অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer
অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer: নমস্কার বন্ধুরা, আজকের আলোচনার বিষয় ‘অসুখী একজন’ (কবিতা) – পাবলো নেরুদা, যা মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। এই পোস্টে WBBSE Class 10 Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer-এর পাশাপাশি কবিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলি ভালোভাবে পড়া এবং অনুশীলন করা অত্যন্ত উপকারী।
যেসব ছাত্রছাত্রী অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর, WBBSE Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer অথবা পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা প্রশ্নোত্তর খুঁজছো, তারা এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে পড়তে পারো। অসুখী একজন কবিতা থেকে পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এমন বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যা West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Exam Preparation এবং Revision-এর সময় বিশেষভাবে কাজে আসবে।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই (WBBSE) |
| ক্লাস | মাধ্যমিক দশম শ্রেণী (WB Class 10 Madhyamik) |
| বিষয় | মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা (Madhyamik Bengali) |
| পাঠ | অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা |
অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা | West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer
বহুনির্বাচনী : অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon MCQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘অসুখী একজন’ কবিতাটির কবি কে?
(ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(খ) পাবলো নেরুদা
(গ) নবারুণ ভট্টাচার্য
(ঘ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
উত্তরঃ (খ) পাবলো নেরুদা
২. ‘অসুখী একজন’ কবিতাটি বাংলায় কে তরজমা করেছেন?
(ক) শঙ্খ ঘোষ
(খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
(গ) শক্তি চট্টোপাধ্যায়
(ঘ) নবারুণ ভট্টাচার্য
উত্তরঃ (ঘ) নবারুণ ভট্টাচার্য
৩. “আমি তাকে ছেড়ে দিলাম”—কথক কাকে ছেড়ে দিয়েছিলেন?
(ক) বন্ধুকে
(খ) অপেক্ষারত মেয়েটিকে
(গ) মাকে
(ঘ) দেশকে
উত্তরঃ (খ) অপেক্ষারত মেয়েটিকে
৪. “তারপর যুদ্ধ এল”—যুদ্ধ কীভাবে এসেছিল?
(ক) ঝড়ের মতো
(খ) রক্তের একটা আগ্নেয়পাহাড়ের মতো
(গ) বন্যার মতো
(ঘ) শান্ত পায়ে
উত্তরঃ (খ) রক্তের একটা আগ্নেয়পাহাড়ের মতো
৫. “সেই মেয়েটির মৃত্যু হল না”—মেয়েটির কী হয়েছিল?
(ক) সে পালিয়ে গিয়েছিল
(খ) সে যুদ্ধের সময় মারা গিয়েছিল
(গ) সে বেঁচে ছিল এবং অপেক্ষা করছিল
(ঘ) সে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিল
উত্তরঃ (গ) সে বেঁচে ছিল এবং অপেক্ষা করছিল
৬. কথক মেয়েটিকে কোথায় দাঁড় করিয়ে রেখে গিয়েছিলেন?
(ক) রাস্তায়
(খ) স্টেশনে
(গ) দরজায়
(ঘ) বারান্দায়
উত্তরঃ (গ) দরজায়
৭. যুদ্ধের আগমনে কী ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল?
(ক) শুধু ঘরবাড়ি
(খ) শুধু গাছপালা
(গ) শুধু শহর
(ঘ) ঘরবাড়ি, স্বপ্ন ও শান্তিময় জীবন
উত্তরঃ (ঘ) ঘরবাড়ি, স্বপ্ন ও শান্তিময় জীবন
৮. “সব চূর্ণ হয়ে গেল”—কী কী চূর্ণ হয়ে গিয়েছিল?
(ক) মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা ও চিমনি
(খ) শুধু কবির স্বপ্ন
(গ) শুধু মেয়েটির আশা
(ঘ) শুধু গাছপালা
উত্তরঃ (ক) মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা ও চিমনি
৯. শান্ত হলুদ দেবতারা কত বছর ধ্যানে ডুবে ছিলেন?
(ক) একশো বছর
(খ) পাঁচশো বছর
(গ) হাজার বছর
(ঘ) এক যুগ
উত্তরঃ (গ) হাজার বছর
১০. কথক কোন পথে চলে গিয়েছিলেন?
(ক) শহরের পথে
(খ) অনেক দূরে
(গ) গ্রামের পথে
(ঘ) যুদ্ধের পথে
উত্তরঃ (খ) অনেক দূরে
১১. “তারা আর স্বপ্ন দেখতে পারল না”—কারা আর স্বপ্ন দেখতে পারল না?
(ক) শান্ত হলুদ দেবতারা
(খ) অপেক্ষারত মেয়েটি
(গ) কবি
(ঘ) সৈন্যরা
উত্তরঃ (ক) শান্ত হলুদ দেবতারা
১২. যুদ্ধের ফলে শহরের কী অবস্থা হয়েছিল?
(ক) ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল
(খ) জনশূন্য হয়ে গিয়েছিল
(গ) শান্ত হয়ে গিয়েছিল
(ঘ) বন্যায় ভেসে গিয়েছিল
উত্তরঃ (ক) ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল
১৩. কথকের মাথার উপর কী ঘুরছিল?
(ক) মেঘ
(খ) প্লেন
(গ) গোলা-বারুদ
(ঘ) বছরগুলো
উত্তরঃ (ঘ) বছরগুলো
১৪. ‘অসুখী’ কে?
(ক) অপেক্ষারত মেয়েটি
(খ) কবি/কথক
(গ) শান্ত হলুদ দেবতারা
(ঘ) শহরবাসী
উত্তরঃ (খ) কবি/কথক
১৫. বছরগুলো কীসের মতো নেমে এসেছিল?
(ক) বৃষ্টির মতো
(খ) পাথরের মতো
(গ) ঝরনার মতো
(ঘ) স্বপ্নের মতো
উত্তরঃ (খ) পাথরের মতো
১৬. “রক্তের একটা কালো দাগ”—কোথায় দেখা গিয়েছিল?
(ক) রাস্তায়
(খ) দেওয়ালে
(গ) শরীরে
(ঘ) কবির হৃদয়ে
উত্তরঃ (ক) রাস্তায়
১৭. ‘অসুখী একজন’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
(ক) Extravagaria
(খ) বিদেশি ফুলে রক্তের ছিটে
(গ) পাতার মুকুট
(ঘ) হে আমার দেশ
উত্তরঃ (খ) বিদেশি ফুলে রক্তের ছিটে
১৮. “যেখানে ছিল শহর”—সেখানে কী ছড়িয়ে রইল?
(ক) কাঠকয়লা, দোমড়ানো লোহা
(খ) মানুষের কঙ্কাল
(গ) ভাঙা কাঁচ
(ঘ) শুধু ছাই
উত্তরঃ (ক) কাঠকয়লা, দোমড়ানো লোহা
১৯. যুদ্ধ কাদের ধ্বংস করেছিল?
(ক) শুধু সৈন্যদের
(খ) শিশু ও বাড়িঘরকে
(গ) শুধু দেবতাদের
(ঘ) শুধু শহরবাসীকে
উত্তরঃ (খ) শিশু ও বাড়িঘরকে
২০. অপেক্ষারত মেয়েটির কী হয়নি?
(ক) বিয়ে হয়নি
(খ) মৃত্যু হয়নি
(গ) ঘুম হয়নি
(ঘ) ফেরা হয়নি
উত্তরঃ (খ) মৃত্যু হয়নি
২১. ‘চিমনি’ কীসের অংশ?
(ক) গাড়ির
(খ) কারখানার
(গ) বাড়ির
(ঘ) জাহাজের
উত্তরঃ (গ) বাড়ির
২২. ‘জলতরঙ্গ’ কী?
(ক) নদীর ঢেউ
(খ) এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র
(গ) ঝরনার জল
(ঘ) জলের স্রোত
উত্তরঃ (খ) এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র
২৩. “সেই মিষ্টি বাড়ি”—বাড়িটি কার সঙ্গে সম্পর্কিত?
