ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer
ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer : নমস্কার, বন্ধুরা আজকের আলোচ্য বিষয় ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer নিচে দেওয়া হলো। এই ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা – Class 9 Bengali Vangar Gan থেকে MCQ, SAQ, Description Question and Answer, Notes গুলি আগামী নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।
আপনার যারা ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা – West Bengal WBBSE Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারেন।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই, পশ্চিমবঙ্গ (WBBSE, West Bengal) |
| ক্লাস | পঞ্চম শ্রেণী (WB Class 9) |
| বিষয় | নবম শ্রেণীর বাংলা (Class 9 Bengali) |
| পাঠ | ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম |
ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 9th Bengali Vangar Gan Question and Answer
বহুনির্বাচনী : ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা | Class 5 Bengali Vangar Gan MCQ [প্রশ্নমান – ১]
- “ভগবান পরবে ফাঁসি” — কে ভগবানকে ফাঁসি পরাতে চায় ?
(A) শাসক
(B) জনগণ
(C) বিপ্লবী
(D) তরুণ ঈশান
উত্তর: (A) শাসক।
- “হা হা হা পায় যে হাসি” — যার হাসি পায় —
(A) রাজার
(B) ভগবানের
(C) মালিকের
(D) কবির
উত্তর: (D) কবির।
- “সর্বনাশী শিখায়” — কী শেখায়?
(A) প্রলয় বিষাণ বাজাতে
(B) হীন তথ্য
(C) স্বাধীন সত্য
(D) গাজনের বাজনা বাজাতে
উত্তর: (B) হীন তথ্য।
- ‘ভাঙার গান’ কবিতাটি কার লেখা?
(A) কাজী নজরুল ইসলাম
(B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(C) জমির উদ্দিন
(D) শামসুর রহমান
উত্তর: (A) কাজী নজরুল ইসলাম।
- ‘ভাঙার গান’ কবিতাটি যে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত —
(A) সর্বহারা
(B) ছায়ানট
(C) ভাঙার গান
(D) বিষের বাঁশী
উত্তর: (C) ভাঙার গান।
- “ _____ ওই লৌহকপাট” — কোথাকার?
(A) কারার
(B) প্রাসাদের
(C) দেবালয়ের
(D) অট্টালিকার
উত্তর: (A) কারার।
- “গাজনের বাজনা বাজা” গাজন’ কোন্ দেবতার উৎসব?
(A) মনসা
(B) চণ্ডী
(C) মহাদেব
(D) সত্যপীর
উত্তর: (C) মহাদেব।
- ‘গাজন’ অনুষ্ঠিত হয় —
(A) বৈশাখ
(B) আশ্বিন
(C) শ্রাবণ
(D) চৈত্র
উত্তর: (D) চৈত্র।
- পাগলা ভোলা কে?
(A) ব্রম্মা
(B) পবন দেব
(C) মহাদেব
(D) ইন্দ্রদেব
উত্তর: (C) মহাদেব।
- “কাঁধে নে দুন্দুভি ঢাক” — দুন্দুভি হল —
(A) শিঙা
(B) দামামা
(C) শঙ্খ
(D) বাঁশি
উত্তর: (B) দামামা
- ‘নিশান’ শব্দটির অর্থ হলো-
(A) পতাকা
(B) রাত্রি
(C) নিশানা
(D) চিহ্ন
উত্তর: (A) পতাকা।
- “কে দেয় সাজা” কাকে সাজা দেওয়া যায় না?
(A) মিথ্যাকে
(B) সত্যকে
(C) বিপ্লবীকে
(D) আদর্শকে
উত্তর: (B) সত্যকে।
অতিসংক্ষিপ্ত : ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা | Class 5 Bengali Vangar Gan SAQ [প্রশ্নমান – ১]
- “শিখায় এ হীন তথ্য কে রে?” — ‘হীন তথ্য’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?
উত্তর: ভগবানের মতাে অমর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ফাঁসি দিয়ে তাদের স্বপ্নকে ধবংস করা যায় — এটাই হল হীন তথ্য।
- “হা হা হা পায় যে হাসি”—কবির হাসি পাওয়ার কারণ কী?
