নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer

0
Contents hide
3 নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা | West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Nodir Bidroho Question and Answer

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর

Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer: নমস্কার বন্ধুরা, আজকের আলোচনার বিষয় ‘নদীর বিদ্রোহ’ (গল্প) – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, যা মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। এই পোস্টে WBBSE Class 10 Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer-এর পাশাপাশি গল্প থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলি ভালোভাবে পড়া এবং অনুশীলন করা অত্যন্ত উপকারী।

  যেসব ছাত্রছাত্রী নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর, WBBSE Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer অথবা পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা প্রশ্নোত্তর খুঁজছো, তারা এই পোস্টটি সম্পূর্ণভাবে পড়তে পারো। নদীর বিদ্রোহ গল্প থেকে পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এমন বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে, যা West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Exam Preparation এবং Revision-এর সময় বিশেষভাবে কাজে আসবে।

বোর্ড ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই (WBBSE)
ক্লাস মাধ্যমিক দশম শ্রেণী (WB Class 10 Madhyamik)
বিষয় মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা (Madhyamik Bengali)
পাঠ নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা | West Bengal Madhyamik Class 10 Bengali Nodir Bidroho Question and Answer

বহুনির্বাচনী : নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho MCQ [প্রশ্নমান – ১]

১. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পের প্রধান চরিত্রের নাম কী?
(ক) ব্রজকিশোর
(খ) নদেরচাঁদ
(গ) কৈলাস
(ঘ) গোপাল

উত্তরঃ (খ) নদেরচাঁদ

২. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে কোন ঋতুর আবহ প্রধানভাবে ফুটে উঠেছে?
(ক) গ্রীষ্ম
(খ) বর্ষা
(গ) শরৎ
(ঘ) শীত

উত্তরঃ (খ) বর্ষা

৩. নদেরচাঁদের বয়স কত?
(ক) পঁচিশ বছর
(খ) ত্রিশ বছর
(গ) পঁয়ত্রিশ বছর
(ঘ) চল্লিশ বছর

উত্তরঃ (খ) ত্রিশ বছর

৪. নদেরচাঁদ কীসের চাকরি করত?
(ক) পোস্টমাস্টার
(খ) স্কুলমাস্টার
(গ) স্টেশনমাস্টার
(ঘ) রেলের ড্রাইভার

উত্তরঃ (গ) স্টেশনমাস্টার

৫. একটানা কতদিন বৃষ্টি চলেছিল?
(ক) তিনদিন
(খ) চারদিন
(গ) পাঁচদিন
(ঘ) সাতদিন

উত্তরঃ (গ) পাঁচদিন

৬. নদেরচাঁদের কাছে নদী কেমন ছিল?
(ক) শত্রুর মতো
(খ) বন্ধুর মতো
(গ) অপরিচিতের মতো
(ঘ) ভয়ের মতো

উত্তরঃ (খ) বন্ধুর মতো

৭. নদেরচাঁদ প্রতিদিন কোথায় বসে নদী দেখত?
(ক) নদীর তীরে
(খ) স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে
(গ) ব্রিজের ধারকস্তম্ভের শেষপ্রান্তে
(ঘ) রেললাইনের পাশে

উত্তরঃ (গ) ব্রিজের ধারকস্তম্ভের শেষপ্রান্তে

৮. নদীর জল কেমন হয়ে উঠেছিল?
(ক) নীল ও স্বচ্ছ
(খ) পঙ্কিল ও ফেনোচ্ছ্বাসিত
(গ) শান্ত ও স্থির
(ঘ) পরিষ্কার ও ঠান্ডা

উত্তরঃ (খ) পঙ্কিল ও ফেনোচ্ছ্বাসিত

৯. নদেরচাঁদের স্ত্রীকে লেখা চিঠিটি কত পাতার ছিল?
(ক) দুই পাতা
(খ) তিন পাতা
(গ) চার পাতা
(ঘ) পাঁচ পাতা

উত্তরঃ (ঘ) পাঁচ পাতা

১০. নদেরচাঁদ কত বছর ধরে স্টেশনমাস্টারের কাজ করছিল?
(ক) দুই বছর
(খ) তিন বছর
(গ) চার বছর
(ঘ) পাঁচ বছর

উত্তরঃ (গ) চার বছর

১১. নদেরচাঁদ নদীকে ভালোবাসার কী কৈফিয়ত দিতে পারত?
(ক) নদী তার জীবিকার উৎস
(খ) নদীর ধারে তার জন্ম
(গ) নদী খুব সুন্দর
(ঘ) নদী তার চাকরির কাছে ছিল

উত্তরঃ (খ) নদীর ধারে তার জন্ম

১২. নদেরচাঁদের দেশের নদীটি কেমন ছিল?
(ক) প্রশস্ত ও গভীর
(খ) শীর্ণকায়া ও ক্ষীণস্রোতা
(গ) ভয়ংকর ও খরস্রোতা
(ঘ) সমুদ্রের মতো বিশাল

উত্তরঃ (খ) শীর্ণকায়া ও ক্ষীণস্রোতা

১৩. নদেরচাঁদ নদীর জন্য কেমন অনুভূতি পোষণ করত?
(ক) ভয়
(খ) ঘৃণা
(গ) গভীর মমতা ও ভালোবাসা
(ঘ) বিরক্তি

উত্তরঃ (গ) গভীর মমতা ও ভালোবাসা

১৪. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পের প্রথম প্রকাশ কোন পত্রিকায় হয়?
(ক) প্রবাসী
(খ) ভারতবর্ষ
(গ) বঙ্গশ্রী
(ঘ) কল্লোল

উত্তরঃ (গ) বঙ্গশ্রী

১৫. নদেরচাঁদ নদীর ধারে গিয়ে কী অনুভব করেছিল?
(ক) ভয় ও ঘৃণা
(খ) প্রবল কৌতূহল ও আনন্দ
(গ) একঘেয়েমি
(ঘ) বিরক্তি

উত্তরঃ (খ) প্রবল কৌতূহল ও আনন্দ

১৬. নদেরচাঁদের কর্মস্থলের নদীটি স্টেশন থেকে কত দূরে ছিল?
(ক) আধ মাইল
(খ) এক মাইল
(গ) দুই মাইল
(ঘ) তিন মাইল

উত্তরঃ (খ) এক মাইল

১৭. ‘নদীর বিদ্রোহের কারণ সে বুঝিতে পারিয়াছে’—নদীর বিদ্রোহের কারণ কী?
(ক) অতিরিক্ত বৃষ্টি
(খ) মানুষের তৈরি বাঁধ ও ব্রিজে নদীর স্বাভাবিক গতির বাধা
(গ) নদীতে নৌকা চলাচল
(ঘ) নদীর জল শুকিয়ে যাওয়া

উত্তরঃ (খ) মানুষের তৈরি বাঁধ ও ব্রিজে নদীর স্বাভাবিক গতির বাধা

১৮. নদেরচাঁদ কীসের জন্য গর্ব অনুভব করত?
(ক) নিজের চাকরির জন্য
(খ) নতুন রং করা ব্রিজটির জন্য
(গ) নিজের গ্রামের জন্য
(ঘ) নদীর জন্য

উত্তরঃ (খ) নতুন রং করা ব্রিজটির জন্য

১৯. “ছেলেমানুষের মতো ঔৎসুক্য বোধ করিতে লাগিল”—কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
(ক) নদেরচাঁদের সহকারীর
(খ) যাত্রীর
(গ) নদেরচাঁদের
(ঘ) কোনো ছেলেটির

উত্তরঃ (গ) নদেরচাঁদের

২০. নদেরচাঁদের নদীর প্রতি ভালোবাসা দেখে কে অবাক হয়েছিল?
(ক) তার স্ত্রী
(খ) তার নতুন সহকারী
(গ) গ্রামের লোক
(ঘ) স্টেশনের যাত্রী

উত্তরঃ (খ) তার নতুন সহকারী

২১. নদীর চাঞ্চল্যকে নদেরচাঁদ কার সঙ্গে তুলনা করেছিল?
(ক) শিশুর খেলার সঙ্গে
(খ) ঝড়ের সঙ্গে
(গ) তার চঞ্চল স্ত্রীর সঙ্গে
(ঘ) মাতালের চিৎকারের সঙ্গে