(ক) কথকের
(খ) সৈন্যদের
(গ) দেবতাদের
(ঘ) প্রতিবেশীর
উত্তরঃ (ক) কথকের
২৪. “বৃষ্টিতে ধুয়ে দিল আমার পায়ের দাগ”—এই চিত্রকল্পটি কী নির্দেশ করে?
(ক) পরিচ্ছন্নতা
(খ) অতীতের চিহ্ন মুছে যাওয়া
(গ) নতুন সূচনা
(ঘ) বন্যা
উত্তরঃ (খ) অতীতের চিহ্ন মুছে যাওয়া
২৫. “শান্ত হলুদ দেবতারা” কীসের প্রতীক?
(ক) ঐশ্বর্যের
(খ) যুদ্ধের
(গ) প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির
(ঘ) ভয়ের
উত্তরঃ (গ) প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির
২৬. “একটা কুকুর চলে গেল”—এই দৃশ্যটি কী প্রকাশ করে?
(ক) যুদ্ধের পরও জীবনের স্বাভাবিক গতি চলতে থাকা
(খ) কুকুরটির মৃত্যু
(গ) মানুষের অবহেলা
(ঘ) বিশ্বস্ততা
উত্তরঃ (ক) যুদ্ধের পরও জীবনের স্বাভাবিক গতি চলতে থাকা
২৭. কবিতার শেষে কে কার জন্য অপেক্ষা করছিল?
(ক) কবি মেয়েটির জন্য
(খ) মেয়েটি কবির জন্য
(গ) দেবতারা কবির জন্য
(ঘ) কেউ কারও জন্য নয়
উত্তরঃ (খ) মেয়েটি কবির জন্য
২৮. “রক্তের একটা আগ্নেয়পাহাড়” কীসের রূপক?
(ক) ভালোবাসার
(খ) প্রকৃতির
(গ) ভয়াবহ যুদ্ধ ও হিংসার
(ঘ) আনন্দের
উত্তরঃ (গ) ভয়াবহ যুদ্ধ ও হিংসার
২৯. কবি চলে যাওয়ার পর কী নেমে এসেছিল?
(ক) সন্ধ্যা
(খ) বৃষ্টি
(গ) অন্ধকার
(ঘ) শীত
উত্তরঃ (খ) বৃষ্টি
৩০. পাবলো নেরুদা কোন দেশের কবি?
(ক) স্পেন
(খ) আর্জেন্টিনা
(গ) চিলি
(ঘ) মেক্সিকো
উত্তরঃ (গ) চিলি
৩১. “মৃত পাথরের মূর্তির বীভৎস মাথা”—কোথায় গড়িয়ে পড়েছিল?
(ক) নদীতে
(খ) রক্তের স্রোতে
(গ) নর্দমায়
(ঘ) ধ্বংসস্তূপে
উত্তরঃ (খ) রক্তের স্রোতে
৩২. “যেখানে আমি ঝুলন্ত বিছানায় ঘুমিয়েছিলাম”—এই চিত্রকল্পটি কী স্মরণ করায়?
(ক) শৈশবের দুঃখ
(খ) অতীতের শান্তিময় জীবন
(গ) যুদ্ধের বিভীষিকা
(ঘ) ভবিষ্যতের স্বপ্ন
উত্তরঃ (খ) অতীতের শান্তিময় জীবন
৩৩. যুদ্ধ আসার আগে শহরের পরিবেশ কেমন ছিল?
(ক) কোলাহলপূর্ণ
(খ) শান্ত ও সুন্দর
(গ) বিষণ্ণ
(ঘ) বিশৃঙ্খল
উত্তরঃ (খ) শান্ত ও সুন্দর
৩৪. কথক কী জানতেন?
(ক) তিনি আবার ফিরে আসবেন
(খ) যুদ্ধ আসছে
(গ) তিনি আর কখনও ফিরে আসবেন না
(ঘ) মেয়েটি অপেক্ষা করবে না
উত্তরঃ (গ) তিনি আর কখনও ফিরে আসবেন না
৩৫. ‘অসুখী একজন’ কবিতাটি মূলত কোন ধরনের কবিতা?
(ক) প্রেমের কবিতা
(খ) প্রকৃতির কবিতা
(গ) যুদ্ধবিরোধী কবিতা
(ঘ) ব্যঙ্গ কবিতা
উত্তরঃ (গ) যুদ্ধবিরোধী কবিতা
৩৬. “একটা সপ্তাহ আর একটা বছর কেটে গেল”—এটি কী নির্দেশ করে?
(ক) বিরহের অবসান
(খ) অপেক্ষা ও দীর্ঘ সময়ের প্রবাহ
(গ) ঋতু পরিবর্তন
(ঘ) যুদ্ধের সূচনা
উত্তরঃ (খ) অপেক্ষা ও দীর্ঘ সময়ের প্রবাহ
৩৭. দেবতাদের মন্দিরে কী ঘটেছিল?
(ক) তারা পালিয়ে গিয়েছিল
(খ) মূর্তিগুলি উল্টে পড়েছিল
(গ) তারা ধ্যানে মগ্ন ছিল
(ঘ) মন্দিরটি নতুন করে তৈরি হয়েছিল
উত্তরঃ (খ) মূর্তিগুলি উল্টে পড়েছিল
৩৮. কবিতায় অপেক্ষা ও মানবিক আশার প্রধান প্রতীক কে?
(ক) কবি
(খ) কুকুর
(গ) অপেক্ষারত মেয়েটি
(ঘ) দেবতারা
উত্তরঃ (গ) অপেক্ষারত মেয়েটি
৩৯. কবিতায় ‘সময়’-এর প্রবাহ কীভাবে প্রকাশিত হয়েছে?
(ক) নদীর স্রোতের মাধ্যমে
(খ) সপ্তাহ, বছর ও দীর্ঘ অপেক্ষার মাধ্যমে
(গ) বৃষ্টির মাধ্যমে
(ঘ) যুদ্ধের মাধ্যমে
উত্তরঃ (খ) সপ্তাহ, বছর ও দীর্ঘ অপেক্ষার মাধ্যমে
৪০. “সেই বারান্দা… যেখানে আমি ঝুলন্ত বিছানায় ঘুমিয়েছিলাম”—‘বারান্দা’ কীসের স্মারক?
(ক) ঐশ্বর্যের
(খ) অবসরের
(গ) ব্যক্তিগত স্মৃতি ও শান্তিময় জীবনের
(ঘ) যুদ্ধের
উত্তরঃ (গ) ব্যক্তিগত স্মৃতি ও শান্তিময় জীবনের
৪১. ‘হিম’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) ঠান্ডা
(খ) বরফ
(গ) আগুন
(ঘ) বৃষ্টি
উত্তরঃ (ক) ঠান্ডা
৪২. যুদ্ধের ফলে কারা নিহত হয়েছিল?
(ক) শুধু দেবতারা
(খ) শুধু গাছপালা
(গ) শিশুরাও
(ঘ) অপেক্ষারত মেয়েটি
উত্তরঃ (গ) শিশুরাও
৪৩. ‘নান’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) পুরোহিত
(খ) সন্ন্যাসিনী
(গ) সাধারণ মহিলা
(ঘ) সৈনিক
উত্তরঃ (খ) সন্ন্যাসিনী
৪৪. যুদ্ধের ধ্বংসের মধ্যে কোনটি টিকে ছিল?
(ক) মিষ্টি বাড়ি
(খ) বারান্দা
(গ) অপেক্ষারত মেয়েটি
(ঘ) চিমনি
উত্তরঃ (গ) অপেক্ষারত মেয়েটি
৪৫. কবিতাটিতে প্রধানত কোন দুটি সময়ের চিত্র ফুটে উঠেছে?
(ক) কবির শৈশব ও যৌবন
(খ) যুদ্ধ-পূর্ববর্তী ও যুদ্ধ-পরবর্তী সময়
(গ) অতীত ও ভবিষ্যৎ
(ঘ) বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
উত্তরঃ (খ) যুদ্ধ-পূর্ববর্তী ও যুদ্ধ-পরবর্তী সময়
৪৬. বছরগুলোকে ‘পাথর’-এর সঙ্গে তুলনা করার তাৎপর্য কী?
