চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Class 9 Bengali Chithi Question and Answer
চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Chithi Question and Answer : নমস্কার, বন্ধুরা আজকের আলোচ্য বিষয় চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Chithi Question and Answer নিচে দেওয়া হলো। এই চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা – Class 9 Bengali Chithi থেকে MCQ, SAQ, Description Question and Answer, Notes গুলি আগামী নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।
আপনার যারা চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা – West Bengal WBBSE Class 9 Bengali Chithi Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারেন।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই, পশ্চিমবঙ্গ (WBBSE, West Bengal) |
| ক্লাস | পঞ্চম শ্রেণী (WB Class 9) |
| বিষয় | নবম শ্রেণীর বাংলা (Class 9 Bengali) |
| পাঠ | চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ |
চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 9th Bengali Chithi Question and Answer
বহুনির্বাচনী : চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণির বাংলা | Class 9 Bengali Chithi MCQ [প্রশ্নমান – ১]
- “শিক্ষার প্রচলনের জন্য কলকাতার বাগবাজারে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।” — বিদ্যালয়টির নাম —
(A) নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়
(B) বাগবাজার বালিকা বিদ্যালয়
(C) ভগিনী নিবেদিতা বিদ্যালয়
(D) বাগবাজার মাল্টিপারপাস স্কুল
Ans: (A) নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়।
- কাল তার উত্তর দিয়েছি’ — কাল কীসের উত্তর দিয়েছেন?
(A) মিস মুলারের চিঠির
(B) মিসেস সেভিয়ারের চিঠির
(C) ভগিনী নিবেদিতার চিঠির
(D) মি. স্টার্ডির চিঠির।
Ans: (D) মি. স্টার্ডির চিঠির।
- ‘সরাসরি তোমাকে লেখা ভালো।’ — এখানে ‘তোমাকে’ বলতে স্বামীজি যাঁর কথা বুঝিয়েছেন, তিনি হলেন —
(A) মিস নোবল
(B) মিসেস সেভিয়ার
(C) মিসেস বুল
(D) মিস ম্যাকলাউড
Ans: (A) মিস নোবল।
- ‘The Master as I saw him’, ‘Web of Indian Life’ গ্ৰন্থ দুটির রচয়িতা কে?
(A) স্বামী বিবেকানন্দ
(B) মিস ম্যাকলাউড
(C) মিসেস বুল
(D) মিস নোবল
Ans: (D) মিস নোবল।
- ‘একজন প্রকৃত সিংহীর প্রয়োজন।’ — এখানে লেখক ‘সিংহী’ বলতে বুঝিয়েছেন —
(A) শিক্ষিকাকে
(B) মিস নোব্ল্কে
(C) নেত্রীকে
(D) মিসেস সেভিয়ারকে
Ans: (B) মিস নোব্ল্কে।
- “ভয়েই হোক বা ঘৃণাতেই হোক” — তারা শ্বেতাঙ্গদের এড়িয়ে চলে-শ্বেতাঙ্গদের এড়িয়ে চলে কারা?
(A) ইউরোপিয়ানরা
(B) ভারতীয়রা
(C) আমেরিকানরা
(D) বিবেকানন্দের প্রবাসী বন্ধুরা
Ans: (B) ভারতীয়রা।
- “সর্বদাই আগুনের হলকা চলছে। আগুনের হলকা চলছে —
(A) পূর্বাঞ্চলে
(B) পশ্চিমাঞ্চলে
(C) উত্তরাখলে
(D) দক্ষিশালে
Ans: (D) দক্ষিশালে।
- “রামকৃষ্ণ সংঘে ‘মাদার’ নামে পরিচিত ছিলেন” — ‘মাদার’ নামে পরিচিত ছিলেন —
(A) মিস ম্যাকলাউড
(B) ভগিনী নিবেদিতা
(C) মাদার টেরেসা
(D) মিসেস সেভিয়ার
Ans: (D) মিসেস সেভিয়ার।
- ‘মায়াবতী অদ্বৈত আশ্রম’ প্রতিষ্ঠা করেন —
(A) মিস ম্যাকলাউড ও মিসেস বুল
(B) মিস মুলার ও মিসেস বুল
(C) মিসেস সেভিয়ার
(D) মিস ম্যাকলাউড ও মি. ই টি স্টাডি
Ans: (C) মিসেস সেভিয়ার।
- স্বামীজি ‘জো’ বলতেন —
(A) মিস ম্যাকলাউডকে
(B) মিসেস বুলকে
(C) মিসেস মুলারকে
(D) মিস নোবলকে
Ans: (A) মিস ম্যাকলাউডকে।
- মিসেস বুল কোথাকার বাসিন্দা?
(A) লন্ডনের
(B) নিউইয়র্কের
(C) বস্টনের
(D) প্যারিসের
Ans: (C) বস্টনের।
- “সেই পারি ফ্যাশনের পোশাক পরিহিতা মহিলাটি” — মহিলাটি হল —
(A) মিসেস সেভিয়ার
(B) মিস বুল
(C) মার্গারেট নোবল
(D) মিস ম্যাকলাউড
Ans: (D) মিস ম্যাকলাউড।
- মিসেস বুলের বয়স প্রায় কত বছর?
