অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer
অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer: নমস্কার বন্ধুরা, আজকের আলোচনার বিষয় ‘অদল বদল’ (গল্প) – পান্নালাল প্যাটেল, যা মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। এই পোস্টে WBBSE Class 10 Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer-এর পাশাপাশি গল্প থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলি ভালোভাবে পড়া এবং অনুশীলন করা অত্যন্ত উপকারী।
যেসব ছাত্রছাত্রী অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর, WBBSE Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer অথবা পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা প্রশ্নোত্তর খুঁজছো, তারা এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে পড়তে পারো। অদল বদল গল্প থেকে পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এমন বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যা West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Exam Preparation এবং Revision-এর সময় বিশেষভাবে কাজে আসবে।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই (WBBSE) |
| ক্লাস | মাধ্যমিক দশম শ্রেণী (WB Class 10 Madhyamik) |
| বিষয় | মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা (Madhyamik Bengali) |
| পাঠ | অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল |
অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা | West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Adal Badal Question and Answer
বহুনির্বাচনী : অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Adal Badal MCQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘অদল বদল’ গল্পের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম কী?
(ক) হরি ও হরেন
(খ) অমৃত ও ইসাব
(গ) কালিয়া ও ভোলানাথ
(ঘ) রতন ও মানিক
উত্তরঃ (খ) অমৃত ও ইসাব
২. পান্নালাল প্যাটেল কোন ভাষার লেখক?
(ক) হিন্দি
(খ) মারাঠি
(গ) গুজরাটি
(ঘ) বাংলা
উত্তরঃ (গ) গুজরাটি
৩. অমৃতের বয়স কত ছিল?
(ক) আট বছর
(খ) দশ বছর
(গ) বারো বছর
(ঘ) পনেরো বছর
উত্তরঃ (খ) দশ বছর
৪. ঘটনাটি কোন উৎসবের দিন ঘটেছিল?
(ক) ঈদ
(খ) হোলি
(গ) দিওয়ালি
(ঘ) জন্মাষ্টমী
উত্তরঃ (খ) হোলি
৫. অমৃত ও ইসাব দুজনেই কী পরার জন্য বায়না ধরেছিল?
(ক) নতুন জুতো
(খ) নতুন টুপি
(গ) নতুন জামা
(ঘ) নতুন প্যান্ট
উত্তরঃ (গ) নতুন জামা
৬. অমৃতের ক’জন ভাই ছিল?
(ক) একজন
(খ) দুজন
(গ) তিনজন
(ঘ) চারজন
উত্তরঃ (গ) তিনজন
৭. কে অমৃতকে কুস্তিতে হারিয়ে দিয়েছিল?
(ক) ইসাব
(খ) ভোলানাথ
(গ) রতন
(ঘ) কালিয়া
উত্তরঃ (ঘ) কালিয়া
৮. “অদল বদল” করার প্রস্তাবটি প্রথম কে দিয়েছিল?
(ক) ইসাব
(খ) অমৃত
(গ) কালিয়া
(ঘ) অমৃতের মা
উত্তরঃ (খ) অমৃত
৯. ইসাবের বাবার নাম কী?
(ক) হাসান
(খ) হোসেন
(গ) রহিম
(ঘ) করিম
উত্তরঃ (ক) হাসান
১০. ‘অদল বদল’ গল্পটি বাংলায় কে অনুবাদ করেছেন?
(ক) সত্যজিৎ রায়
(খ) শঙ্খ ঘোষ
(গ) অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত
(ঘ) নবনীতা দেবসেন
উত্তরঃ (গ) অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত
১১. অমৃতের জামা কতটা ছিঁড়ে গিয়েছিল?
(ক) প্রায় এক বিঘত
(খ) প্রায় ছয় ইঞ্চি
(গ) সামান্য
(ঘ) পুরো জামাটিই
উত্তরঃ (খ) প্রায় ছয় ইঞ্চি
১২. অমৃত আর ইসাব দুজনকে দেখতে কেমন ছিল?
(ক) একেবারে আলাদা
(খ) প্রায় একই রকম
(গ) সম্পূর্ণ বিপরীত
(ঘ) দুজনেই লম্বা ও রোগা
উত্তরঃ (খ) প্রায় একই রকম
১৩. অমৃতের মা নতুন জামা কিনে দিতে রাজি ছিলেন না কেন?
(ক) অমৃত দুষ্টুমি করত বলে
(খ) বাড়িতে অনেক জামা ছিল বলে
(গ) তাঁদের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না বলে
(ঘ) অমৃতের বাবা বারণ করেছিলেন বলে
উত্তরঃ (গ) তাঁদের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না বলে
১৪. “মা ওকে অনেক বুঝিয়েছিল”—মা কাকে বুঝিয়েছিলেন?
(ক) ইসাবকে
(খ) কালিয়াকে
(গ) অমৃতকে
(ঘ) অমৃতের বাবাকে
উত্তরঃ (গ) অমৃতকে
১৫. ইসাবের বাবা কী করতেন?
(ক) দোকান চালাতেন
(খ) চাকরি করতেন
(গ) চাষবাস করতেন
(ঘ) শিক্ষকতা করতেন
উত্তরঃ (গ) চাষবাস করতেন
১৬. অমৃতকে কুস্তির জন্য কে উস্কেছিল?
(ক) ইসাব
(খ) ছেলের দল
(গ) কালিয়া
(ঘ) অমৃতের বাবা
উত্তরঃ (খ) ছেলের দল
১৭. “এসো, আমরা কুস্তি করি”—এই প্রস্তাবটি কার ছিল?
(ক) অমৃত
(খ) ইসাব
(গ) কালিয়া
(ঘ) গ্রামের ছেলেরা
উত্তরঃ (গ) কালিয়া
১৮. “ইসাবের মেজাজ চড়ে গেল”—কেন?
(ক) অমৃত হেরে যাওয়ায়
(খ) জামা ছিঁড়ে যাওয়ায়
(গ) অমৃতকে নিয়ে ঠাট্টা করায়
(ঘ) অমৃত কুস্তি লড়তে চাওয়ায়
উত্তরঃ (ঘ) অমৃত কুস্তি লড়তে চাওয়ায়
১৯. কুস্তি লড়ার সময় কার জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল?
(ক) অমৃতের
(খ) ইসাবের
(গ) কালিয়ার
(ঘ) দুজনেরই
উত্তরঃ (ক) অমৃতের
২০. জামা ছিঁড়ে যাওয়ার পর অমৃত ও ইসাব কোথায় লুকিয়েছিল?
(ক) মন্দিরের পেছনে
(খ) একটি গাছের আড়ালে
(গ) ইসাবের গোয়ালঘরে
(ঘ) অমৃতের বাড়িতে
উত্তরঃ (ক) মন্দিরের পেছনে
২১. “ওর বাবা ওকে মেরে ফেলবে”—কার বাবা কাকে মেরে ফেলবে?
(ক) অমৃতের বাবা অমৃতকে
(খ) ইসাবের বাবা ইসাবকে
(গ) কালিয়ার বাবা কালিয়াকে
(ঘ) ইসাবের বাবা অমৃতকে
উত্তরঃ (খ) ইসাবের বাবা ইসাবকে
২২. ইসাব ভয় পেয়েছিল কেন?
(ক) অমৃতের জন্য
(খ) কালিয়ার জন্য
(গ) তার বাবার ভয়ে
(ঘ) মায়ের ভয়ে
উত্তরঃ (গ) তার বাবার ভয়ে
২৩. অমৃত তার মাকে কী বলে ভয় দেখিয়েছিল?
(ক) সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবে
(খ) ইসাবের মতো জামা না পেলে সে স্কুলে যাবে না
(গ) সে খাওয়া বন্ধ করে দেবে
(ঘ) সে আর কথা বলবে না
উত্তরঃ (খ) ইসাবের মতো জামা না পেলে সে স্কুলে যাবে না
২৪. “আগের বছর ঠিক এই সময়ে”—কী হয়েছিল?