(ক) তারা সুন্দর
(খ) তারা ভারী ও কঠিন যন্ত্রণার প্রতীক
(গ) তারা উজ্জ্বল
(ঘ) তারা পুরোনো
উত্তরঃ (খ) তারা ভারী ও কঠিন যন্ত্রণার প্রতীক
৪৭. কবির ছেড়ে আসা বাড়িটিকে কী বলা হয়েছে?
(ক) বিশাল বাড়ি
(খ) পুরোনো বাড়ি
(গ) মিষ্টি বাড়ি
(ঘ) নতুন বাড়ি
উত্তরঃ (গ) মিষ্টি বাড়ি
৪৮. “গোলাপ গাছ, ছড়ানো করতলের মতো পাতা”—এই চিত্রকল্পটি কী স্মরণ করায়?
(ক) সৌন্দর্য ও শান্তিময় অতীত
(খ) যুদ্ধের বিভীষিকা
(গ) প্রকৃতির ধ্বংস
(ঘ) শহরের কোলাহল
উত্তরঃ (ক) সৌন্দর্য ও শান্তিময় অতীত
৪৯. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কবির মানসিক অবস্থা কেমন?
(ক) আনন্দিত
(খ) উদাসীন
(গ) বিষণ্ণ ও বেদনাহত
(ঘ) উচ্ছ্বসিত
উত্তরঃ (গ) বিষণ্ণ ও বেদনাহত
৫০. “যেখানে ছিল শহর…”—এই পঙ্ক্তির মাধ্যমে কী প্রকাশ পেয়েছে?
(ক) শহরের পরিবর্তন
(খ) যুদ্ধের ফলে শহরের ধ্বংস ও বিলুপ্তি
(গ) শহরের উন্নতি
(ঘ) শহরের নতুন নির্মাণ
উত্তরঃ (খ) যুদ্ধের ফলে শহরের ধ্বংস ও বিলুপ্তি
[Madhyamik Bengali Suggestion Click Here]
অতিসংক্ষিপ্ত : অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণীর বাংলা | WBBSE Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon SAQ [প্রশ্নমান – ১]
১. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ‘আমি’ কে?
উত্তরঃ ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ‘আমি’ হলেন কথক বা কবি স্বয়ং।
২. কথক কাকে ছেড়ে দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ কথক তাঁর অপেক্ষারত প্রিয়তমাকে ছেড়ে দিয়েছিলেন।
৩. কথক চলে যাওয়ার পর কী নেমেছিল?
উত্তরঃ কথক চলে যাওয়ার পর বৃষ্টি নেমেছিল।
৪. ‘আগ্নেয়পাহাড়’ কীসের মতো এসেছিল?
উত্তরঃ যুদ্ধ রক্তের এক আগ্নেয়পাহাড়ের মতো এসেছিল।
৫. মেয়েটি কোথায় অপেক্ষা করছিল?
উত্তরঃ মেয়েটি দরজায় দাঁড়িয়ে কথকের জন্য অপেক্ষা করছিল।
৬. বৃষ্টিতে কী ধুয়ে গিয়েছিল?
উত্তরঃ বৃষ্টিতে কথকের পায়ের দাগ ধুয়ে গিয়েছিল।
৭. দেবতারা কেমন ছিলেন?
উত্তরঃ দেবতারা ছিলেন শান্ত ও হলুদ; তাঁরা হাজার বছর ধরে ধ্যানে মগ্ন ছিলেন।
৮. যুদ্ধের পর দেবতারা কী করতে পারলেন না?
উত্তরঃ যুদ্ধের পর দেবতারা আর স্বপ্ন দেখতে পারলেন না।
৯. যুদ্ধের ফলে কাদের মৃত্যু হয়েছিল?
উত্তরঃ যুদ্ধের ফলে শিশু ও ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছিল।
১০. ‘মিষ্টি বাড়ি’ কীসের স্মারক?
উত্তরঃ ‘মিষ্টি বাড়ি’ কথকের ফেলে আসা শান্তিময় জীবনের স্মারক।
১১. কথক কোথায় ঘুমিয়েছিলেন?
উত্তরঃ কথক বারান্দায় ঝুলন্ত বিছানায় ঘুমিয়েছিলেন।
১২. “সব চূর্ণ হয়ে গেল”—চূর্ণ হওয়া দুটি জিনিসের নাম লেখো।
উত্তরঃ চূর্ণ হওয়া দুটি জিনিস হলো চিমনি ও প্রাচীন জলতরঙ্গ।
১৩. শহরের ধ্বংসস্তূপে কী কী ছড়িয়ে রইল?
উত্তরঃ শহরের ধ্বংসস্তূপে কাঠকয়লা, দোমড়ানো লোহা এবং পাথরের মূর্তির মাথা ছড়িয়ে রইল।
১৪. “সেই মেয়েটির মৃত্যু হল না”—এই কথাটির তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ যুদ্ধের ধ্বংসের মধ্যেও মেয়েটির অপেক্ষা ও মানবিক আশার অস্তিত্ব টিকে থাকার কথা বোঝানো হয়েছে।
১৫. বছরগুলো কথকের মাথার উপর কীভাবে নেমে এসেছিল?
উত্তরঃ বছরগুলো পরপর পাথরের মতো কথকের মাথার উপর নেমে এসেছিল।
১৬. কবিতাটির উৎস কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তরঃ কবিতাটির উৎস কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বিদেশি ফুলে রক্তের ছিটে’।
১৭. ঘাস জন্মানোর কথা কোথায় বলা হয়েছে?
উত্তরঃ কথকের চলে যাওয়া রাস্তায় ঘাস জন্মানোর কথা বলা হয়েছে।
১৮. ‘বীভৎস’ শব্দটি কবিতায় কী প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তরঃ মৃত পাথরের মূর্তির বীভৎস মাথার প্রসঙ্গে ‘বীভৎস’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
১৯. অপেক্ষারত মেয়েটি কী জানত না?
উত্তরঃ অপেক্ষারত মেয়েটি জানত না যে কথক আর কখনও ফিরে আসবেন না।
২০. “উল্টে পড়ল মন্দির থেকে টুকরো টুকরো হয়ে”—কারা উল্টে পড়েছিল?
উত্তরঃ শান্ত হলুদ দেবতারা মন্দির থেকে টুকরো টুকরো হয়ে উল্টে পড়েছিল।
২১. ‘রক্তের একটা কালো দাগ’ কোথায় দেখা গিয়েছিল?
উত্তরঃ রাস্তায় ‘রক্তের একটা কালো দাগ’ দেখা গিয়েছিল।
২২. কথকের ফেলে আসা জিনিসগুলির মধ্যে একটির নাম লেখো।
উত্তরঃ কথকের ফেলে আসা জিনিসগুলির মধ্যে একটি হলো ঝুলন্ত বিছানা।
২৩. কবিতাটিতে কোন প্রাকৃতিক দৃশ্যের উল্লেখ আছে?
উত্তরঃ কবিতাটিতে বৃষ্টির উল্লেখ আছে।
২৪. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় সময়কে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
উত্তরঃ ‘অসুখী একজন’ কবিতায় বছরগুলোকে পাথরের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
২৫. কবির বারান্দায় কী গাছ ছিল?
উত্তরঃ কবির বারান্দায় গোলাপ গাছ ছিল।
২৬. যুদ্ধের আগুনে কী জ্বলে গেল?
উত্তরঃ যুদ্ধের আগুনে স্বপ্ন জ্বলে গেল।
২৭. কথক কী জানতেন?
উত্তরঃ কথক জানতেন যে তিনি আর কখনও ফিরে আসবেন না।
২৮. কীসের মতো পাতা ছড়ানো ছিল?
উত্তরঃ করতলের মতো পাতা ছড়ানো ছিল।
২৯. ‘আগ্নেয়পাহাড়’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘আগ্নেয়পাহাড়’ শব্দটির অর্থ আগ্নেয়গিরি বা জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরির পাহাড়।
৩০. “আর সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়”—এই অপেক্ষার স্বরূপ কী?
