
উত্তরঃ (গ) হরিণের শিঙের হাতল দেওয়া বেতের ছড়ি
১৪. অপূর্বর ঘরে চুরি হয়েছিল কী?
(ক) অফিসের নথি
(খ) টাকাকড়ি ও অন্যান্য জিনিস
(গ) শুধু গয়না
(ঘ) শুধু কাপড়
উত্তরঃ (খ) টাকাকড়ি ও অন্যান্য জিনিস
১৫. “যাকে খুঁজছেন সে যে এ নয়, তার আমি জামিন হতে পারি”—কে বলেছিল?
(ক) রামদাস
(খ) অপূর্ব
(গ) নিমাইবাবু
(ঘ) জগদীশবাবু
উত্তরঃ (খ) অপূর্ব
১৬. গিরীশ মহাপাত্রের চোখের দৃষ্টি কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
(ক) বাঘের চোখের সঙ্গে
(খ) হরিণের চোখের সঙ্গে
(গ) গভীর জলাশয়ের সঙ্গে
(ঘ) পাখির চোখের সঙ্গে
উত্তরঃ (গ) গভীর জলাশয়ের সঙ্গে
১৭. “বুড়ো মানুষের কথাটা শুনো”—বুড়ো মানুষটি কে?
(ক) জগদীশবাবু
(খ) রামদাস
(গ) নিমাইবাবু
(ঘ) গিরীশ মহাপাত্র
উত্তরঃ (গ) নিমাইবাবু
১৮. গিরীশ মহাপাত্রের ট্যাঁক ও পকেট তল্লাশি করেছিলেন কে?
(ক) অপূর্ব
(খ) রামদাস
(গ) নিমাইবাবু
(ঘ) জগদীশবাবু
উত্তরঃ (গ) নিমাইবাবু
১৯. সব্যসাচী মল্লিক পেশায় কী ছিলেন?
(ক) শিক্ষক
(খ) ডাক্তার
(গ) পুলিশ
(ঘ) কেরানি
উত্তরঃ (খ) ডাক্তার
২০. গিরীশ মহাপাত্রের পায়ের জুতোর বিশেষত্ব কী ছিল?
(ক) সোনার কাজ করা
(খ) লোহার নাল-ঠোকা পাম্প-শু
(গ) কাঠের জুতো
(ঘ) চামড়ার বুট
উত্তরঃ (খ) লোহার নাল-ঠোকা পাম্প-শু
২১. অপূর্বকে অফিসের বড়ো সাহেব কোথায় যেতে বলেছিলেন?
(ক) কলকাতায়
(খ) রেঙ্গুনে
(গ) ভামোতে
(ঘ) ম্যানডালেতে
উত্তরঃ (গ) ভামোতে
২২. নিমাইবাবু অপূর্বর কী ছিলেন?
(ক) মামা
(খ) জেঠু
(গ) বাবার বন্ধু ও কাকার মতো আত্মীয়
(ঘ) সহকর্মী
উত্তরঃ (গ) বাবার বন্ধু ও কাকার মতো আত্মীয়
২৩. অপূর্ব কোন কোম্পানিতে চাকরি করত?
(ক) বর্মা অয়েল কোম্পানিতে
(খ) বোথা কোম্পানিতে
(গ) রেল কোম্পানিতে
(ঘ) সরকারি কোম্পানিতে
উত্তরঃ (খ) বোথা কোম্পানিতে
২৪. গিরীশ মহাপাত্রের বুক-পকেটে কী দেখা যাচ্ছিল?
(ক) একটি কলম
(খ) বাঘ-আঁকা রুমাল
(গ) একটি চিঠি
(ঘ) একটি নোটবুক
উত্তরঃ (খ) বাঘ-আঁকা রুমাল
২৫. গিরীশ মহাপাত্রের কাছে কীসের কলকে পাওয়া গিয়েছিল?
(ক) আফিমের
(খ) তামাকের
(গ) গাঁজার
(ঘ) চন্দনের
উত্তরঃ (গ) গাঁজার
২৬. “এই লোকটিকে আপনি কোনো কথা জিজ্ঞেস না করেই ছেড়ে দিন”—অপূর্ব কাকে বলেছিল?
(ক) জগদীশবাবুকে
(খ) রামদাসকে
(গ) নিমাইবাবুকে
(ঘ) বড়ো সাহেবকে
উত্তরঃ (গ) নিমাইবাবুকে
২৭. গিরীশ মহাপাত্র নিজেকে কোন সম্প্রদায়ের সন্তান বলেছিল?
(ক) কায়স্থ
(খ) বৈদ্য
(গ) ব্রাহ্মণ
(ঘ) ক্ষত্রিয়
উত্তরঃ (গ) ব্রাহ্মণ
২৮. গিরীশ মহাপাত্রের ছড়ির হাতলটি কীসের ছিল?
(ক) হাতির দাঁতের
(খ) কাঠের
(গ) রুপোর
(ঘ) হরিণের শিঙের
উত্তরঃ (ঘ) হরিণের শিঙের
২৯. “কী আপদ!”—অপূর্ব কাকে ‘আপদ’ বলেছিল?
(ক) নিমাইবাবুকে
(খ) রামদাসকে
(গ) গিরীশ মহাপাত্রকে
(ঘ) চোরকে
উত্তরঃ (গ) গিরীশ মহাপাত্রকে
৩০. গিরীশ মহাপাত্রের মোজা কেমন ছিল?
(ক) দুটিই কালো
(খ) দুটিই সাদা
(গ) সবুজ রঙের ফুল-মোজা
(ঘ) একটি লাল ও একটি সবুজ
উত্তরঃ (গ) সবুজ রঙের ফুল-মোজা
৩১. “এমন স্বাস্থ্য আর দেখিনি”—এই মন্তব্যটি কার?
(ক) অপূর্ব
(খ) রামদাস
(গ) নিমাইবাবু
(ঘ) জগদীশবাবু
উত্তরঃ (খ) রামদাস
৩২. গিরীশ মহাপাত্রের পকেট থেকে কী পাওয়া গিয়েছিল?
(ক) একটি মানিব্যাগ
(খ) একটি গাঁজার কলকে
(গ) একটি পিস্তল
(ঘ) একটি চিঠি
উত্তরঃ (খ) একটি গাঁজার কলকে
৩৩. “তোমার মতো বুদ্ধিবান লোককে সঙ্গে নিয়ে…”—বক্তা কে?
(ক) অপূর্ব
(খ) রামদাস
(গ) নিমাইবাবু
(ঘ) গিরীশ মহাপাত্র
উত্তরঃ (গ) নিমাইবাবু
৩৪. ব্রিটিশ সরকার কোন উপন্যাসটি বাজেয়াপ্ত করেছিল?
(ক) দেবদাস
(খ) পথের পাঁচালী
(গ) পথের দাবী
(ঘ) শ্রীকান্ত
উত্তরঃ (গ) পথের দাবী
৩৫. “আমি ভীরু, কিন্তু তাই বলে অবিচারের দণ্ডভোগ…”—বক্তা কে?
(ক) রামদাস
(খ) অপূর্ব
(গ) নিমাইবাবু
(ঘ) গিরীশ মহাপাত্র
উত্তরঃ (খ) অপূর্ব
৩৬. সব্যসাচী মল্লিকের বিশেষ দক্ষতার একটি দিক কী ছিল?