(ক) অমৃতের জামা ছিঁড়েছিল
(খ) অমৃত অসুস্থ হয়েছিল
(গ) ইসাব অসুস্থ হয়েছিল
(ঘ) তাদের বন্ধুত্ব হয়েছিল
উত্তরঃ (গ) ইসাব অসুস্থ হয়েছিল
২৫. অমৃতের মা শেষ পর্যন্ত কী করতে রাজি হয়েছিলেন?
(ক) অমৃতকে বকাবকি করতে
(খ) ইসাবকে মারতে
(গ) ছেলেদের জামা অদলবদল করতে
(ঘ) নতুন জামা কিনে দিতে
উত্তরঃ (ঘ) নতুন জামা কিনে দিতে
২৬. “ও আমাকে শিখিয়েছে, খাঁটি জিনিস কাকে বলে”—বক্তা কে?
(ক) অমৃতের মা
(খ) ইসাবের বাবা
(গ) অমৃত
(ঘ) গ্রামপ্রধান
উত্তরঃ (খ) ইসাবের বাবা
২৭. “শোনো, অমৃত!”—অমৃতকে কে ডেকেছিল?
(ক) মা
(খ) বাবা
(গ) ইসাবের বাবা
(ঘ) ইসাব
উত্তরঃ (গ) ইসাবের বাবা
২৮. “ওর শান্ত গলা শুনে… অমৃতের সাহস বাড়ল”—কার শান্ত গলা?
(ক) ইসাবের
(খ) অমৃতের মায়ের
(গ) ইসাবের বাবার
(ঘ) গ্রামপ্রধানের
উত্তরঃ (গ) ইসাবের বাবার
২৯. অমৃতের মা যখন সব জানতে পারলেন, তখন তাঁর মুখ কেমন হয়ে গেল?
(ক) রাগে লাল
(খ) ভয়ে ফ্যাকাসে
(গ) বিস্ময়ে হতবাক
(ঘ) আনন্দে উজ্জ্বল
উত্তরঃ (গ) বিস্ময়ে হতবাক
৩০. অমৃতের মা সব ঘটনা কার কাছ থেকে শুনেছিলেন?
(ক) অমৃতের কাছ থেকে
(খ) ইসাবের কাছ থেকে
(গ) ছেলের দলের কাছ থেকে
(ঘ) ইসাবের বাবার কাছ থেকে
উত্তরঃ (গ) ছেলের দলের কাছ থেকে
৩১. জামা বদলের পর ইসাবের মুখটা কেমন হয়ে গিয়েছিল?
(ক) ভয়ে ফ্যাকাসে
(খ) আনন্দে উজ্জ্বল
(গ) লজ্জায় লাল
(ঘ) দুঃখে মলিন
উত্তরঃ (ক) ভয়ে ফ্যাকাসে
৩২. জামা বদলের পর অমৃত কোথায় গিয়েছিল?
(ক) নিজের বাড়ি
(খ) ইসাবের বাড়ি
(গ) খেলার মাঠ
(ঘ) মন্দিরের পেছনে
উত্তরঃ (খ) ইসাবের বাড়ি
৩৩. অমৃত ও ইসাব একরকম হওয়ার জন্য কী করেছিল?
(ক) একই রকম চুল ছেঁটেছিল
(খ) একই রকম জুতো পরেছিল
(গ) একই রকম জামা পরেছিল
(ঘ) একই স্কুলে ভর্তি হয়েছিল
উত্তরঃ (গ) একই রকম জামা পরেছিল
৩৪. অমৃতের বয়স কত এবং তার কয়জন ভাই ছিল?
(ক) ৮ বছর, দুই ভাই
(খ) ১০ বছর, তিন ভাই
(গ) ১২ বছর, দুই ভাই
(ঘ) ১৫ বছর, তিন ভাই
উত্তরঃ (খ) ১০ বছর, তিন ভাই
৩৫. অমৃতের মা-বাবার মোট ক’টি সন্তান ছিল?
(ক) একটি
(খ) দুটি
(গ) তিনটি
(ঘ) চারটি
উত্তরঃ (ঘ) চারটি
৩৬. অমৃতের বাবা কী কাজ করতেন?
(ক) চাষবাস
(খ) শিক্ষকতা
(গ) দোকানদারি
(ঘ) গল্পে উল্লেখ নেই
উত্তরঃ (ঘ) গল্পে উল্লেখ নেই
৩৭. অমৃত ও ইসাব কোন গ্রামে বাস করত?
(ক) রামপুর
(খ) শান্তিপুর
(গ) আনন্দপুর
(ঘ) গল্পে গ্রামের নাম উল্লেখ নেই
উত্তরঃ (ঘ) গল্পে গ্রামের নাম উল্লেখ নেই
৩৮. গ্রামপ্রধান অমৃত ও ইসাবকে কী বলে ডাকলেন?
(ক) দুটি ভাই
(খ) দুটি শয়তান
(গ) অদল ও বদল
(ঘ) অমৃত-ইসাব
উত্তরঃ (গ) অদল ও বদল
৩৯. অমৃতকে ‘অদল’ ও ইসাবকে ‘বদল’ নামটি কে দিয়েছিলেন?
(ক) অমৃতের মা
(খ) ইসাবের বাবা
(গ) গ্রামপ্রধান
(ঘ) ছেলের দল
উত্তরঃ (গ) গ্রামপ্রধান
৪০. গ্রামপ্রধানের নাম কী ছিল?
(ক) হাসান
(খ) কালিয়া
(গ) গল্পে উল্লেখ নেই
(ঘ) অমৃতের বাবা
উত্তরঃ (গ) গল্পে উল্লেখ নেই
৪১. “এখন তোমাদের দুজনের বাবা-মা আলাদা বলা যায় না”—এই মন্তব্য কে করেছিলেন?
(ক) হাসান
(খ) অমৃতের মা
(গ) গ্রামপ্রধান
(ঘ) কালিয়া
উত্তরঃ (খ) অমৃতের মা
৪২. “‘অদল বদল’ গল্পটি কোন বিষয়কে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে?”
(ক) মাতৃত্ব
(খ) পিতৃত্ব
(গ) বন্ধুত্ব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি
(ঘ) শৈশবের দুষ্টুমি
উত্তরঃ (গ) বন্ধুত্ব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি
৪৩. “পাঠানের গল্প শোনার জন্য”—কে কাকে জড়িয়ে ধরেছিল?
(ক) অমৃতের মা ইসাবকে
(খ) ইসাবের বাবা অমৃতকে
(গ) অমৃত ইসাবকে
(ঘ) অমৃতের মা অমৃতকে
উত্তরঃ (খ) ইসাবের বাবা অমৃতকে
৪৪. “অমৃতের জবাব আমাকে বদলে দিয়েছে”—এই জবাবের মূল বিষয় কী ছিল?
(ক) নতুন জামা পাওয়ার বায়না
(খ) কুস্তি লড়ার সাহস
(গ) ইসাবকে বাঁচানোর জন্য জামা অদলবদল করা
(ঘ) মায়ের কাছে সত্যি কথা বলা
উত্তরঃ (গ) ইসাবকে বাঁচানোর জন্য জামা অদলবদল করা
৪৫. “ঠিক সময়ে এসেছিস, যা”—বক্তা অমৃতকে কোথায় যেতে বলেছিল?
(ক) বাড়িতে
(খ) ইসাবের কাছে
(গ) স্কুলে
(ঘ) কুস্তি লড়তে
উত্তরঃ (খ) ইসাবের কাছে
৪৬. “ও আমাকে শিখিয়েছে, খাঁটি জিনিস কাকে বলে”—এই কথায় ‘ও’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
(ক) কালিয়াকে
(খ) অমৃতকে
(গ) ইসাবকে
(ঘ) গ্রামপ্রধানকে
উত্তরঃ (খ) অমৃতকে
৪৭. অমৃত ও ইসাবকে একরকম দেখতে হওয়ার বিষয়টি গল্পে কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে?