(A) চল্লিশ বছর
(B) সত্তর বছর
(C) পঞ্চাশ বছর
(D) পঞ্চান্ন বছর
Ans: (C) পঞ্চাশ বছর।
- ‘একখানা চিঠি কাল পেয়েছি’ – এখানে স্বামী বিবেকানন্দ যাঁর চিঠি পাওয়ার কথা লিখেছেন তিনি হলেন-
(A) মিসেস সেভিয়ার
(B) মিস মুলার
(C) মিঃ ই টি স্টার্ডি
(D) মিস নোব্ল
Ans: (C) মিঃ ই টি স্টার্ডি।
- সর্বোপরি তোমার ধমনিতে প্রবাহিত –
(A) কেল্টিক রক্ত
(B) ভারতীয় রক্ত
(C) জার্মান রক্ত
(D) মিশরীয় রক্ত
Ans: (A) কেল্টিক রক্ত।
- তিনি আমেরিকায় আমার বিশেষ উপকারী বন্ধু ছিলেন – এখানে তিনি হলেন –
(A) মিসেস বুল
(B) মিসেস সেভিয়ার
(C) মিস ম্যাকলাউড
(D) মার্গারেট নোব্ল
Ans: (A) মিসেস বুল।
- কর্মে ঝাঁপ দেবার পূর্বে বিশেষভাবে চিন্তা করো – যাঁকে চিন্তা করার কথা হয়েছে তিনি হলেন-
(A) নিবেদিতা
(B) মিসেস সেভিয়ার
(C) মিসেস বুল
(D) মি. স্টার্ডি
Ans: (A) নিবেদিতা।
- স্বামী বিবেকানন্দ যাকে উদ্দেশ্য করে এই চিঠিটি লিখেছিলেন তিনি হলেন —
(A) মি. ই টি স্টার্ডি
(B) মিস নোবল
(C) মিসেস সেভিয়ার
(D) মিসেস বুল
Ans: (B) মিস নোবল।
- স্বামীজি চিঠিটি মিস নোব্কে যেখান থেকে লিখেছিলেন —
(A) আলমোড়া
(B) সিকিম
(C) দার্জিলিং
(D) কার্সিয়াং
Ans: (A) আলমোড়া।
- ‘কল্যাণীয়া মিস’ বলে স্বামী বিবেকানন্দ সম্বোধন করেছেন —
(A) স্টার্ডিকে
(B) মুলারকে
(C) ম্যাকলাউডকে
(D) নোবলকে
Ans: (D) নোবলকে।
- মিস নোবল্-এর সম্পূর্ণ নাম কী?
(A) মিস হেনরিয়েটা নোব্ল্
(B) মিস মার্গারেট এলিজাবেথ নোব্ল্
(C) মিস জোসেফাইন নোবল
(D) মিস জোসেফাইন মার্গারেট নোবল
Ans: (B) মিস মার্গারেট এলিজাবেথ নোব্ল্।
- মার্গারেট নোবল্ ভারতবর্ষে কী নামে পরিচিত?
(A) ভগিনী নিবেদিতা
(B) মিস নোবল
(C) নিবেদিতা
(D) মিস মার্গারেট নোবল
Ans: (A) ভগিনী নিবেদিতা।
- ইংল্যান্ডে বেদান্ত প্রচারের কাজে স্বামী বিবেকানন্দকে বিশেষ সাহায্য করেছিল –
(A) মিস্টার ই টি স্টার্ডি
(B) মিস হেনরিয়েটা মুলার
(C) ক্যাপ্টেন যে এইচ সেভিয়ার
(D) মিসেস সারা বুল
Ans: (A) মিস্টার ই টি স্টার্ডি।
- স্বামী বিবেকানন্দ পাঠ্য ‘চিঠি’টি লিখেছেন –
(A) মাদ্রাজ থেকে
(B) শিলং থেকে
(C) আলমোড়া থেকে
(D) আমেরিকা থেকে
Ans: (C) আলমোড়া থেকে।
- ‘নারীকূলের রত্নবিশেষ ; হলেন –
(A) মিস মুলার
(B) মিসেস সেভিয়ার
(C) মিস নোব্ল্
(D) মিসেস বুল।
Ans: (B) মিসেস সেভিয়ার।
- মিসেস বুলের বয়স প্রায় –
(A) ষাট বছর
(B) আশি বছর
(C) পঞ্চাশ বছর
(D) নব্বই বছর
Ans: (C) পঞ্চাশ বছর।
- … তুমি ঠিক সেইরূপ নারী –
(A) যে বিদ্রোহিণী
(B) যে শান্ত
(C) যাকে আজ প্রয়োজন
(D) যে সরল প্রকৃতির
Ans: (C) যাকে আজ প্রয়োজন
- ‘সরাসরি তোমাকে লেখা ভালো।’ – এখানে ‘তোমাকে’ বলতে স্বামীজি যার কথা বুঝিয়েছেন-
(A) মিস্ নোব্ল
(B) মিসেস সেভিয়ার
(C) মিসেস বুল
(D) মিস ম্যাকলাউড
Ans: (A) মিস্ নোব্ল।
অতিসংক্ষিপ্ত : চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণির বাংলা | Class 9 Bengali Chithi SAQ [প্রশ্নমান – ১]
- মিসেস বুল কোথায় থাকতেন?