উত্তর: কবির হাসি পাওয়ার কারণ হল অত্যাচারী ইংরেজ শাসক ভগবানতুল্য মৃত্যুঞ্জয়ী বিপ্লবীদের ফাঁসি দিতে চায়।
- “ভগবান পরবে ফাসি?” — কে ভগবানকে ফাসি দিতে চায়?
উত্তর: অত্যাচারী ইংরেজ শাসক ভগবানকে ফাসি দিতে চায়।
- “কারার ওই লৌহ-কপাট/ভেঙে ফেল, কররে লােপাট” — কবি কাদের এই আহবান জানিয়েছেন?
উত্তর: পরাধীন ভারতে তরুণ বিপ্লবী বীরদের প্রতি কবি এই আহ্বান জানিয়েছেন।
- “শিকল-পুজোর পাষাণ-বেদী”-তে কাদের রক্ত জমাট হয়ে আছে?
উত্তর: ব্রিটিশ সরকার দ্বারা অত্যাচারিত ভারতের বীর সন্তান স্বাধীনতাসংগ্রামীদের রক্ত জমাট হয়ে আছে।
- “ওরে ও তরুণ ঈশান!”-“তরুণ ঈশানকে কবি কী করতে বলেছেন?
উত্তর: তরুণ ঈশানকে কবি প্রলয় বিষাণ অর্থাৎ ধবংস ঘােষণাকারী শিঙা বাজাতে বলেছেন।
- “ওরে ও তরুণ ঈশান!” — ‘তরুণ ঈশান’ বলতে কবি প্রকৃতপক্ষে কাদের বুঝিয়েছেন?
উত্তর: ‘তরুণ ঈশান’ বলতে কবি প্রকৃতপক্ষে ভারতমাতার বীর সন্তান স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বুঝিয়েছেন।
- “ওরে ও তরুণ ঈশান! / বাজা তাের প্রলয়-বিষাণ” — কবি কেন তরুণ জানকে প্রলয়-বিষাণ বাজাতে বলেছেন?
উত্তর: ইংরেজদের কারাগারে স্বদেশের মুক্তিযােদ্ধারা বন্দি থাকায় সেইসব কারাগার ভেঙে ফেলার জন্যই কবি প্রলয়-বিষাণ বাজাতে বলেছেন।
- “ধবংস-নিশান / উড়ুক প্রাচী’র প্রাচীর ভেদি।” — কীসের ‘ধধ্বংস- নিশান’?
উত্তর: স্বাধীনতাকামী বহু বীর বিপ্লবীকে ইংরেজ সরকার কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। সেইসব কারাগার ধবংস করে নিশান ওড়াতে হবে।
- “গাজনের বাজনা বাজা!” — ‘গাজনের বাজনা’ কী?
উত্তর: চৈত্রের শেষে শিবের গাজন উৎসবের সময়ে ঢাক, ঢােল, কাঁসর, বাশি ইত্যাদির মিলিত বাজনা হল গাজনের বাজনা।
- “কে দেয় সাজা/মুক্ত স্বাধীন সত্যকে রে?” — ‘মুক্ত স্বাধীন সত্য’ কী?
উত্তর: ‘মুক্ত স্বাধীন সত্য’ হল স্বাধীনতা ভারতবাসীর জন্মগত অধিকার এবং তারা তা অর্জন করবেই।
- “ভগবান পরবে ফাঁসি?”— ‘ভগবান’ বলতে কবি কাকে বা কাদের বুঝিয়েছেন?
উত্তর: এখানে ‘ভগবান’ বলতে কবি মৃত্যুঞ্জয়ী বীর বিপ্লবীদের, যাঁরা স্বদেশের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছেন, তাঁদের বুঝিয়েছেন।
- “ভগবান পরবে ফাঁসি?” — ভগবান ফাসি পরবে কেন?