(ক) তারা একই স্কুলে পড়তে পেরেছিল
(খ) তারা একই রকম জামা পরতে পেরেছিল
(গ) তাদের অদলবদলের মাধ্যমে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীকী প্রকাশ ঘটেছিল
(ঘ) তারা একই বাড়িতে থাকতে শুরু করেছিল
উত্তরঃ (গ) তাদের অদলবদলের মাধ্যমে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীকী প্রকাশ ঘটেছিল
৪৮. ইসাবের বাবার প্রতিক্রিয়ায় কোন মানবিক গুণটি বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে?
(ক) প্রতিহিংসা
(খ) উদারতা ও স্নেহ
(গ) অহংকার
(ঘ) কঠোরতা
উত্তরঃ (খ) উদারতা ও স্নেহ
৪৯. গল্পের শেষে অমৃতের মা কীসের জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন?
(ক) ছেলেদের মঙ্গল
(খ) ছেলেদের বন্ধুত্ব অটুট থাকার
(গ) আর্থিক উন্নতির
(ঘ) গ্রামে শান্তি বজায় থাকার
উত্তরঃ (খ) ছেলেদের বন্ধুত্ব অটুট থাকার
৫০. গল্পের শেষে ছেলের দল আনন্দে চেঁচিয়ে উঠেছিল কেন?
(ক) অমৃত ও ইসাব নতুন জামা পাওয়ায়
(খ) অমৃত ও ইসাবকে গ্রামপ্রধান নতুন নাম দেওয়ায়
(গ) অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্ব দেখে
(ঘ) হোলির আনন্দে
উত্তরঃ (খ) অমৃত ও ইসাবকে গ্রামপ্রধান নতুন নাম দেওয়ায়
[Madhyamik Bengali Suggestion Click Here]
অতিসংক্ষিপ্ত : অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণীর বাংলা | WBBSE Madhyamik Bengali Adal Badal SAQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘অদল বদল’ গল্পটির লেখকের নাম কী?
উত্তরঃ ‘অদল বদল’ গল্পটির লেখক পান্নালাল প্যাটেল।
২. অমৃত ও ইসাবের বয়স কত ছিল?
উত্তরঃ অমৃত ও ইসাবের বয়স ছিল দশ বছর।
৩. কোন উৎসবের দিনে গল্পের ঘটনাটি ঘটেছিল?
উত্তরঃ হোলি উৎসবের দিনে গল্পের ঘটনাটি ঘটেছিল।
৪. অমৃতের ক’টি ভাই ছিল?
উত্তরঃ অমৃতের তিনজন ভাই ছিল।
৫. অমৃত কীসের জন্য মায়ের কাছে বায়না ধরেছিল?
উত্তরঃ অমৃত ইসাবের মতো নতুন জামা পাওয়ার জন্য মায়ের কাছে বায়না ধরেছিল।
৬. ‘অদল বদল’ গল্পটি বাংলায় কে তরজমা করেছেন?
উত্তরঃ গল্পটি বাংলায় অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত তরজমা করেছেন।
৭. কালিয়া কার সঙ্গে কুস্তি লড়তে চেয়েছিল?
উত্তরঃ কালিয়া অমৃতের সঙ্গে কুস্তি লড়তে চেয়েছিল।
৮. কুস্তি লড়াইতে কে জিতেছিল?
উত্তরঃ কুস্তি লড়াইতে কালিয়া জিতেছিল।
৯. কুস্তি লড়ার সময় কার জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল?
উত্তরঃ কুস্তি লড়ার সময় অমৃতের জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল।
১০. অমৃতের জামা কতখানি ছিঁড়ে গিয়েছিল?
উত্তরঃ অমৃতের জামা প্রায় ছয় ইঞ্চি ছিঁড়ে গিয়েছিল।
১১. জামা অদলবদল করার প্রস্তাবটি কে দিয়েছিল?
উত্তরঃ জামা অদলবদল করার প্রস্তাবটি অমৃত দিয়েছিল।
১২. ইসাব কেন ভয় পেয়েছিল?
উত্তরঃ অমৃতের জামা ছিঁড়ে যাওয়ায় তার বাবার মারের ভয়ে ইসাব ভয় পেয়েছিল।
১৩. ইসাবের বাবার নাম কী?
উত্তরঃ ইসাবের বাবার নাম হাসান।
১৪. “নতুন জামা না পেলে আমি স্কুলে যাব না”—উক্তিটি কার?
উত্তরঃ উক্তিটি অমৃতের।
১৫. অমৃত ও ইসাবকে ‘অদল’ ও ‘বদল’ নামে কে ডাকতে শুরু করেছিল?
উত্তরঃ গ্রামের ছেলের দল অমৃত ও ইসাবকে ‘অদল’ ও ‘বদল’ নামে ডাকতে শুরু করেছিল।
১৬. গ্রামপ্রধান অমৃত ও ইসাবের কী নাম দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ গ্রামপ্রধান অমৃতের নাম ‘অদল’ এবং ইসাবের নাম ‘বদল’ দিয়েছিলেন।
১৭. “ও আমাকে শিখিয়েছে, খাঁটি জিনিস কাকে বলে”—এখানে ‘খাঁটি জিনিস’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘খাঁটি জিনিস’ বলতে অমৃতের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব ও ভালোবাসাকে বোঝানো হয়েছে।
১৮. অমৃত ও ইসাব কোথায় লুকিয়েছিল?
উত্তরঃ অমৃত ও ইসাব মন্দিরের পেছনে লুকিয়েছিল।
১৯. হাসান অমৃতকে কার কাছে যেতে বলেছিলেন?
উত্তরঃ হাসান অমৃতকে তাঁর ছেলে ইসাবের কাছে যেতে বলেছিলেন।
২০. অমৃতের মা-বাবার মোট কয়টি সন্তান ছিল?
উত্তরঃ অমৃতের মা-বাবার মোট চারটি সন্তান ছিল।
২১. অমৃতের মা প্রথমে কেন রেগে গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ হোলির দিনে নতুন জামা ছিঁড়ে ফেলায় অমৃতের মা প্রথমে রেগে গিয়েছিলেন।
২২. অমৃতকে দেখে তার মায়ের মুখ কেমন হয়ে গিয়েছিল?
উত্তরঃ অমৃতকে দেখে তার মায়ের মুখ বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিল।
২৩. গল্পের শেষে অমৃতের মা কার কাছে প্রার্থনা করেছিলেন?
উত্তরঃ গল্পের শেষে অমৃতের মা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন।
২৪. হাসান কাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন?
উত্তরঃ হাসান অমৃতকে জড়িয়ে ধরেছিলেন।
২৫. হাসান অমৃতকে জড়িয়ে ধরে কী করতে চেয়েছিলেন?
উত্তরঃ হাসান অমৃতকে জড়িয়ে ধরে তাকে পাঠানদের গল্প শোনাতে চেয়েছিলেন।
২৬. অমৃতের মা ছেলেদের জন্য কী প্রার্থনা করেছিলেন?
উত্তরঃ অমৃতের মা ছেলেদের বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা অটুট থাকার জন্য প্রার্থনা করেছিলেন।
২৭. অমৃত ও ইসাব কোন বিষয়ে একমত হয়েছিল?
উত্তরঃ তারা দুজনেই একই রকম নতুন জামা পরবে—এই বিষয়ে একমত হয়েছিল।
২৮. ‘আয়, আমরা অদল বদল খেলি’—এই খেলাটি কী ছিল?
উত্তরঃ এই খেলাটি ছিল দুজনের জামা পরস্পরের সঙ্গে বদল করে নেওয়া।
২৯. জামা বদলের পর অমৃতের মনে কীসের ভয় ছিল?