Ans: মিসেস বুল আমেরিকার বস্টন শহরে থাকতেন।
- “আমার পরামর্শ এই যে” — স্বামীজি মিস নােকে কী পরামর্শ দিয়েছেন?
Ans: স্বামীজি পরামর্শ দিয়েছেন, মিস নাে যেন মিস ম্যাকলাউড ও মিসেস বুলের সঙ্গে এদেশে আসেন।
- মিস নােল কোথায় স্বামী বিবেকানন্দের সান্নিধ্যে আসেন?
Ans: মিস নাে ইংল্যান্ডে স্বামী বিবেকানন্দের সান্নিধ্যে আসেন।
- মিস নেলের লেখা একটি বইয়ের নাম লেখাে।
Ans: মিস নােলের লেখা একটি বই The Master as I saw him.
- মিস ম্যাকলাউডের পুরাে নাম কী?
Ans: মিস ম্যাকলাউডের পুরাে নাম মিস জোসেফাইন ম্যাকলাউড।
- মিসেস সেভিয়ারের শ্রেষ্ঠ কীর্তি কী?
Ans: মিসেস সেভিয়ারের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হল স্বামীজির ইচ্ছায় বেদান্ত প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘মায়াবতী অদ্বৈত আশ্রম প্রতিষ্ঠা করা।
- মিস মুলারের সম্পূর্ণ নাম কী?
Ans: মিস মুলারের সম্পূর্ণ নাম মিস হেনরিয়েটা মুলার।
- ‘একখানা চিঠি কাল পেয়েছি’ এখানে স্বামী বিবেকানন্দ কার চিঠি পাওয়ার কথা বলেছেন?
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ মি ই টি স্টার্ডির কাছ থেকে চিঠি পেয়েছিলেন।
- ‘কল্যাণীয়া মিস নোবেল’ বলে সম্বোধন করে স্বামী বিবেকানন্দ যাকে চিঠি লিখেছেন তার সম্পূর্ণ নাম কী?
Ans: কল্যাণীয়া মিস নোবেল বলে যাকে সম্বোধন করা হয়েছে, তার সম্পূর্ণ নাম মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল৷
- কোথা থেকে স্বামীজি মিস নোবে্লকে পাঠ্য চিঠিটি লিখেছিলেন?
Ans: ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে আলমোড়া অঞ্চল থেকে স্বামী বিবেকনন্দ মিস নোবেলকে চিঠি লিখেছিলেন।
- “সর্বোপরি তোমার ধমনীতে প্রবাহিত – রক্ত”- এখানে কোন রক্তের কথা বলা হয়েছে?
Ans: এখানে মিস নোবেলের ধমনীতে কেল্টিক জাতির রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে বলা হয়েছে।
- “স্টার্ডির একখানি চিঠি কাল পেয়েছি।”—স্টাডি কে?
Ans: মি. ই টি স্টার্ডি ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দের একজন ইংরেজ ভক্ত, যিনি স্বামীজিকে ইংল্যান্ডে বেদান্ত প্রচারে সহায়তা করেন |
- “ তিনি আমেরিকায় আমার বিশেষ উপকারী বন্ধু ছিলেন” এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ এখানে মিসেস বুলের কথা বলেছেন।
- “… তা তুমি ধারণা করতে পারবে না।‘—কী ধারণা করতে না পারার কথা বলা হয়েছে?
Ans: স্বামীজি মিস নোবেলকে ভারতবর্ষের মানুষের দুঃখ, কুসংস্কার, দাসত্ব প্রভৃতির ব্যাপকতা সম্পর্কে ধারণা করতে না পারার কথা বলেছেন।
- ‘কর্মে ঝাঁপ দেবার পুর্বে বিশেষ ভাবে চিন্তা কর’– কাকে চিন্তা করার কথা বলা হয়েছে?
Ans: এখানে স্বামী বিবেকানন্দ মিস নোবেলকে বিশেষ করে কর্মের প্রতিকূল দিকগুলির কথা চিন্তা করে দেখতে বলা হয়েছে।
- “… এখন আমার দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছে যে …”— বিশ্বাসটি কী?
Ans: স্বামীজির দৃঢ়বিশ্বাস হয়েছে যে, ভারতের কাজে মিস নোবেলের এক বিরাট ভবিষ্যৎ রয়েছে।
- ভারতের নারীসমাজের উন্নতির জন্য কেমন ব্যক্তির প্রয়োজন?
Ans: ভারতের নারীসমাজের উন্নতির জন্য একজন প্রকৃত সিংহীর মতো তেজস্বিনী নারীর প্রয়োজন।
- “… তুমি ঠিক সেইরূপ নারী, যাকে আজ প্রয়োজন।”— মিস নোবেলের মধ্যে কোন্ গুণাবলি লক্ষ করে স্বামীজি এ কথা বলেছেন?
