রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer
রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer : নমস্কার, বন্ধুরা আজকের আলোচ্য বিষয় রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer নিচে দেওয়া হলো। এই রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা – Class 9 Bengali Radharani Golpo থেকে MCQ, SAQ, Description Question and Answer, Notes গুলি আগামী নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।
আপনার যারা রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা – West Bengal WBBSE Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারেন।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই (WBBSE) |
| ক্লাস | নবম শ্রেণী (WB Class 9) |
| বিষয় | নবম শ্রেণীর বাংলা |
| পাঠ | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | West Bengal Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer
বহুনির্বাচনী : রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo MCQ [প্রশ্নমান – ১]
১. রাধারাণীর মা আপিল করেছিলেন-
(A) হাইকোর্টে
(B) প্রিভি কাউন্সিলে
(C) লোয়ার কোর্টে
(D) সুপ্রিম কোর্টে
Ans: (B) প্রিভি কাউন্সিলে।
২. যে ঘাড়ের উপর আসিয়া পড়িয়াছিল, সে বলিল-
(A) কে তুমি?
(B) কে গা তুমি কাঁদ?
(C) কে গা?
(D) কে গা, তুমি?
Ans: (B) কে গা তুমি কাঁদ?
৩. রাধারাণী পথিককে নিজের বাড়ি বলেছিল-
(A) শ্রীরামপুর
(B) শ্রীরামচন্দ্রপুর
(C) চণ্ডীপুর
(D) রামকৃষ্ণপুর
Ans: (A) শ্রীরামপুর।
৪. ‘রাধারাণী’ গল্পটি লিখেছেন —
(A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(B) প্রেমেন্দ্র মিত্র
(C) তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
(D) রজনীকান্ত সেন
Ans: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
৫. রাধারানীদের সম্পত্তির অর্থমূল্য ছিল —
(A) আট লক্ষ টাকা
(B) কুড়ি লক্ষ টাকা
(C) দশ লক্ষ টাকা
(D) তিরিশ লক্ষ টাকা
Ans: দশ লক্ষ টাকা।
৬. “সমভিব্যাহারী এই বলিয়া মুল্য দিল।” – ‘সম্যভিব্যাহারী’ শব্দটির অর্থ হল-
(A) সঙ্গী
(B) সমান
(C) মূল্যযুক্ত
(D) আহার করা
Ans: (A) সঙ্গী।
৭. ‘তাহাদিগের অবস্থা পূর্বে ভালো ছিল’। _____ অবস্থা ভাল ছিল।
(A) রুক্মিনীকুমারের
(B) রাধারানীর
(C) পদ্মলোচনের
(D) শান্তিবালার
Ans: রাধারানীর।
৮. রাধারানীর বাড়ি ছিল —
(A) শ্রীরামপুরে
(B) নদিয়ায়
(C) মাহেশে
(D) শান্তিপুরে
Ans: শ্রীরামপুরে।
৯. রাধারানী উপবাস করেছিল কেন?
(A) অন্নের সংস্থান ছিল না বলে
(B) অন্য জোটেনি তাই
(C) তার খাবার ইচ্ছা ছিল না
(D) শরীর অসুস্থ ছিল তাই
Ans: অন্নের সংস্থান ছিল না বলে।
১০. রথের হাটে লোক ভেঙ্গে গিয়েছিল কেন?