উত্তরঃ জামা বদলের পর অমৃতের মনে মায়ের বকুনি বা মারের ভয় ছিল।
৩০. কালিয়ার চেহারার বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তরঃ কালিয়া অমৃতের চেয়ে এক বছরের বড় এবং শক্তিশালী ছিল।
৩১. অমৃত ও ইসাবের জামা বদলের উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তরঃ জামা বদলের উদ্দেশ্য ছিল ইসাবকে তার বাবার শাস্তির হাত থেকে বাঁচানো এবং বন্ধুর পাশে দাঁড়ানো।
৩২. অমৃতের মা কখন ছেলেদের প্রতি স্নেহ ও ভালোবাসায় আপ্লুত হয়েছিলেন?
উত্তরঃ অমৃত ও ইসাবের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব ও জামা অদলবদলের ঘটনা জানতে পেরে তাঁর মন পরিবর্তিত হয়েছিল।
৩৩. “তুই ওকে জাপটে ধরে থাক”—কে, কাকে এই কথা বলেছিল?
উত্তরঃ অমৃতের মা ইসাবকে অমৃতকে জাপটে ধরে থাকতে বলেছিলেন।
৩৪. ‘অদল বদল’ গল্পটি কী ধরনের গল্প?
উত্তরঃ ‘অদল বদল’ একটি বন্ধুত্ব, মানবিকতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গল্প।
৩৫. গল্পের মূল ঘটনা কী?
উত্তরঃ গল্পের মূল ঘটনা হলো অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্ব এবং একে অপরকে বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য জামা অদলবদল করা।
৩৬. ইসাব ও অমৃতের মধ্যে সম্পর্ক কেমন ছিল?
উত্তরঃ ইসাব ও অমৃতের মধ্যে গভীর, আন্তরিক ও নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল।
৩৭. “ওর ভয়ে কাঠ হয়ে গেল”—কার এমন অবস্থা হয়েছিল এবং কেন?
উত্তরঃ ইসাব তার বাবার ভয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল, কারণ অমৃতের জামা ছিঁড়ে গিয়েছিল।
৩৮. অমৃতের বাবা-মা কেমন প্রকৃতির মানুষ ছিলেন?
উত্তরঃ অমৃতের বাবা-মা স্নেহশীল, মানবিক ও উদার প্রকৃতির মানুষ ছিলেন।
৩৯. ইসাবের বাবার আচরণে কোন মানবিক গুণ প্রকাশ পেয়েছিল?
উত্তরঃ ইসাবের বাবার আচরণে স্নেহ, উদারতা ও মানবিকতা প্রকাশ পেয়েছিল।
৪০. ‘অদল বদল’ গল্পের মূল শিক্ষা কী?
উত্তরঃ গল্পটির মূল শিক্ষা হলো জাতি-ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে মানবিকতা, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
[Madhyamik Suggestion Click Here]
সংক্ষিপ্ত : অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Adal Badal QNA [প্রশ্নমান – ৩]
১. কুস্তির ঘটনাটি গল্পের মোড় কীভাবে ঘুরিয়ে দেয়?
উত্তরঃ কুস্তির ঘটনাটিই গল্পের পরবর্তী ঘটনাগুলির সূত্রপাত করে। কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি লড়তে গিয়ে অমৃতের নতুন জামা ছিঁড়ে যায়। ইসাব ভয় পেয়ে যায়, কারণ তার বাবা হাসান ছেঁড়া জামার জন্য তাকে শাস্তি দিতে পারেন। বন্ধুর বিপদ বুঝতে পেরে অমৃত জামা অদল-বদলের প্রস্তাব দেয়। ফলে এই ঘটনাই অমৃতের আত্মত্যাগ ও দুই বন্ধুর গভীর সম্পর্ক প্রকাশের পথ তৈরি করে।
২. ‘অদল বদল’ গল্পে বন্ধুত্বের যে পরিচয় পাওয়া যায়, তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তরঃ ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্ব ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে এক গভীর মানবিক সম্পর্কের পরিচয় দেয়। তারা পরস্পরের সুখ-দুঃখকে নিজের মতো করে অনুভব করে। বন্ধুকে বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য অমৃত নিজের ছেঁড়া জামা পরতে রাজি হয় এবং ইসাবের ভালো জামাটি তাকে দিয়ে দেয়। এই ঘটনা তাদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ ও বন্ধুত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
৩. “ও আমাকে শিখিয়েছে, খাঁটি জিনিস কাকে বলে”— বক্তা কে? ‘খাঁটি জিনিস’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ উক্তিটির বক্তা হলেন ইসাবের বাবা হাসান। ‘খাঁটি জিনিস’ বলতে তিনি অমৃতের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও আত্মত্যাগকে বোঝাতে চেয়েছেন। নিজের বিপদের কথা না ভেবে অমৃত বন্ধুকে বাঁচানোর জন্য নিজের ছেঁড়া জামা গ্রহণ করেছিল। তার এই নির্মল ভালোবাসাই হাসানের কাছে ‘খাঁটি জিনিস’ বলে মনে হয়েছিল।
৪. “ইসাবের মেজাজ চড়ে গেল”— ইসাবের মেজাজ চড়ে যাওয়ার কারণ কী?
উত্তরঃ হোলির দিনে অমৃত ও ইসাব নতুন জামা পরে ঘুরছিল। সেই সময় কালিয়া অমৃতকে কুস্তি লড়ার জন্য আহ্বান করে। ইসাব জানত, কুস্তি করলে অমৃতের নতুন জামা নষ্ট বা ছিঁড়ে যেতে পারে। তাই সে অমৃতকে কুস্তি না লড়তে বলেছিল। কিন্তু অমৃত তার কথা না শুনে কুস্তিতে রাজি হওয়ায় ইসাবের মেজাজ চড়ে গিয়েছিল।
৫. অমৃতের মায়ের চরিত্রটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ অমৃতের মা ছিলেন স্নেহশীলা, সংসারী ও বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তিনি ছেলের সব আবদার পূরণ করতে পারতেন না। নতুন জামা ছিঁড়ে যাওয়ায় তিনি অমৃতের উপর রাগ করেছিলেন। কিন্তু ছেলের বন্ধুত্ব ও মহৎ মানসিকতার পরিচয় পেয়ে তাঁর মন নরম হয়ে যায়। গল্পের শেষে অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্ব অটুট থাকুক—এই কামনায় তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন। ফলে তাঁর চরিত্রে মাতৃস্নেহ, মানবিকতা ও উদারতার প্রকাশ ঘটেছে।
৬. “ছেলের দল আনন্দে চেঁচিয়ে উঠল”— তাদের আনন্দের কারণ কী?
উত্তরঃ গ্রামপ্রধান অমৃত ও ইসাবের জামা অদল-বদলের ঘটনা জানতে পেরে তাদের নতুন নাম ‘অদল’ ও ‘বদল’ রাখেন। দুই বন্ধুর অভিনব বন্ধুত্বের স্মৃতি হিসেবে এই নামকরণ করা হয়। গ্রামপ্রধানের এই সিদ্ধান্তে ছেলেদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয় এবং তারা আনন্দে চেঁচিয়ে ওঠে।
৭. অমৃতের মা প্রথমে অমৃতের উপর রেগে গিয়েছিলেন কেন?
উত্তরঃ হোলির দিনে অমৃতের নতুন জামা কুস্তি করতে গিয়ে ছিঁড়ে যায়। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেক বায়নার পর তাকে জামাটি কিনে দেওয়া হয়েছিল। সেই জামা অল্প সময়ের মধ্যেই ছিঁড়ে যাওয়ায় অমৃতের মা স্বাভাবিকভাবেই রাগ ও দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।
৮. হাসান চরিত্রটি সম্পর্কে যা জানো লেখো।
উত্তরঃ হাসান হলেন ইসাবের বাবা এবং তিনি একজন চাষি। প্রথমদিকে তাঁকে কঠোর ও রাগী বাবা বলে মনে হয়। কিন্তু অমৃতের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের পরিচয় পেয়ে তাঁর কঠোর মন নরম হয়ে যায়। তিনি অমৃতকে স্নেহের সঙ্গে গ্রহণ করেন এবং তার মহৎ মানসিকতার প্রশংসা করেন। তাঁর চরিত্রে কঠোরতার পাশাপাশি স্নেহ, মানবিকতা ও উদারতার পরিচয় পাওয়া যায়।
৯. “ওর শান্ত গলা শুনে… অমৃতের সাহস বাড়ল”— পরিস্থিতিটি বর্ণনা করো।
উত্তরঃ জামা অদল-বদল করার পর অমৃত ইসাবের ছেঁড়া জামাটি পরে তার বাড়িতে যায়। সে ভেবেছিল, ইসাবের বাবা তাকে রাগ করে বকবেন বা শাস্তি দেবেন। কিন্তু হাসান তাকে শান্ত গলায় কথা বলেন এবং কোনো রকম রাগ দেখান না। ফলে অমৃতের ভয় ধীরে ধীরে কেটে যায় এবং তার সাহস বেড়ে যায়।
১০. অমৃত ও ইসাবের মধ্যে বাহ্যিক সাদৃশ্য কী ছিল?