উত্তরঃ এই অপেক্ষা দীর্ঘ ও অনিশ্চিত, কারণ কথক আর ফিরে আসবেন না।
৩১. কবিতাটিতে কোন ঋতুর আবহ পাওয়া যায়?
উত্তরঃ কবিতাটিতে বর্ষার আবহ পাওয়া যায়; বৃষ্টির উল্লেখ তার প্রমাণ।
৩২. যুদ্ধ শেষে শহরের অবস্থা কেমন হয়েছিল?
উত্তরঃ যুদ্ধ শেষে শহরটি এক বিশাল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল।
৩৩. কবিতার মূল সুর কী?
উত্তরঃ কবিতার মূল সুর হলো যুদ্ধের ভয়াবহতা, ধ্বংস ও বিচ্ছেদের বেদনা।
৩৪. “হেঁটে গেল গির্জার এক নান”—এটি কী নির্দেশ করে?
উত্তরঃ এটি যুদ্ধের ধ্বংসের মধ্যেও জীবনের স্বাভাবিক গতি ও দৈনন্দিনতার চলমানতাকে নির্দেশ করে।
৩৫. ‘চূর্ণ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘চূর্ণ’ শব্দের অর্থ হলো গুঁড়ো বা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া।
৩৬. কবি কোথায় চলে গিয়েছিলেন?
উত্তরঃ কবি অনেক দূরে চলে গিয়েছিলেন।
৩৭. পাবলো নেরুদা কোন পুরস্কার পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ পাবলো নেরুদা ১৯৭১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
৩৮. কবিতার শেষে কীসের কালো দাগের কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ কবিতার শেষে রক্তের কালো দাগের কথা বলা হয়েছে।
৩৯. “সেই মেয়েটির মৃত্যু হল না”—মেয়েটির পরিবর্তে কী টিকে ছিল?
উত্তরঃ মেয়েটির অপেক্ষা, আশা ও মানবিক অনুভূতির প্রতীকী অস্তিত্ব টিকে ছিল।
৪০. “অসুখী একজন” নামটি কেন দেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ কথক তাঁর প্রিয়জন ও শান্তিময় জীবনকে পিছনে ফেলে যুদ্ধের ধ্বংসের মধ্যে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। তাই তাঁর বিচ্ছেদ-বেদনা ও অসহায়তার কারণে তিনি ‘অসুখী’।
[Madhyamik Suggestion Click Here]
সংক্ষিপ্ত : অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon QNA [প্রশ্নমান – ৩]
১. “তারপর যুদ্ধ এল রক্তের এক আগ্নেয়পাহাড়ের মতো।” — এই উপমাটির তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ এই উপমার মাধ্যমে যুদ্ধের আকস্মিকতা, ভয়াবহতা ও সর্বগ্রাসী ধ্বংসাত্মক রূপ প্রকাশ পেয়েছে। আগ্নেয়পাহাড় যেমন অগ্ন্যুৎপাতের মাধ্যমে চারপাশে ধ্বংস ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে, তেমনি যুদ্ধও মানুষের জীবন ও সভ্যতাকে বিপর্যস্ত করে। ‘রক্তের’ শব্দটি যুদ্ধের হিংস্রতা ও প্রাণহানির দিকটি স্পষ্ট করেছে।
২. “বৃষ্টিতে ধুয়ে দিল আমার পায়ের দাগ / ঘাস জন্মাল রাস্তায়।” — পঙক্তি দুটির অন্তর্নিহিত অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘পায়ের দাগ’ কথকের অতীত উপস্থিতি ও স্মৃতির চিহ্নের প্রতীক। বৃষ্টিতে সেই দাগ মুছে যাওয়া এবং রাস্তায় ঘাস জন্মানো বোঝায় যে, দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে কথকের উপস্থিতির চিহ্নও মুছে গেছে। এর মধ্যে সময়ের প্রবাহ, বিচ্ছেদ ও স্মৃতির ক্ষয় প্রকাশিত হয়েছে।
৩. “শিশুরা আর বাড়িরা খুন হল।” — এই পঙক্তিটির তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ এই পঙক্তির মাধ্যমে যুদ্ধের নির্বিচার ও নির্মম ধ্বংস প্রকাশ পেয়েছে। শিশুরা ভবিষ্যৎ ও নিষ্পাপ জীবনের প্রতীক, আর বাড়ি মানুষের আশ্রয় ও নিরাপত্তার প্রতীক। যুদ্ধ এই দুই ক্ষেত্রকেই ধ্বংস করে দেয়। ফলে যুদ্ধ যে শুধু সৈন্যদের নয়, সাধারণ মানুষের জীবনকেও বিপর্যস্ত করে—তা স্পষ্ট হয়।
৪. কবিতায় যে মিষ্টি বাড়িটির কথা বলা হয়েছে, তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ ‘মিষ্টি বাড়ি’ ছিল কথকের শান্তিময় অতীত ও ব্যক্তিগত জীবনের স্মৃতিবাহী স্থান। সেখানে ছিল বারান্দা, ঝুলন্ত বিছানা, গোলাপ গাছ, চিমনি ও প্রাচীন জলতরঙ্গ। যুদ্ধের আগুনে এই পরিচিত ও প্রিয় জগতটি ধ্বংস হয়ে যায়। তাই বাড়িটি কথকের হারানো সুখ ও অতীতের স্মৃতির প্রতীক।
৫. “তারা আর স্বপ্ন দেখতে পারল না।” — কারা, কেন স্বপ্ন দেখতে পারল না?
উত্তরঃ এখানে ‘তারা’ বলতে শান্ত হলুদ দেবতাদের বোঝানো হয়েছে। যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞে তাদের মন্দির ও মূর্তিগুলি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। ফলে শান্তি, বিশ্বাস ও প্রাচীন সংস্কৃতির যে প্রতীক তারা বহন করত, যুদ্ধের আঘাতে তারও বিপর্যয় ঘটে। এইভাবেই কবি যুদ্ধের সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ওপর আঘাত দেখিয়েছেন।
৬. “আর সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়।” — এই অপেক্ষার স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ মেয়েটির অপেক্ষা দীর্ঘ, করুণ ও অনিশ্চিত। কথক জানেন যে তিনি আর ফিরে আসবেন না, কিন্তু মেয়েটি তা জানে না। তাই তার অপেক্ষার মধ্যে যেমন ভালোবাসা ও আশার প্রকাশ রয়েছে, তেমনি রয়েছে গভীর বেদনা ও বিচ্ছেদের পরিহাস। এই অপেক্ষা কবিতার মানবিক আবেগকে আরও গভীর করেছে।
৭. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় সময়ের ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তরঃ কবিতায় সময় বিচ্ছেদ ও স্মৃতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। “একটা সপ্তাহ আর একটা বছর কেটে গেল”—এর মাধ্যমে দীর্ঘ অপেক্ষার কথা বোঝানো হয়েছে। আবার “বছরগুলো” কথকের মাথার ওপর পাথরের মতো নেমে আসে—এতে সময়ের ভার ও বেদনা প্রকাশ পেয়েছে। বৃষ্টিতে পায়ের দাগ মুছে যাওয়াও সময়ের সঙ্গে অতীতের চিহ্ন বিলীন হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
৮. “সেই মেয়েটির মৃত্যু হল না।” — কেন মেয়েটির মৃত্যু হল না?
উত্তরঃ এই কথাটি সরাসরি মেয়েটির প্রতীকী অমরত্বের ঘোষণা নয়; বরং যুদ্ধের ধ্বংসের মধ্যেও তার অপেক্ষা ও মানবিক অনুভূতির অস্তিত্ব টিকে থাকার ইঙ্গিত দেয়। যুদ্ধ ঘরবাড়ি, শহর ও মানুষের জীবন ধ্বংস করলেও মেয়েটির অপেক্ষার চিত্রটি কবিতায় থেকে যায়। তাই এই পঙক্তিতে মানবিক আশা ও ভালোবাসার স্থায়িত্বের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
৯. “যেখানে ছিল শহর / সেখানে ছড়িয়ে রইল…” — কী ছড়িয়ে রইল? এই দৃশ্যের তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ যেখানে শহর ছিল, সেখানে কাঠকয়লা, দোমড়ানো লোহা এবং মৃত পাথরের মূর্তির বীভৎস মাথা ছড়িয়ে রইল। এই দৃশ্য যুদ্ধের সর্বগ্রাসী ধ্বংসের ছবি তুলে ধরে। মানুষের তৈরি শহর, স্থাপত্য ও সংস্কৃতির চিহ্নগুলি কীভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল, তারই মর্মস্পর্শী প্রকাশ এখানে ঘটেছে।
১০. ‘অসুখী একজন’ কে এবং কেন?