উত্তরঃ (গ) তার চঞ্চল স্ত্রীর সঙ্গে

২২. নদেরচাঁদ তার চার বছরের চেনা নদীর নতুন রূপটি কী করতে পারছিল না?
(ক) ভালোবাসতে
(খ) ভুলতে
(গ) কল্পনা করতে
(ঘ) আঁকতে

উত্তরঃ (গ) কল্পনা করতে

২৩. “নদেরচাঁদ স্তম্ভিত হইয়া গেল”—কেন?
(ক) ট্রেন দেখে
(খ) বৃষ্টি দেখে
(গ) নদীর ভয়ংকর রূপ দেখে
(ঘ) চিঠি পড়ে

উত্তরঃ (গ) নদীর ভয়ংকর রূপ দেখে

২৪. নদীর জলস্তর এত উঁচুতে উঠে এসেছিল যে নদেরচাঁদের কী মনে হয়েছিল?
(ক) নদী পার হয়ে যাবে
(খ) হাত বাড়ালেই নদীর জল স্পর্শ করা যাবে
(গ) ব্রিজ ভেঙে পড়বে
(ঘ) নদী শুকিয়ে যাবে

উত্তরঃ (খ) হাত বাড়ালেই নদীর জল স্পর্শ করা যাবে

২৫. নদীর সঙ্গে খেলা করার জন্য নদেরচাঁদ কী করেছিল?
(ক) নদীতে সাঁতার কেটেছিল
(খ) মাছ ধরেছিল
(গ) স্ত্রীর লেখা চিঠির পাতা ছিঁড়ে জলে ফেলেছিল
(ঘ) নদীতে পাথর ছুড়েছিল

উত্তরঃ (গ) স্ত্রীর লেখা চিঠির পাতা ছিঁড়ে জলে ফেলেছিল

২৬. নদেরচাঁদের কাছে কী অসহ্য হয়ে উঠেছিল?
(ক) বৃষ্টির শব্দ
(খ) নদীর আর্তনাদ/গর্জন
(গ) ট্রেনের শব্দ
(ঘ) স্টেশনের কোলাহল

উত্তরঃ (খ) নদীর আর্তনাদ/গর্জন

২৭. ‘লোভটা সে সামলাইতে পারিল না’—কোন লোভের কথা বলা হয়েছে?
(ক) বাড়ি ফিরে যাওয়ার লোভ
(খ) নদীর সঙ্গে খেলা করার লোভ
(গ) চিঠি পড়ার লোভ
(ঘ) চাকরি ছেড়ে দেওয়ার লোভ

উত্তরঃ (খ) নদীর সঙ্গে খেলা করার লোভ

২৮. নদেরচাঁদ কী নদীর জলে ফেলে দিয়েছিল?
(ক) খবরের কাগজ
(খ) পুরোনো বই
(গ) স্ত্রীর লেখা চিঠির পাতা
(ঘ) কাঠের টুকরো

উত্তরঃ (গ) স্ত্রীর লেখা চিঠির পাতা

২৯. “চিঠিটা পকেটেই ছিল”—চিঠিটি কে লিখেছিল?
(ক) নদেরচাঁদের মা
(খ) নদেরচাঁদের বাবা
(গ) নদেরচাঁদের স্ত্রী
(ঘ) নদেরচাঁদের বন্ধু

উত্তরঃ (গ) নদেরচাঁদের স্ত্রী

৩০. নদেরচাঁদের নদীর প্রতি আকর্ষণের মূল কারণ কী?
(ক) নদী তার কর্মস্থলের কাছে ছিল
(খ) নদীর ধারে তার জন্ম ও শৈশব কেটেছিল
(গ) নদীতে সে মাছ ধরত
(ঘ) নদী তাকে চাকরি দিয়েছিল

উত্তরঃ (খ) নদীর ধারে তার জন্ম ও শৈশব কেটেছিল

৩১. নদীর বিদ্রোহ বলতে নদেরচাঁদ কী বুঝেছিল?
(ক) নদীর জল শুকিয়ে যাওয়া
(খ) মানুষের তৈরি বাধার বিরুদ্ধে নদীর উত্তাল হয়ে ওঠা
(গ) নদীতে নৌকা চলাচল বন্ধ হওয়া
(ঘ) নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়া মাত্র

উত্তরঃ (খ) মানুষের তৈরি বাধার বিরুদ্ধে নদীর উত্তাল হয়ে ওঠা

৩২. নদী কী ভাঙতে ভাঙতে এগিয়ে চলছিল?
(ক) পাহাড়
(খ) বাঁধ
(গ) স্টেশন
(ঘ) রেললাইন

উত্তরঃ (খ) বাঁধ

৩৩. নদেরচাঁদের মধ্যে কীসের উন্মত্ততা দেখা দিয়েছিল?
(ক) নদীর সঙ্গে মিশে যাওয়ার
(খ) বাড়ি পালিয়ে যাওয়ার
(গ) ট্রেন থামানোর
(ঘ) স্টেশন ছেড়ে দেওয়ার

উত্তরঃ (ক) নদীর সঙ্গে মিশে যাওয়ার

৩৪. “নিজের এই পাগলামিতে যেন আনন্দই উপভোগ করে”—পাগলামিটি কী?
(ক) নদীর সঙ্গে কথা বলা
(খ) বৃষ্টিতে ভিজতে থাকা
(গ) চিঠি পড়া
(ঘ) একা হাসা

উত্তরঃ (খ) বৃষ্টিতে ভিজতে থাকা

৩৫. নদেরচাঁদ কখন নদীর তীরে/ব্রিজের কাছে গিয়েছিল?
(ক) সকালে
(খ) দুপুরে
(গ) বিকেলে
(ঘ) গভীর রাতে

উত্তরঃ (গ) বিকেলে

৩৬. নদেরচাঁদের রোমান্টিক মন কীসের কারণে শুকিয়ে যাচ্ছিল?
(ক) অর্থের অভাবে
(খ) বন্ধুর অভাবে
(গ) প্রকৃতির অভাবে
(ঘ) একঘেয়ে স্টেশনমাস্টারির কারণে

উত্তরঃ (ঘ) একঘেয়ে স্টেশনমাস্টারির কারণে

৩৭. বৃষ্টির সঙ্গে বাতাস জোরালো হওয়ায় কী হচ্ছিল?
(ক) গাছপালা ভেঙে পড়ছিল
(খ) পুরোনো কোঠা কাঁপছিল
(গ) ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল
(ঘ) স্টেশন ডুবে যাচ্ছিল

উত্তরঃ (খ) পুরোনো কোঠা কাঁপছিল

৩৮. নদীকে দেখে নদেরচাঁদের কীসের ভয় হয়েছিল?
(ক) সাপের
(খ) কুমিরের
(গ) অজানা বিপদের
(ঘ) ভূতের

উত্তরঃ (গ) অজানা বিপদের

৩৯. ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে নদেরচাঁদের কী ইচ্ছা হচ্ছিল?
(ক) বাড়ি ফিরে যেতে
(খ) নদীর সঙ্গে মিশে যেতে
(গ) স্টেশনে যেতে
(ঘ) চিৎকার করতে

উত্তরঃ (খ) নদীর সঙ্গে মিশে যেতে

৪০. নদীর জল ব্রিজের ধারকস্তম্ভের কত কাছাকাছি উঠে এসেছিল?
(ক) প্রায় এক হাত নিচে
(খ) প্রায় দশ ফুট নিচে
(গ) প্রায় বিশ ফুট নিচে
(ঘ) প্রায় এক মাইল দূরে

উত্তরঃ (ক) প্রায় এক হাত নিচে

৪১. নদেরচাঁদের মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল?
(ক) জলে ডুবে
(খ) অসুস্থতায়
(গ) ট্রেনের তলায় চাপা পড়ে
(ঘ) ব্রিজ থেকে পড়ে

উত্তরঃ (গ) ট্রেনের তলায় চাপা পড়ে

৪২. নদেরচাঁদকে পিষে দিয়ে কোন ট্রেন চলে গিয়েছিল?
(ক) ৫ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার
(খ) ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার
(গ) ৮ নম্বর আপ প্যাসেঞ্জার
(ঘ) একটি মালগাড়ি