উত্তরঃ অমৃত ও ইসাব দুজনেই দশ বছরের ছেলে এবং তাদের চেহারা ও শারীরিক গঠন অনেকটাই একই রকম ছিল। তাদের গায়ের রং, মুখের গঠন ও শরীরের মাপ প্রায় একই হওয়ায় একই ধরনের জামা পরলে তাদের আলাদা করে চেনা কঠিন হতো। এই বাহ্যিক সাদৃশ্যই গল্পের জামা অদল-বদলের ঘটনাকে সহজ করে তুলেছিল।
১১. “ছেলেদের জামা অদল বদল”— এই ঘটনাটি কীভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির হয়ে উঠল?
উত্তরঃ অমৃত ও ইসাব দুই ভিন্ন ধর্মের হলেও তাদের বন্ধুত্বে কোনো ধর্মীয় বিভেদ ছিল না। বন্ধুকে বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য অমৃত নিজের জামা ত্যাগ করে ইসাবের ছেঁড়া জামা পরে নেয়। এই আত্মত্যাগ প্রমাণ করে যে মানবিক ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব ধর্মের বিভেদের ঊর্ধ্বে। ফলে জামা অদল-বদলের ঘটনা দুই পরিবার ও গ্রামের মানুষের মধ্যে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।
১২. গ্রামপ্রধান অমৃত ও ইসাবের নতুন নাম ‘অদল’ ও ‘বদল’ রাখলেন কেন?
উত্তরঃ অমৃত ও ইসাবের মধ্যে ঘটে যাওয়া জামা অদল-বদলের ঘটনা এবং তাদের গভীর বন্ধুত্বে গ্রামপ্রধান মুগ্ধ হন। এই স্মরণীয় ঘটনার সঙ্গে মিল রেখে তিনি অমৃতের নাম ‘অদল’ এবং ইসাবের নাম ‘বদল’ রাখেন। এর মাধ্যমে তাদের বন্ধুত্ব ও জামা বদলের ঘটনাটিকে তিনি স্মরণীয় করে তোলেন।
১৩. অমৃতের মা কীভাবে নতুন জামা কিনে দিতে রাজি হয়েছিলেন?
উত্তরঃ অমৃতের মা প্রথমে নতুন জামা কিনে দিতে রাজি ছিলেন না, কারণ পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। কিন্তু অমৃত ইসাবের মতো জামা পাওয়ার জন্য প্রবল জেদ ধরে এবং জামা না পেলে স্কুলে না যাওয়ার কথা বলে। ছেলের জেদ ও স্কুলে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত তাঁর মা নতুন জামা কিনে দিতে রাজি হন।
১৪. “আজ থেকে তোমার ছেলে আমার”— কে, কাকে এই কথা বলেছে? এই উক্তির কারণ কী?
উত্তরঃ এই কথা ইসাবের বাবা হাসান অমৃতের মাকে বলেছিলেন। অমৃত নিজের বিপদের কথা না ভেবে ইসাবকে রক্ষা করার জন্য যে আত্মত্যাগ করেছিল, তাতে হাসান গভীরভাবে মুগ্ধ হন। অমৃতের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা থেকেই তিনি তাকে নিজের ছেলের মতো গ্রহণ করার কথা বলেন।
১৫. “পাঠানের গল্প শোনার জন্য”— কে, কেন এই কথা বলেছিল?
উত্তরঃ এই কথা ইসাবের বাবা হাসান বলেছিলেন। অমৃতের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও সাহসিকতায় তিনি মুগ্ধ হয়ে তাকে স্নেহের সঙ্গে গ্রহণ করেন। অমৃতের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা থেকেই তিনি তাকে পাঠানের গল্প শোনানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।
১৬. “কিন্তু এবার অমৃত সত্যিই তার বাবা-মাকে খুব জ্বালিয়েছিল”— অমৃত কীভাবে তার বাবা-মাকে জ্বালিয়েছিল?
উত্তরঃ ইসাবের মতো নতুন জামা পাওয়ার জন্য অমৃত বাবা-মায়ের কাছে প্রবল জেদ ধরেছিল। সে বারবার জামার জন্য বায়না করতে থাকে এবং এমনকি জামা না পেলে স্কুলে যাবে না বলেও জানায়। তার এই একগুঁয়েমি ও ক্রমাগত বায়নায় বাবা-মা যথেষ্ট বিরক্ত ও চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন।
১৭. “অমৃতের জবাব আমাকে বদলে দিয়েছে”— কোন জবাব, কীভাবে বক্তাকে বদলে দিয়েছিল?
উত্তরঃ এখানে বক্তা ইসাবের বাবা হাসান। অমৃতের মুখের কথা ও তার কাজের মধ্যে যে নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছিল, সেটিই হাসানের কাছে প্রকৃত জবাব হয়ে উঠেছিল। অমৃত নিজের কথা না ভেবে বন্ধুকে রক্ষা করেছিল। তার এই মহৎ আচরণ হাসানের কঠোর মনকে নরম করে দেয় এবং তাঁর মনে মানবিকতা ও ভালোবাসার জয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮. “অদল বদল” করার প্রস্তাবটি কে, কেন দিয়েছিল?
উত্তরঃ ‘অদল বদল’ করার প্রস্তাবটি অমৃত দিয়েছিল। কুস্তি করতে গিয়ে অমৃতের জামা ছিঁড়ে যাওয়ার পর ইসাব ভয় পেয়ে যায়। সে আশঙ্কা করছিল, তার বাবা ছেঁড়া জামার জন্য তাকে শাস্তি দেবেন। বন্ধুকে সেই বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য অমৃত নিজের ছেঁড়া জামাটি পরে নেওয়ার এবং ইসাবের ভালো জামাটি নিজে পরার প্রস্তাব দেয়।
১৯. গল্পের শেষে অমৃতের মা কেন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন?
উত্তরঃ অমৃত ও ইসাবের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা দেখে অমৃতের মা গভীরভাবে আপ্লুত হয়েছিলেন। দুই পরিবারের মধ্যেও ভালোবাসা ও সম্প্রীতির সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তিনি চেয়েছিলেন, এই সুন্দর বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা যেন সারাজীবন অটুট থাকে। তাই তিনি ঈশ্বরের কাছে তাদের মঙ্গল ও বন্ধুত্ব অক্ষুণ্ণ থাকার জন্য প্রার্থনা করেছিলেন।
২০. “ইসাব অমৃতকে নতুন জামা কেনার ব্যাপারে নিরুৎসাহ করেছিল”— কেন?