উত্তর: সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের অত্যাচারের প্রতিবাদ ও স্বাধীনতার জন্য আন্দোলনের কারণেই ‘ভগবান’ অর্থাৎ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ফাসি হয়।
- “কারার ওই লৌহকপাট”-লৌহকপাট কথার অর্থ কী?
উত্তর: ‘লৌহ-কপাট’ কথার অর্থ লােহার তৈরি দরজা।
- “ঈশান’ শব্দের দুটি অর্থ লেখাে।
উত্তর: ঈশান’ শব্দের অর্থ শিব। অন্যদিকে, ‘ঈশান’ হল উত্তর-পূর্ব দিক, যা দশটি দিকের একটি।
- “ওরে ও তরুণ ঈশান! বাজা তাের প্রলয়-বিষাণ’—কবি কেন তরুণ জানকে প্রলয়-বিষাণ বাজাতে বলেছেন?
উত্তর: ইংরেজদের কারাগারে স্বদেশের মুক্তিযােদ্ধারা বন্দি থাকায় সেইসব কারাগার ভেঙে ফেলার জন্যই কবি প্রলয়-বিষাণ বাজাতে বলেছেন।
- “ধবংস-নিশান, উড়ুক প্রাচী’র প্রাচীর ভেদি”—কীসের ‘ধধ্বংস- নিশান’?
উত্তর: স্বাধীনতাকামী বহু বীর বিপ্লবীকে ইংরেজ সরকার কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। সেইসব কারাগার ধবংস করে নিশান ওড়াতে হবে।
- “ওরে ও পাগলা ভােলা / দে রে দে প্রলয়-দোলা” — ‘পাগলা ভােলা’ কীভাবে প্রলয় দোলা দেবে?
উত্তর: গারদগুলাে সজোরে ধরে হ্যাচকা টান মেরে ‘পাগলা ভােলা’ প্রলয় দোলা দেবে।
- “নাচে ওই কাল-বােশেখি” — ‘কাল বােশেখি’ কীসের প্রতীক?
উত্তর: ‘কাল-বােশেখি’ অর্থাৎ কালবৈশাখী ঝড় ধবংস ও নব সৃষ্টির প্রতীক।
- ‘ভাঙার গান’ রচনাংশটি মূলগ্রন্থে কী নামে সংকলিত হয়েছিল?
উত্তর: ‘ভাঙার গান’ রচনাংশটি মূলগ্রন্থে ভাঙার গান নামে সংকলিত হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত : ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা | Class 5 Bengali Vangar Gan QNA [প্রশ্নমান – ২/৩]
- ধ্বংস নিশান উড়ক প্রাচীন প্রাচীর ভেদি।”– নিশান ওড়াতে করি এত উৎসাহ দিয়েছেন কেন?
উত্তর: পরাধীন ভারতবর্ষ ইংরেজদের শাসন-শোষণ অত্যাচারে জর্জরিত। তাই দেশের সুসন্তানরা দেশকে স্বাধীন করার ব্রত নিয়েছেন। বিদ্রোহী বিপ্লবী তরুণদের শৃঙ্খলিত | = কারারুদ্ধ করছে অত্যাচারী শাসক। কবি চান, কারাগারের লৌহকপাট ভাঙতে অর্থাৎ ইংরেজদের অধীনতা অস্বীকার করতে এবং শাসকের প্রতি ভয়ভক্তির অভ্যস্ত বেড়াজাল ছিন্ন করতে ধ্বংস নিশান ওড়াতে হবে। আর তাহলেই সত্য, মানবতা ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা যাবে। তাই কবি ধ্বংসের নিশান ওড়াতে এত উৎসাহ দিয়েছেন।
- “গাজনের বাজনা বাজা” – প্রসঙ্গ আলোচনা করো।