উত্তরঃ (খ) ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার

৪৩. শেষ মুহূর্তে নদেরচাঁদ কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল?
(ক) গ্রামের দিকে
(খ) নদীর দিকে
(গ) স্টেশনের দিকে
(ঘ) বাড়ির দিকে

উত্তরঃ (গ) স্টেশনের দিকে

৪৪. নদেরচাঁদ যখন ব্রিজ পার হচ্ছিল, তখন কী ঘটেছিল?
(ক) নদী শুকিয়ে গিয়েছিল
(খ) ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেন আসছিল
(গ) ব্রিজ ভেঙে পড়েছিল
(ঘ) বৃষ্টি থেমে গিয়েছিল

উত্তরঃ (খ) ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেন আসছিল

৪৫. নদেরচাঁদের কাছে ট্রেনটিকে কেমন মনে হয়েছিল?
(ক) বন্ধুর মতো
(খ) যান্ত্রিক
(গ) নদীর মতো
(ঘ) মুক্তির দূতের মতো

উত্তরঃ (খ) যান্ত্রিক

৪৬. ‘লোষ্ট্রখণ্ড’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) পাথরের টুকরো
(খ) কাঠের টুকরো
(গ) লোহার টুকরো
(ঘ) মাটির ঢেলা

উত্তরঃ (ঘ) মাটির ঢেলা

৪৭. নদেরচাঁদ কী ছিঁড়ে নদীর জলে ফেলে দিয়েছিল?
(ক) একটি পুরোনো কাগজ
(খ) স্ত্রীর লেখা পাঁচ পাতার চিঠি
(গ) খবরের কাগজ
(ঘ) বইয়ের পাতা

উত্তরঃ (খ) স্ত্রীর লেখা পাঁচ পাতার চিঠি

৪৮. “নদেরচাঁদের ভারী আমোদ বোধ হইতে লাগিল”—তার আমোদের কারণ কী?
(ক) বৃষ্টি থেমে যাওয়া
(খ) নদীর জল হাত বাড়ালেই স্পর্শ করা সম্ভব হওয়া
(গ) ট্রেন চলে যাওয়া
(ঘ) চিঠি পাওয়া

উত্তরঃ (খ) নদীর জল হাত বাড়ালেই স্পর্শ করা সম্ভব হওয়া

৪৯. নদেরচাঁদের দেশের নদীটি পরবর্তীকালে কী অবস্থায় পৌঁছেছিল?
(ক) প্রায় শুকিয়ে গিয়েছিল
(খ) সমুদ্রের মতো হয়ে গিয়েছিল
(গ) বন্যায় ভেসে গিয়েছিল
(ঘ) বরফে জমে গিয়েছিল

উত্তরঃ (ক) প্রায় শুকিয়ে গিয়েছিল

৫০. গল্পের শেষে নদেরচাঁদের শরীর কোথায় পড়ে রইল?
(ক) নদীর জলে
(খ) ব্রিজের উপর
(গ) রেললাইনের উপর
(ঘ) স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে

উত্তরঃ (গ) রেললাইনের উপর

[Madhyamik Bengali Suggestion Click Here]

অতিসংক্ষিপ্ত : নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | WBBSE Madhyamik Bengali Nodir Bidroho SAQ [প্রশ্নমান – ১]

১. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পটির রচয়িতা কে?
উত্তরঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।

২. নদেরচাঁদের পেশা কী ছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদ স্টেশনমাস্টারের চাকরি করত।

৩. নদেরচাঁদের বয়স কত ছিল?
উত্তরঃ ত্রিশ বছর।

৪. নদেরচাঁদের দেশের নদীটির নাম কী?
উত্তরঃ গল্পে নদেরচাঁদের দেশের নদীটির কোনো নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ করা হয়নি।

৫. নদেরচাঁদ নদীকে কেন ভালোবাসত?
উত্তরঃ নদেরচাঁদের জন্ম ও শৈশব নদীর ধারে কাটায় সে নদীকে ভালোবাসত।

৬. নদেরচাঁদ কত বছর ধরে স্টেশনমাস্টারি করছিল?
উত্তরঃ চার বছর ধরে।

৭. নদেরচাঁদের বয়স কত বছর হলে সে স্টেশনমাস্টারি করছিল?
উত্তরঃ ত্রিশ বছর বয়সে।

৮. নদেরচাঁদের স্ত্রী কী লিখেছিল?
উত্তরঃ তার স্ত্রী পাঁচ পাতার একটি চিঠি লিখেছিল।

৯. চিঠিটি কে লিখেছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদের স্ত্রী।

১০. নদেরচাঁদ কী ছিঁড়ে নদীর জলে ফেলেছিল?
উত্তরঃ স্ত্রীর লেখা চিঠির পাতা ছিঁড়ে নদীর জলে ফেলেছিল।

১১. নদীর জল কেমন হয়ে উঠেছিল?
উত্তরঃ নদীর জল পঙ্কিল ও ফেনোচ্ছ্বাসিত হয়ে উঠেছিল।

১২. ‘ফেনোচ্ছ্বাস’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ফেনার উচ্ছ্বাস বা প্রচুর ফেনা।

১৩. নদী কী ভাঙার চেষ্টা করছিল?
উত্তরঃ নদী তার দু’পাশের বাঁধ ভাঙার চেষ্টা করছিল।

১৪. “নদীর বিদ্রোহের কারণ সে বুঝিতে পারিয়াছে”—নদেরচাঁদের মতে কারণটি কী?
উত্তরঃ মানুষের তৈরি বাঁধ ও ব্রিজের মতো বাধার বিরুদ্ধে নদী বিদ্রোহ করেছিল।

১৫. নদেরচাঁদের কাছে নদী কেমন ছিল?
উত্তরঃ নদী তার কাছে বন্ধুর মতো ছিল।

১৬. নদেরচাঁদ কীসের জন্য গর্ব অনুভব করত?
উত্তরঃ কর্মস্থলের কাছের নদীটির জন্য সে গর্ব অনুভব করত।

১৭. নদেরচাঁদ নদীকে কী দিয়ে জানার চেষ্টা করছিল?
উত্তরঃ এতদিনের অর্জিত সামান্য জ্ঞান দিয়ে সে নদীকে জানার চেষ্টা করছিল।

১৮. নদেরচাঁদের ‘পাগলামি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ প্রবল বৃষ্টির মধ্যে নদীর ধারে গিয়ে বসে থাকাকে তার ‘পাগলামি’ বলা হয়েছে।

১৯. নদেরচাঁদ কোন ট্রেনটি পার করে নদীর ধারে গিয়েছিল?
উত্তরঃ চারটে পনেরোর প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি পার করে সে নদীর ধারে গিয়েছিল।

২০. নদেরচাঁদ নদীর ধারে কতক্ষণ বসেছিল?
উত্তরঃ প্রায় এক ঘণ্টা।

২১. “সে শৈশবে কি দুরন্তই ছিল”—কে দুরন্ত ছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদ শৈশবে দুরন্ত ছিল।

২২. নদী কেমন শব্দ করছিল?
উত্তরঃ নদী অসুস্থ মানুষের গোঙানির মতো শব্দ করছিল।

২৩. নদীর জল ব্রিজের থামে ধাক্কা খেয়ে কেমন হচ্ছিল?
উত্তরঃ ফেনায় ফুলে উঠছিল।

২৪. নদীর ভয়ংকর রূপ দেখে নদেরচাঁদের কী হয়েছিল?
উত্তরঃ নদীর উন্মত্ত ও ভয়ংকর রূপ দেখে তার ভয় হয়েছিল।

২৫. নদেরচাঁদের রোমান্টিক মন কীসে শুকিয়ে যাচ্ছিল?
উত্তরঃ কয়লা ও মালগাড়ির হিসাবের একঘেয়ে কাজে তার রোমান্টিক মন শুকিয়ে যাচ্ছিল।

২৬. নদেরচাঁদের কাছে ট্রেনটিকে কেমন মনে হচ্ছিল?
উত্তরঃ প্রাণহীন, যান্ত্রিক বস্তু বলে মনে হচ্ছিল।

২৭. “আমি চলিলাম”—কে, কাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদ নদীকে উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেছিল।

২৮. নদেরচাঁদ তার সহকারীকে কী বলেছিল?
উত্তরঃ সে নদীর ধার থেকে একটু ঘুরে আসছে বলে সহকারীকে জানিয়েছিল।