(A) জিনিসপত্র ছিল না তাই
(B) প্রচন্ড ঝড় উঠেছিল
(C) প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল তাই
(D) এদের কোনোটিই নয়
Ans: প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল তাই।
১১. রাধারানীর মা পীড়িতা হয়েছিলেন —
(A) রথের দিন
(B) রথের পরে
(C) রথের ১৫ দিন আগে
(D) রথের পূর্বে
Ans: রথের দিন।
১২. রাধারানী রথ দেখতে গিয়েছিল —
(A) মাহেশে
(B) মায়াপুরে
(C) শ্রীরামপুরে
(D) শান্তিপুরে
Ans: মাহেশে।
১৩. ‘আমি বাহিরে দাঁড়াইয়া আছি’ — একথা বলেছিল —
(A) বসন্ত রায়
(B) পদ্মলোচন সাহা
(C) রাধারানী
(D) রুক্মিণীকুমার
Ans: রুক্মিণীকুমার।
১৪. ‘তিনি কেন? পোড়ামুখো কাপুড়ে মিনসে!’ — কাপুড়ে মিনসেরন নাম —
(A) পদ্মলোচন সাহা
(B) বসন্ত রায়
(C) রুক্মিণী কুমার রায়
(D) কোনটাই নয়
Ans: রুক্মিণী কুমার রায়।
১৫. ‘নোট খানি তারা ভাঙ্গাইল না’ — কারণ —
(A) তাতে নাম লেখা ছিল
(B) তারা দরিদ্র কিন্তু লোভী নয়
(C) নিজের টাকা নয় বলে ভাঙ্গলো না
(D) তাদের দরকার ছিল না
Ans: তারা দরিদ্র কিন্তু লোভী নয়।
১৬. “এক্ষণেও বালিকার হৃদয়মধ্যে লুক্কায়িত আছে।” – এখানে যে বিষয়টি সম্পর্কে বলা হয়েছে-
(A) বনফুলের মালা
(B) চারি টাকার কাপড়
(C) একখানা নোট
(D) একটি বকুল ফুলের মালা
Ans: (A) বনফুলের মালা।
১৭. পোড়ারমুখো কাপুড়ে মিনসের প্রকৃত নাম –
(A) পদ্মলোচন দত্ত
(B) পদ্মলোচন মণ্ডল
(C) পদ্মলোচন সাহা
(D) পদ্মলোচন কুণ্ডু
Ans: (C) পদ্মলোচন সাহা।
১৮. রাধারাণীদের যখন অবস্থা ভালো ছিল পদ্মলোচন চার টাকার কাপড়ের দাম নিত-
(A) আট টাকা সাড়ে চোদ্দো আনা
(B) আট টাকা সাড়ে বারো আনা
(C) আট টাকা সাড়ে দশ আনা
(D) সাত টাকা সাড়ে চোদ্দো আনা
Ans: (A) আট টাকা সাড়ে চোদ্দো আনা।
১৯. রাধারানী ঘর ঝাঁট দিতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছিল-
(A) একটি স্বর্ণমুদ্রা
(B) একটা ছবি
(C) একটা নোট
(D) মায়ের ওষুধ
Ans: (C) একটা নোট।
২০. “তাঁহার নামও নোটে লেখা আছে”- কারণ –
(A) যাতে বুঝতে অসুবিধা হয়
(B) যাতে কেউ না নিতে পারে
(C) পাছে কেউ চোরা নোট বলে
(D) যাতে অসুবিধায় পড়তে না হয়
Ans: (C) পাছে কেউ চোরা নোট বলে।
২১. রাধারাণী তার প্রাপ্ত টাকা ভাঙিয়ে সংগ্রহ করেছিল-
(A) মায়ের ওষুধ
(B) মায়ের শীতবস্ত্র
(C) মায়ের পথ্য
(D) কোনোটাই নয়
Ans: (C) মায়ের পথ্য।
২২. ‘রাধারাণী’ রচনাংশের ঘটনার সময় –
(A) শীতকাল
(B) বর্ষাকাল
(C) গ্রীষ্মকাল
(D) বসন্তকাল
Ans: (B) বর্ষাকাল।
২৩. রাধারাণীর মা পীড়িত হয়েছিলেন –
(A) রথের দিন
(B) রথের আগে
(C) রথের পরে
(D) রথের পনেরো দিন আগে
Ans: (B) রথের আগে।
২৪. রাধারাণীরদের সম্পত্তির অর্থমূল্য ছিল –
(A) কুড়ি লক্ষ টাকা
(B) তিরিশ লক্ষ টাকা
(C) আট লক্ষ টাকা
(D) দশ লক্ষ টাকা
Ans: (D) দশ লক্ষ টাকা।
২৫. ‘নোটখানি তাহারা ভাঙাইল না’ – কারণ –
(A) তাদের দরকার ছিল না
(B) নিজের টাকা নয় বলে
(C) তাতে নাম লেখা ছিল বলে
(D) তারা দরিদ্র কিন্তু লোভী নয়
Ans: (D) তারা দরিদ্র কিন্তু লোভী নয়।
অতিসংক্ষিপ্ত : রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo SAQ [প্রশ্নমান – ১]
১. “মালা কেহ কিনিল না”। – মালা না কেনার কারণ কী ছিল?