উত্তরঃ ইসাব জানত যে অমৃতের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। অমৃতের আরও তিনজন ভাই ছিল এবং পরিবারের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে তাদের সংসার চলত। তাই বন্ধুর পরিবারের আর্থিক অসুবিধার কথা ভেবে ইসাব তাকে নতুন জামার জন্য বেশি জেদ না করতে বলেছিল। এর মধ্যে তার বন্ধুর প্রতি আন্তরিক সহানুভূতির পরিচয় পাওয়া যায়।
২১. জামা বদলের পর অমৃত ও ইসাবের মানসিক অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তরঃ জামা বদলের পর অমৃত ভয় ও দুশ্চিন্তার মধ্যে ছিল, কারণ সে ইসাবের ছেঁড়া জামা পরে তার বাড়িতে যাচ্ছিল। অন্যদিকে, ইসাবও তার বাবার সম্ভাব্য রাগ ও শাস্তির কথা ভেবে চিন্তিত ছিল। তবে অমৃত যে বন্ধুকে বাঁচানোর জন্য নিজের জামা বদলেছে, তার জন্য ইসাবের মনে কৃতজ্ঞতা ও বন্ধুর প্রতি গভীর ভালোবাসা ছিল।
২২. কালিয়া চরিত্রটি গল্পে কী ভূমিকা পালন করে?
উত্তরঃ কালিয়া গল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বচরিত্র। সে-ই অমৃতকে কুস্তি লড়ার জন্য আহ্বান জানায়। কুস্তি করতে গিয়ে অমৃতের জামা ছিঁড়ে যায় এবং সেখান থেকেই জামা অদল-বদলের ঘটনা শুরু হয়। তাই কালিয়ার কাজটি অনিচ্ছাকৃতভাবে গল্পের মূল ঘটনাকে এগিয়ে দেয় এবং অমৃত-ইসাবের গভীর বন্ধুত্ব প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে।
২৩. “ব্যাপারটা শেষ পর্যন্ত পরিষ্কার হয়ে গেল”— কোন ব্যাপারটা কীভাবে পরিষ্কার হলো?
উত্তরঃ অমৃত ও ইসাব কেন জামা অদল-বদল করেছিল, প্রথমে সেই বিষয়টি সবার কাছে পরিষ্কার ছিল না। পরে কুস্তির ঘটনা, অমৃতের জামা ছিঁড়ে যাওয়া এবং ইসাবকে বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য অমৃতের জামা বদলের বিষয়টি প্রকাশ পেলে পুরো ঘটনাটি পরিষ্কার হয়ে যায়। তখন সবাই অমৃতের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের প্রকৃত কারণ বুঝতে পারে।
২৪. “আজ তোমার ছেলে আমার”— এই কথার মধ্য দিয়ে কী ধরনের মানবিক সম্পর্কের প্রকাশ ঘটেছে?
উত্তরঃ এই কথার মাধ্যমে ধর্মীয় ও পারিবারিক বিভেদের ঊর্ধ্বে মানবিক ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে। ইসাবের বাবা হাসান অমৃতের আত্মত্যাগে মুগ্ধ হয়ে তাকে নিজের সন্তানের মতো গ্রহণ করতে চেয়েছেন। এতে বোঝা যায়, সত্যিকারের ভালোবাসা মানুষকে আপন করে নেয় এবং ধর্মের বিভেদকে অতিক্রম করে।
২৫. ‘অদল বদল’ গল্পের মূল বার্তা কী?
উত্তরঃ ‘অদল বদল’ গল্পের মূল বার্তা হলো— সত্যিকারের বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার কাছে ধর্ম, বর্ণ ও আর্থিক অবস্থার কোনো ভেদাভেদ নেই। অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্ব প্রমাণ করে যে নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সহানুভূতি মানুষের মধ্যে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তুলতে পারে। তাই গল্পটি মানবিকতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের শিক্ষা দেয়।
রচনাধর্মী : অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Adal Badal LAQ [প্রশ্নমান – ৫]
১. ‘অদল বদল’ গল্পে যে সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পটি শুধু দুই শিশুর বন্ধুত্বের কাহিনি নয়; এর মধ্য দিয়ে মানবিকতা, ভালোবাসা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি সুন্দর বার্তা প্রকাশিত হয়েছে।
ধর্মের ঊর্ধ্বে বন্ধুত্ব: অমৃত ও ইসাব দুই ভিন্ন ধর্মের পরিবারের সন্তান। কিন্তু তাদের বন্ধুত্বে ধর্মীয় পরিচয় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তাদের নির্মল ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা প্রমাণ করে যে মানবিক সম্পর্ক ধর্মীয় বিভেদের চেয়ে অনেক বড়।
পরিবারের মিলন: দুই বন্ধুর সম্পর্ক তাদের দুই পরিবারকেও কাছাকাছি নিয়ে আসে। ইসাবের বাবা হাসান অমৃতের মহৎ বন্ধুত্বে মুগ্ধ হয়ে তাকে নিজের সন্তানের মতো গ্রহণ করেন। অমৃতের মাও দুই বন্ধুর সম্পর্কের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
সামাজিক স্বীকৃতি: গ্রামপ্রধান তাদের জামা অদল-বদলের ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে তাদের নাম ‘অদল’ ও ‘বদল’ রাখেন। ফলে তাদের বন্ধুত্ব ব্যক্তিগত সম্পর্কের সীমা ছাড়িয়ে সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে।
উপসংহার: গল্পটি শেখায় যে ভালোবাসা, ত্যাগ ও মানবিকতার মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক বিভেদের প্রাচীর ভেঙে সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
২. “হঠাৎ অমৃতের মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল।” — অমৃতের মাথায় কী বুদ্ধি খেলেছিল? এই বুদ্ধির প্রয়োগ গল্পের কাহিনিকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছে?
উত্তরঃ বুদ্ধিটির পরিচয়: কুস্তি করতে গিয়ে অমৃতের নতুন জামা ছিঁড়ে যাওয়ার পর ইসাব তার বাবার ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে। বন্ধুর এই বিপদ দেখে অমৃতের মাথায় জামা অদল-বদল করার বুদ্ধি আসে। সে ইসাবের ভালো জামাটি নিজে পরে এবং নিজের ছেঁড়া জামাটি ইসাবকে পরানোর প্রস্তাব দেয়।
কাহিনির অগ্রগতি: অমৃতের এই বুদ্ধির ফলেই গল্পের প্রধান ঘটনা অর্থাৎ জামা অদল-বদল ঘটে। এই ঘটনার মাধ্যমে অমৃতের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব ও আত্মত্যাগ প্রকাশ পায়।
এছাড়া এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ইসাবের বাবা হাসানের সঙ্গে অমৃতের সম্পর্কের পরিবর্তন ঘটে। হাসান অমৃতের মহৎ মানসিকতায় মুগ্ধ হয়ে তাকে আপন করে নেন। দুই পরিবারের মধ্যেও ভালোবাসা ও সম্প্রীতির সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
উপসংহার: তাই অমৃতের এই বুদ্ধিই গল্পের প্রধান মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা এবং কাহিনির পরবর্তী সমস্ত ঘটনার অন্যতম ভিত্তি।
৩. ‘অদল বদল’ গল্পের নামকরণ কতখানি সার্থক হয়েছে, তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পের নামকরণ বিষয়বস্তু ও ভাবগত দিক থেকে অত্যন্ত সার্থক।
আক্ষরিক অর্থে: গল্পের কেন্দ্রীয় ঘটনা হলো অমৃত ও ইসাবের মধ্যে জামার অদল-বদল। কুস্তি করতে গিয়ে অমৃতের জামা ছিঁড়ে গেলে ইসাব তার বাবার শাস্তির ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে। বন্ধুকে রক্ষা করার জন্য অমৃত নিজের ছেঁড়া জামাটি ইসাবকে দিয়ে তার ভালো জামাটি পরে নেয়। তাই আক্ষরিক অর্থেই ‘অদল বদল’ নামটি যথার্থ।
ভাবগত অর্থে: এখানে শুধু জামার অদল-বদল নয়, দুঃখ-বিপদ ও দায়িত্বেরও যেন অদল-বদল ঘটে। অমৃত বন্ধুর বিপদকে নিজের বিপদ বলে গ্রহণ করে। ধর্মীয় পরিচয়ের পার্থক্যও তাদের বন্ধুত্বের কাছে তুচ্ছ হয়ে যায়।
এমনকি গ্রামপ্রধান তাদের নাম ‘অদল’ ও ‘বদল’ রাখেন। ফলে নামটি তাদের বন্ধুত্বের স্মারক ও প্রতীকে পরিণত হয়।
উপসংহার: সামান্য জামা বদলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গল্পটি বন্ধুত্ব, আত্মত্যাগ, মানবিকতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মহৎ বার্তা দিয়েছে। তাই ‘অদল বদল’ নামকরণটি সম্পূর্ণ সার্থক।
৪. “হোলির দিনের পরন্ত বিকেল…” — এই বিকেলে যে ঘটনা ঘটেছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো। এই ঘটনা গল্পের মূল ভাবকে কীভাবে প্রভাবিত করেছে?