২৯. নদেরচাঁদ কীসের সঙ্গে পাল্লা দিতে চেয়েছিল?
উত্তরঃ নদীর উন্মত্ত স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিতে চেয়েছিল।

৩০. নদেরচাঁদ নদীকে দেখে কোন নদীর কথা মনে করেছিল?
উত্তরঃ তার দেশের শীর্ণকায়া নদীটির কথা মনে করেছিল।

৩১. নদেরচাঁদ কীসের হিসাব রাখেনি?
উত্তরঃ নদীর ধারে কতক্ষণ বসেছিল, তার হিসাব রাখেনি।

৩২. নদেরচাঁদের কী ভালো লাগছিল না?
উত্তরঃ স্ত্রীর চিঠির একঘেয়ে পারিবারিক সুখ-দুঃখের কথা তার ভালো লাগছিল না।

৩৩. নদেরচাঁদ কোন শব্দ শুনতে পাচ্ছিল না?
উত্তরঃ নদীর প্রচণ্ড গর্জনের কারণে ট্রেনের শব্দ শুনতে পাচ্ছিল না।

৩৪. বৃষ্টির ফলে নদীর জলস্তর কতটা বেড়ে গিয়েছিল?
উত্তরঃ নদীর জলস্তর ব্রিজের প্রায় এক হাত নিচে উঠে এসেছিল।

৩৫. নদেরচাঁদের শরীর কেমন হয়ে গিয়েছিল?
উত্তরঃ তার শরীর অবসন্ন ও অবশ হয়ে গিয়েছিল।

৩৬. “বড়ো ভয় করিতে লাগিল নদেরচাঁদের”—কেন?
উত্তরঃ নদীর উন্মত্ত ও ভয়ংকর রূপ দেখে নদেরচাঁদের ভয় করেছিল।

৩৭. নদেরচাঁদের মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল?
উত্তরঃ ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের তলায় চাপা পড়ে নদেরচাঁদের মৃত্যু হয়েছিল।

৩৮. কত নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেন নদেরচাঁদকে পিষে দিয়েছিল?
উত্তরঃ ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেন।

৩৯. “নদীর বিদ্রোহের এক দুর্বল প্রতিরূপ”—কাকে বলা হয়েছে?
উত্তরঃ নদেরচাঁদকে নদীর বিদ্রোহের এক দুর্বল প্রতিরূপ বলা হয়েছে।

৪০. নদেরচাঁদের শেষ পরিণতি কী হয়েছিল?
উত্তরঃ ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের তলায় চাপা পড়ে তার মৃত্যু হয়েছিল।

[Madhyamik Suggestion Click Here]

সংক্ষিপ্ত : নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho QNA [প্রশ্নমান – ৩]

১. “মানুষ কি তাকে রেহাই দিয়াছে?”—কে, কাকে রেহাই দেয়নি? এর তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ এখানে মানুষ নদীকে রেহাই দেয়নি। মানুষ নিজের প্রয়োজনে নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ করেছে এবং বাঁধ দিয়ে তার স্বাভাবিক গতিকে বাধা দিয়েছে। নদেরচাঁদের মনে হয়েছিল, মানুষের এই নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে নদী যেন বিদ্রোহ করে নিজের স্বাধীনতা ফিরে পেতে চাইছে।

২. “নদীকে এভাবে ভালোবাসিবার একটা কৈফিয়ত নদেরচাঁদ দিতে পারে”—কৈফিয়তটি কী?
উত্তরঃ নদেরচাঁদের জন্ম ও শৈশব নদীর ধারে কেটেছিল। তার দেশের শীর্ণকায়া নদীর সঙ্গে তার শৈশবের স্মৃতি জড়িয়ে ছিল। তাই নদীর প্রতি তার গভীর ও স্বাভাবিক ভালোবাসা ছিল। এই ভালোবাসার কারণেই সে কর্মস্থলের নদীকেও আপন করে নিয়েছিল।

৩. “নদীর বিদ্রোহের কারণ সে বুঝিতে পারিয়াছে”—নদেরচাঁদ কী বুঝেছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদ বুঝেছিল, মানুষ ব্রিজ ও বাঁধ তৈরি করে নদীর স্বাভাবিক গতিকে বাধা দিয়েছে। তাই নদী যেন সেই বাধা ভেঙে নিজের স্বাধীন গতি ফিরে পাওয়ার জন্য বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে।

৪. “নিজের এই পাগলামিতে যেন আনন্দই উপভোগ করে”—কোন পাগলামির কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ এখানে নদেরচাঁদের প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও নদীর কাছে গিয়ে বসে থাকা ও নদীর উন্মত্ত রূপ উপভোগ করার প্রবণতাকে ‘পাগলামি’ বলা হয়েছে। প্রকৃতির প্রতি তার গভীর আকর্ষণের কারণেই সে এই পাগলামিতে আনন্দ পেত।

৫. নদেরচাঁদের দেশের নদী ও কর্মস্থলের নদীর মধ্যে কী পার্থক্য ছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদের দেশের নদী ছিল শীর্ণকায়া ও ক্ষীণস্রোতা। অন্যদিকে কর্মস্থলের নদী ছিল প্রশস্ত, গভীর ও প্রবল স্রোতযুক্ত। বর্ষার প্রবল বৃষ্টিতে কর্মস্থলের নদীটি ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছিল। এই দুই নদীর বৈপরীত্য নদেরচাঁদের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

৬. “নদেরচাঁদ স্তম্ভিত হইয়া গেল”—কেন সে স্তম্ভিত হয়েছিল?
উত্তরঃ পাঁচদিনের একটানা বৃষ্টির ফলে চেনা নদীটি অস্বাভাবিকভাবে ফুলে-ফেঁপে উঠেছিল। তার জল পঙ্কিল ও ফেনোচ্ছ্বাসিত হয়ে প্রবল স্রোতে ছুটছিল এবং ব্রিজের থামে ধাক্কা খাচ্ছিল। নদীর এই অপরিচিত ও ভয়ংকর রূপ দেখে নদেরচাঁদ স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল।

৭. “বড়ো ভয় করিতে লাগিল নদেরচাঁদের”—ভয়ের কারণ কী?
উত্তরঃ নদীর জলস্তর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল এবং নদী উন্মত্ত ও ধ্বংসাত্মক রূপ ধারণ করেছিল। তার প্রচণ্ড গর্জন ও প্রবল স্রোত দেখে নদেরচাঁদের মনে অজানা বিপদের আশঙ্কা জেগেছিল। তাই সে ভয় পেয়েছিল।

৮. নদেরচাঁদ তার স্ত্রীর চিঠি কেন ছিঁড়ে ফেলেছিল?
উত্তরঃ নদীর উন্মত্ত রূপে নদেরচাঁদ তখন সম্পূর্ণ আবিষ্ট ও আত্মমগ্ন ছিল। স্ত্রীর চিঠির সাধারণ সংসারী সুখ-দুঃখের কথা তার কাছে তখন একঘেয়ে ও তুচ্ছ মনে হয়েছিল। তাই সে চিঠির পাতা ছিঁড়ে নদীর জলে ফেলে দিয়েছিল।

৯. নদেরচাঁদ কীভাবে ট্রেনের তলায় চাপা পড়েছিল?
উত্তরঃ নদীর ভয়ংকর রূপ দেখে নদেরচাঁদ ব্রিজের উপর থেকে স্টেশনের দিকে ছুটতে শুরু করেছিল। নদীর প্রচণ্ড গর্জনের কারণে সে ট্রেনের শব্দ ঠিকমতো শুনতে পারেনি। ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি এসে পড়লে সে আর নিরাপদে সরে যেতে পারেনি এবং ট্রেনের তলায় চাপা পড়ে মারা যায়।

১০. “আমি হয়তো পাগল হইয়া গিয়াছি”—নদেরচাঁদের এমন মনে হয়েছিল কেন?
উত্তরঃ নদীর উন্মত্ত রূপ দেখে নদেরচাঁদ ক্রমশ আবেগ ও আত্মমগ্নতার মধ্যে ডুবে গিয়েছিল। সে নদীর সঙ্গে নিজের মনের মিল খুঁজে পাচ্ছিল এবং নদীর সঙ্গে যেন কথাও বলছিল। নিজের এই অস্বাভাবিক আচরণ ও চিন্তার কারণেই তার মনে হয়েছিল, সে হয়তো পাগল হয়ে গেছে।