(ক) ছদ্মবেশ ধারণ
(খ) গান গাওয়া
(গ) ছবি আঁকা
(ঘ) ব্যবসা করা
উত্তরঃ (ক) ছদ্মবেশ ধারণ
৩৭. গিরীশ মহাপাত্রের কাশির ধমকে কী হচ্ছিল?
(ক) তার সর্বাঙ্গ কাঁপছিল
(খ) সে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিল
(গ) সবাই পালিয়ে যাচ্ছিল
(ঘ) সে কথা বলতে পারছিল না
উত্তরঃ (ক) তার সর্বাঙ্গ কাঁপছিল
৩৮. গিরীশ মহাপাত্রের পোশাকের মধ্যে কোনটি ছিল?
(ক) রামধনু-রঙের জামা
(খ) সাদা ধুতি
(গ) কালো কোট
(ঘ) নীল পাঞ্জাবি
উত্তরঃ (ক) রামধনু-রঙের জামা
৩৯. “বুনো হাঁস ধরাই যে এদের কাজ”—কথাটি কে বলেছিল?
(ক) অপূর্ব
(খ) নিমাইবাবু
(গ) রামদাস
(ঘ) গিরীশ মহাপাত্র
উত্তরঃ (গ) রামদাস
৪০. গিরীশ মহাপাত্রের চোখ সম্পর্কে অপূর্বর কী ধারণা হয়েছিল?
(ক) চোখ দুটি মায়াবী
(খ) চোখ দুটি ভয়ার্ত
(গ) চোখ দুটি গভীর জলাশয়ের মতো
(ঘ) চোখ দুটি হাস্যোজ্জ্বল
উত্তরঃ (গ) চোখ দুটি গভীর জলাশয়ের মতো
৪১. অপূর্বের পেশা কী ছিল?
(ক) ডাক্তার
(খ) উকিল
(গ) বোথা কোম্পানির কর্মচারী
(ঘ) পুলিশ অফিসার
উত্তরঃ (গ) বোথা কোম্পানির কর্মচারী
৪২. সব্যসাচী মল্লিককে ধরার জন্য কারা তৎপর ছিল?
(ক) বিপ্লবীরা
(খ) ব্রিটিশ সরকার ও পুলিশ
(গ) অপূর্ব
(ঘ) রামদাস
উত্তরঃ (খ) ব্রিটিশ সরকার ও পুলিশ
৪৩. গিরীশ মহাপাত্রের ট্যাঁক থেকে একটি টাকার সঙ্গে আর কী পাওয়া গিয়েছিল?
(ক) কয়েকটি আনা
(খ) গণ্ডা-ছয়েক পয়সা
(গ) একটি নোট
(ঘ) একটি চিঠি
উত্তরঃ (খ) গণ্ডা-ছয়েক পয়সা
৪৪. “আমার ইচ্ছা তুমি একবার সবগুলো দেখে আসো”—অপূর্বকে কী দেখতে বলা হয়েছিল?
(ক) পুলিশ স্টেশনগুলো
(খ) কোম্পানির বিভিন্ন অফিস
(গ) বিপ্লবীদের আস্তানা
(ঘ) রেলস্টেশনগুলো
উত্তরঃ (খ) কোম্পানির বিভিন্ন অফিস
৪৫. গিরীশ মহাপাত্রের মুখে কী ছিল?
(ক) সিগারেট
(খ) পান
(গ) বার্মা চুরুট
(ঘ) চুরুটের পাইপ
উত্তরঃ (গ) বার্মা চুরুট
৪৬. “একেবারে রাজবিদ্রোহী!”—এই ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যটি কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছিল?
(ক) অপূর্বকে
(খ) রামদাসকে
(গ) গিরীশ মহাপাত্রকে
(ঘ) নিমাইবাবুকে
উত্তরঃ (গ) গিরীশ মহাপাত্রকে
৪৭. নিমাইবাবু কাকে ‘অতি নোংরা’ বলেছেন?
(ক) পলিটিক্সকে
(খ) গিরীশকে
(গ) চোরকে
(ঘ) পুলিশের কাজকে
উত্তরঃ (ক) পলিটিক্সকে
৪৮. গিরীশ মহাপাত্রের পোশাক-পরিচ্ছদ সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
(ক) সাদামাটা ও সাধারণ
(খ) বাহারি ও অদ্ভুত
(গ) সম্পূর্ণ সন্ন্যাসীর মতো
(ঘ) পুলিশের পোশাকের মতো
উত্তরঃ (খ) বাহারি ও অদ্ভুত
৪৯. “তার আমি জামিন হতে পারি”—এখানে ‘জামিন’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) সাক্ষী
(খ) দায়িত্বগ্রহণকারী
(গ) বন্ধু
(ঘ) আইনজীবী
উত্তরঃ (খ) দায়িত্বগ্রহণকারী
৫০. গিরীশ মহাপাত্রকে দেখে রামদাস কেন হাসিতে যোগ দেয়নি?
(ক) সে গিরীশকে চিনতে পারেনি
(খ) সে গিরীশকে সন্দেহভাজন সব্যসাচী বলে সন্দেহ করেছিল
(গ) সে অসুস্থ ছিল
(ঘ) সে অপূর্বর ওপর রাগ করেছিল
উত্তরঃ (খ) সে গিরীশকে সন্দেহভাজন সব্যসাচী বলে সন্দেহ করেছিল
[Madhyamik Bengali Suggestion Click Here]
অতিসংক্ষিপ্ত : পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | WBBSE Madhyamik Bengali Pather Dabi SAQ [প্রশ্নমান – ১]
১. নিমাইবাবু কে ছিলেন?
উত্তরঃ নিমাইবাবু ছিলেন বর্মার এক পুলিশ স্টেশনের বড়কর্তা এবং অপূর্বর বাবার বন্ধু।
২. অপূর্ব কোথায় চাকরি করত?
উত্তরঃ অপূর্ব বর্মার বোথা কোম্পানিতে চাকরি করত।
৩. “তবে এ বস্তুটি পকেটে কেন?”—কোন বস্তুর কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ এখানে গিরীশ মহাপাত্রের পকেট থেকে পাওয়া গাঁজার কলকের কথা বলা হয়েছে।
৪. রামদাস তলোয়ারকর কে?
উত্তরঃ রামদাস তলোয়ারকর ছিলেন অপূর্বর সহকর্মী ও বন্ধু।
৫. গিরীশ মহাপাত্রের চোখের দৃষ্টিতে কীসের আভাস ছিল?
উত্তরঃ তার চোখের দৃষ্টিতে গভীর জলাশয়ের মতো অতল রহস্যের আভাস ছিল।
৬. অপূর্বর ঘরে কী ঘটেছিল?
উত্তরঃ অপূর্বর ঘরে চুরি হয়েছিল।
৭. গিরীশ মহাপাত্রের জামার বোতাম কীসের ছিল?
উত্তরঃ গিরীশ মহাপাত্রের জামার বোতাম ছিল হাড়ের।
৮. সব্যসাচী মল্লিক পেশায় কী ছিলেন?
উত্তরঃ সব্যসাচী মল্লিক পেশায় ডাক্তার ছিলেন।
৯. অপূর্বর দেশের বাড়ি কোথায় ছিল?
উত্তরঃ অপূর্বর দেশের বাড়ি বাংলায় ছিল।
১০. গিরীশ মহাপাত্রের চুল কেমন ছিল?