উত্তরঃ ঘটনার বর্ণনা: হোলির দিনের পরন্ত বিকেলে অমৃত ও ইসাব নতুন জামা পরে ঘুরতে বেরিয়েছিল। সেই সময় গ্রামের শক্তিশালী ছেলে কালিয়া অমৃতকে কুস্তি লড়ার জন্য আহ্বান করে। অমৃত কুস্তিতে রাজি হয়ে যায়। কুস্তির ফলে অমৃতের নতুন জামা ছিঁড়ে যায়। ইসাব তার বাবার শাস্তির কথা ভেবে ভয় পেয়ে যায়।
বন্ধুর এই বিপদ বুঝতে পেরে অমৃত জামা অদল-বদলের প্রস্তাব দেয়। তারা নিজেদের জামা বদলে নেয়। এর ফলে অমৃত বন্ধুর বিপদ নিজের কাঁধে তুলে নেয়।
মূল ভাবের উপর প্রভাব:
১. বন্ধুত্বের পরীক্ষা: এই ঘটনা অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্বের প্রকৃত পরীক্ষা নেয়। অমৃত নিজের কথা না ভেবে বন্ধুর জন্য আত্মত্যাগ করে।
২. মানবিকতার প্রকাশ: জামা বদলের ঘটনায় অমৃতের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রকাশ পায়।
৩. সম্প্রীতির সূচনা: এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ইসাবের বাবা হাসানের মন পরিবর্তিত হয় এবং দুই পরিবারের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।
উপসংহার: তাই হোলির বিকেলের এই ঘটনাই গল্পের মূল ভাব ও পরিণতির ভিত্তি তৈরি করেছে।
৫. “ও আমাকে শিখিয়েছে, খাঁটি জিনিস কাকে বলে।” — বক্তা কে? ‘খাঁটি জিনিস’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? এই উপলব্ধির পর বক্তার মানসিকতার কী পরিবর্তন হয়েছিল?
উত্তরঃ বক্তা: উক্তিটির বক্তা হলেন ইসাবের বাবা হাসান।
‘খাঁটি জিনিস’-এর অর্থ: ‘খাঁটি জিনিস’ বলতে হাসান অমৃতের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, বন্ধুত্ব ও আত্মত্যাগকে বোঝাতে চেয়েছেন। অমৃত কোনো স্বার্থের কথা না ভেবে বন্ধুকে বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য নিজের ছেঁড়া জামা গ্রহণ করেছিল। এই নির্মল অনুভূতিকেই হাসান ‘খাঁটি জিনিস’ বলে মনে করেছিলেন।
মানসিকতার পরিবর্তন: অমৃতের এই আচরণ হাসানের মনে গভীর পরিবর্তন আনে।
১. কঠোরতা থেকে কোমলতা: ইসাবের শাস্তির বিষয় নিয়ে প্রথমে যে কঠোরতার পরিচয় পাওয়া যায়, অমৃতের মহৎ আচরণ তা অনেকটাই দূর করে দেয়।
২. সংকীর্ণতা থেকে উদারতা: হাসান বুঝতে পারেন যে মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার ধর্মে নয়, তার মানবিকতায়।
৩. স্নেহের প্রকাশ: তিনি অমৃতকে বুকে জড়িয়ে ধরে তার প্রতি গভীর স্নেহ ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন এবং তাকে নিজের সন্তানের মতো আপন করে নেন।
উপসংহার: অমৃতের ‘খাঁটি’ ভালোবাসা হাসানের হৃদয় পরিবর্তন করে তাকে আরও উদার ও মানবিক মানুষে পরিণত করে।
৬. জামা অদল-বদলের পর অমৃত ও ইসাবের মানসিক অবস্থার বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ জামা অদল-বদলের পর অমৃত ও ইসাবের মনে ভয়, দুশ্চিন্তা, কৃতজ্ঞতা ও বন্ধুর জন্য উদ্বেগ—বিভিন্ন অনুভূতির সৃষ্টি হয়।
অমৃতের মানসিক অবস্থা: অমৃত জানত, ছেঁড়া জামা পরে বাড়ি ফিরলে তাকে মায়ের বকুনি বা শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। তাই তার মনে ভয় ছিল। কিন্তু একই সঙ্গে সে বন্ধুকে বিপদ থেকে বাঁচাতে পেরেছে বলে তার মনে এক ধরনের আত্মতৃপ্তিও ছিল।
ইসাবের মানসিক অবস্থা: ইসাব অমৃতের আত্মত্যাগে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ হয়েছিল। কিন্তু তার মনে বন্ধুর জন্য দুশ্চিন্তাও ছিল। কারণ তার জন্যই অমৃতকে নিজের ছেঁড়া জামা পরে বাড়ি ফিরতে হচ্ছিল। তাই ভালো জামা পাওয়ার আনন্দের চেয়ে বন্ধুর জন্য চিন্তাই তার মনে বেশি প্রাধান্য পেয়েছিল।
উপসংহার: এই ঘটনায় দুই শিশুর মনে যে মিশ্র অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা তাদের গভীর ও নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের পরিচয় বহন করে।
৭. অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্বের পরিচয় দাও। তাদের বন্ধুত্ব কীভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সেতু রচনা করেছে?