১১. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে ট্রেন ও নদীর মধ্যে কী বৈপরীত্য দেখা যায়?
উত্তরঃ নদীকে গল্পে জীবন্ত, আবেগময় ও বিদ্রোহী সত্তা হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিপরীতে ট্রেন হলো প্রাণহীন ও যান্ত্রিক শক্তির প্রতীক। নদী তার বাধা ভেঙে মুক্ত হতে চায়, আর ট্রেন নির্দিষ্ট পথে নিয়ম মেনে ছুটে চলে। এই বৈপরীত্যের মাধ্যমে প্রকৃতি ও যন্ত্রসভ্যতার দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে।

১২. “আজ তার মনে হইল, কী সর্বনাশ!”—‘সর্বনাশ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘সর্বনাশ’ বলতে নদীর বাঁধ ভেঙে সম্ভাব্য বন্যা ও ধ্বংসের আশঙ্কা বোঝানো হয়েছে। নদেরচাঁদের মনে হয়েছিল, নদীর প্রবল স্রোত বাঁধ ভেঙে দিলে চারপাশের ঘরবাড়ি, জমিজমা ও মানুষের জীবন বিপন্ন হতে পারে।

১৩. নদেরচাঁদের চরিত্র কীভাবে ট্র্যাজিক হয়ে উঠেছে?
উত্তরঃ নদেরচাঁদ ছিল নদী ও প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ। কিন্তু নদীর প্রতি তার প্রবল আকর্ষণ তাকে একসময় বাস্তববোধ থেকে দূরে নিয়ে যায়। নদীর গর্জনে ট্রেনের শব্দ শুনতে না পেয়ে সে বিপদের মুখে পড়ে এবং ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের তলায় চাপা পড়ে মৃত্যুবরণ করে। তার প্রকৃতিপ্রেমই শেষ পর্যন্ত তার করুণ পরিণতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।

১৪. “সেও বোধ হয় এই নদীর মতোই একটা নদী ছিল”—এই ভাবনার কারণ কী?
উত্তরঃ নদীর চঞ্চলতা ও আবেগময় রূপ দেখে নদেরচাঁদের তার স্ত্রীর কথা মনে পড়েছিল। নদী যেমন কখনও শান্ত, আবার কখনও চঞ্চল ও উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে, তার স্ত্রীর স্বভাবের মধ্যেও সে তেমন চঞ্চলতা ও আবেগ অনুভব করেছিল। তাই তার এমন মনে হয়েছিল।

১৫. গল্পের শেষে নদেরচাঁদ কীসের প্রতিরূপ হয়ে উঠেছিল?
উত্তরঃ গল্পের শেষে নদেরচাঁদ নদীর বিদ্রোহের এক দুর্বল প্রতিরূপে পরিণত হয়েছিল। নদী যেমন মানুষের তৈরি বাধার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছিল, নদেরচাঁদের মনেও তেমনি একঘেয়ে জীবন ও বাঁধাধরা অস্তিত্ব থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা দেখা দিয়েছিল। তার এই মানসিক অবস্থাই তাকে করুণ পরিণতির দিকে নিয়ে যায়।

১৬. “ব্রিজের একপাশে দাঁড়াইয়া সে অনেকক্ষণ সময় কাটাইয়া দিল”—নদেরচাঁদ সেখানে কী করছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদ সেখানে দাঁড়িয়ে নদীর উন্মত্ত রূপ দেখছিল। সে দেখছিল পঙ্কিল জল প্রবল স্রোতে ছুটে যাচ্ছে, ব্রিজের থামে ধাক্কা খেয়ে ফেনায় ফুলে উঠছে এবং চারদিকে এক ভয়ংকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। সে নদীর এই বিদ্রোহকে গভীরভাবে অনুভব করছিল।

১৭. নদেরচাঁদের রোমান্টিক মনের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ নদেরচাঁদ ছিল প্রকৃতিপ্রেমী ও সংবেদনশীল রোমান্টিক মানুষ। সে নদীকে শুধু জলধারা হিসেবে দেখেনি; তার মধ্যে জীবন, আবেগ ও বিদ্রোহ অনুভব করেছে। বৃষ্টিতে ভিজে নদীর কাছে যাওয়া, নদীর সঙ্গে কথোপকথনের মতো আচরণ এবং নদীর চাঞ্চল্যকে স্ত্রীর সঙ্গে তুলনা করা তার রোমান্টিক মনের পরিচয় বহন করে।

১৮. “নদীর দিকে দৃষ্টিপাত করিয়াই নদেরচাঁদ স্তম্ভিত হইয়া গেল”—সে কী দেখেছিল?
উত্তরঃ সে দেখেছিল নদীর জলস্তর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। পঙ্কিল ও ফেনোচ্ছ্বাসিত জল প্রবল বেগে ছুটে চলেছে এবং ব্রিজের থামে ধাক্কা খাচ্ছে। চেনা নদীর এই রুদ্রমূর্তি দেখে নদেরচাঁদ স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল।

১৯. নদেরচাঁদ কীভাবে নদীকে অনুভব করতে চেয়েছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদ শুধু চোখ দিয়ে নদীকে দেখতে চায়নি; সে নদীর গর্জন, স্রোত ও উন্মত্ততা গভীরভাবে অনুভব করতে চেয়েছিল। নদীর সঙ্গে তার এক ধরনের আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। তাই সে নদীর কাছাকাছি গিয়ে তার বিদ্রোহী রূপ প্রত্যক্ষ করছিল।

২০. “একটি সংকীর্ণ ক্ষীণ স্রোতধারা”—কোন নদীর প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
উত্তরঃ নদেরচাঁদের দেশের নদীর প্রসঙ্গে এই কথা বলা হয়েছে। নদীটি ছিল সংকীর্ণ ও ক্ষীণস্রোতা। কর্মস্থলের প্রবল স্রোতযুক্ত নদীর তুলনায় তার দেশের নদী ছিল অত্যন্ত দুর্বল ও শীর্ণকায়া।

২১. নদেরচাঁদের মানসিক অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদের মানসিক অবস্থা ছিল জটিল ও আবেগপ্রবণ। একদিকে সে দায়িত্বশীল স্টেশনমাস্টার, অন্যদিকে প্রকৃতির প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট একজন রোমান্টিক মানুষ। নদীর উন্মত্ত রূপ তাকে এতটাই আবিষ্ট করেছিল যে শেষদিকে তার বাস্তববোধ কিছুটা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

২২. “নদেরচাঁদের ভারী আমোদ বোধ হইতে লাগিল”—কীসে তার আমোদ হচ্ছিল?
উত্তরঃ নদীর প্রবল স্রোত ও জলস্তরের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দেখে নদেরচাঁদের আনন্দ ও উত্তেজনা হচ্ছিল। নদীর জল ব্রিজের এত কাছে উঠে এসেছিল যে তার প্রবল শক্তি নদেরচাঁদকে মুগ্ধ করেছিল। নদীর এই নতুন রূপকে প্রত্যক্ষ করেই তার আমোদ হচ্ছিল।

২৩. নদেরচাঁদ কীসের সঙ্গে পাল্লা দিতে চেয়েছিল?
উত্তরঃ নদেরচাঁদ নদীর উন্মত্ত স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিতে চেয়েছিল। নদীর প্রবল গতি ও বিদ্রোহী রূপ তাকে এতটাই আকৃষ্ট করেছিল যে সে নিজেকেও সেই গতির সঙ্গে একাত্ম করতে চেয়েছিল।

২৪. গল্পের শেষে প্রকৃতি ও যন্ত্রের দ্বন্দ্বের কী পরিণতি ঘটেছে?
উত্তরঃ গল্পের শেষে নদেরচাঁদের মৃত্যুর মাধ্যমে প্রকৃতি ও যন্ত্রের দ্বন্দ্ব এক করুণ পরিণতিতে পৌঁছেছে। নদী ছিল জীবন্ত ও বিদ্রোহী, আর ট্রেন ছিল যান্ত্রিক ও নির্লিপ্ত। নদেরচাঁদ নদীর প্রতি আকর্ষণে বিপদের মধ্যে পড়ে এবং যান্ত্রিক ট্রেনের তলায় প্রাণ হারায়।