উত্তরঃ তার চুল ছিল কানের উপর পর্যন্ত ছাঁটা এবং লেবুর তেলের গন্ধযুক্ত।
১১. গিরীশ মহাপাত্র নিজেকে কোন জাতির সন্তান বলে পরিচয় দিয়েছিল?
উত্তরঃ গিরীশ মহাপাত্র নিজেকে ব্রাহ্মণ সন্তান বলে পরিচয় দিয়েছিল।
১২. “আমি ভীরু, কিন্তু তাই বলে অবিচারের দণ্ডভোগ…”—অপূর্ব কোন অবিচারের কথা বলেছে?
উত্তরঃ ফিরিঙ্গি ছোকরাদের দ্বারা বিনা দোষে অপমানিত ও লাঞ্ছিত হওয়ার অবিচারের কথা অপূর্ব বলেছে।
১৩. নিমাইবাবু কাকে ‘ভারী চটপটে ছেলে’ বলেছেন?
উত্তরঃ নিমাইবাবু সব্যসাচী মল্লিককে ‘ভারী চটপটে ছেলে’ বলেছেন।
১৪. গিরীশ মহাপাত্রের হাঁটার ভঙ্গি কেমন ছিল?
উত্তরঃ তার হাঁটার ভঙ্গি ছিল টলমলে, যেন সে যেকোনো মুহূর্তে পড়ে যাবে।
১৫. গিরীশ মহাপাত্রের কাছ থেকে কী পাওয়া গিয়েছিল?
উত্তরঃ তার কাছ থেকে গাঁজার কলকে, দেশলাই, বিড়ি প্রভৃতি জিনিস পাওয়া গিয়েছিল।
১৬. সব্যসাচী মল্লিকের বয়স কত ছিল?
উত্তরঃ সব্যসাচী মল্লিকের বয়স ত্রিশ-বত্রিশ বছরের বেশি ছিল না।
১৭. “তুমি তো ইউরোপীয় নও”—বক্তা কে?
উত্তরঃ বক্তা ছিলেন স্টেশনের বড় সাহেব।
১৮. গিরীশ মহাপাত্রের কথাবার্তার ধরন কেমন ছিল?
উত্তরঃ তার কথাবার্তা ছিল বিনয়ী, জড়ানো ও ভীতু ধরনের।
১৯. অপূর্ব প্রথমে গিরীশ মহাপাত্রকে সন্দেহ করেছিল কেন?
উত্তরঃ গিরীশের অদ্ভুত পোশাক-পরিচ্ছদ, চালচলন ও রহস্যময় চোখের দৃষ্টি দেখে অপূর্ব তাকে সন্দেহ করেছিল।
২০. গিরীশের উত্তরীয়টি কেমন ছিল?
উত্তরঃ গিরীশের উত্তরীয়টি ছিল বিলাতি মিলের কালো মখমলের পাড়যুক্ত।
২১. “বাবাই একদিন এঁর চাকরি করে দিয়েছিলেন”—কার চাকরির কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ এখানে নিমাইবাবুর চাকরির কথা বলা হয়েছে।
২২. “কেবল আশ্চর্য সেই দুটি চোখের দৃষ্টি”—চোখ দুটিকে আশ্চর্য বলা হয়েছে কেন?
উত্তরঃ তার রোগা-জীর্ণ শরীরের সঙ্গে গভীর ও রহস্যময় চোখের দৃষ্টি একেবারেই বেমানান ছিল বলে চোখ দুটিকে আশ্চর্য বলা হয়েছে।
২৩. গিরীশ মহাপাত্রের শখকে ‘ষোল আনা’ বলা হয়েছে কেন?
উত্তরঃ তার শরীর ভেঙে গেলেও সাজসজ্জা ও শৌখিনতার প্রতি আগ্রহ অটুট ছিল বলে তার শখকে ‘ষোল আনা’ বলা হয়েছে।
২৪. গিরীশ মহাপাত্রের প্রকৃত পরিচয় কী?
উত্তরঃ গিরীশ মহাপাত্র আসলে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিকের ছদ্মবেশী পরিচয়।
২৫. রামদাস অপূর্বর প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল কেন?
উত্তরঃ রামদাস অপূর্বর আত্মমর্যাদাবোধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মানসিকতাকে বুঝতে পেরেছিল বলে তার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল।
২৬. গিরীশ মহাপাত্র কী কারণে কাশছিল?
উত্তরঃ তার অসুস্থ ও জীর্ণ শরীরের কারণে সে কাশছিল।
২৭. অপূর্বর লজ্জা পাওয়ার কারণ কী ছিল?
উত্তরঃ একজন নিরীহ মানুষের প্রতি সন্দেহ ও ভুল ধারণা পোষণ করার জন্য অপূর্বর নিজেরই লজ্জা হয়েছিল।
২৮. গিরীশ মহাপাত্র কোন ভাষায় উত্তর দিয়েছিল?
উত্তরঃ গিরীশ মহাপাত্র বাংলা ভাষায়, প্রয়োজনে ভাঙা হিন্দুস্তানি মিশিয়ে উত্তর দিয়েছিল।
২৯. “এই অন্যায়ের প্রতিবাদ যখন করতে গেলাম…”—কোন অন্যায়ের কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ ফিরিঙ্গি ছোকরাদের দ্বারা অপমানিত ও লাঞ্ছিত হওয়ার অন্যায়ের কথা বলা হয়েছে।
৩০. নিমাইবাবু গিরীশকে ছেড়ে দিয়েছিলেন কেন?
উত্তরঃ গিরীশের চেহারা, কথাবার্তা ও তল্লাশিতে পাওয়া সামগ্রী দেখে তাকে সব্যসাচী বলে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা যায়নি বলে নিমাইবাবু তাকে ছেড়ে দেন।
৩১. অপূর্ব কাকে লাথি মেরে ট্রেন থেকে নামিয়ে দিয়েছিল?
উত্তরঃ অপূর্ব কয়েকজন ফিরিঙ্গি ছোকরাকে লাথি মেরে ট্রেন থেকে নামিয়ে দিয়েছিল।
৩২. “তার কালচারের কথাটা একবার ভেবে দেখ”—কে, কার সম্পর্কে এ কথা বলেছে?
উত্তরঃ রামদাস অপূর্বকে গিরীশ মহাপাত্রের সম্পর্কে এ কথা বলেছে।
৩৩. “নিজেরই লজ্জা করে”—কী কারণে লজ্জা করে?
উত্তরঃ একজন নিরীহ মানুষকে অকারণে সন্দেহ করার জন্য অপূর্বর নিজেরই লজ্জা হয়।
৩৪. গিরীশ মহাপাত্রের শৌখিনতার একটি লক্ষণ কী ছিল?
উত্তরঃ তার অদ্ভুত ও বিলাসী পোশাক-পরিচ্ছদ তার শৌখিনতার অন্যতম লক্ষণ ছিল।
৩৫. নিমাইবাবু অপূর্বর সঙ্গে কী সম্পর্কের কথা বলেছিলেন?
উত্তরঃ নিমাইবাবু অপূর্বর বাবার বন্ধু ছিলেন; তাই অপূর্ব তাকে নিমাইকাকা বলে সম্বোধন করত।
৩৬. গিরীশ মহাপাত্রের পকেট থেকে কী ধরনের সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া গিয়েছিল?