Ans: মিস নোবেলের শিক্ষা, ঐকান্তিকতা, পবিত্রতা, অসীম ভালোবাসা,দৃঢ়তা ইত্যাদি গুণ লক্ষ করে স্বামীজি এ কথা বলেছেন।
- “কিন্তু বিঘ্নও আছে বহু।”— কোন্ কাজে বিঘ্ন আছে?
Ans: ভারতবর্ষের, বিশেষত ভারতের নারীসমাজের সার্বিক উন্নয়নের কাজে প্রচুর বিঘ্ন আছে।
- “কিন্তু বিঘ্নও আছে বহু।”—বিঘ্নগুলি কী কী?
Ans: ভারতবর্ষের দুঃখ, কুসংস্কার, দাসত্ব, জাতিভেদ, অস্পৃশ্যতা ইত্যাদি দেশের উন্নতির কাজে বিঘ্ন হয়ে দাড়াতে পারে।
- ভগিনী নিবেদিতার প্রকৃত নাম কী?
Ans: ভগিনী নিবেদিতার প্রকৃত নাম মার্গারেট এলিজাবেথ নােবল।
- শ্বেতাঙ্গরা ভারতীয়দের প্রতি কীরূপ মনােভাব পােষণ করে?
Ans: শ্বেতাঙ্গরা ভারতীয়দের প্রতি অত্যন্ত ঘৃণার মনােভাব পােষণ করে৷
- “তিনি আজন্ম নেত্রী!” — কার সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দ একথা বলেছেন?
Ans: মিস মুলার সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দ এ কথা বলেছেন যে, তিনি নিজেকে আজন্ম নেত্রী বলে মনে করেন।
- “… তার সঙ্গে বনিয়ে চলা অসম্ভব।” — কার সঙ্গে কেন নিয়ে চলা অসম্ভব?
Ans: মিস মুলারের নেত্রীসুলভ মনােভাব এবং দুনিয়াকে বদলাতে কেবল টাকারই কার, এই ধারণার কারণে তার সঙ্গে নিয়ে চলা অসম্ভব।
- “তার বর্তমান সংকল্প এই যে” — কোন্ সংকল্পের কথা বলা হয়েছে?
Ans: এখানে মিসেস মুলারের কলকাতা তার নিজের ও নাে এবং ইউরােপ থেকে আসা বন্ধুদের জন্য বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- সেভিয়ার দম্পতি কেমন মানুষ?
Ans: সেভিয়ার দম্পতি ভারতবর্ষের মানুষকে ঘৃণা করেন না এবং ভারতীয়দের ওপর কর্তৃত্ব ফলাতে তারা এদেশে আসেননি।
- ‘সেই পারি-ফ্যাশনের পােশাক’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?
Ans: পারি ফ্যাশনের পােশাক বলতে ফ্রান্সের প্যারিস শহরের ফ্যাশন অনুযায়ী তৈরি পােশাককে।
- সরাসরি তোমাকে লেখা ভালো’ এখানে তোমাকে বলতে স্বামীজী কাকে বুঝিয়েছেন?
Ans:এখানে স্বামীজী মিস নোবেলের কথা বলেছেন।
- মিস নোবেল এদেশে এলে নিজেকে কীভাবে দেখতে পাবেন?
Ans: মিস নোবেল এদেশে এলে নিজেকে অসংখ্য অর্ধ-উলঙ্গ নরনারীতে পরিবেষ্টিত অবস্থায় দেখতে পাবেন।
- শ্বেতাঙ্গরা ভারতীয়দের প্রতি কীরূপ মনোভাব পোষণ করে?
Ans: শ্বেতাঙ্গরা ভারতীয়দের প্রতি অত্যন্ত ঘৃণার মনোভাব পোষণ করে৷
- মিসেস বুলের বয়স কত?
Ans: মিসেস বুলের বয়স প্রায় পঞ্চাশ বছর।
- ‘চিঠি’ গদ্যাংশে স্বামীজি ভারতবর্ষের জলবায়ু কেমন বলে বর্ণনা করেছেন?
Ans: ভারতবর্ষের জলবায়ু অত্যন্ত গ্রীষ্মপ্রধান। এদেশের শীত ইউরোপের গ্রীষ্মের মতো আর দক্ষিণাঞ্চলে সর্বদাই আগুনের হলকা প্রবাহিত হয়।
- “তিনি আজন্ম নেত্রী!”কার সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দ এ কথা বলেছেন?
Ans: মিস মুলার সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দ এ কথা বলেছেন যে, তিনি নিজেকে আজন্ম নেত্রী বলে মনে করেন।
- “তার বর্তমান সংকল্প এই যে”—কোন্ সংকল্পের কথা বলা হয়েছে?
Ans: এখানে মিসেস মুলারের কলকাতা তার নিজের এবং ইউরোপ থেকে আসা বন্ধুদের জন্য বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- স্বামী বিবেকানন্দ মিসেস সেভিয়ারকে কোন্ অভিধায় ভূষিত করেছেন?
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ মিসেস সেভিয়ারকে ‘নারীকুলের রত্নবিশেষ’ বলে উল্লেখ করেছেন।
- ‘…তার সবই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।“—কার সবই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন?