Ans: রথের দড়ির টান অর্ধেক হতে না হতেই প্রবল বৃষ্টিতে মেলা ভেঙে গেলে মালা কেনার লোক থাকে না।
২. “লোক আর জমিল না।” – কোথায় লোক জমেনি?
Ans: রথের মেলায় লোক জমেনি।
৩. “রাধারাণী রোদন বন্ধ করিয়া বলিল…” রাধারাণী কি বলেছিল?
Ans: রাধারাণী কান্না বন্ধ করে বলেছিল সে দুঃখী লোকের মেয়ে এবং তার মা ছাড়া কেউই নেই।
৪. “রাধারাণী বড়ো বালিকা।” কীভাবে এই ধারণা হয়েছিল?
Ans: আগন্তুক প্রথমে রাধারাণীর গলার আওয়াজে এবং পরে তার হাতের ছোঁয়ায় বুঝতে পারেন রাধারাণী খুবই ছোটো একটি মেয়ে।
৫. পথিক চরিত্রটি মালার সন্ধান করছি কেন?
Ans: পথিক চরিত্রটি তার গৃহদেবতাকে পড়ানোর জন্য মালার সন্ধান করছিল।
৬. “রাধারানী রোদন বন্ধ করিয়া বলিল…” — রাধারানী কি বলেছিল?
Ans: রাধারানী কান্না বন্ধ করে বলেছিল সে দুঃখী লোকের মেয়ে এবং তার মা ছাড়া কেউ নেই।
৭. “তুমি ভুলে টাকা দাও নাইতো?” — কেন একথা বলেছে?
Ans: মালার দান হিসেবে দেওয়া পয়সার আকৃতি এবং অন্ধকারেও ঔজ্জ্বল্য দেখতে বক্তার রাধারানীর প্রশ্নোদ্ধৃত মন্তব্যটি করে।
৮. “আমার ব্যামো হয় না।” — কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে?
Ans: মাত্র দুটি কাপড় থাকায় রাধারাণীকে সর্বদা ভিজে কাপড়ে থাকতে হয়। এই প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে।
৯. “… প্রসন্ন মনে দোকানে ফিরিয়া গেলেন।” — এই প্রসন্নতার কারণ কি?
Ans: পদ্মলোচন রুক্মিণীকুমারের কাছ থেকে চার টাকার কাপড়ের দাম আট টাকা সাড়ে চোদ্দো আনা আদায় করে প্রসন্ন হয়েছিল।
১০. রাধারানী ঘর পরিস্কার করছিল কেন?
Ans: রাধারানী মাকে খেতে দেবার জন্য তাদের ঘর পরিস্কার করছিল।
১১. রাধারানীর কুড়িয়ে পাওয়া নোটে কি লেখা ছিল?
Ans: রাধারানীর কুড়িয়ে পাওয়া নোটে রাধারানীর এবং দাতা রুক্মিণী কুমার রায়ের নাম লেখা ছিল।
১২. “তাহারা দরিদ্র, কিন্তু লোভী নহে।” — এই লোভহীন তার কোন পরিচয় গল্পে পাওয়া যায়?
Ans: রাধারানী এবং তার মা লোভী নয় বলেই রুক্মিণী কুমার রায়ের রেখে যাওয়া নোট না ভাঙ্গিয়ে তুলে রেখেছিল।
১৪. রাধারাণী কোথায় রথ দেখতে গিয়েছিল?
Ans: রাধারাণী মাহেশের রথের মেলায় গিয়েছিল।
১৫. রাধারাণীদের সম্পত্তির অর্থমূল্য কত ছিল?
Ans: রাধারাণীদের সম্পত্তির অর্থমূল্য প্রায় দশ লক্ষ টাকা।
- রাধারাণীর মা কখন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন?