উত্তরঃ ‘অসুখী একজন’ হলেন কবিতার কথক। তিনি তাঁর প্রিয়তমাকে দরজায় অপেক্ষা করিয়ে রেখে চলে গিয়েছিলেন এবং আর ফিরে আসতে পারেননি। পরে যুদ্ধ তাঁর প্রিয় বাড়ি, স্মৃতি ও পরিচিত পৃথিবীকে ধ্বংস করে দেয়। তাই বিচ্ছেদ, হারানো অতীত ও যুদ্ধের ধ্বংস তাঁর অসুখী হওয়ার মূল কারণ।
১১. ‘অপেক্ষা’ এবং ‘ভালোবাসা’—এই দুটি বিষয় কবিতায় কীভাবে এসেছে?
উত্তরঃ কথক চলে যাওয়ার সময় তাঁর প্রিয়তমাকে দরজায় অপেক্ষা করতে রেখে যান। পরে যুদ্ধ ও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও মেয়েটির অপেক্ষার ছবি কবিতায় ফিরে আসে। ফলে অপেক্ষা ভালোবাসার প্রকাশ হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের ধ্বংসের বিপরীতে এই অপেক্ষা মানবিক সম্পর্কের গভীরতা ও স্থায়িত্বকে তুলে ধরে।
১২. পাবলো নেরুদার কবিতার মূল বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তরঃ পাবলো নেরুদার কবিতায় প্রেম, মানবিকতা, সামাজিক ও রাজনৈতিক চেতনা এবং শক্তিশালী চিত্রকল্প বিশেষভাবে লক্ষ করা যায়। সাধারণ দৃশ্য ও বস্তুকেও তিনি গভীর প্রতীকী ব্যঞ্জনা দিয়েছেন। ‘অসুখী একজন’ কবিতায় প্রেম, যুদ্ধবিরোধী চেতনা এবং বৃষ্টি, ঘাস, বাড়ি প্রভৃতি চিত্রকল্পের মাধ্যমে তাঁর কাব্যিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।
১৩. “বছরগুলো নেমে এল তার মাথার উপর / পরপর।” — এই পঙক্তিটির অর্থ বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ এই পঙক্তিতে দীর্ঘ সময়ের ভার ও মানসিক যন্ত্রণা প্রকাশ পেয়েছে। কথকের কাছে একের পর এক বছর যেন পাথরের মতো ভারী হয়ে মাথার ওপর নেমে এসেছে। প্রিয়জন থেকে বিচ্ছিন্নতা এবং অতীতের স্মৃতি তাঁর কাছে সময়কে কঠিন ও বেদনাময় করে তুলেছে।
১৪. কবিতাটিতে ধ্বংসের চিত্র কীভাবে আঁকা হয়েছে?
উত্তরঃ কবিতায় ধ্বংসের চিত্র ক্রমশ বিস্তৃত হয়েছে। প্রথমে কথকের পায়ের দাগ মুছে যায়, তারপর মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা, চিমনি ও অন্যান্য পরিচিত জিনিস ধ্বংস হয়। এরপর মন্দিরের দেবতাদের মূর্তি ভেঙে যায় এবং শেষে পুরো শহর কাঠকয়লা ও দোমড়ানো লোহার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এর মাধ্যমে যুদ্ধের সর্বগ্রাসী ধ্বংস প্রকাশ পেয়েছে।
১৫. “আমি তাকে ছেড়ে দিলাম / অপেক্ষায় দাঁড় করিয়ে রেখে দরজায়।” — এই বিদায় দৃশ্যের তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ এই বিদায় দৃশ্যটি কবিতার বিরহ ও বেদনার সূচনা করে। কথক তাঁর প্রিয়তমাকে দরজায় অপেক্ষা করতে রেখে চলে যান। পরবর্তীকালে যুদ্ধ ও দীর্ঘ বিচ্ছেদ সেই বিদায়কে চিরস্থায়ী করে তোলে। তাই এই দৃশ্যের মধ্যে বিচ্ছেদ, অপেক্ষা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের করুণ ইঙ্গিত রয়েছে।
১৬. ‘শান্ত হলুদ দেবতারা’—এই বিশেষণগুলির সার্থকতা কী?
উত্তরঃ ‘শান্ত’ শব্দটি দেবতাদের স্থির, ধ্যানমগ্ন ও প্রশান্ত অবস্থাকে প্রকাশ করে। ‘হলুদ’ শব্দটি তাদের একটি বিশেষ দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে এবং চিত্রকল্পটিকে আরও স্পষ্ট করে। যুদ্ধের ফলে এই শান্ত দেবতাদের মূর্তিও ভেঙে পড়ে। ফলে শান্তির প্রতীকী জগতের ওপর যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক আঘাত আরও স্পষ্ট হয়।
১৭. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ব্যক্তিগত জীবন ও সামাজিক বিপর্যয়ের সম্পর্ক দেখাও।
উত্তরঃ কবিতায় কথকের ব্যক্তিগত জীবন ও যুদ্ধজনিত সামাজিক বিপর্যয় পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। যুদ্ধের কারণে কথক তাঁর প্রিয়তমা ও পরিচিত শান্তিময় জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হন। তাঁর প্রিয় বাড়ি ও স্মৃতির জগতও ধ্বংস হয়ে যায়। এর মাধ্যমে কবি দেখিয়েছেন, যুদ্ধের মতো সামাজিক বিপর্যয়ের প্রভাব ব্যক্তিগত জীবনেও গভীরভাবে পড়ে।
১৮. “তারপর যুদ্ধ এল।” — ‘তারপর’ শব্দটি ব্যবহারের কারণ কী?
উত্তরঃ ‘তারপর’ শব্দটি কবিতার দুটি ভিন্ন পর্বকে আলাদা করেছে। এর আগে ছিল শান্ত জীবন, ভালোবাসা, অপেক্ষা ও স্বাভাবিক সময়ের প্রবাহ। ‘তারপর’ শব্দের মাধ্যমে হঠাৎ যুদ্ধের আগমন ঘটিয়ে কবি শান্ত পরিবেশের সঙ্গে ধ্বংস ও বিপর্যয়ের তীব্র বৈপরীত্য সৃষ্টি করেছেন।
১৯. “মৃত পাথরের মূর্তির বীভৎস মাথা”—এই চিত্রকল্পটি কীসের প্রতীক?
উত্তরঃ এই চিত্রকল্প যুদ্ধের ফলে শিল্প, সংস্কৃতি ও সভ্যতার ধ্বংসের প্রতীক। মূর্তি মানুষের সৃষ্ট শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। সেই মূর্তির বীভৎসভাবে ভেঙে পড়া মাথা যুদ্ধের নির্মমতা এবং সভ্যতার ওপর তার আঘাতকে দৃশ্যমান করে তুলেছে।
২০. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ‘আগুন’ কী কী ধ্বংস করেছিল?
উত্তরঃ আগুনে কথকের মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা, চিমনি, গোলাপ গাছ, ঝুলন্ত বিছানা ও প্রাচীন জলতরঙ্গের মতো স্মৃতিবাহী জগত ধ্বংস হয়ে যায়। বৃহত্তর অর্থে এই আগুন যুদ্ধের ধ্বংসশক্তির প্রতীক। এটি মানুষের পরিচিত জীবন, আশ্রয় ও শান্তিময় অতীতকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়।
২১. “সেই মিষ্টি বাড়ি, সেই বারান্দা…” — এই পুনরাবৃত্তির কারণ কী?