২৫. “আমি চলিলাম হে”—উক্তিটির মধ্যে নদেরচাঁদের কোন মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তরঃ এই উক্তির মধ্যে নদেরচাঁদের আবেগ, আত্মমগ্নতা ও নদীর প্রতি গভীর আকর্ষণ প্রকাশ পেয়েছে। নদীর সঙ্গে তার এমন এক মানসিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল যে সে নদীকে যেন একটি জীবন্ত সত্তা হিসেবে ভাবছিল। একই সঙ্গে তার একঘেয়ে জীবনের বাঁধন থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষার আভাসও এই উক্তিতে পাওয়া যায়।

রচনাধর্মী : নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho LAQ [প্রশ্নমান – ৫]

১. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পের নামকরণ কতখানি সার্থক হয়েছে, তা আলোচনা করো।

উত্তরঃ ভূমিকা: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পের নামকরণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, ব্যঞ্জনাময় ও সার্থক। গল্পের মূল ঘটনা, নদেরচাঁদের মানসিকতা এবং প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্ক—সবকিছুর সঙ্গে নামটির গভীর যোগ রয়েছে।

আক্ষরিক অর্থে নদীর বিদ্রোহ: পাঁচ দিন ধরে অবিরাম বৃষ্টির ফলে নদীর জলস্তর বেড়ে যায় এবং তার স্রোত প্রবল ও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। নদী তার তীরের বাঁধ ভাঙার উপক্রম করে। তার এই উন্মত্ত ও বিধ্বংসী রূপই নদীর প্রত্যক্ষ বা আক্ষরিক বিদ্রোহ।

প্রতীকী অর্থে বিদ্রোহ: মানুষ নদীর স্বাভাবিক গতিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্রিজ ও বাঁধ নির্মাণ করেছে। নদেরচাঁদের কল্পনায় নদীর এই অস্বাভাবিক রূপ যেন মানুষের তৈরি বাধার বিরুদ্ধে প্রকৃতির প্রতিবাদ।

নদেরচাঁদের মানসিক বিদ্রোহ: নদীর বিদ্রোহের সঙ্গে নদেরচাঁদের নিজের মানসিক অবস্থারও মিল রয়েছে। একঘেয়ে চাকরি ও বাঁধাধরা জীবনের প্রতি তার এক ধরনের অতৃপ্তি ছিল। নদীর উন্মত্ততার মধ্যে সে নিজের মনের অস্থিরতা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখতে পায়।

উপসংহার: তাই ‘নদীর বিদ্রোহ’ নামটি শুধু নদীর প্রাকৃতিক রূপান্তরকেই বোঝায় না; এর মধ্যে প্রকৃতির শক্তি, মানুষের তৈরি বাধার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং নদেরচাঁদের অন্তর্দ্বন্দ্বেরও ইঙ্গিত রয়েছে। এই বহুমাত্রিক ব্যঞ্জনার জন্য নামকরণটি যথার্থ ও সার্থক।

২. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্প অবলম্বনে নদেরচাঁদ চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ ভূমিকা: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র নদেরচাঁদ। ত্রিশ বছর বয়সি এই স্টেশনমাস্টার প্রকৃতিপ্রেমী, সংবেদনশীল, কল্পনাপ্রবণ এবং আত্মমগ্ন চরিত্র।

প্রকৃতিপ্রেমী: নদেরচাঁদের নদীর প্রতি গভীর ভালোবাসা ছিল। তার শৈশব নদীর ধারে কেটেছিল বলে নদীর সঙ্গে তার আবেগের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সে নদীকে শুধু জলের স্রোত হিসেবে দেখেনি; একটি জীবন্ত সত্তা হিসেবে অনুভব করেছে।

সংবেদনশীল ও কল্পনাপ্রবণ: নদীর পরিবর্তিত রূপ তার মনে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করে। সে নদীর বিদ্রোহের কারণ নিয়ে চিন্তা করে এবং মানুষের তৈরি বাঁধ ও ব্রিজের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক বিচার করে।

পেশাগত জীবনে দায়িত্বশীল কিন্তু মানসিকভাবে অতৃপ্ত: স্টেশনমাস্টার হিসেবে সে দায়িত্ব পালন করলেও একঘেয়ে চাকরি ও হিসাব-নিকাশের জীবন তার সংবেদনশীল মনকে তৃপ্ত করতে পারেনি।

আত্মমগ্নতা: নদীর উন্মত্ত রূপের মধ্যে সে এতটাই ডুবে যায় যে, বাইরের জগতের প্রতি তার সচেতনতা ক্রমশ কমে আসে। স্ত্রীর চিঠির কথাও তখন তার কাছে তেমন গুরুত্ব পায় না।

ট্র্যাজিক পরিণতি: নদীর প্রতি অতিরিক্ত আবেগ ও আত্মমগ্নতার কারণে সে বিপদের মুহূর্তে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের আঘাতে তার মৃত্যু হয়।

উপসংহার: নদেরচাঁদ তাই শুধু একজন স্টেশনমাস্টার নয়; সে প্রকৃতিপ্রেমী ও সংবেদনশীল মানুষের প্রতীক, যার আবেগ ও বাস্তব জীবনের দ্বন্দ্ব তাকে একটি করুণ পরিণতির দিকে নিয়ে যায়।

৩. “নদীর বিদ্রোহের কারণ সে বুঝিতে পারিয়াছে।” – নদীর বিদ্রোহের কারণ হিসেবে নদেরচাঁদ কী বুঝেছিল? তার এই উপলব্ধি গল্পের শেষে কীভাবে তার পরিণতির কারণ হলো?

উত্তরঃ নদেরচাঁদের মনে হয়েছিল, মানুষ নদীর স্বাভাবিক গতিপথে নানা বাধা সৃষ্টি করেছে। ব্রিজ ও বাঁধ নির্মাণ করে মানুষ নদীকে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে। ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নদেরচাঁদের কল্পনায় নদীর প্রবল রূপ যেন সেই বাধার বিরুদ্ধে প্রকৃতির প্রতিবাদ বা বিদ্রোহ।

এই উপলব্ধির সঙ্গে নদেরচাঁদের নিজের জীবনেরও মিল ছিল। তার একঘেয়ে চাকরি ও বাঁধাধরা জীবনের মধ্যে এক ধরনের মানসিক অস্থিরতা ছিল। তাই নদীর বিদ্রোহকে সে নিজের মনের অস্থিরতার সঙ্গেও মিলিয়ে দেখতে থাকে।

নদীর উন্মত্ত রূপ তাকে গভীরভাবে আচ্ছন্ন করে। ব্রিজের কাছে দাঁড়িয়ে সে দীর্ঘ সময় নদীর দিকে তাকিয়ে থাকে এবং বাস্তব জগতের প্রতি তার সচেতনতা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে যায়। নদীর গর্জনের মধ্যে সে ট্রেনের আগমন যথাসময়ে উপলব্ধি করতে পারেনি।

ফলে ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের আঘাতে তার মৃত্যু ঘটে। তাই বলা যায়, নদীর বিদ্রোহ সম্পর্কে তার গভীর আবেগময় উপলব্ধি এবং সেই উপলব্ধিতে অতিরিক্ত আত্মমগ্নতাই পরোক্ষভাবে তার করুণ পরিণতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।

৪. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে মানুষ ও প্রকৃতির সংঘাত কীভাবে ফুটে উঠেছে? এই সংঘাতে কার জয় হয়েছে বলে তোমার মনে হয়?