Ans: যে ব্যক্তি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন অর্থাৎ স্বনির্ভর হতে পারেন, তার সবই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
- সেভিয়ার দম্পতি কেমন মানুষ?
Ans: সেভিয়ার দম্পতি ভারতবর্ষের মানুষকে ঘৃণা করেন না এবং ভারতীয়দের ওপর কর্তৃত্ব ফলাতে তারা এদেশে আসেননি।
- “আমেরিকার সংবাদে জানলাম যে…” – বক্তা কী জানলেন?
Ans: বক্তা স্বামীজি জেনেছেন যে তার দুই বন্ধু মিস ম্যাকলাউড ও মিসেস বুল এই শরৎকালেই ভারতভ্রমণে আসছেন।
- “.. তবু আমার যেটুকু প্রভাব আছে …”—সেই প্রভাব দিয়ে বক্তা কী করবেন বলেছেন?
Ans: বক্তার যেটুকু প্রভাব আছে, তা দিয়ে তিনি ভারতীয়দের উন্নতির কাজে মিস নোবেলকে সাহায্য করবেন বলেছেন।
- ধীরামাতা কে?
Ans: স্বামীজীর শিষ্যা মিসেস সারা বুলকে তিনি অনেক চিঠিতে ধীরামাতা নামে সম্বোধন করেছেন।
- মিসেস সেভিয়ারের শ্রেষ্ঠ কীর্তি কী?
Ans: মিসেস সেভিয়ারের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হল স্বামীজির ইচ্ছায় বেদান্ত প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘মায়াবতী অদ্বৈত আশ্রম প্রতিষ্ঠা করা।
- ‘সেই পারি–ফ্যাশনের পোশাক’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
Ans: পারি ফ্যাশনের পোশাক বলতে ফ্রান্সের প্যারিস শহরের ফ্যাশন অনুযায়ী তৈরি পোশাককে বোঝানো হয়েছে।
- “… আমার পরামর্শ এই যে…”- স্বামীজি মিস নোবেলকে কী পরামর্শ দিয়েছেন?
Ans: স্বামীজি পরামর্শ দিয়েছেন, মিস নোবেল যেন মিস ম্যাকলাউড ও মিসেস বুলের সঙ্গে এদেশে আসেন।
- মি. স্টাডির লেখা চিঠিটি কেমন ছিল?
Ans: মি. স্টার্ডির লেখা চিঠিটি ছিল বড়ো শুষ্ক, প্রাণহীন এবং হতাশাপূর্ণ।
- মি. স্টাডি হতাশ হয়েছিলেন কেন?
Ans: লন্ডনের কাজ পন্ড হওয়ায় মি. স্টাডি হতাশ হয়েছেন বলে তার চিঠিতে সেই হতাশা ফুটে উঠেছে।
- ভগিনী নিবেদিতার প্রকৃত নাম কী?
Ans: ভগিনী নিবেদিতার প্রকৃত নাম মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল।
- মিস নোবেলের লেখা একটি বইয়ের নাম লেখো।
Ans: মিস নোবেলের লেখা একটি বই The Master as I saw him.
- নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়‘ কে কী উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
Ans: ভারতীয় আদর্শে স্ত্রীশিক্ষা প্রচলনের উদ্দেশ্যে মিস নোবেল (ভগিনী নিবেদিতা) নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন।
- কর্মে ঝাপ দেওয়ার পরে সাফল্যের পাশাপাশি আর কী কী ঘটার সম্ভাবনা থাকতে পারে?
Ans: মানবসেবার কর্মে ঝাপ দেওয়ার পর সে কাজে বিফল হওয়ার এবং কর্মে বিরক্তি আসার সম্ভাবনা-থাকতে পারে।
- “মরদ কি বাত হাতি কা দাত”—প্রবাদটির অর্থ লেখো।
Ans: হাতির দাঁত যেমন একবার বেরোলে আর ভিতরে যায় না তেমনি যথার্থ পুরুষের প্রতিশ্রুতির কখনও নড়চড় হয় না।
সংক্ষিপ্ত : চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণির বাংলা | Class 9 Bengali Chithi QNA [প্রশ্নমান – ২/৩]
- “তার সঙ্গে বনিয়ে চলা অসম্ভব” — কার সম্পর্কে কেন বলা হয়েছে? এর কারণ কি?
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ তার চিঠিতে মিস নােবলকে উদ্দেশ্য করে মিস্ মুলার সম্পর্কে মন্তব্যটি করেছেন।
মিস মুলার, বিবেকানন্দের মতে, তার নিজের ভাবে চমৎকার মহিলা| কিন্তু ছেলেবেলা থেকেই নিজেকে নেত্রী ভাবা এবং নিজের ক্ষমতায় অতিরিক্ত বিশ্বাস তাকে বিচ্ছিন্ন করে তুলেছে | বিবেকানন্দের মনে হয়েছে যে মিস নােও অল্পদিনেই বুঝে নিতে পারবেন যে, মিস মুলারের সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়।
- “তার বর্তমান সংকল্প এই যে..” — তার বলতে কাকে বােঝানাে হয়েছে? তার বর্তমান সংকল্প কী লেখাে।
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ তার চিঠিতে ‘তার’ বলতে মিস মুলারের কথা বলেছেন।
মিস মুলার, যিনি নিজেকে ‘আজন্ম নেত্রী’ বলে মনে করতেন। তিনি সংকল্প করেছিলেন যে, কলকাতায় একটি বাড়ি ভাড়া নেবেন। এই বাড়িটিতে তিনি, মিস নােবৃ আর ইউরােপ ও আমেরিকা থেকে যেসব বন্ধুদের আসার সম্ভাবনা আছে তারা থাকবেন বলে মিস মুলার ভেবেছিলেন।
- কোন বিশেষ প্রয়োজনে স্বামী বিবেকানন্দ মিস নোবেলকে এই চিঠিটি লিখেছিলেন?