উত্তরঃ ‘সেই’ শব্দের পুনরাবৃত্তি কথকের হারানো অতীতের প্রতি গভীর মমতা ও স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ করে। একই সঙ্গে বর্তমান ধ্বংসস্তূপের সঙ্গে অতীতের সুন্দর জীবনের তীব্র বৈপরীত্য তৈরি হয়। ফলে যুদ্ধের ধ্বংসের বেদনাও আরও গভীরভাবে অনুভূত হয়।
২২. কবিতাটিতে কোনো আশার আলো আছে কি? তোমার মতামত দাও।
উত্তরঃ কবিতার সামগ্রিক আবহ বিষণ্ণ ও ধ্বংসাত্মক হলেও, “সেই মেয়েটির মৃত্যু হল না”—এই পঙক্তিতে একটি ক্ষীণ আশার ইঙ্গিত রয়েছে। যুদ্ধের মধ্যেও মেয়েটির অপেক্ষার চিত্রটি মানবিক অনুভূতির স্থায়িত্বের সম্ভাবনা জাগায়। তাই কবিতার ধ্বংসের অন্ধকারের মধ্যেও মানবিক আশা ও ভালোবাসার একটি সূক্ষ্ম আলো অনুভূত হয়।
২৩. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথকের চরিত্রটি কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ কথক একজন সংবেদনশীল, প্রেমময় ও স্মৃতিকাতর মানুষ। তিনি তাঁর প্রিয়তমাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার বেদনা বহন করেন। যুদ্ধের ধ্বংস তাঁর প্রিয় বাড়ি ও পরিচিত পৃথিবীকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। ফলে তিনি একদিকে বিচ্ছিন্ন প্রেমিক, অন্যদিকে যুদ্ধের ধ্বংসের এক বেদনাহত সাক্ষী হিসেবে ফুটে উঠেছেন।
২৪. “সব চূর্ণ হয়ে গেল, জ্বলে গেল আগুনে।” — কী কী চূর্ণ হয়েছিল এবং এর মাধ্যমে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ যুদ্ধের ফলে কথকের মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা, চিমনি, ঝুলন্ত বিছানা, গোলাপ গাছ ও প্রাচীন জলতরঙ্গসহ পরিচিত জগত ধ্বংস হয়ে যায়। এর মাধ্যমে কবি দেখিয়েছেন যে যুদ্ধ শুধু মানুষের প্রাণই নেয় না, মানুষের আশ্রয়, স্মৃতি, সংস্কৃতি ও শান্তিময় জীবনকেও ধ্বংস করে।
২৫. কবিতাটির মূল কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তরঃ ‘অসুখী একজন’ কবিতাটি পাবলো নেরুদার কবিতার বাংলা সংকলন ‘বিদেশি ফুলে রক্তের ছিটে’-এর অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ভাষায় এই কবিতার তরজমা করেছেন নবারুণ ভট্টাচার্য। ‘অসুখী একজন’ কবিতাটির মূল উৎস-গ্রন্থ সম্পর্কিত তথ্য উল্লেখ করার ক্ষেত্রে সংকলনটির নামই পরীক্ষায় প্রধানত ব্যবহার করা হয়।
রচনাধর্মী : অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon LAQ [প্রশ্নমান – ৫]
১. ‘অসুখী একজন’ কবিতার নামকরণ কতখানি সার্থক হয়েছে, তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: সাহিত্যের নাম সাধারণত তার বিষয়বস্তু, ভাব ও অন্তর্নিহিত ব্যঞ্জনাকে ধারণ করে। পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতার নামকরণও কবিতার মূল ভাবের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
‘অসুখী একজন’ কে: কবিতার কথকই ‘অসুখী একজন’। তিনি তাঁর প্রিয়তমাকে দরজায় অপেক্ষায় রেখে চলে যান। তিনি জানেন, আর ফিরে আসা সম্ভব হবে না। ফলে বিচ্ছেদ ও প্রিয়জনকে হারানোর বেদনা তাঁর মনে গভীর অসুখ সৃষ্টি করেছে।
অসুখের কারণ: কথকের অসুখের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিচ্ছেদ, স্মৃতির বেদনা এবং যুদ্ধের ধ্বংস। যুদ্ধ তাঁর পরিচিত পৃথিবী—মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা, চিমনি, শহর ও সাংস্কৃতিক স্মৃতিকে ধ্বংস করে দেয়। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত বেদনা বৃহত্তর যুদ্ধবিধ্বস্ত মানবজীবনের বেদনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।
সার্থকতা: ‘অসুখী’ শব্দটি শুধু কথকের ব্যক্তিগত দুঃখকে বোঝায় না; এর মধ্যে যুদ্ধের কারণে বিচ্ছিন্ন ও বিপর্যস্ত মানুষের সার্বজনীন বেদনা ধরা পড়েছে।
উপসংহার: তাই কবিতার বিষণ্ণতা, বিচ্ছেদ, যুদ্ধের ধ্বংস ও মানবিক বেদনা—সবকিছুকে একত্রে ধারণ করায় ‘অসুখী একজন’ নামকরণটি অত্যন্ত সার্থক।
২. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় যুদ্ধের যে ভয়াবহ ও সর্বগ্রাসী রূপের পরিচয় পাওয়া যায়, তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তরঃ ভূমিকা: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ একটি যুদ্ধবিরোধী কবিতা। কবি এখানে যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক ও সর্বগ্রাসী রূপ অত্যন্ত মর্মস্পর্শীভাবে তুলে ধরেছেন।
যুদ্ধের আগমন: কবি যুদ্ধকে “রক্তের এক আগ্নেয়পাহাড়ের মতো” বলেছেন। এর মাধ্যমে যুদ্ধের আকস্মিকতা, হিংস্রতা ও ভয়াবহতা প্রকাশ পেয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবনের ধ্বংস: যুদ্ধ কথকের মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা, ঝুলন্ত বিছানা, চিমনি, গোলাপ গাছ প্রভৃতি পরিচিত জগতকে ধ্বংস করে দেয়। ফলে ব্যক্তিগত সুখ ও স্মৃতির জগতও নিশ্চিহ্ন হয়।
মানবজীবনের ধ্বংস: “শিশুরা আর বাড়িরা খুন হল”—এই পঙক্তির মাধ্যমে যুদ্ধের নির্বিচার নিষ্ঠুরতা প্রকাশিত হয়েছে। শিশু ও বাড়ি যথাক্রমে নিষ্পাপ জীবন ও নিরাপদ আশ্রয়ের প্রতীক।
সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধ্বংস: শান্ত হলুদ দেবতাদের মূর্তি ভেঙে পড়ে এবং শহর পরিণত হয় কাঠকয়লা, দোমড়ানো লোহা ও পাথরের মূর্তির বীভৎস মাথায়।
উপসংহার: এভাবেই কবি দেখিয়েছেন, যুদ্ধ শুধু মানুষের প্রাণই নেয় না; এটি ব্যক্তিগত জীবন, স্মৃতি, আশ্রয়, সংস্কৃতি ও সভ্যতাকেও ধ্বংস করে। তাই যুদ্ধের বিরুদ্ধে কবিতাটির প্রতিবাদ অত্যন্ত শক্তিশালী।
৩. “আর সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়।” — ‘সেই মেয়েটি’র প্রতীক্ষাকে কবি অমরত্ব দিয়েছেন কীভাবে? আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: “আর সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়”—এই পঙক্তিটি কবিতার অন্যতম মর্মস্পর্শী অংশ। মেয়েটির অপেক্ষার মধ্য দিয়ে কবি বিচ্ছেদ ও মানবিক আশার গভীরতা প্রকাশ করেছেন।
অপেক্ষার স্থায়িত্ব: কথক চলে যাওয়ার পর সময় কেটে যায়, যুদ্ধ আসে এবং পরিচিত পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যায়। তবুও মেয়েটির অপেক্ষার চিত্রটি কবিতায় অটুট থাকে।
ভালোবাসার প্রকাশ: মেয়েটির অপেক্ষা তার গভীর ভালোবাসা ও আশার প্রকাশ। কথক জানেন যে তিনি আর ফিরে আসবেন না, অথচ মেয়েটি সেই সত্য জানে না। তাই তার অপেক্ষা এক করুণ ও অনন্ত প্রতীক্ষার রূপ পেয়েছে।
ধ্বংসের বিপরীতে অপেক্ষা: যুদ্ধ বাড়ি, শহর ও সভ্যতার নানা চিহ্ন ধ্বংস করে দেয়। কিন্তু কবিতার শেষে মেয়েটির অপেক্ষার চিত্রটি টিকে থাকে। ফলে ধ্বংসের বিপরীতে অপেক্ষা মানবিক অনুভূতির স্থায়িত্বের প্রতীক হয়ে ওঠে।
উপসংহার: তাই মেয়েটির প্রতীক্ষা শুধু ব্যক্তিগত প্রেমের অপেক্ষা নয়; এটি বিচ্ছেদ, আশা ও মানবিক অনুভূতির এক গভীর প্রতীক। এই কারণেই কবি তার অপেক্ষাকে কাব্যিক অর্থে অমর করে তুলেছেন।
৪. “যেখানে ছিল শহর / সেখানে ছড়িয়ে রইল কাঠকয়লা…”—এই ধ্বংসচিত্রের বর্ণনা দাও। এই ধ্বংসের মধ্যেও কোন্ বিষয়টি অক্ষত ছিল?