Ans: রথের আগে রাধারাণীর মা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।
১৬. ‘রাধারাণী’ গল্পে কোন মাসের উল্লেখ আছে?
Ans: রাধারাণী গল্পে শ্রাবণ মাসের উল্লেখ আছে।
১৭. রাধারাণী একা রথের মেলায় গিয়েছিল কেন?
Ans: রাধারাণী বনফুলের মালা বিক্রি করে মা-র পথ্য সংগ্রহ করবে বলে মাহেশের রথের মেলায় গিয়েছিল।
১৮. “রথের হাট শীঘ্র ভাঙিয়া গেল।” – কেন?
Ans: রথের হাট প্রবল বৃষ্টির কারনে শীঘ্রই ভেঙে গিয়েছিল।
১৯. রাধারানী কোথায় গিয়েছিল?
Ans: রাধারানী মাহেশে রথ দেখতে গিয়েছিল।
২০. রাধারানী মায়ের পথ্যের জন্য কি করেছিল?
Ans: মায়ের পথ্য সংগ্রহের জন্য রাধারানী বোন ফুল তুলে মালা গেঁথে রথের হাটে বিক্রি করার পরিকল্পনা করে।
২১. “মালা কেহ কিনিল না।” — মালা না কেনার কারণ কি ছিল?
Ans: রথের টান অর্ধেক হতে না হতেই প্রবল বৃষ্টিতে মেলা ভেঙে গেলে মালা কেনার লোক থাকে না।
২২. “… বিধবা হাইকোর্টে হারিল।” — এখানে কোন মামলার কথা বলা হয়েছে।
Ans: জ্ঞাতির সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে রাধারানীর মায়ের যে মামলা হয়েছিল এখানে তার কথাই বলা হয়েছে।
২৩. হাইকোর্টে মামলায় হেরে যাওয়ার ফলে রাধারাণীদের কি অবস্থা হয়েছিল?
Ans: হাইকোর্টে হেরে যাওয়ার ফলে ডিক্রি জারি করে রাজা — রাণীদের ভদ্রাসন থেকে উৎখাত করা হয়।
২৪. নােটে নাম লেখার কারণ কী?
উত্তর; কারণ হলাে, পাছে কেউ চোর বলে সন্দেহ প্রকাশ করে তাই নাম লিখেছে লােকটি।
২৫. রাধারানী কী কারণে রথের মেলায় গিয়েছিল?
উত্তর : রাধারাণী অসুস্থ মায়ের পথ্য জোগাড়ের জন্য প্রয়ােজনীয় অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে রথের মেলায় বনফুলের মালা বেচতে গিয়েছিল।
সংক্ষিপ্ত : রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo SAQ [প্রশ্নমান – ২/৩]
১. ‘…তাহাতেই মার পথ্য হইবে।’ – রাধারাণী কীভাবে মায়ের পথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করেছিল?
Ans: আলোচ্য অংশটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাধারানী পাঠ্যাংশের অন্তর্গত। লেখকের কলমে আমরা জানতে পারি যে, রাধারানীর বিধবা মা অসুস্থ হওয়ায় তাদের পরিবারের উপার্জনের উপায় বন্ধ হয়ে যায়। মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় পথ্য জোগাড় করার জন্য বালিকা রাধারানী একটি উপায় বের করে। সে কিছু বনেরফুল তুলে, দিয়ে মালা গাথে এবং সেই মালা রথের মেলা উপলক্ষে বসা হাটে বিক্রি করে পয়সা রোজগার করে, তাই দিয়ে মায়ের পথ্য বা ওষুধ জোগাড় করার কথা ভাবে।
২. ‘অগত্যা রাধারাণী কাঁদিতে কাঁদিতে ফিরিল।’ – কোন পরিস্থিতিতে কাঁদতে কাঁদতে রাধারাণী বাড়ির পথ ধরল?