Ans: স্বামী বিবেকানন্দের ইংরেজ ভক্ত মিস্টার স্টার্ডির চিঠি পড়ে তিনি জানতে পেরেছেন, মিস নোবেল ভারতে এসে ভারতবাসীর সেবায় নিজেকে নিযুক্ত করতে আগ্রহী। তাই স্বামীজী এই চিঠির মাধ্যমে তাকে সব দিক বিবেচনা করার জন্য উপদেশ দিয়েছেন। তবে তিনি তার মনের আবেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে তার মতো নারীর খুব প্রয়োজন ভারতবর্ষকে উদ্ধার করার জন্য।তার ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা নিয়েও তিনি আলোচনা করেছেন।
- তোমাকে একটু সাবধান করা দরকার…”~-কাকে, কেন সাবধান করা দরকার? কী বিষয়ে সাবধান করা দরকার?
Ans: মিস নোবেল ভারতবর্ষে এসে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় স্বামী বিবেকানন্দ তাকে কিছু বিষয়ে সাবধান করা দরকার বলে মনে করেছেন। এর কারণ হল, ভারতে এসে যে বৃহৎ ও মহৎ কর্মযজ্ঞে মিস নোবেল নামতে চলেছেন, তাতে তাকে অবশ্যই স্বনির্ভর হতে হবে। মিস মুলারের মত কোনো ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়লে মার্গারেটের জনসেবার কাজটি বিঘ্নিত হবে। প্রধানত এ বিষয়েই স্বামীজি মিস নোবেলকে সাবধান করেছিলেন।
- একজন প্রকৃত সিংহীর প্রয়ােজন।” — কে কাকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেছেন? বক্তা তাকে প্রকৃত সিংহী’ বলেছেন কেন?
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ তার চিঠিতে মিস নােবলকে ‘প্রকৃত সিংহী’ বলেছেন।
বিবেকানন্দ মিস নােবলকে এক ব্যতিক্রমী চরিত্র হিসেবে দেখেছেন। তার মধ্যে রয়েছে নেতৃত্বদানের ক্ষমতা। নােবুলের শিক্ষা, ঐকান্তিকতা, পবিত্রতা,অসীম ভালােবাসা, দৃঢ়তা এবং তার ধমনিতে প্রবাহিত রক্তের জন্য তাকেই সেই নারী হিসেবে বিবেকানন্দ ভেবেছেন, যাঁকে এদেশের প্রয়ােজন। এইসব গুণের কারণেই তিনি সিংহীর সমকক্ষ হয়ে উঠেছেন।
- “কিন্তু বিঘ্নও আছে বহু।” — কোন্ কোন্ বিয়ের কথা বলা হয়েছে লেখাে।
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ তার চিঠিতে মিস নােবলকে যেসব বিঘ্নের কথা বলেছেন, তারমধ্যে প্রথমেই উল্লেখ্য এদেশের মানুষের দুঃখ, কুসংস্কার, দাসত্ব। মানুষের দারিদ্র্য একটা প্রধান বাধা! জাতিভেদ ও অস্পৃশ্যতা তাদের আলাদা করে রেখেছে | ভয় অথবা ঘৃণা—যে কারণেই হােক, তারা শ্বেতাঙ্গদের এড়িয়ে চলে| এদের সঙ্গে নাে মিলতে চাইলে শ্বেতাঙ্গরাও তাকে সন্দেহ করতে পারে। এ ছাড়া গ্রীষ্মপ্রধান জলবায়ু এবং শহরের বাইরে সুখস্বাচ্ছন্দ্যের অভাবও বাধা হয়ে উঠতে পারে।
- মরদ কী বাত, হাতি কী দাঁত’ – কথাটি কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে?