উত্তর: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘ভাঙার গান’ কবিতা থেকে উদ্ধৃত অংশটি গৃহীত হয়েছে। চৈত্রসংক্রান্তিতে প্রলয়ের দেবতা শিবের পুজো হয়, যা গ্রামবাংলায় গাজন নামে পরিচিত। এই গাজনের বাজনা বাজিয়েই কবি চেয়েছেন বিপ্লবী যুবশক্তি ইংরেজের কারাগারের প্রাচীরকে ভেঙে দিক, প্রতিষ্ঠা করুক মুক্ত স্বাধীন সত্য এর। গাজনের বাজনার মধ্যে প্রলয়ের যে ইঙ্গিত আছে তাকেই স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণের জন্য কবি ব্যবহার করেছেন।
- কারার ওই লৌহ কপাট ভেঙে ফেল কররে লোপাট”—এই আহ্বানের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পরাধীন ভারতের বন্ধন-মোচনের জন্য কবি তরুণ বিপ্লবী শক্তিকে আহ্বান জানিয়েছেন। অত্যাচারী ইংরেজ শাসক দেশপ্রেমী স্বাধীনতাসংগ্রামীদের যে কারাগারে আটকে রেখেছে বা রাখতে চায় সেই সমস্ত কারাগারের লৌহকপাট ভেঙে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন কবি।
- কে দেয় সাজা/মুক্ত স্বাধীন সত্যকে ৱে?এই উদ্ধৃতিৱ অর্থ বুঝিয়ে দাও।
উত্তর: দেশের স্বাধীনতাকামী যােদ্ধারা সত্য-আদর্শে দীক্ষিত। তারা পরাধীন নিপীড়িত মানবাত্মার মুক্তির উদ্দেশ্যে নিবেদিত প্রাণ। তাদের অনুসৃত ধর্ম সত্যধর্ম। মানবতার সপক্ষে যা কিছু হলাে তা সত্য। সত্য স্বাধীন ও মুক্ত। তাকে কারারুদ্ধ করা যায় না। সাজা দেওয়া যায় না। অথচ অজ্ঞ অবিবেচক ইংরেজ সরকার সত্যকে কারারুদ্ধ করে সাজা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তা ছাড়া সত্যের পূজারী যারা তাদের সাজা দেওয়ার । অধিকার ইংরেজ সরকারের নেই। প্রকৃতপক্ষে তারা এদেশের । মালিকও নয়, রাজাও নয়।
- ‘কাটাবি কাল বসে কি?’-অহেতুক কাল হৱণেৱ কারণ কী?
উত্তর: আলােচ্য উদ্ধৃতি কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত . ‘ভাঙার গান কবিতা থেকে গৃহীত। পরাধীনতার বন্ধনমুক্তির সুতীব্র বাসনায় অসংখ্য তরুণ স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। তাঁরা ইংরেজ সরকারের রােষে পড়ে কারারুদ্ধ ও নির্মমভাবে অত্যাচারিত। তাঁদের কারামুক্ত করার জন্য ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় এসেছে। কালবৈশাখীর প্রলয় শক্তি নিয়ে দেশবাসী সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ুক। বৃথা হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকার সময় নয়। ওভাবে কাল হরণ হবে অনুচিত কাজ।
- সবশেষে স্বাধীনতাকামী বন্দি যােদ্ধাদের কাছে কবি কী প্রত্যাশা রেখেছেন?