Ans: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাধারানী পাঠ্যাংশের প্রধান চরিত্র বালিকা রাধারানী; সে তার অসুস্থ মায়ের জন্য ওষুধ কেনার অর্থ জোগাড়ের উদ্দ্যেশে মাহেশের রথের মেলায় বনফুলের মালা বিক্রির উদ্দেশ্যে গিয়েছিল। কিন্তু ‘রথের টান’ অর্ধেক হওয়ার সাথে সাথে বৃষ্টি নামে এবং লোকের ভিড় কমে যায়। এরপর সন্ধ্যে নামলেও রাধারানীর মালা অবিকৃত অবস্থায় থেকে যায়। রাতের অন্ধকার নামলে হতোদ্যম রাধারানী ভগ্নহৃদয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ির পথ ধরে।
৩. ‘সকাতরে বলিল মা! এখন কী হবে?’ – কোন্ পরিস্থিতিতে রাধারাণী একথা বলেছিল? উত্তরে তার মা কী বলেছিলেন?
Ans: রাধারানী অচেনা ব্যক্তির সাথে বাড়ি ফিরে আসার পর আবিষ্কার করে আগন্তুক রাধারানীকে পয়সার বদলে টাকা দিয়েছে, এরপর সে বাড়ির বাইরে এসে আগন্তুকের সন্ধানে বিফল হয়। এরপর কিংকর্তব্যবিমূঢ় রাধারানী তার মাকে আলোচ্য উক্তিটি করে।
আলচ্য উক্তির পরিবর্তে রাধারানীর মা, তাকে বলে – “কি হবে বাছা! সে কি আর না জেনে টাকা দিয়েছে? সে দাতা, আমাদের দুঃখ সুনিয়ে দান করিয়াছে – আমরাও ভিখারি হইয়াছি, দান গ্রহণ করিয়া খরচ করি”।
৪. “অগত্যা রাধারাণী কাদিতে কাঁদিতে ফিরিল।” — রাধারাণীর কেঁদে কেঁদে ফেরার কারণ ব্যাখ্যা করো।
Ans: রাধারাণী বুনোফুলের মালা গেঁথে রথের মেলায় গিয়েছিল, তা বিক্রি করে মার পথ্য সংগ্রহ করতে। কিন্তু রথ অর্ধেক টানা হওয়ার পরেই প্রবল বৃষ্টিতে মেলা ভেঙে যায়। রাধারাণী তবুও মেলায় ভিড় আরও জমবে এবং তার মালাও বিক্রি হবে এই আশায় বৃষ্টিতে ভিজতে থাকে। কিন্তু রাত হওয়ার পরেও বৃষ্টি না থামায় তার আশা ভেঙে যায়। মালা বিক্রি না হওয়ায় রাধারাণী অন্ধকারে কাদতে কাদতে বাড়ির পথ ধরল।
৫. “কিন্তু আর আহারের সংস্থান রহিল না।” — এই সংস্থান না থাকার কারণ আলোচনা করো।
Ans: একজন জ্ঞাতির সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে মামলায় রাধারাণীর বিধবা মা হাইকোর্টে হেরে যায়। জ্ঞাতি ডিক্রি জারি করে তাদের পিতৃপুরুষের ভিটে থেকে উচ্ছেদ করে দশ লক্ষ টাকার সম্পত্তির দখল নেয়। খরচ এবং পাওনা শোধ করতে বাকি সব অর্থ চলে যায়। গয়না ইত্যাদি বিক্রি করে রাধারাণীর মা প্রিভি কাউন্সিলে আপিল করলেও খাবার জোগাড়ের অবস্থা তাদের আর থাকে না।
৬. “রাধারাণীর বিবাহ দিতে পারিল না!” — রাধারাণীর বিবাহ দিতে না পারার কারণ আলোচনা করো।
Ans: সম্পত্তির অধিকার নিয়ে এক জ্ঞাতির সঙ্গে মামলায় হেরে যাওয়ায় রাধারাণীর বিধবা মার প্রায় দশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি হাতছাড়া হয়। নগদ টাকা যেটুকু ছিল তা পাওনা শোধ ইত্যাদিতে ব্যয় হয়ে যায়। গয়নাগাটি বিক্কি করে রাধারাণীর মা প্রিভি কাউন্সিলে আপিল করায় তারা আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে যায়। এই দারিদ্র্যের কারণেই দৈহিক পরিশ্রম করে কোনো রকমে বেঁচে থাকা রাধারাণীর মার পক্ষে রাধারাণীর বিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি।
৭. “তাহারা দরিদ্র, কিন্তু লোভী নহে।” — মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
Ans: রথের মেলা থেকে ফেরার পথে রাধারাণীর সঙ্গে একজনের পরিচয় হয় রাধারাণীকে সাহায্যের জন্য সে তার কাছ থেকে মালা কেনে, তার জন্য কাপড় পাঠানোর ব্যবস্থা করে, এমনকি নিজের ও রাধারাণীর নাম লেখা একটি নোটও তাদের ঘরে রেখে যায়। কিন্তু রাধারাণীরা দরিদ্র হলেও লোভ নয়। সেই ব্যক্তি তাদের জন্য যা দিয়েছিল, তাই যথেষ্ট ছিল। এই উপকারীর উপকারের চিহস্বরূপ সেই নোটটি তারা খরচ করেনি।
৮. ‘তাহাদিগের অবস্থা পূর্বে ভালো ছিল’ – পরবর্তীকালে তাদের দুর্দশার কারণ কী?