Ans: এই প্রবাদটি স্বামী বিবেকানন্দ মিস নোবেলকে লেখা তার চিঠিতে তার চরিত্রের কাঠিন্য বোঝাতে ব্যবহার করেছেন। এই প্রবাদটির অর্থ হল হাতির দাঁত একবার গজালে যেমন আর ভেতরে প্রবেশ করে না, তেমনি পুরুষ বা মরদ একবার কোনো কথা দিলে তা থেকে আর পিছপা হন না। স্বামী বিবেকানন্দ তার চিঠিতে প্রথমেই বলেছেন যে তিনি মিস নোবেলকে সর্বদাই সাহায্য করবেন। কিন্তু ভারতে এসে নানা প্রতিকূলতার সামনে পড়ে যদি তিনি বিরক্ত হন ও এই কাজে অসফল হন তা স্বত্ত্বেও স্বামীজী তার পাশে থাকবেন ও তাকে পূর্ববত স্নেহ করবেন। কারন তিনি কথা দিয়েছেন ও তার কথায় কোনো নড়চড় নেই।
বিশ্লেষণধর্মী ও রচনাধর্মী | চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Chithi Question and Answer :
1. “যারা এদেশীয়দের ঘৃণা করেন না” — ‘যাঁরা’ কারা? তাদের সম্পর্কে যা জান লেখাে।
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ তার চিঠিতে ‘যারা’ বলতে সেভিয়ার দম্পতির কথা বলেছেন।
মিস নােলের ভারতে আসার আগে বিবেকানন্দ অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে তাকে এদেশে আগত ইউরােপীয় বা অন্য বিদেশি যারা ভারতের জন্য কাজে উদ্যোগী তাদের সম্পর্কেও ধারণা দিতে চেয়েছেন। সেখানে মিস মুলারের মতাে নিজেকে ‘আজন্ম নেত্রী ভাবা এবং বদমেজাজি মানুষের পাশাপাশিই উল্লেখ করেছেন মিসেস সেভিয়ারের কথা বিবেকানন্দের কাছে তিনি হলেন ‘নারীকুলের রত্নবিশেষ’। মিসেস সেভিয়ার এবং তার স্বামী ক্যাপটেন জে এইচ সেভিয়ার বেদান্ত প্রচারের কাজে নিয়ােজিত ছিলেন এবং স্বামীজির ইচ্ছাতেই তারা মায়াবতী অদ্বৈত আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। ইউরােপীয় হওয়া সত্ত্বেও এদেশের মানুষদের প্রতি তাদের কোনাে ঘৃণার ভাব ছিল না। এদেশের মানুষদের ওপরে প্রভুত্ব করার কোনাে চেষ্টাও তারা করতেন না। তবে সেভিয়ার দম্পতির যে কোনাে নির্দিষ্ট কার্যপ্রণালী নেই, বিবেকানন্দ তা-ও বলেছেন। তবুও সহকর্মী হিসেবে তারাই বেশি গ্রহণযােগ্য হবেন বলে বিবেকানন্দ নােবলকে মত দিয়েছেন।
2. স্বামী বিবেকানন্দ লিখিত পাঠ্য চিঠির বিষয়বস্তু আলোচনা কর।
Ans: লন্ডনে স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে মিস নোবেলের প্রথম সাক্ষাৎ হয়। স্বামীজির বক্তৃতায় তিনি অনুপ্রাণিত হন। পরবর্তীকালে ইংরেজ ভক্ত মি. স্টাডির চিঠি থেকে স্বামীজি জেনেছেন যে, মিস নোবেল ‘ভারতে এসে সবকিছু চাক্ষুষ দেখতে দৃঢ়সংকল্প’ | মিস মুলারের কাছ থেকে তিনি স্বামীজির কার্যপ্রণালী সম্পর্কে জেনেছেন। কিন্তু ভারতের সামগ্রিক পরিবেশ ও পরিস্থিতি ইউরোপ-আমেরিকার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কুসংস্কার, অস্পৃশ্যতা, জাতিভেদ, ইংরেজ প্রভুর দাসত্ব আর প্রবল দারিদ্র্য প্রভৃতি এখানকার মানুষদের আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। এদেশের আবহাওয়াও উষ্ণপ্রধান। এসব জেনেও যদি মিস নোবেল ভারতের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে চান, তাহলে সেখানে তার সামনে এক বিরাট ভবিষ্যৎ রয়েছে বিশেষ করে ভারতীয় নারীসমাজ তার দ্বারা অসীম উপকৃত হতে পারে। তার মত শিক্ষিতা, একনিষ্ঠ, পবিত্র, প্রেমময়ী, দৃঢ়চেতা এবং সুপ্রাচীন কেলটিক সভ্যতাজাত উন্নত চরিত্রের নারীকে এদেশের প্রয়োজন। এদেশে এসে স্বনির্ভর হয়ে তাকে কাজ করতে হবে। তার পাশে স্বামীজি আমরণ থাকবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এইসব, তথ্য ও মতামত জানিয়ে মিস নোবেলকে স্বামীজি সরাসরি চিঠি লিখেছেন।
এ ছাড়া কয়েকজন ইউরোপীয় ব্যক্তির চরিত্র বিশ্লেষণ ও কর্মপদ্ধতি এই চিঠিতে আলোচনা করেছেন লেখক| তাদের কাছ থেকে তিনি কীভাবে সাহায্য পেতে পারেন ও কীভাবে স্বনির্ভর হয়ে উঠতে হবে তা নিয়েও তিনি সবিস্তারে আলোচনা করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন মিস নোবেল কাজে অপারগ হলেও তিনি তাকে সমর্থন করবেন। চিঠিটিতে একজন শিষ্যার প্রতি গুরুর অকৃত্রিম স্নেহ প্রকাশিত হয়েছে।
3. চিঠি রচনা অবলম্বনে স্বামী বিবেকানন্দের স্বদেশভাবনার পরিচয় দেয়।
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন একজন প্রকৃত ভারতপ্রেমী। তিনি আমরণ তার কাজের মাধ্যমে দেশের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধনের জন্য চেষ্টা করেছেন। আলোচ্য চিঠিটি স্বামীজি তার শিষ্যা মিস নোবেলকে লিখেছেন ও তার বিষয়বস্তুও সম্পূর্ণ আলাদা। চিঠির মূল উদ্দেশ্য ভিন্ন হলেও চিঠির মাধ্যমে ভারতবাসীদের প্রতি তার মনোভাব স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠেছে।