উত্তর: সবশেষে স্বাধীনতাকামী বন্দি যােদ্ধাদের কাছে কবি এই প্রত্যাশা রেখেছেন। তারা কারওর সাহায্যের আশায় না থাকুক তারা নিজের বিক্ষুদ্ধ শক্তি প্রয়ােগ করুক। লাথি মেরে ভেঙে ফেলুক কারাগারের তালা। যত বন্দিশালা আছে সবগুলিতে আগুন লাগিয়ে জ্বালিয়ে দিক। পুড়ে ধ্বংস হােক সব। বেঁধে রেখে মৃত্যু যন্ত্রণা দেওয়ার মতাে অত্যাচারের অবসান হােক।
- ‘ডাক ওৱে ডাক/ মৃত্যুকে ডাক জীবন পানে!’—উদ্ধৃতির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
উত্তর: আলােচ্য উদ্ধৃতিটি কাজি নজরুল ইসলামের রচিত ‘ভাঙার গান কবিতা থেকে গৃহীত। দেশের স্বাধীনতাকামী যােদ্ধারা ছিলেন নির্ভীক। মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও দেশমাতার । বন্ধনমুক্তির জন্য ছিলেন নিবেদিত প্রাণ। ফাঁসির মঞ্চে জীবনের পায়ের ভৃত্য। তাঁরা জানতেন মৃত্যুবরণ করে জীবনের । জয়গান গেয়ে যাবেন। দেশের কোটি কোটি মানুষের মুক্ত স্বাধীন জীবনের জন্য তাঁদের আত্মদান হবে এক মহান আদর্শের প্রতিষ্ঠা। অমন মৃত্যু তাে সাধারণ মৃত্যু নয়। পরাধীনতার অভিশাপমুর স্বাধীন জীবনের গৌরবময় মৃত্যুবরণ। এই মৃত্যু হলাে জীবনের জন্য। কবি এরই ডাক দিয়েছেন। ।
- ‘ভাঙার গান’ কী ধরনের গান? গান ও কবিতাৱ তফাত কী সংক্ষেপে লেখাে।
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ‘ভাঙার গান’ একটি বিখ্যাত দেশাত্মবােধক গান।
গান আর কবিতার মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলাে গানে সুরারােপ করে লয়-তালে তাকে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়। কবিতায় সুরারােপের প্রয়ােজন হয় না। তাকে ছন্দ অনুযায়ী পড়তে পারলেই পরিবেশিত হয়। গান ও কবিতা উভয়ই কিন্তু ছন্দোবদ্ধ। এখানে তাদের বড়াে মিল। যেজন্য গানকে কবিতার মতাে করে পড়া যায়। অনেক কবিতাকে আবার গান করে গাওয়াও যায়। সেজন্য ‘ভাঙার গান গান হিসেবে লেখা হলেও কবিতা হিসেবে পাঠ্য বিষয় হয়েছে।
- ‘ভাঙার গান কবিতায় কবি প্রথম স্তবকে চাৱটি কাজের আবেদন রেখেছেন।—চাৱটি কাজ কী কী আলােচনা করাে।
উত্তর: ‘ভাঙার গান’ কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। প্রথম স্তবকে যে চারটি কাজের আবেদন রেখেছেন তা হলাে : এক কারাগারের লৌহ-কপাট ভেঙে ফেলার, দুই রক্তজমাট শিকল-পুজোর পাষাণ-বেদী লােপাট বা নিশ্চিহ্ন করতে, তিন তরুণ ঈশান যেন তার প্রলয়-বিষাণ বাজায়, চার প্রাচী’র প্রাচীর ভেদ করে বন্দিশালায় যেন ধ্বংস-নিশান ওড়ানাে হয়।
- “রক্ত জমাট শিকল পূজার পাষাণ বেদী”—তাৎপর্য আলোচনা করো।
উত্তর: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘ভাঙার গান’ কবিতা থেকে উদ্ধৃত অংশটি গৃহীত হয়েছে। পরাধীন ভারতবর্ষে অত্যাচারী ইংরেজ শাসক স্বাধীনতাসংগ্রামী ভারতীয়দের কারাংশ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। ভারতমাতার বীর বিপ্লবী সন্তানরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। দেশের মুক্তির জন্য। সমস্ত ইংরেজরা বিপ্লবীদের কারারুদ্ধ করে দমন করতে চেয়েছিলেন সশস্ত্র স্বাধীনতাসংগ্রামকে। শোষক ইংরেজদের অত্যাচারে বিপ্লবীদের অনেক রক্ত ঝরেছে। শাসক ইংরেজের অত্যাচারে কারাগারে লেগেছে রক্ত। আর বিপ্লবীদের রক্ত লেগে থাকা সেই কারাগারই কবির কাছে হয়েছে দেশমাতৃকার পূজার পাষাণ বেদি, যাতে শহিদের রক্ত জমাট হয়ে আছে।
- ওরে ওই তরুণ ঈশান, বাজা তোর প্রলয় বিষাণ” — কারণটি ব্যাখ্যা করো?