উত্তরঃ তার পকেট থেকে গাঁজার কলকে পাওয়া গিয়েছিল।
৩৭. রামদাসের কথায় অপূর্বর কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল?
উত্তরঃ রামদাসের কথায় অপূর্ব নিজের আচরণ নিয়ে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়েছিল।
৩৮. গিরীশ মহাপাত্রের চোখকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
উত্তরঃ তার চোখকে গভীর জলাশয়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
৩৯. সব্যসাচী মল্লিককে পুলিশ কেন খুঁজছিল?
উত্তরঃ বিপ্লবী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে ব্রিটিশ সরকার ও পুলিশ সব্যসাচী মল্লিককে খুঁজছিল।
৪০. “পথের দাবী” পাঠ্যাংশে মূলত কোন বিষয়টি বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তরঃ পাঠ্যাংশে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিকের ছদ্মবেশ, পুলিশের অনুসন্ধান এবং অপূর্বর সঙ্গে তার পরোক্ষ পরিচয়ের বিষয়টি বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
[Madhyamik Suggestion Click Here]
সংক্ষিপ্ত : পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Pather Dabi QNA [প্রশ্নমান – ৩]
১. “বাবুটির স্বাস্থ্য গেছে, কিন্তু শখ ষোল আনাই বজায় আছে”—কার সম্পর্কে, কেন এই মন্তব্য করা হয়েছে?
উত্তরঃ এই মন্তব্যটি গিরীশ মহাপাত্রের সম্পর্কে করা হয়েছে। তার শরীর ছিল অত্যন্ত রোগা ও জীর্ণ, কিন্তু পোশাক-পরিচ্ছদে ছিল প্রবল শৌখিনতার ছাপ। রামধনু-রঙের জামা, সবুজ ফুল-আঁকা মোজা, বার্নিশ করা পাম্প শু, লেবুর তেলের গন্ধযুক্ত চুল ও নানা সাজসজ্জা তার শৌখিনতার পরিচয় বহন করত। তাই তার স্বাস্থ্য নষ্ট হলেও শখ ষোলো আনা বজায় আছে বলা হয়েছে।
২. “আমি ভীরু, কিন্তু তাই বলে অবিচারের দণ্ডভোগ করার অপমান আমাকে কম বাজে না”—বক্তা কে? কোন প্রসঙ্গে এই উক্তি?
উত্তরঃ বক্তা অপূর্ব। ফিরিঙ্গি ছোকরাদের দ্বারা অপমানিত হওয়ার পর অপূর্ব প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টে তাকেই স্টেশন থেকে অপমানিত হয়ে বেরিয়ে আসতে হয়। নিজের ভীরুতা স্বীকার করেও অন্যায় ও অপমান সহ্য করা তার কাছে অত্যন্ত কষ্টকর—এই প্রসঙ্গেই সে রামদাসকে কথাটি বলে।
৩. গিরীশ মহাপাত্রের পোশাক-পরিচ্ছদের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ গিরীশের পরনে ছিল রামধনু-রঙের জাপানি সিল্কের জামা, সবুজ ফুল-আঁকা মোজা এবং বার্নিশ করা পাম্প শু। তার গলায়/পোশাকে ছিল বাঘের ছবি-আঁকা রুমাল এবং হাতে ছিল হরিণের শিংয়ের হাতলযুক্ত ছড়ি। তার এই বিচিত্র ও শৌখিন সাজসজ্জা তার জীর্ণ শরীরের সঙ্গে অত্যন্ত বেমানান ছিল।
৪. রামদাস তলোয়ারকরের চরিত্রটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ রামদাস তলোয়ারকর ছিলেন অপূর্বর সহকর্মী ও বন্ধু। তিনি সাহসী, সহানুভূতিশীল ও আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন মানুষ। অপূর্বর সঙ্গে হওয়া অন্যায়কে তিনি গুরুত্ব দিয়ে দেখেন এবং গিরীশ মহাপাত্র সম্পর্কে অপূর্বর ভুল ধারণা ও আচরণ উপলব্ধি করান। তার চরিত্রে মানবিকতা, দেশপ্রেম ও ন্যায়বোধের প্রকাশ ঘটেছে।
৫. “কেবল আশ্চর্য সেই দুটি চোখের দৃষ্টি”—চোখ দুটির বর্ণনা দাও এবং কেন তা আশ্চর্যকর?
উত্তরঃ গিরীশের চোখ দুটি ছিল গভীর জলাশয়ের মতো অতল ও রহস্যময়। তার রোগা, জীর্ণ ও অসুস্থ চেহারার সঙ্গে সেই চোখের গভীরতা ও তীক্ষ্ণতা একেবারেই মানানসই ছিল না। এই বাহ্যিক দুর্বলতা ও চোখের গভীর দৃষ্টির বৈপরীত্যের কারণেই চোখ দুটিকে আশ্চর্যকর মনে হয়েছে।
৬. “বুড়ো মানুষের কথাটা শুনো”—বুড়ো মানুষটি কে? তিনি কী কথা শুনতে বলেছেন?
উত্তরঃ ‘বুড়ো মানুষটি’ হলেন নিমাইবাবু। তিনি অপূর্বর পরিচিত ও বাবার বন্ধু হওয়ায় স্নেহের সঙ্গে তাকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে বলেন। তাঁর মতে, পলিটিক্স একটি অতি নোংরা ব্যাপার; তাই অপূর্বর মতো শিক্ষিত যুবকের এ ধরনের বিষয়ে জড়িয়ে পড়া উচিত নয়।
৭. অপূর্বর চোখে জল এল কেন?
উত্তরঃ গিরীশ মহাপাত্রকে নিয়ে সন্দেহ ও তার প্রতি আচরণের কথা মনে করে অপূর্ব লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়েছিল। রামদাসের কথায় নিজের ভুল আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নিজের দুর্বলতা, অন্যায়ের অপমান এবং গিরীশের রহস্যময় পরিচয়ের কথা ভেবে তার চোখে জল এসে যায়।
৮. “একেবারে রাজবিদ্রোহী! … তার আমি জামিন হতে পারি”—বক্তা কে? তার এই উক্তির কারণ কী?
উত্তরঃ বক্তা অপূর্ব। গিরীশ মহাপাত্রকে দেখে তার মনে হয়েছিল যে এই দুর্বল, অসুস্থ মানুষটি পুলিশের কাঙ্ক্ষিত বিপ্লবী হতে পারে না। তাই নিমাইবাবুর সন্দেহের বিপরীতে অপূর্ব গিরীশের পক্ষে জামিন হওয়ার কথা বলে।
৯. ‘পথের দাবী’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘পথের দাবী’ বলতে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে দেশের মুক্তির দাবি বোঝানো হয়েছে। ‘পথ’ এখানে মুক্তির সংগ্রামের প্রতীক। ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে দেশের স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করাই এই দাবির মূল কথা।
১০. অপূর্ব চরিত্রটির দ্বিধাগ্রস্ততার কারণ কী?
উত্তরঃ অপূর্বর মধ্যে একদিকে ছিল ভীরুতা ও নিরাপদে থাকার প্রবণতা, অন্যদিকে ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও আত্মমর্যাদাবোধ। সে ব্রিটিশ শাসনের অন্যায়ে আহত হয়, কিন্তু পুলিশি ঝামেলা ও বিপদের বিষয়েও ভীত থাকে। এই দুই বিপরীত মানসিকতার দ্বন্দ্বই তার দ্বিধাগ্রস্ততার মূল কারণ।
১১. “কি জানি, হয়তো আপনাদেরও দরকার হতে পারে”—কে, কোন প্রসঙ্গে এই কথা বলেছে?