স্বামীজি বিশেষ করে ভারতের পিছিয়ে পড়া নারী সমাজকে নিয়ে তিনি বিশেষভাবে চিন্তিত। তার মতে ভারতের নারী সমাজের উন্নতির জন্য একজন প্রকৃত সিংহীর প্রয়োজন।শিক্ষা, ঐকান্তিকতা, পবিত্রতা,অসীম ভালোবাসা, দৃঢ়তা দিয়ে নারী সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি নোবেলকে আহ্বান জানিয়েছেন। আবার ভারতের মানুষের দুঃখ, কুসংস্কার, দাসত্ব, মানুষের দারিদ্র্য জাতিভেদ ও অস্পৃশ্যতা নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন। এই ভাবে ভালো খারাপ মিশিয়ে তিনি তার স্বদেশকে সম্পূর্ণ্রুপে গ্রহণ করেছেন। নোবেলের কাছে তিনি ভারতের গ্লানি প্রকাশ করে তার প্রতিকারের ব্যাপারে যে কতটা আগ্রহী তা ব্যক্ত করেছেন।এভাবে দুঃস্থ দেশের প্রতি তার গভীর মমতা প্রকাশ পেয়েছে।
[আরও দেখুন, স্বামী বিবেকানন্দ জীবনী – Swami Vivekananda Biography in Bengali]
4. “তোমাকে নিজের পায়ে দাড়াতে হবে” — উক্তিটি কার? বক্তার এমন মন্তব্যের কারণ কি?
অথবা,
“তোমাকে একটু সাবধান করা দরকার” — কাকে, কেন সাবধান করা দরকার? কী বিষয়ে সাবধান করা দরকার?
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ তার লেখা চিঠিতে মিস নোবলকে উক্তিটি করেছেন।
স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন একজন প্রকৃত ভারতপ্রেমী। তিনি আজীবনকাল তাঁর কাজের মধ্যে দিয়ে ভারতের সামাজিক এবং আধ্যাত্মিক উন্নতিসাধনের নিরলস প্রচেষ্টা করেগেছেন। স্বামীজি বিশেষ করে ভারতের পিছিয়ে পড়া নারীসমাজকে নিয়ে চিন্তিত, তিনি বলেছেন ‘ভারতের নারীসমাজের জন্য, পুরুষের চেয়ে নারীর – একজন প্রকৃত সিংহীর প্রয়োজন’। স্বামীজি মনে করেছেন মিস নোব্ল-এর শিক্ষা, ঐকান্তিকতা, পবিত্রতা, অসীম ভালোবাসা, দৃঢ়তা ভারতের নারীসমাজকে এগিয়ে নিয়ে চলতে পারে। সর্বোপরি স্বামীজি নিজ নোবেল কে নিজের পায়ে দাঁড়াতে বলেছেন। মিস মুলারকে নুরুলকে আশ্রয় দিতে চেয়েছেন। মিস মুলার খুবই ভদ্র, অমায়িক প্রকৃতির। কিন্তু তার মধ্যে একটা নেত্রীমুলক স্বভাব কাজ করে। এছাড়াও সেভাবে তাকাতেই পৃথিবীর সবকিছু উলটপালট হয়ে যাবে, অন্য কিছুই আর প্রয়োজন নেই। সুতরাং বেশি দিন তার আশ্রয় থাকা ঠিক হবে না, ঠিক এ কারণেই স্বামীজি তাকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে বলেছেন।
Class 9 Question and Answer | নবম শ্রেণীর সাজেশন
আরো পড়ুন:-
Class 9 Bengali Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 English Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Geography Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 History Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Life Science Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Mathematics Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Physical Science Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 All Subjects Suggestion Click here
West Bengal (WBBSE) Class 9 Bengali Chithi Question and Answer | চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
West Bengal (WBBSE) Class 9 Bengali Chithi Question and Answer | চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর : West Bengal Class 9 Bengali Chithi Question and Answer | চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর – WBBSE Class 9 Bengali Chithi Question and Answer | চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর গুলো আলোচনা করা হয়েছে।
চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Chithi Question and Answer
এই “চিঠি (প্রবন্ধ) স্বামী বিবেকানন্দ – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Chithi Question and Answer” পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী সমস্ত শ্রেণীর প্রতিটি অধ্যায় অনুশীলন, বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার গাইডেন্স ও চারীর খবর বা শিক্ষামূলক খবর জানতে আমাদের এই Porasuna.in ওয়েবসাইটি দেখুন, ধন্যবাদ।





