উত্তর: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘ভাঙার গান’ কবিতা থেকে উদ্ধৃত অংশটি গৃহীত হয়েছে। ঈশান হলেন ধ্বংস ও সৃষ্টির দেবতা শিব। জরাজীর্ণকে, অশুভকে বিনাশ করার জন্য তিনি যখন প্রলয় নৃত্য, করেছিলেন, তার আগে বাজিয়েছিলেন বিষাণ অর্থাৎ শিঙা। কবি নবীন বিপ্লবীদের ঈশানের সঙ্গে তুলনা করে ইংরেজশাসন বিনাশের বিষাণ বাজাতে বলেছেন। দেশমাতার মুক্তির জন্য যেসব ভারতসন্তান সংগ্রাম করছেন তাদের ওপর অত্যাচার করে, তাঁদের কারারুদ্ধ করে ইংরেজরা তাদের স্বাধীনতা স্পৃহাকে দমন করতে চাইছে। তাই তরুণ ঈশানকে অশও ইংরেজ শাসনের ধ্বংসের জন্য প্রলয় বিষাণ বাজাতে হবে।
বিশ্লেষণধর্মী ও রচনাধর্মী | ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer :
1. ভাঙার গান’ পাঠ্যাংশে কবির বিদ্রোহী মনোভাবের কী পরিচয় পাও ?
উত্তর: বিদ্রোহী শীর্ষক কবিতার মাধ্যমে বাংলা কাব্যে কবি নজরুলের আবির্ভাব। প্রায় সমকালে লেখা ‘ভাঙার গান’-এও কবির সেই বিদ্রোহী মনোভাব ব্যক্ত হয়েছে। দেশের মুক্তিকামী জনগণের প্রতি বিদেশি রাজশক্তির ক্রমাগত নিপীড়ন কবিকে বিদ্রোহী করে তুলেছে। দেশমাতার শৃঙ্খলমোচনে ব্রতী বীর সন্তানরা অনেকেই কারাবন্দি। তাই কবি কারার ওই লৌহকপাট ভেঙে ফেলতে তরুণ বিপ্লবী শক্তিকে আহ্বান জানিয়েছেন। ‘তরুণ ঈশান’কে ‘প্রলয় বিষাণ’ বাজিয়ে কারাগারের প্রাচীর ভেদ করে ধ্বংসনিশান ওড়াতে বলেছেন তিনি। ক্ষুব্ধ শিবের মতো ধ্বংসের শিঙা বাজিয়ে, পুরোনো সংস্কার তথা অত্যাচারী শাসনের প্রতি ভয়ভীতি ভুলে এই দুরবস্থার অবসান ঘটাবেন তরুণ বিপ্লবীরা। খ্যাপা ভোলানাথের মতো প্রলয় দোলা দিয়ে সজোরে হ্যাঁচকা টানে গারদগুলো নিশ্চিহ্ন করে দেবার ডাক দিয়েছেন। দুন্দুভি ঢাক কাঁধে নিয়ে সশস্ত্র যুদ্ধের জন্য শাসকের হাড় হিম করা ভয়ংকর হাঁক ছাড়তে বলেছেন কবি। কালবৈশাখী ঝড়ের শক্তিতে ভীমকারার ভিত্তি নাড়িয়ে দিতে পারবেন তরুণ দেশপ্রেমীরা, ঘৃণার লাথিতে ভেঙে ফেলবেন বন্দিশালার দরজা। আত্মদান ও বলিষ্ঠ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাঁরা মৃত্যুকে জীবনপানে ডাক দেবেন। বিপ্লবীদের বন্দি করে, ফাঁসি দিয়ে ইংরেজ সরকার মুক্ত স্বাধীন সত্যকে অর্থাৎ দেশের স্বাধীনতা-স্পৃহাকে স্তব্ধ করতে পারবে না। মানবতার জয় হবেই। কবির বিদ্রোহী মনোভাব গভীর দেশপ্রেম ও মানবতাবোধের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সমগ্র গানটিতে সেই বিদ্রোহের সুরই ধ্বনিত হয়েছে।
2. ‘ভাঙার গান’ শীর্ষক গানটির নামকরণের তাৎপর্য আলোচনা করো।
উত্তর: কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘ভাঙার গান’ নামাঙ্কিত গানটি যে মূলগ্রন্থ থেকে আহরিত হয়েছে সেটির নামও ‘ভাঙার গান’ (১৯২৪)। এই বইয়ের প্রথম রচনাটিই ‘ভাঙার গান’ এবং সমগ্র বইটির নাম এই প্রথম রচনাটির নামেই চিহ্নিত। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ সম্পাদিত ‘বাঙ্গালার কথা’ সাপ্তাহিক পত্রিকায় ১৯২২ খ্রিস্টাব্দের ২০ জানুয়ারি গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