উত্তরঃ কথাটি গিরীশ মহাপাত্র বলেছিল। তার তল্লাশির সময় লোহার কম্পাস ও কাঠের ফুটরুল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলে, এগুলো হয়তো পুলিশেরও কাজে লাগতে পারে। তার এই উত্তর তার ছদ্মবেশী চরিত্রের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়।
১২. গিরীশ মহাপাত্রের কাছ থেকে কী কী পাওয়া গিয়েছিল?
উত্তরঃ তার কাছ থেকে এক টাকা ও কিছু পয়সা, লোহার কম্পাস, কাঠের ফুটরুল, কয়েকটি বিড়ি, দেশলাই এবং গাঁজার কলকে পাওয়া গিয়েছিল। এই সামগ্রীগুলির কোনোটিই তাকে বিপ্লবী হিসেবে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করার মতো প্রমাণ ছিল না।
১৩. নিমাইবাবুর চরিত্রটি সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ নিমাইবাবু ছিলেন একজন অভিজ্ঞ পুলিশকর্তা এবং অপূর্বর বাবার বন্ধু। তিনি কর্তব্যনিষ্ঠ, সতর্ক ও রাজনৈতিক সন্দেহভাজনদের ধরতে আগ্রহী। একই সঙ্গে অপূর্বর প্রতি তার স্নেহও রয়েছে। তবে গিরীশের নিখুঁত ছদ্মবেশের কারণে তাঁর অভিজ্ঞতাও সব্যসাচীকে শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়।
১৪. “কিন্তু ইহা যে কত বড়ো ভ্রম”—কোনটিকে ভ্রম বলা হয়েছে?
উত্তরঃ এখানে গিরীশ মহাপাত্রকে দেখে তাকে নিরীহ, দুর্বল ও অসুস্থ মানুষ বলে মনে করা-কে ভ্রম বলা হয়েছে। বাহ্যিক চেহারা দেখে যে ধারণা তৈরি হয়েছিল, তার আড়ালে যে গভীর রহস্য ছিল, সেটিই এই ভ্রমকে প্রকাশ করে।
১৫. “এইটুকু কাশির পরিশ্রমেই সে যেন একেবারে পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িল”—এই বর্ণনার তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ এই বর্ণনার মাধ্যমে গিরীশের রুগ্ন ও দুর্বল ব্যক্তিত্বের ছদ্মবেশ ফুটে উঠেছে। তার কাশি, দুর্বলতা ও ক্লান্তির ভঙ্গি এত স্বাভাবিক ছিল যে তাকে প্রকৃতপক্ষেই অসুস্থ মনে হয়। এর ফলে পুলিশের সন্দেহ আরও কমে যায়।
১৬. অপূর্ব কীভাবে সব্যসাচীকে চিনেছিল?
উত্তরঃ প্রথমে অপূর্ব গিরীশকে চিনতে পারেনি। কিন্তু গিরীশের চোখের গভীর, রহস্যময় ও অস্বাভাবিক দৃষ্টি তার মনে সন্দেহ সৃষ্টি করেছিল। পরে তার আচরণ ও দৃষ্টির মধ্যে লুকিয়ে থাকা পরিচিত সত্তার আভাস থেকে অপূর্বর মনে হয় যে গিরীশই সম্ভবত সব্যসাচী মল্লিক।
১৭. “তোমার বাবুরা এসব কি ভালোবাসে?”—বক্তা কে? ‘এসব’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ বক্তা রামদাস তলোয়ারকরের স্ত্রী। ‘এসব’ বলতে বাঙালি খাবার, বিশেষত বাঙালির পছন্দের খাবার বোঝানো হয়েছে। অপূর্ব বাঙালি হওয়ায় তাকে কেন্দ্র করে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল।
১৮. “পথের দাবী”-কে সবাই তার ঘরবাড়ি ছেড়ে পথে এসে দাঁড়াতে বলে কেন?
উত্তরঃ দেশের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করতে হলে ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার গণ্ডি অতিক্রম করতে হয়। তাই দেশের মানুষকে ঘরবাড়ির মায়া, ব্যক্তিগত স্বার্থ ও আরাম ত্যাগ করে দেশের মুক্তির সংগ্রামে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
১৯. “তাহার পরিচ্ছদের বাহার”—গিরীশের পরিচ্ছদের বাহারের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ গিরীশের পোশাক ছিল অত্যন্ত বিচিত্র ও শৌখিন। রামধনু-রঙের জাপানি সিল্কের জামা, সবুজ ফুল-আঁকা মোজা, বার্নিশ করা পাম্প শু, বাঘের ছবি-আঁকা রুমাল এবং হরিণের শিংয়ের হাতলযুক্ত ছড়ি তার সাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য। তার রোগা শরীরের সঙ্গে এই বাহারি সাজের বৈপরীত্য কৌতুকের সৃষ্টি করেছিল।
২০. অপূর্ব এবং রামদাসের মধ্যে মূল পার্থক্য কী ছিল?
উত্তরঃ অপূর্বর মধ্যে ছিল ভীরুতা, দ্বিধা ও নিরাপত্তার চিন্তা, যদিও তার আত্মমর্যাদাবোধ প্রবল। রামদাস তুলনায় বেশি সাহসী, স্থির ও মানবিক। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অপূর্বের মনে দ্বিধা থাকলেও রামদাস পরিস্থিতিকে তুলনামূলকভাবে বেশি নির্ভীকভাবে বিচার করত।
২১. “এই লোকটিকে নিয়ে সমস্ত পোলিটিক্যাল সাসপেক্টদের একটা বড় রকম lezione দেবার ইচ্ছা ছিল”—বক্তা কে? তার ইচ্ছা পূরণ হয়নি কেন?
উত্তরঃ বক্তা নিমাইবাবু। তিনি গিরীশকে রাজনৈতিক সন্দেহভাজনদের উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু গিরীশের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং তার ছদ্মবেশ এত নিখুঁত ছিল যে তাকে সব্যসাচী বলে প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে নিমাইবাবুর উদ্দেশ্য পূরণ হয়নি।
২২. “কিন্তু আশ্চর্য! সেই দুটি চোখের দৃষ্টি”—চোখের দৃষ্টির কী বৈশিষ্ট্য ছিল?
উত্তরঃ গিরীশের চোখের দৃষ্টি ছিল গভীর, স্থির, তীক্ষ্ণ ও রহস্যময়। তার দুর্বল শরীরের সঙ্গে এই দৃষ্টি সম্পূর্ণ বেমানান ছিল। সেই চোখের মধ্যেই যেন তার প্রকৃত শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান সত্তার আভাস পাওয়া যেত।
২৩. “পথের দাবী” উপন্যাসে গিরীশ মহাপাত্রের ছদ্মবেশের তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ গিরীশ মহাপাত্রের ছদ্মবেশের মাধ্যমে সব্যসাচীর অসাধারণ বুদ্ধি, অভিনয়ক্ষমতা ও পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার দক্ষতা প্রকাশ পেয়েছে। রোগা, অসুস্থ ও হাস্যকর ব্যক্তির রূপ নিয়ে সে পুলিশের সামনেই নিজের পরিচয় গোপন করতে সক্ষম হয়। এর ফলে বিপ্লবী চরিত্রটির রহস্য ও আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
২৪. গিরীশ মহাপাত্রকে দেখে নিমাইবাবু কেন তাকে সব্যসাচী বলে নিশ্চিত হতে পারেননি?