উত্তরঃ ধ্বংসচিত্র: যুদ্ধের পর যে শহর একসময় জীবন্ত ছিল, সেখানে আর স্বাভাবিক জীবনের চিহ্ন নেই। সেখানে ছড়িয়ে আছে কাঠকয়লা ও দোমড়ানো লোহা। পাথরের মূর্তির বীভৎস মাথাও ধ্বংসের সাক্ষ্য বহন করছে।
এই চিত্রের মাধ্যমে কবি দেখিয়েছেন, যুদ্ধ শুধু মানুষের জীবন নয়, শহর, স্থাপত্য, শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও ধ্বংস করে। একটি জীবন্ত শহর কীভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়, তার মর্মস্পর্শী ছবি এখানে ফুটে উঠেছে।
অক্ষত বিষয়: এই সর্বগ্রাসী ধ্বংসের মধ্যেও কবিতায় মেয়েটির অপেক্ষার চিত্রটি অক্ষুণ্ণ থাকে। “সেই মেয়েটির মৃত্যু হল না”—এই কথার মাধ্যমে কবি মানবিক অনুভূতি ও আশার স্থায়িত্বের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
উপসংহার: তাই শহরের ধ্বংসের বিপরীতে মেয়েটির অপেক্ষা কবিতায় মানবিক আবেগের স্থায়িত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
৫. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ব্যবহৃত প্রতীক ও চিত্রকল্পগুলির সার্থকতা বিচার করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: পাবলো নেরুদা সাধারণ দৃশ্য ও বস্তুকে গভীর প্রতীকী ব্যঞ্জনা দিয়েছেন। ফলে কবিতার বক্তব্য আরও শক্তিশালী ও মর্মস্পর্শী হয়েছে।
অপেক্ষারত মেয়েটি: মেয়েটি একদিকে কথকের প্রিয়তমা, অন্যদিকে তার অপেক্ষার মাধ্যমে ভালোবাসা, আশা ও মানবিক সম্পর্কের প্রতীকী ব্যঞ্জনা সৃষ্টি হয়েছে।
পায়ের দাগ ও বৃষ্টি: পায়ের দাগ কথকের উপস্থিতি ও স্মৃতির চিহ্ন। বৃষ্টিতে সেই দাগ মুছে যাওয়া অতীতের চিহ্ন বিলীন হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
রক্তের আগ্নেয়পাহাড়: এটি যুদ্ধের হিংস্রতা, আকস্মিকতা ও ধ্বংসশক্তির শক্তিশালী চিত্রকল্প।
শান্ত হলুদ দেবতারা: তাঁরা কবিতায় শান্ত, প্রাচীন সাংস্কৃতিক জগতের চিত্র তৈরি করেন। যুদ্ধের আঘাতে তাঁদের মূর্তি ভেঙে পড়ায় সংস্কৃতির ওপর যুদ্ধের আঘাত প্রকাশিত হয়েছে।
মিষ্টি বাড়ি ও ঝুলন্ত বিছানা: এগুলি কথকের ব্যক্তিগত সুখ, স্মৃতি ও শান্তিময় জীবনের চিহ্ন।
উপসংহার: এই প্রতীক ও চিত্রকল্পের মাধ্যমে কবি প্রেম, বিচ্ছেদ, যুদ্ধ ও ধ্বংসের মতো বিমূর্ত ভাবকে দৃশ্যমান করেছেন। ফলে কবিতাটি আরও গভীর ও ব্যঞ্জনাময় হয়েছে।
৬. “আমার পায়ের দাগ ধুয়ে দিল বৃষ্টি” এবং “রক্তের একটা কালো দাগ”—এই দুটি দাগের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ‘দাগ’ দুটি ভিন্ন পরিস্থিতি ও অর্থ বহন করেছে।
“আমার পায়ের দাগ”: কথকের পায়ের দাগ তাঁর উপস্থিতি ও অতীত স্মৃতির চিহ্ন। বৃষ্টিতে সেই দাগ ধুয়ে যাওয়ার অর্থ হলো সময়ের প্রবাহে তাঁর উপস্থিতির চিহ্ন ধীরে ধীরে মুছে যাওয়া। এর মধ্যে রয়েছে বিচ্ছেদ ও স্মৃতির বিলীয়মানতা।
“রক্তের একটা কালো দাগ”: এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে। এটি যুদ্ধের হিংসা, মৃত্যু ও ধ্বংসের চিহ্ন। যুদ্ধ শেষ হলেও রক্তের দাগ যেন তার নির্মমতার স্মৃতি বহন করে।
দুটি দাগের বৈপরীত্য: প্রথম দাগটি প্রাকৃতিকভাবে মুছে যাওয়া ব্যক্তিগত স্মৃতির চিহ্ন, আর দ্বিতীয়টি মানুষের সৃষ্ট হিংসার গভীর ক্ষতের চিহ্ন। একটি মুছে যায়, অন্যটি ইতিহাসের বেদনাদায়ক স্মৃতি হিসেবে থেকে যায়।
উপসংহার: এই দুটি দাগের বৈপরীত্যের মাধ্যমে কবি ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ ও যুদ্ধের সামাজিক ক্ষতকে পাশাপাশি তুলে ধরেছেন।
৭. “আমি তাকে ছেড়ে দিলাম”—এই পঙক্তিটির মধ্য দিয়ে কথকের যে মানসিক অবস্থা ও অসহায়তা প্রকাশ পেয়েছে, তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: “আমি তাকে ছেড়ে দিলাম”—এই সংক্ষিপ্ত পঙক্তির মধ্যেই কবিতার বিচ্ছেদ ও বেদনার সূচনা ঘটেছে।
বিচ্ছেদের বেদনা: কথক তাঁর প্রিয়তমাকে দরজায় অপেক্ষায় রেখে চলে যান। এই বিদায়ের মধ্যে গভীর বিষণ্ণতা ও বিচ্ছেদের অনুভূতি রয়েছে।
অসহায়তা: কথক জানেন যে তিনি আর ফিরে আসবেন না। ফলে তাঁর বিদায়ের মধ্যে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনিশ্চয়তা ও অসহায়তার অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
প্রিয়জনকে অপেক্ষায় রেখে যাওয়া: মেয়েটি জানে না যে কথক আর ফিরবেন না। তাই কথকের চলে যাওয়া পরবর্তীকালে এক করুণ ও দীর্ঘ বিচ্ছেদের রূপ নেয়।
উপসংহার: এই একটি পঙক্তির মধ্যেই কবি বিচ্ছেদ, বেদনা ও মানুষের অসহায় অবস্থাকে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করেছেন।
৮. ‘অসুখী একজন’ কবিতায় মানবসৃষ্ট দুর্যোগ এবং তার ভয়াবহ পরিণতির ছবি কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ ভূমিকা: কবিতায় মানুষের সৃষ্ট সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ—যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক রূপ ফুটে উঠেছে।
যুদ্ধের আগমন: যুদ্ধকে “রক্তের এক আগ্নেয়পাহাড়ের মতো” বলা হয়েছে। এতে যুদ্ধের হিংস্র ও আকস্মিক রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবনের বিপর্যয়: যুদ্ধ কথকের প্রিয়তমা, মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা ও পরিচিত স্মৃতির জগতকে বিচ্ছিন্ন ও ধ্বংস করে দেয়।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ধ্বংস: যুদ্ধের ফলে শিশুদের মৃত্যু ঘটে, বাড়িঘর ধ্বংস হয়, দেবতাদের মূর্তি ভেঙে পড়ে এবং একটি সম্পূর্ণ শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
চূড়ান্ত পরিণতি: যেখানে একসময় শহর ছিল, সেখানে পড়ে থাকে কাঠকয়লা, দোমড়ানো লোহা ও মূর্তির বীভৎস মাথা। এই দৃশ্য যুদ্ধের সর্বগ্রাসী ধ্বংসকে প্রকাশ করে।
উপসংহার: কবি দেখিয়েছেন, যুদ্ধ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সমাজ, সংস্কৃতি ও সভ্যতা পর্যন্ত সবকিছুকে বিপর্যস্ত করে।
৯. “সব চূর্ণ হয়ে গেল”—কী কী চূর্ণ হয়েছিল? এই ধ্বংসের বিপরীতে কোন্ জিনিসটি টিকে ছিল এবং কেন?