উত্তরঃ ভূমিকা: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্ব নির্মল, গভীর ও নিঃস্বার্থ মানবিক সম্পর্কের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
বন্ধুত্বের পরিচয়:
১. গভীর সম্পর্ক: অমৃত ও ইসাব সমবয়সি এবং তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ছিল। তাদের চেহারা ও স্বভাবেও অনেক মিল ছিল।
২. পারস্পরিক সহমর্মিতা: তারা একে অপরের সুখ-দুঃখকে নিজের মতো অনুভব করত। বন্ধুর বিপদে প্রত্যেকেই অন্যের পাশে দাঁড়াত।
৩. আত্মত্যাগ: বন্ধুত্বের সর্বোচ্চ পরিচয় পাওয়া যায় জামা অদল-বদলের ঘটনায়। অমৃত নিজের বিপদের কথা না ভেবে ইসাবকে বাবার শাস্তি থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সেতু: অমৃত ও ইসাব ভিন্ন ধর্মের হলেও তাদের বন্ধুত্বে ধর্ম কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তাদের সম্পর্ক দুই পরিবারের মধ্যেও ভালোবাসার বন্ধন তৈরি করে। ইসাবের বাবা হাসান অমৃতকে আপন করে নেন এবং অমৃতের মা-ও এই বন্ধুত্বের স্থায়িত্ব কামনা করেন।
উপসংহার: তাই অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্ব ধর্মের বিভেদ অতিক্রম করে মানবিক সম্প্রীতির এক সুন্দর সেতু নির্মাণ করেছে।
৮. ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মায়ের চরিত্রটি কীভাবে এক স্নেহময়ী ও বাস্তববাদী জননীর প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে, তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: ‘অদল বদল’ গল্পে অমৃতের মা অল্প পরিসরে উপস্থিত হলেও তাঁর চরিত্রে বাস্তববোধ, মাতৃস্নেহ ও মানবিকতার সুন্দর সমন্বয় ঘটেছে।
বাস্তববাদী রূপ: তাঁদের সংসারে চারটি সন্তান এবং আর্থিক অসচ্ছলতা রয়েছে। তাই অমৃত নতুন জামার জন্য বায়না করলে তিনি প্রথমে রাজি হতে চান না। আবার নতুন জামা ছিঁড়ে যাওয়ায় তাঁর রাগও ছিল স্বাভাবিক।
স্নেহময়ী রূপ: বাস্তবতার কারণে কঠোর হলেও ছেলের প্রতি তাঁর গভীর স্নেহ রয়েছে। অমৃত নতুন জামার জন্য জেদ করলে শেষ পর্যন্ত তিনি তার আবদার মেনে নেন। ছেলের পড়াশোনার কথাও তিনি গুরুত্ব দেন।
উদার মানসিকতা: অমৃতের মহৎ বন্ধুত্বের কথা জানতে পেরে তাঁর রাগ গলে যায়। তিনি অমৃত ও ইসাবের সম্পর্ককে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেন এবং তাদের বন্ধুত্ব অটুট থাকার জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন।
উপসংহার: তাই অমৃতের মায়ের চরিত্রে কঠোরতা ও কোমলতা, বাস্তবতা ও মাতৃস্নেহের সুন্দর সমন্বয় দেখা যায়। তিনি একজন স্নেহময়ী ও বাস্তববাদী মায়ের সার্থক প্রতিচ্ছবি।
৯. “অমৃতের জবাব আমাকে বদলে দিয়েছে।” — কোন প্রসঙ্গে এই উক্তি? অমৃতের কোন জবাব বক্তাকে কীভাবে বদলে দিয়েছিল, তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ প্রসঙ্গ: অমৃত যখন ইসাবের ছেঁড়া জামা পরে হাসানের সামনে উপস্থিত হয়, তখন জামা বদলের প্রকৃত কারণ প্রকাশ পেতে থাকে। অমৃতের কাজের মধ্যে যে বন্ধুর প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও ত্যাগ ছিল, সেটিই হাসানের কাছে প্রকৃত ‘জবাব’ হয়ে ওঠে।
অমৃতের জবাব: অমৃতের জবাব শুধু কথায় নয়, তার কাজের মধ্যেই প্রকাশিত হয়েছিল। সে নিজের বিপদের কথা না ভেবে বন্ধুকে রক্ষা করার জন্য নিজের জামা বদলে নিয়েছিল।
হাসানের উপর প্রভাব:
১. ভালোবাসার শক্তি উপলব্ধি: হাসান বুঝতে পারেন যে ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব অনেক সময় কঠোর শাসনের চেয়েও শক্তিশালী।
২. মানবিকতার উপলব্ধি: তিনি উপলব্ধি করেন, মানুষের প্রকৃত মূল্য তার ধর্মীয় পরিচয়ে নয়, তার মানবিক আচরণে।
৩. হৃদয়ের পরিবর্তন: অমৃতের মহৎ আচরণে হাসানের কঠোরতা নরম হয়ে যায়। তিনি অমৃতকে স্নেহের সঙ্গে গ্রহণ করেন।
উপসংহার: অমৃতের নিঃস্বার্থ কাজ হাসানের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে তাকে আরও মানবিক, উদার ও স্নেহশীল করে তোলে।
১০. গল্পের শেষে “ছেলের দল আনন্দে চেঁচিয়ে উঠল” এবং “অমৃতের মায়ের চোখ জলে ভরে এল”— এই দুটি ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার কারণ বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: গল্পের শেষে ছেলেদের আনন্দ এবং অমৃতের মায়ের চোখের জল—দুটি ভিন্ন প্রতিক্রিয়া হলেও উভয়ের উৎস হলো অমৃত ও ইসাবের বন্ধুত্বের মহত্ত্ব।
ছেলেদের আনন্দের কারণ: গ্রামপ্রধান অমৃত ও ইসাবের জামা অদল-বদলের ঘটনা জানতে পেরে তাদের নাম ‘অদল’ ও ‘বদল’ রাখেন। এই অভিনব নামকরণে ছেলেদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়। তাদের উচ্ছ্বাস ছিল দুই বন্ধুর বন্ধুত্বের প্রতি সারল্যপূর্ণ সমর্থন ও আনন্দের প্রকাশ।
অমৃতের মায়ের চোখে জল আসার কারণ: অমৃতের মা ছেলের মহৎ কাজের জন্য গর্বিত ও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি উপলব্ধি করেন যে তাঁর ছেলে বন্ধুর জন্য নিজের স্বার্থ ত্যাগ করেছে। একই সঙ্গে দুই পরিবারের মধ্যে যে ভালোবাসা ও সম্প্রীতির সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, তাতেও তিনি গভীরভাবে আবেগপ্রবণ হন।
দুটি প্রতিক্রিয়ার পার্থক্য: ছেলেদের প্রতিক্রিয়ায় ছিল বাহ্যিক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস, আর অমৃতের মায়ের চোখের জলে প্রকাশ পেয়েছিল গভীর আবেগ, গর্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার উপলব্ধি।
উপসংহার: তাই দুটি প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হলেও উভয়ই শেষ পর্যন্ত অমৃত ও ইসাবের নির্মল বন্ধুত্বের জয়কেই প্রকাশ করে।
Madhyamik All Subjects Suggestion | মাধ্যমিক সাজেশন:
- Madhyamik Bengali Suggestion Click Here
- Madhyamik English Suggestion Click Here
- Madhyamik History Suggestion Click Here
- Madhyamik Geography Suggestion Click Here
- Madhyamik Life Science Suggestion Click Here
- Madhyamik Mathematics Suggestion Click Here
- Madhyamik Physical Science Suggestion Click Here
- Madhyamik All Subjects Suggestion Click Here
PDF: অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer PDF Download
অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer PDF Download: অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর সহ একটি PDF File শিক্ষার্থীদের revision-এর সুবিধার জন্য দেওয়া হলো।
PDF Download: অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer PDF Click Here
| আমাদের YouTube Channel টি সাবস্ক্রাইব করুন Click Here To Subscribe Now |
West Bengal Class 10 Bengali Board Exam Details
West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) conducts the Madhyamik Examination for Class 10 students across West Bengal. Bengali is one of the important subjects in the Madhyamik Board Exam, and students need to prepare each chapter carefully according to the prescribed syllabus. Here you will find useful Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer, study materials, important questions and other resources to help students prepare effectively for the Class 10 Bengali Board Exam.
Madhyamik Bengali Adal Badal Syllabus PDF
Madhyamik Bengali Adal Badal ‘অদল বদল’ (গল্প) – পান্নালাল প্যাটেল অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। এই অধ্যায় থেকে বিভিন্ন ধরনের MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং বর্ণনামূলক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত সিলেবাস অনুযায়ী অধ্যায়টি মন দিয়ে পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি বারবার অনুশীলন করা।
Madhyamik Bengali Syllabus PDF: Click Here
অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer
Madhyamik Bengali Adal Badal অদল বদল (গল্প) – পান্নালাল প্যাটেল থেকে মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি উপরে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে অধ্যায়ের বিভিন্ন অংশ থেকে নির্বাচিত MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় শিক্ষার্থীরা এগুলি ভালোভাবে পড়তে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে পারে।
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Adal Badal Suggestion Question and Answer
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Adal Badal Suggestion Question and Answer খুঁজছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য এই পোস্টে ‘অদল বদল’ গল্প – পান্নালাল প্যাটেল অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর একসঙ্গে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার আগে দ্রুত Revision করার পাশাপাশি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই প্রশ্নোত্তরগু,লি সহায়ক হবে।
অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Adal Badal Question and Answer
আশা করি, ‘Madhyamik Bengali Adal Badal’ ‘অদল বদল (গল্প) – পান্নালাল প্যাটেল’-এর এই প্রশ্নোত্তরগুলি তোমাদের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে। পোস্টটি উপকারী মনে হলে সহপাঠীদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারো। West Bengal Board-এর সিলেবাস অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের Notes, Question Answer, Suggestion ও শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু, পাশাপাশি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় Study Material পেতে নিয়মিত ভিজিট করো Porasuna.in। ধন্যবাদ।





