উত্তরঃ গিরীশের রোগা ও অসুস্থ চেহারা, জড়ানো কথাবার্তা, কাশির ভঙ্গি এবং সাধারণ কিছু সামগ্রী তাকে একজন দুর্বল ও নিরীহ মানুষ বলে মনে করায়। তল্লাশিতেও এমন কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি যা তাকে সব্যসাচী বলে শনাক্ত করতে পারে। তাই সন্দেহ থাকলেও নিমাইবাবু নিশ্চিত হতে পারেননি।
২৫. গিরীশ মহাপাত্রের চরিত্রে কৌতুক ও রহস্যের সমন্বয় কীভাবে ঘটেছে?
উত্তরঃ গিরীশের বাহারি পোশাক, অদ্ভুত সাজসজ্জা, রোগা চেহারা ও জড়ানো কথাবার্তা পাঠকের মনে কৌতুকের সৃষ্টি করে। কিন্তু তার গভীর ও রহস্যময় চোখ, অসাধারণ অভিনয় এবং প্রকৃত পরিচয় তাকে রহস্যময় করে তোলে। এই কৌতুক ও রহস্যের সমন্বয়েই গিরীশ চরিত্রটি বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
রচনাধর্মী : পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Pather Dabi LAQ [প্রশ্নমান – ৫]
১. ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশ অবলম্বনে গিরীশ মহাপাত্র বা সব্যসাচী মল্লিকের চরিত্র বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র সব্যসাচী মল্লিক। পাঠ্যাংশে তিনি গিরীশ মহাপাত্রের ছদ্মবেশে পুলিশের সামনে উপস্থিত হন। তাঁর চরিত্রে বুদ্ধি, সাহস, অভিনয়ক্ষমতা ও আত্মসংযমের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
অসাধারণ ছদ্মবেশী: সব্যসাচীর ছদ্মবেশ ধারণের ক্ষমতা অসাধারণ। রোগা, অসুস্থ, শৌখিন ও কিছুটা হাস্যকর গিরীশের চরিত্রে তিনি এমন নিখুঁত অভিনয় করেন যে অভিজ্ঞ পুলিশকর্তা নিমাইবাবুও তাঁকে চিনতে পারেন না।
বুদ্ধিমান ও প্রত্যুৎপন্নমতি: পুলিশের প্রশ্নের উত্তরে তিনি অত্যন্ত স্বাভাবিক ও বুদ্ধিদীপ্তভাবে কথা বলেন। কম্পাস, ফুটরুল বা কলকের মতো জিনিসের ব্যাখ্যাও তিনি এমনভাবে দেন যে সন্দেহ আরও দূরে সরে যায়।
অসাধারণ আত্মসংযম: পুলিশের সামনে থেকেও তাঁর মধ্যে ভয়ের প্রকাশ নেই। তাঁর গভীর, স্থির ও রহস্যময় চোখ তাঁর প্রকৃত ব্যক্তিত্বের আভাস দেয়।
দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ: সব্যসাচী দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবনকে বিপদের মুখে ফেলেছেন। নিজের পরিচয় গোপন করে বিপ্লবী কাজ চালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
উপসংহার: সব্যসাচী শুধু একজন বিপ্লবী নন; তিনি বুদ্ধি, সাহস, আত্মসংযম ও দেশপ্রেমের প্রতীক। গিরীশ মহাপাত্রের ছদ্মবেশ তাঁর অসাধারণ ব্যক্তিত্বকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।
২. “বাবুটির স্বাস্থ্য গেছে, কিন্তু শখ ষোল আনাই বজায় আছে।” — বাবুটি কে? তাঁর স্বাস্থ্য ও শখের পরিচয় দাও। এই উক্তিতে বক্তার কী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তরঃ পরিচয়: ‘বাবুটি’ হলেন গিরীশ মহাপাত্র, যিনি আসলে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিকের ছদ্মবেশী রূপ।
স্বাস্থ্যের পরিচয়: গিরীশের শরীর ছিল অত্যন্ত রোগা, জীর্ণ ও দুর্বল। সামান্য কাশিতেই সে যেন ক্লান্ত হয়ে পড়ত। তাকে দেখে মনে হতো সে দীর্ঘদিনের অসুস্থ মানুষ।
শখের পরিচয়: কিন্তু এই ভগ্ন স্বাস্থ্যের বিপরীতে তার সাজসজ্জায় ছিল প্রবল শৌখিনতা। তার লেবুর তেল-মাখা চুল, রামধনু-রঙের জাপানি সিল্কের জামা, সবুজ ফুল-আঁকা মোজা এবং বার্নিশ করা পাম্প শু তার শখের পরিচয় বহন করত। হাতে ছিল বিশেষ ধরনের ছড়ি এবং সাজে ছিল নানা বাহার।
বক্তার মনোভাব: উক্তির বক্তা নিমাইবাবু। তাঁর কথায় গিরীশের রোগা শরীর ও অত্যন্ত শৌখিন সাজের কৌতুকমিশ্রিত ব্যঙ্গ প্রকাশ পেয়েছে। তিনি গিরীশের বাহ্যিক বৈপরীত্যকে লক্ষ করে মন্তব্যটি করেছিলেন।
উপসংহার: তাই উক্তিটির মধ্যে একদিকে গিরীশের জীর্ণ স্বাস্থ্য, অন্যদিকে তার অটুট শৌখিনতা—এই দুইয়ের বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে।
৩. ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশ অবলম্বনে অপূর্ব চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র অপূর্ব। তাঁর চরিত্রে আত্মমর্যাদাবোধ, মানবিকতা, ভীরুতা ও দ্বিধার একটি জটিল সমন্বয় দেখা যায়।
আত্মমর্যাদাবোধ: ফিরিঙ্গি ছোকরাদের অন্যায় আচরণে অপূর্ব অপমানিত হয় এবং তার প্রতিবাদ করে। এতে তার আত্মসম্মান ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মনোভাব প্রকাশ পায়।
ভীরুতা ও দ্বিধা: অপূর্ব নিজেই স্বীকার করে যে সে ভীরু। সরকারি কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে যেতে সে স্বচ্ছন্দ নয়। ফলে তার চরিত্রে সাহস ও ভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা যায়।
মানবিকতা: গিরীশ মহাপাত্রের রুগ্ন চেহারা দেখে অপূর্বর মনে সহানুভূতি জাগে। তাকে জেরা না করার জন্যও সে অনুরোধ করে। পরে নিজের ভুল উপলব্ধি করে সে লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়।
স্বদেশচেতনা: অপূর্বর মধ্যে সুপ্ত দেশপ্রেম রয়েছে। সে বিপ্লবীদের কাজ সম্পর্কে কৌতূহলী এবং সব্যসাচীর মতো মানুষের প্রতি তার মনে শ্রদ্ধা ও বিস্ময় জন্মায়।
উপসংহার: অপূর্ব তৎকালীন শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বাঙালির একটি মানসিক অবস্থার প্রতীক—দেশপ্রেম আছে, আত্মমর্যাদা আছে, কিন্তু ভয় ও দ্বিধাও প্রবল।
৪. “আমি ভীরু, কিন্তু তাই বলে অবিচারের দণ্ডভোগ করার অপমান আমাকে কম বাজে না।” — বক্তা কে? তাঁর ভীরুতা ও প্রতিবাদের স্বরূপ আলোচনা করো।
উত্তরঃ উক্তিটির বক্তা অপূর্ব।
ভীরুতার স্বরূপ: অপূর্ব নিজেই নিজের ভীরুতার কথা স্বীকার করেছে। সে সরকারি ক্ষমতা ও পুলিশি ঝামেলাকে ভয় করে এবং অযথা বিপদে জড়াতে চায় না। এই মানসিকতার জন্যই তার মধ্যে দ্বিধা দেখা যায়।
অন্যায়ের প্রতিবাদ: কিন্তু ভীরু হলেও অপূর্বর আত্মমর্যাদাবোধ প্রবল। ট্রেনের কামরায় ফিরিঙ্গি ছোকরাদের অন্যায় আচরণে সে অপমানিত হয়। বিনা দোষে তাকে লাঞ্ছিত করা হলে সে প্রতিবাদ করে এবং স্টেশন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানায়।