উত্তরঃ ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্ক এবং প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করার মানুষের প্রচেষ্টা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

মানুষ নিজের সুবিধার জন্য নদীর ওপর ব্রিজ ও বাঁধ নির্মাণ করেছে। এগুলি মানুষের প্রযুক্তি ও প্রকৃতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রতীক। কিন্তু পাঁচ দিনের অবিরাম বৃষ্টিতে নদীর জল ফুলে-ফেঁপে ওঠে এবং তার স্রোত প্রবল হয়ে ওঠে। নদী বাঁধের অস্তিত্বকে অগ্রাহ্য করে নিজের শক্তির প্রকাশ ঘটায়।

নদেরচাঁদ এই সংঘাতকে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে অনুভব করে। সে নদীর মধ্যে একটি জীবন্ত সত্তার বিদ্রোহ দেখতে পায়। তার নিজের মানসিক অস্থিরতার সঙ্গেও নদীর এই বিদ্রোহের মিল খুঁজে পায়।

গল্পের শেষে নদেরচাঁদের মৃত্যুতে মানুষ, প্রকৃতি ও যান্ত্রিক সভ্যতার সংঘাত একটি করুণ পরিণতি লাভ করে। তবে এখানে সরলভাবে প্রকৃতি বা যন্ত্র—কোনো এক পক্ষের সম্পূর্ণ জয় ঘোষণা করা ঠিক নয়।

বরং গল্পটি দেখায়, প্রকৃতিকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করার মানুষের চেষ্টা এবং প্রকৃতির প্রবল শক্তির মধ্যে ভারসাম্যের অভাব কতটা ভয়াবহ হতে পারে।

উপসংহার: তাই এই সংঘাতে কোনো পক্ষের সরল জয়-পরাজয়ের চেয়ে মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্কের জটিলতা এবং তার করুণ পরিণতিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

৫. “বড়ো ভয় করিতে লাগিল নদেরচাঁদের”—নদেরচাঁদের ভয়ের কারণ ও স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ নদেরচাঁদের ভয় শুধু বাহ্যিক বিপদের ভয় ছিল না; এর সঙ্গে প্রকৃতির অজানা ও অপরিমেয় শক্তির প্রতি তার গভীর মানসিক প্রতিক্রিয়া যুক্ত ছিল।

নদীর অপরিচিত রূপ: চার বছর ধরে পরিচিত নদীকে নদেরচাঁদ হঠাৎ সম্পূর্ণ অন্য রূপে দেখতে পায়। পাঁচ দিনের প্রবল বৃষ্টিতে নদী উন্মত্ত, গর্জনশীল ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল। এই অপরিচিত রূপ তাকে আতঙ্কিত করে।

ধ্বংসের আশঙ্কা: নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় এবং বাঁধের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হওয়ায় নদেরচাঁদের মনে হয়, বাঁধ ভেঙে গেলে ভয়াবহ বন্যা ও ধ্বংস হতে পারে।

প্রকৃতির শক্তির উপলব্ধি: এতদিনের পরিচিত নদী যে এত শক্তিশালী ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে, তা দেখে সে প্রকৃতির বিশাল শক্তি উপলব্ধি করে। এর ফলে তার মনে আশ্চর্য, আকর্ষণ ও ভয়—তিনটি অনুভূতি একসঙ্গে কাজ করে।

ভয়ের স্বরূপ: নদেরচাঁদের ভয় তাই একদিকে বাস্তব বিপদের আশঙ্কা, অন্যদিকে প্রকৃতির অপ্রতিরোধ্য শক্তির সামনে মানুষের অসহায়ত্বের অনুভূতি।

উপসংহার: ভয় ও আকর্ষণের এই দ্বৈত অনুভূতিই নদেরচাঁদের চরিত্রকে গভীর ও ট্র্যাজিক করে তুলেছে।

৬. “আজ তার মনে হইল, কী সর্বনাশ! নদী যে রূপ ধারণ করিয়াছে…”—নদেরচাঁদের এই উপলব্ধির প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য আলোচনা করো।

উত্তরঃ প্রেক্ষাপট: পাঁচ দিন ধরে অবিরাম বৃষ্টির পর নদেরচাঁদ নদীর কাছে এসে তার সম্পূর্ণ পরিবর্তিত রূপ দেখতে পায়। নদীর জলস্তর বেড়ে গেছে, স্রোত প্রবল হয়েছে এবং তার গর্জন চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভয়ঙ্কর রূপ দেখে তার মনে ‘কী সর্বনাশ!’ ভাবটি জেগে ওঠে।

উপলব্ধি: নদেরচাঁদের মনে হয়, নদী যদি এভাবে ফুলে-ফেঁপে উঠতে থাকে, তাহলে বাঁধ ভেঙে যেতে পারে এবং ভয়াবহ বন্যা ও ধ্বংস ঘটতে পারে। সে উপলব্ধি করে যে মানুষের তৈরি বাঁধ ও অন্যান্য বাধা প্রকৃতির প্রবল শক্তির সামনে কতটা দুর্বল।

তাৎপর্য: এই উপলব্ধির মাধ্যমে গল্পে মানুষের প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ পায়। মানুষ নদীকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলেও প্রকৃতির শক্তি সবসময় মানুষের ইচ্ছাধীন নয়।

এছাড়া নদেরচাঁদের নিজের মানসিক অবস্থার সঙ্গেও নদীর এই রূপের মিল রয়েছে। নদীর উচ্ছ্বাস ও অস্থিরতার মধ্যে সে নিজের মনের অস্থিরতারও প্রতিফলন দেখতে পায়।

উপসংহার: তাই ‘কী সর্বনাশ!’ শুধু প্রাকৃতিক বিপদের আশঙ্কা নয়; এটি প্রকৃতির শক্তি সম্পর্কে নদেরচাঁদের গভীর উপলব্ধির প্রকাশ।

৭. “ব্রিজের একপাশে দাঁড়াইয়া সে অনেকক্ষণ সময় কাটাইয়া দিল”—এই সময়কালে নদেরচাঁদের মানসিক অবস্থার বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ ব্রিজের কাছে দাঁড়িয়ে নদীর দিকে তাকিয়ে থাকার সময় নদেরচাঁদের মনে বিস্ময়, ভয়, আকর্ষণ ও আবেগের জটিল মিশ্রণ তৈরি হয়।

প্রথমে নদীর অপরিচিত ও ভয়ঙ্কর রূপ দেখে সে আতঙ্কিত হয়। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই ভয়কে ছাপিয়ে নদীর প্রতি তার আকর্ষণ বাড়তে থাকে। সে নদীর প্রবল স্রোত, গর্জন ও উন্মত্ততার মধ্যে এক ধরনের জীবন্ত শক্তির প্রকাশ অনুভব করে।

এই সময় নদেরচাঁদ নদীর সঙ্গে মানসিকভাবে একাত্ম হয়ে পড়ে। নদীর বিদ্রোহের সঙ্গে নিজের জীবনের একঘেয়েমি ও মানসিক অস্থিরতার মিল খুঁজে পায়।

তার স্ত্রী, চাকরি ও দৈনন্দিন জীবনের নানা বিষয় তখন তার মন থেকে অনেকটাই দূরে সরে যায়। নদীর দৃশ্য তার চেতনাকে সম্পূর্ণভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলে।

এই আত্মমগ্নতার কারণেই শেষ পর্যন্ত সে বাস্তব বিপদের প্রতি যথেষ্ট সতর্ক থাকতে পারে না।

উপসংহার: ব্রিজের কাছে কাটানো সময়টি নদেরচাঁদের চরিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এখানে তার প্রকৃতিপ্রেম, আবেগ, আত্মমগ্নতা ও বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতার দিকগুলি সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

৮. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে আধুনিক যন্ত্রসভ্যতা ও আদিম প্রকৃতির মধ্যে যে সংঘাত দেখানো হয়েছে, তা নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তরঃ ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে আধুনিক যন্ত্রসভ্যতা ও প্রকৃতির সংঘাত ব্রিজ, ট্রেন, স্টেশন এবং নদীর পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

যন্ত্রসভ্যতার প্রতীক: ট্রেন, স্টেশন ও ব্রিজ মানুষের তৈরি প্রযুক্তি ও নিয়ন্ত্রিত জীবনের প্রতীক। ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ে চলে, স্টেশন নির্দিষ্ট নিয়মে পরিচালিত হয় এবং ব্রিজ নদীর ওপর মানুষের নির্মিত একটি কাঠামো।

প্রকৃতির প্রতীক: নদী হলো স্বাধীন, জীবন্ত ও অপ্রতিরোধ্য প্রকৃতির প্রতীক। বর্ষার জলে তার স্বাভাবিক শক্তি বহুগুণ বেড়ে যায় এবং সে মানুষের তৈরি বাধার সামনে নিজের শক্তি প্রকাশ করে।