উত্তরঃ চূর্ণ হওয়া জিনিস: যুদ্ধের ফলে কথকের মিষ্টি বাড়ি, বারান্দা, ঝুলন্ত বিছানা, গোলাপ গাছ, চিমনি ও প্রাচীন জলতরঙ্গের মতো স্মৃতিবাহী জগত ধ্বংস হয়ে যায়। একই সঙ্গে মন্দিরের দেবতাদের মূর্তিও টুকরো টুকরো হয়ে পড়ে। শেষে গোটা শহরই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
টিকে থাকা বিষয়: এই ধ্বংসের মধ্যেও কবিতায় মেয়েটির অপেক্ষার চিত্রটি টিকে থাকে। “আর সেই মেয়েটি আমার অপেক্ষায়”—এই পঙক্তি তার প্রমাণ।
তাৎপর্য: মেয়েটির অপেক্ষা এখানে মানবিক ভালোবাসা ও আশার প্রতীক হিসেবে ব্যঞ্জিত হয়েছে। যুদ্ধ বস্তুগত পৃথিবীকে ধ্বংস করতে পারে, কিন্তু কবিতায় মানবিক অনুভূতির এই চিত্রটি শেষ পর্যন্ত থেকে যায়।
উপসংহার: তাই ধ্বংসের বিপরীতে অপেক্ষা ও ভালোবাসা কবিতায় এক গুরুত্বপূর্ণ মানবিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
১০. কবিতার প্রথম স্তবক এবং শেষ স্তবকের মধ্যেকার বৈপরীত্য ও যোগসূত্র আলোচনা করো।
উত্তরঃ ভূমিকা: কবিতার প্রথম ও শেষ অংশে দুটি ভিন্ন পরিস্থিতির চিত্র থাকলেও তাদের মধ্যে গভীর বৈপরীত্য ও যোগসূত্র রয়েছে।
প্রথম অংশ: শুরুতে কথক তাঁর প্রিয়তমাকে দরজায় অপেক্ষায় রেখে চলে যান। সেখানে রয়েছে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, বিচ্ছেদ, বৃষ্টি এবং অতীতের স্মৃতির আবহ।
শেষ অংশ: শেষে যুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসের চিত্র ফুটে ওঠে। যেখানে শহর ছিল সেখানে পড়ে আছে কাঠকয়লা, দোমড়ানো লোহা ও ধ্বংসের চিহ্ন।
বৈপরীত্য: প্রথম অংশে রয়েছে ব্যক্তিগত ও শান্ত পরিবেশ, আর শেষ অংশে রয়েছে যুদ্ধের সর্বগ্রাসী ধ্বংস। প্রথমদিকে জীবনের পরিচিত জগতের চিহ্ন থাকলেও শেষে তার পরিবর্তে দেখা যায় ধ্বংসস্তূপ।
যোগসূত্র: প্রথম অংশে যে মেয়েটিকে দরজায় অপেক্ষা করতে দেখা যায়, কবিতার শেষে সেই মেয়েটির অপেক্ষাই আবার ফিরে আসে। এই অপেক্ষা কবিতার শুরু ও শেষকে একসূত্রে যুক্ত করেছে।
উপসংহার: ফলে প্রথম ও শেষ অংশের বৈপরীত্যের মধ্য দিয়ে শান্ত জীবন থেকে যুদ্ধের ধ্বংসে রূপান্তর এবং যোগসূত্রের মাধ্যমে অপেক্ষা ও মানবিক অনুভূতির স্থায়িত্ব প্রকাশ পেয়েছে।
Madhyamik All Subjects Suggestion | মাধ্যমিক সাজেশন:
- Madhyamik Bengali Suggestion Click Here
- Madhyamik English Suggestion Click Here
- Madhyamik History Suggestion Click Here
- Madhyamik Geography Suggestion Click Here
- Madhyamik Life Science Suggestion Click Here
- Madhyamik Mathematics Suggestion Click Here
- Madhyamik Physical Science Suggestion Click Here
- Madhyamik All Subjects Suggestion Click Here
PDF: অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer PDF Download
অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer PDF Download: অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর সহ একটি PDF File শিক্ষার্থীদের revision-এর সুবিধার জন্য দেওয়া হলো।
PDF Download: অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer PDF Click Here
| আমাদের YouTube Channel টি সাবস্ক্রাইব করুন Click Here To Subscribe Now |
West Bengal Class 10 Bengali Board Exam Details
West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) conducts the Madhyamik Examination for Class 10 students across West Bengal. Bengali is one of the important subjects in the Madhyamik Board Exam, and students need to prepare each chapter carefully according to the prescribed syllabus. Here you will find useful Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer, study materials, important questions and other resources to help students prepare effectively for the Class 10 Bengali Board Exam.
Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Syllabus PDF
Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon ‘অসুখী একজন’ (কবিতা) – পাবলো নেরুদা অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। এই অধ্যায় থেকে বিভিন্ন ধরনের MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং বর্ণনামূলক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত সিলেবাস অনুযায়ী অধ্যায়টি মন দিয়ে পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি বারবার অনুশীলন করা।
Madhyamik Bengali Syllabus PDF: Click Here
অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer
Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon অসুখী একজন (কবিতা) – পাবলো নেরুদা থেকে মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি উপরে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে অধ্যায়ের বিভিন্ন অংশ থেকে নির্বাচিত MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় শিক্ষার্থীরা এগুলি ভালোভাবে পড়তে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে পারে।
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Suggestion Question and Answer
West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Suggestion Question and Answer খুঁজছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য এই পোস্টে ‘অসুখী একজন’ কবিতা – পাবলো নেরুদা অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর একসঙ্গে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার আগে দ্রুত Revision করার পাশাপাশি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই প্রশ্নোত্তরগু,লি সহায়ক হবে।
অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon Question and Answer
আশা করি, ‘Madhyamik Bengali Asukhi Ekjon’ ‘অসুখী একজন (কবিতা) – পাবলো নেরুদা’-এর এই প্রশ্নোত্তরগুলি তোমাদের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে। পোস্টটি উপকারী মনে হলে সহপাঠীদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারো। West Bengal Board-এর সিলেবাস অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের Notes, Question Answer, Suggestion ও শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু, পাশাপাশি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় Study Material পেতে নিয়মিত ভিজিট করো Porasuna.in। ধন্যবাদ।





