প্রতিবাদের বৈশিষ্ট্য: তার প্রতিবাদ ব্যক্তিগত হিংসা বা প্রতিশোধের জন্য নয়; এটি ন্যায় ও আত্মমর্যাদার জায়গা থেকে এসেছে। অন্যায়ের শাস্তি তাকেই ভোগ করতে হওয়ায় তার মনে গভীর ক্ষোভ জন্মায়।
দ্বন্দ্ব: তাই অপূর্বর মধ্যে একদিকে ভীরুতা, অন্যদিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আত্মমর্যাদাপূর্ণ প্রতিবাদ—এই দুই প্রবণতার দ্বন্দ্ব রয়েছে।
উপসংহার: অপূর্বর চরিত্রের এই বৈপরীত্যই তাকে বাস্তব ও মানবিক করে তুলেছে।
৫. ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশে নিমাইবাবুর চরিত্রটি কীভাবে ফুটে উঠেছে, তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: নিমাইবাবু ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশের একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। তিনি একজন অভিজ্ঞ পুলিশকর্তা এবং একই সঙ্গে অপূর্বর বাবার বন্ধু।
অভিজ্ঞ পুলিশকর্তা: রাজনৈতিক সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে তাঁর যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। গিরীশ মহাপাত্রকে তিনি প্রশ্ন করেন এবং তার কাছের জিনিসপত্র তল্লাশি করেন।
কর্তব্যনিষ্ঠ: তিনি সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রাজনৈতিক সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে সতর্ক থাকেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল সব্যসাচী মল্লিককে শনাক্ত করা।
স্নেহপ্রবণ: অপূর্বর বাবার বন্ধু হওয়ায় তিনি অপূর্বর প্রতি স্নেহশীল। তাকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন এবং বিপদে না জড়ানোর কথা বলেন।
সীমাবদ্ধতা: তাঁর অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও তিনি গিরীশের ছদ্মবেশের আড়ালে থাকা সব্যসাচীকে চিনতে পারেননি। এতে সব্যসাচীর বুদ্ধি ও অভিনয়ক্ষমতা যেমন প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি নিমাইবাবুর সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়েছে।
উপসংহার: নিমাইবাবু চরিত্রে পুলিশি কর্তব্য, অভিজ্ঞতা, সতর্কতা ও ব্যক্তিগত স্নেহ—এই বৈশিষ্ট্যগুলির সমন্বয় ঘটেছে।
৬. “পথের দাবী”-কে সবাই তার ঘরবাড়ি ছেড়ে, তার আপনার জন, তার একান্ত আপনার জনকে ফেলে রেখে পথে এসে দাঁড়াতে বলে কেন? — এই উক্তির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ এই উক্তির মধ্যে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে আত্মনিয়োগের আহ্বান রয়েছে।
ব্যক্তিগত মায়া ত্যাগ: দেশের মুক্তির সংগ্রামে যোগ দিতে হলে শুধু নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। তাই ঘরবাড়ি ও আপনজনের মায়া ত্যাগ করে পথে নামার কথা বলা হয়েছে।
দেশের জন্য আত্মত্যাগ: স্বাধীনতা ও মুক্তি সহজে অর্জিত হয় না। এর জন্য ব্যক্তিগত সুখ, নিরাপত্তা ও স্বার্থ বিসর্জন দিতে হয়। বিপ্লবীর কাছে দেশের স্বার্থ ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে বড়।
সমষ্টির স্বার্থ: নিজের পরিবারকে ভালোবাসার পাশাপাশি দেশের কোটি কোটি মানুষকেও আপনজন হিসেবে গ্রহণ করার আদর্শ এখানে রয়েছে।
বিপ্লবী জীবনদর্শন: সব্যসাচীর মতো বিপ্লবীরা ব্যক্তিগত জীবন ও স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে দেশের মুক্তির কাজে আত্মনিয়োগ করেছেন। তাই এই উক্তি ত্যাগ ও সংগ্রামের আহ্বান।
উপসংহার: উক্তিটির মূল তাৎপর্য হলো—দেশের মুক্তির জন্য ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও আপনজনের মায়া অতিক্রম করে বৃহত্তর মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যাওয়া।
৭. “কিন্তু ইহা যে কত বড়ো ভ্রম, তাহা কয়েকটা স্টেশন পরেই সে টের পাইয়াছিল।” — কার, কোন বিষয়ে ভ্রম হয়েছিল? সে কীভাবে তা টের পেয়েছিল?
উত্তরঃ এখানে অপূর্র ভ্রমের কথা বলা হয়েছে।
ভ্রমের কারণ: পুলিশ স্টেশনে গিরীশ মহাপাত্রের রোগা, অসুস্থ ও করুণ চেহারা দেখে অপূর্ব তাকে একজন নিরীহ ও দুর্বল মানুষ বলে মনে করেছিল। তার মনে হয়েছিল, এমন মানুষ সব্যসাচীর মতো বিপ্লবী হতে পারে না।
ভ্রম ভাঙা: কিন্তু পরে গিরীশের আচরণ ও বিশেষ করে তার চোখের গভীর, রহস্যময় দৃষ্টি অপূর্বর মনে নতুন উপলব্ধি সৃষ্টি করে।
সত্যের আভাস: গিরীশের বাহ্যিক দুর্বলতার আড়ালে যে একজন অসাধারণ বুদ্ধিমান ও আত্মসংযমী মানুষ রয়েছে, অপূর্ব তা বুঝতে পারে।
উপসংহার: অর্থাৎ বাহ্যিক চেহারা দেখে গিরীশকে নিরীহ মনে করাই ছিল অপূর্বর বড় ভ্রম; পরে তার রহস্যময় দৃষ্টি ও আচরণের মাধ্যমে সেই ধারণা ভেঙে যায়।
৮. ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশে অপূর্বর স্বদেশপ্রেমের পরিচয় কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ অপূর্বর স্বদেশপ্রেম সরাসরি বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে প্রকাশ না পেলেও তার আত্মমর্যাদা, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধার মধ্যে তা প্রকাশিত হয়েছে।
অন্যায়ের প্রতিবাদ: ফিরিঙ্গি ছোকরাদের অন্যায় আচরণ সে মেনে নিতে পারেনি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করার মধ্যে তার জাতীয় আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ পেয়েছে।
বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধা: সে সব্যসাচীর মতো বিপ্লবীদের প্রতি কৌতূহলী ও শ্রদ্ধাশীল। দেশের জন্য জীবন বিপন্ন করা মানুষের প্রতি তার মনে সম্মান রয়েছে।
আত্মগ্লানি: গিরীশকে সন্দেহ করার ঘটনায় তার মনে লজ্জা ও অনুশোচনা জন্মায়। নিজের দেশের একজন মানুষের প্রতি অন্যায় সন্দেহ করায় তার জাতীয় চেতনা ও মানবিক বিবেক তাকে পীড়িত করে।
উপসংহার: অপূর্বর স্বদেশপ্রেম ছিল সুপ্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত, কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদ এবং বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধা তার সেই চেতনার পরিচয় বহন করে।
৯. “এই লোকটিকে আপনি কোনো কথা জিজ্ঞেস না করেই ছেড়ে দিন।” — অপূর্ব কেন এই অনুরোধ করেছিল? এর উত্তরে শ্রোতা কী বলেছিলেন?