শিরোনামের মধ্যে অনেক সময় কোনো সাহিত্যসৃষ্টির মর্মকথা আভাসিত হয়। আলোচ্য গানটির নামকরণেও এর মর্মকথা এবং কবির মনোভঙ্গির আভাস পাওয়া যায়। অসহযোগ আন্দোলনের সময় রচিত এ গানে সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে কারারুদ্ধ স্বাধীনতাসংগ্রামীদের মুক্তি তথা স্বদেশের মুক্তির দুর্বার সংকল্প প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম পঙ্ক্তিতেই কবি ভাঙার কথা স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করেছেন “কারার ওই লৌহকপাট ভেঙে ফেল কররে লোপাট”। শেষের আগের পঙ্ক্তিতে বলেছেন— “লাথি মার ভাঙরে তালা”।
এই দুটি দৃষ্টান্তে ভাঙার প্রসঙ্গ সরাসরি রয়েছে। এ ছাড়া গানটির সর্বত্র ভাঙা বা ধ্বংসের অনুরণন লক্ষ করা যায়। বলিষ্ঠ বিদ্রোহের মাধ্যমে কারার লৌহকপাট ভেঙে লোপাট করে, তার প্রাচীর ভেদ করে ধ্বংসনিশান ওড়ানোর ডাক দিয়েছেন কবি। তিনি চেয়েছেন ঈশানের মতো প্রলয় বিষাণ বাজিয়ে, ভোলানাথের মতো তাণ্ডব নৃত্যে শাসকের সমস্ত চক্রান্ত ধূলিসাৎ করে দিক নবযুগের নওজোয়ানেরা। অত্যাচারী ইংরেজ শাসকের হাড় হিম করে দিতে বলিষ্ঠ হাঁক ছাড়ুক বিপ্লবীরা। মৃত্যুকে ডেকে আনুক জীবনপানে। গোটা দেশটাই যেন এক বন্দিশালা। বিদ্রোহের আগুনে এই বন্দিশালাকে পুড়িয়ে ছারখার করে দিতে, শুভ, সুন্দর, স্বাধীন দেশ গঠনের জন্যই কবির এই ভাঙার ডাক। সমগ্র গানটিতে ভাঙার কথা এত প্রকটভাবে আছে বলেই ‘ভাঙার গান’ শিরোনামটি সুপ্রযুক্ত হয় তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
3. ভাঙার গান’রচনাটির পটভূমি উল্লেখ করে মমার্থ লেখো।
উত্তর: ভাঙার গান’ পাঠ্যাংশটি গানটি কাজী নজরুল ইসলাম অসহযোগ আন্দোলনের পটভূমিতে রচনা করেছিলেন ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে। এই গানটিতে পরাধীন দেশজননীর শৃঙ্খলমোচনের কথা বিদ্রোহাত্মক ভঙ্গিতে প্রকাশিত হয়েছে। অত্যাচারী ইংরেজ শাসক স্বাধীনতাসংগ্রামীদের কারারুদ্ধ করেছে। কবি সেই কারাগারের লৌহকপাট ভেঙে লোপাট করার ডাক দিয়েছেন। ইংরেজের অত্যাচারে দেশমাতার পূজার বেদি রক্তে রাঙা। বিদেশি শাসক স্বদেশপ্রেমীদের গলায় ফাঁসির দড়ি পরাতে চায় কিন্তু তারা জানে না বিপ্লবী বীরদের মৃত্যু নেই, তাঁরা মৃত্যুঞ্জয়ী। রুদ্র মহেশ্বরের মতো, খ্যাপা ভোলানাথের মতো প্রলয় নৃত্যে সমস্ত বন্ধন চূর্ণ করে তরুণ দেশপ্রেমীরা স্বদেশকে মুক্ত করবেই। অর্থাৎ পরাধীনতার বন্ধন ছিন্ন হবে। তীব্র ঘৃণার পদাঘাতে ভেঙে পড়বে ভীমকারার তালা। গোটা দেশটাই আজ যেন এক কারাগার। সেই কারাগার থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন কবি। তিনি বিশ্বাস করেন, জাতীয়চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধ ভারতবাসী দেশজননীকে সমস্ত বন্ধন থেকে মুক্ত করবেই।
4. “কারার ওই লৌহকপাট/ভেঙে ফেল, কররে লােপাট” — ব্যাখ্যা করো।
অথবা,
‘ভাঙার গান’ কবিতাটিতে কবি নজরুলের কবি মানসিকতার যে পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে তা আলোচনা লেখাে।