নদেরচাঁদের অবস্থান: নদেরচাঁদ একদিকে যান্ত্রিক রেলব্যবস্থার কর্মী, অন্যদিকে গভীরভাবে নদীপ্রেমী। তাই তার চরিত্রের মধ্যেই যন্ত্রসভ্যতা ও প্রকৃতির দ্বন্দ্ব বিশেষভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

গল্পের শেষে নদেরচাঁদের মৃত্যু এই সংঘাতকে করুণ পরিণতি দেয়। তবে এটিকে শুধু যন্ত্রের জয় হিসেবে দেখলে গল্পের গভীরতা কমে যায়। বরং লেখক প্রকৃতির শক্তি, যান্ত্রিক জীবনের সীমাবদ্ধতা এবং মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্বকে একসঙ্গে তুলে ধরেছেন।

উপসংহার: এই কারণে গল্পে প্রকৃতি ও যন্ত্রের সংঘাত কেবল বাহ্যিক নয়; এটি মানুষের জীবন ও মানসিকতার মধ্যেও চলমান এক গভীর দ্বন্দ্বের প্রতীক।

৯. নদেরচাঁদ চরিত্রটির মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ নদেরচাঁদের চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ এবং একঘেয়ে বাস্তব জীবনের সঙ্গে তার মানসিক দূরত্ব।

একঘেয়েমি ও অতৃপ্তি: স্টেশনমাস্টারের চাকরিতে নিয়ম, সময়সূচি, কয়লা ও মালগাড়ির হিসাব—এসবের মধ্যে তার সংবেদনশীল মন সম্পূর্ণ তৃপ্তি পায় না। ফলে তার মধ্যে এক ধরনের মানসিক অতৃপ্তি তৈরি হয়।

প্রকৃতির সঙ্গে একাত্মতা: নদীর মধ্যে নদেরচাঁদ নিজের মনেরই প্রতিচ্ছবি দেখতে পায়। নদীর ওপর মানুষের তৈরি বাধা এবং নিজের জীবনের বাঁধাধরা অবস্থার মধ্যে সে একটি সাদৃশ্য অনুভব করে।

আত্মমগ্নতা: নদীর উন্মত্ত রূপ তাকে এতটাই আকৃষ্ট করে যে সে ধীরে ধীরে বাইরের জগতের প্রতি অসচেতন হয়ে পড়ে। বাস্তব জগতের পরিবর্তে নদীর জগতই তার কাছে প্রধান হয়ে ওঠে।

বাস্তবতা থেকে সাময়িক বিচ্ছিন্নতা: স্ত্রীর চিঠি ছিঁড়ে ফেলা এবং নদীর ধারে দীর্ঘ সময় কাটানো তার মানসিক অস্থিরতার পরিচয় দেয়। তবে এটিকে সরাসরি সচেতন আত্মহত্যার ইচ্ছা বলা ঠিক নয়; বরং অতিরিক্ত আত্মমগ্নতা ও বাস্তবতা-বিস্মৃতিই তার করুণ পরিণতির দিকে নিয়ে যায়।

উপসংহার: নদেরচাঁদ তাই একজন সংবেদনশীল, প্রকৃতিপ্রেমী, কল্পনাপ্রবণ অথচ মানসিক দ্বন্দ্বে জর্জরিত মানুষ। তার চরিত্রের মধ্য দিয়ে লেখক আধুনিক জীবনের একঘেয়েমি ও মানুষের অন্তর্গত মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরেছেন।

১০. গল্পের শেষে নদেরচাঁদের মৃত্যু কি শুধুই একটি দুর্ঘটনা, নাকি এর কোনো প্রতীকী তাৎপর্য আছে? আলোচনা করো।

উত্তরঃ গল্পের বাহ্যিক ঘটনাক্রমে নদেরচাঁদের মৃত্যু একটি দুর্ঘটনা। নদীর গর্জনে ও নিজের গভীর আবেশে সে এতটাই মগ্ন ছিল যে ট্রেনের আগমন সম্পর্কে যথাসময়ে সচেতন হতে পারেনি। ফলে ৭ নম্বর ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেনের আঘাতে তার মৃত্যু হয়।

তবে এই মৃত্যুর একটি গভীর প্রতীকী তাৎপর্যও রয়েছে।

প্রকৃতি ও যন্ত্রের দ্বন্দ্ব: নদেরচাঁদ একদিকে নদীর প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট, অন্যদিকে সে রেলব্যবস্থার একজন কর্মী। তাই তার মৃত্যু প্রকৃতি ও যান্ত্রিক জীবনের দ্বন্দ্বকে করুণভাবে প্রকাশ করে।

রোমান্টিক মন ও বাস্তবতার সংঘাত: নদেরচাঁদের আবেগপ্রবণ ও প্রকৃতিপ্রেমী মন বাস্তব জীবনের কঠোর নিয়মের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। ট্রেনের আঘাত সেই কঠোর বাস্তবতার নির্মম উপস্থিতিকে প্রকাশ করে।

নদীর সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক: নদেরচাঁদ নদীর বিদ্রোহের মধ্যে নিজের মনের অস্থিরতা খুঁজে পেয়েছিল। ফলে তার মৃত্যু যেন তার অতিরিক্ত আত্মমগ্নতার করুণ পরিণতি।

উপসংহার: সুতরাং নদেরচাঁদের মৃত্যু একদিকে বাস্তব দুর্ঘটনা, অন্যদিকে এর মধ্যে প্রকৃতি ও যন্ত্র, আবেগ ও বাস্তবতা এবং মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা ও সামাজিক জীবনের বাঁধনের সংঘাতের প্রতীকী ব্যঞ্জনা রয়েছে। এই কারণেই গল্পের সমাপ্তি অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

Madhyamik All Subjects Suggestion | মাধ্যমিক সাজেশন:

PDF: নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer PDF Download

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer PDF Download: নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর সহ একটি PDF File শিক্ষার্থীদের revision-এর সুবিধার জন্য দেওয়া হলো।

PDF Download: নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণীর বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer PDF Click Here

আমাদের YouTube Channel টি সাবস্ক্রাইব করুন  Click Here To Subscribe Now

West Bengal Class 10 Bengali Board Exam Details

West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) conducts the Madhyamik Examination for Class 10 students across West Bengal. Bengali is one of the important subjects in the Madhyamik Board Exam, and students need to prepare each chapter carefully according to the prescribed syllabus. Here you will find useful Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer, study materials, important questions and other resources to help students prepare effectively for the Class 10 Bengali Board Exam.

Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Syllabus PDF

Madhyamik Bengali Nodir Bidroho ‘নদীর বিদ্রোহ’ (গল্প) – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। এই অধ্যায় থেকে বিভিন্ন ধরনের MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং বর্ণনামূলক প্রশ্ন পরীক্ষায় আসতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত সিলেবাস অনুযায়ী অধ্যায়টি মন দিয়ে পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি বারবার অনুশীলন করা।

Madhyamik Bengali Syllabus PDF: Click Here

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer

Madhyamik Bengali Nodir Bidroho নদীর বিদ্রোহ (গল্প) – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে মাধ্যমিক দশম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি উপরে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে অধ্যায়ের বিভিন্ন অংশ থেকে নির্বাচিত MCQ, SAQ, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর এবং Notes সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় শিক্ষার্থীরা এগুলি ভালোভাবে পড়তে এবং নিয়মিত অনুশীলন করতে পারে।

West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Suggestion Question and Answer

West Bengal WBBSE Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Suggestion Question and Answer খুঁজছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্য এই পোস্টে ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্প – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর একসঙ্গে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার আগে দ্রুত Revision করার পাশাপাশি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই প্রশ্নোত্তরগু,লি সহায়ক হবে।

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – দশম শ্রেণির বাংলা | Madhyamik Bengali Nodir Bidroho Question and Answer

আশা করি, ‘Madhyamik Bengali Nodir Bidroho’ ‘নদীর বিদ্রোহ (গল্প) – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’-এর এই প্রশ্নোত্তরগুলি তোমাদের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে। পোস্টটি উপকারী মনে হলে সহপাঠীদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারো। West Bengal Board-এর সিলেবাস অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের Notes, Question Answer, Suggestion ও শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু, পাশাপাশি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় Study Material পেতে নিয়মিত ভিজিট করো Porasuna.in ধন্যবাদ।