উত্তরঃ এই অনুরোধের বক্তা অপূর্ব এবং শ্রোতা নিমাইবাবু।
অনুরোধের কারণ: গিরীশ মহাপাত্রের রুগ্ন, অসুস্থ ও করুণ চেহারা দেখে অপূর্বর মনে সহানুভূতি ও দয়া জন্মেছিল। সামান্য কাশিতেই গিরীশ অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ছিল। তাই তাকে আর জেরা না করে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অপূর্ব অনুরোধ করেছিল।
নিমাইবাবুর প্রতিক্রিয়া: নিমাইবাবু অপূর্বর অনুরোধে হেসে তাকে বোঝান যে তিনি গিরীশকে অযথা কষ্ট দেবেন না। বরং তিনি তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করার কথা বলেন।
তাৎপর্য: এই ঘটনায় অপূর্বর মানবিকতা ও সহানুভূতি, আর নিমাইবাবুর পুলিশি কর্তব্যবোধ ও সন্দেহপ্রবণতা—দুই বিপরীত মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে।
১০. ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশের শেষে অপূর্বর যে মানসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তরঃ পাঠ্যাংশের শুরুতে অপূর্ব ছিল ভীরু, দ্বিধাগ্রস্ত ও নিরাপত্তাপ্রবণ। অন্যায়ে সে আহত হলেও সরকারি শক্তির সঙ্গে সংঘাতে যেতে ভয় পেত।
গিরীশ সম্পর্কে দ্বিধা: গিরীশ মহাপাত্রকে দেখে তার মনে একই সঙ্গে সন্দেহ ও সহানুভূতি তৈরি হয়। তার অদ্ভুত চোখ তাকে সন্দেহ করালেও রুগ্ন চেহারা তাকে দয়া করতে বাধ্য করে।
আত্মগ্লানি: পরে নিজের আচরণ নিয়ে অপূর্বর মনে লজ্জা ও অনুশোচনা জন্মায়। সে উপলব্ধি করে যে বাহ্যিক চেহারা দেখে মানুষকে বিচার করা ঠিক নয়।
সব্যসাচীর উপলব্ধি: গিরীশের চোখের গভীরতা ও রহস্যময় আচরণ তার মনে সব্যসাচীর প্রকৃত পরিচয় সম্পর্কে গভীর ধারণা সৃষ্টি করে। সে বুঝতে পারে, এই সাধারণ ও করুণ চেহারার আড়ালে রয়েছে অসাধারণ বুদ্ধি, সাহস ও আত্মসংযম।
চেতনার উন্মেষ: ফলে অপূর্বর মনে বিপ্লবী আদর্শ ও আত্মত্যাগ সম্পর্কে নতুন উপলব্ধি জন্মায়। তার ভীরুতা এক মুহূর্তে সম্পূর্ণ দূর না হলেও তার মধ্যে শ্রদ্ধা, আত্মসমালোচনা ও দেশচেতনার উন্মেষ ঘটে।
উপসংহার: তাই অপূর্বর পরিবর্তনকে সম্পূর্ণ বিপ্লবী হয়ে ওঠা না বলে একটি গভীর মানসিক জাগরণ ও আত্মউপলব্ধির সূচনা বলা বেশি যথার্থ।
Madhyamik All Subjects Suggestion | মাধ্যমিক সাজেশন:
- Madhyamik Bengali Suggestion Click Here
- Madhyamik English Suggestion Click Here
- Madhyamik History Suggestion Click Here
- Madhyamik Geography Suggestion Click Here
- Madhyamik Life Science Suggestion Click Here
- Madhyamik Mathematics Suggestion Click Here
- Madhyamik Physical Science Suggestion Click Here
- Madhyamik All Subjects Suggestion Click Here
PDF: পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer PDF Download
পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer PDF Download: পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর সহ একটি PDF File শিক্ষার্থীদের revision-এর সুবিধার জন্য দেওয়া হলো।
PDF Download: পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer PDF Click Here
| আমাদের YouTube Channel টি সাবস্ক্রাইব করুন Click Here To Subscribe Now |
West Bengal Class 10 Bengali Board Exam Details
West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) conducts the Madhyamik Examination for Class 10 students across West Bengal. Bengali is one of the important subjects in the Madhyamik Board Exam, and students need to prepare each chapter carefully according to the prescribed syllabus. Here you will find useful Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer, study materials, important questions and other resources to help students prepare effectively for the Class 10 Bengali Board Exam.
Madhyamik Bengali Pather Dabi Syllabus PDF
Madhyamik Bengali Pather Dabi ‘পথের দাবী’ (গল্প) – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। এই অধ্যায় থেকে বিভিন্ন ধরনের MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং বর্ণনামূলক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত সিলেবাস অনুযায়ী অধ্যায়টি মন দিয়ে পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি বারবার অনুশীলন করা।
Madhyamik Bengali Syllabus PDF: Click Here
পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer
Madhyamik Bengali Pather Dabi পথের দাবী (গল্প) – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় থেকে মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি উপরে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে অধ্যায়ের বিভিন্ন অংশ থেকে নির্বাচিত MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় শিক্ষার্থীরা এগুলি ভালোভাবে পড়তে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে পারে।
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Pather Dabi Suggestion Question and Answer
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Pather Dabi Suggestion Question and Answer খুঁজছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য এই পোস্টে ‘পথের দাবী’ গল্প – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর একসঙ্গে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার আগে দ্রুত Revision করার পাশাপাশি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই প্রশ্নোত্তরগু,লি সহায়ক হবে।
পথের দাবী (গল্প) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Pather Dabi Question and Answer
আশা করি, ‘Madhyamik Bengali Pather Dabi’ ‘পথের দাবী (গল্প) – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়’-এর এই প্রশ্নোত্তরগুলি তোমাদের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে। পোস্টটি উপকারী মনে হলে সহপাঠীদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারো। West Bengal Board-এর সিলেবাস অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের Notes, Question Answer, Suggestion ও শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু, পাশাপাশি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় Study Material পেতে নিয়মিত ভিজিট করো Porasuna.in। ধন্যবাদ।





