উত্তর: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘ভাঙার গান’ কবিতাটি অসহযোগ আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। কবিতাটি স্বাধীনতার জন্য উন্মুখ মানুষের প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধের আকাঙ্ক্ষাকেই যেন প্রকাশ করে। এই কবিতায় সাম্রাজ্যবাদী শাসক শ্রেণির প্রতি কবির বিদ্রোহী মনোভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কারাগারের লৌহকপাটকে ভেঙে ফেলে সেখানে থাকা ‘রক্ত-জমাট/ শিকল-পুজোর পাষাণ-বেদী’-কে কবি ধ্বংস করতে বলেছেন। জেলখানার গারদগুলোয় ‘হেঁচকা টান’ দিতে বলেছেন। আত্মদানের মধ্যে দিয়েই কবি চেয়েছেন জীবনকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠা করতে, বলেছেন — “ডাক ওরে ডাক/মৃত্যুকে ডাক জীবনপানে”। কখনও বলেছেন বন্দিশালায় আগুন জালিয়ে তাকে উপড়ে ফেলার জন্য। এই আকাঙ্ক্ষার মধ্য দিয়ে কবি নজরুলের শুধু দুঃসাহস নয়, বরং বিদ্রোহ, সত্য ও স্বাধীনতার প্রতি আনুগত্যও প্রকাশ পেয়েছে। আপসহীন প্রতিবাদী মানসিকতায় কবি শুধু বিদ্রোহের কথা বলেননি, স্বাধীনতার জয় ঘোষণা করেছেন। গাজনের বাজনা বাজিয়ে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে সৃষ্টির আগমনকে ঘোষণা করেছেন কবি। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সেখানে জীবনের নতুন অভিষেক ঘটবে। শাসক আর শাসিতের মধ্যেকার দূরত্ব মিটে যাবে। এভাবেই ‘ভাঙার গান’ কবিতাটিতে নজরুলের স্বাধীনতাপ্রিয় বিদ্রোহী মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে।
Class 9 Question and Answer | নবম শ্রেণীর সাজেশন
আরো পড়ুন:-
Class 9 Bengali Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 English Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Geography Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 History Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Life Science Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Mathematics Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Physical Science Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 All Subjects Suggestion Click here
West Bengal (WBBSE) Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer | ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
West Bengal (WBBSE) Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer | ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর : West Bengal Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer | ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর – WBBSE Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer | ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর গুলো আলোচনা করা হয়েছে।
ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer
এই “ভাঙার গান (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Vangar Gan Question and Answer” পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী সমস্ত শ্রেণীর প্রতিটি অধ্যায় অনুশীলন, বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার গাইডেন্স ও চারীর খবর বা শিক্ষামূলক খবর জানতে আমাদের এই Porasuna.in ওয়েবসাইটি দেখুন, ধন্যবাদ।




