Ans: আলোচ্য অংশটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাধারানী পাঠ্যাংশের অন্তর্গত। এই পাঠ্যাংশে লেখক বলছেন পিতৃহারা রাধারাণী বড়ো ঘরের মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও একটি মামলার কারণে তাঁর বিধবা মা সর্বস্বান্ত হয়, দশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি সবই বাদীপক্ষ কেড়ে নেয় এবং তাঁদেরকে গৃহচ্যুত করে। এমন অবস্থায় তাঁদের সকল অন্ন-সংস্থানের কোনো উপায় থাকে না। এটিই ছিল তাদের দুর্দশার কারণ।
৯. ‘সুতরাং আর আহার চলে না।’ – কাদের প্রসঙ্গে এই উক্তি? তাদের আহার বন্ধের উপক্রম হল কেন?
Ans: এই উক্তিটি লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর রাধারাণী পাঠ্যাংশে, রাধারানী এবং তার বিধবা মা সম্পর্কে করেছেন।
জ্ঞাতিপক্ষের কাছে মামলায় হেরে সর্বস্বান্ত হয় রাধারানী এবং তার বিধবা মাতা। এর পর শারীরিক পরিশ্রম করে কোনোরকমে তাদের গ্রাসাচ্ছাদন চলতে থাকে। কিন্তু এর কিছুদিন পরে, রাধারানীর মা ‘ঘোরতর’ ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে, তার কায়িক পরিশ্রমের উপায় বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তাদের আহারাদির ব্যবস্থাও বিপন্ন হয়।
বিশ্লেষণধর্মী ও রচনাধর্মী | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Radharani Question and Answer :
১. ‘তাহারা দরিদ্র, কিন্তু লোভী নহে’ – কাদের কথা বলা হয়েছে? পাঠ্যাংশ অনুসরণে তাদের দারিদ্র্য এবং নির্লোভতার প্রসঙ্গ আলোচনা করো।
Ans: আলোচ্য উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাধারানী পাঠ্যাংশের অন্তর্গত, লেখক এখানে ‘তাদের’ বলতে পাঠ্যাংশের দুটি প্রধান চরিত্র রাধারানী এবং তার মায়ের কথা বুঝিয়েছেন।
একসময় আর্থিক অবস্থা ভালো হওয়া সত্বেও, বর্তমানে রাধারানী ও তার মা প্রবল অর্থকষ্টে জর্জরিত। এমনকি তাদের দৈনিক আহারটুকু জোটে না। অসুস্থ মায়ের জন্য ঔষধ কেনার অর্থ সংগ্রহ করার উদ্দেশ্যে বনফুলের মালা নিয়ে, মাহেশের রথের মেলায় যায় বালিকা রাধারানী, কিন্তু তার মালা অবিকৃত থেকে যায়। দুঃখী রাধারানী বাড়ি ফেরার পথে পথ ভুল করে এবং এই সময় তার একজন পুরুষ আগন্তুকের সাথে দেখা হয়, আগন্তুক তাকে বাড়ি ফিরিয়ে আনে এবং তার সব মালা কিনে নেয়।আগন্তুক পুরুষ যখন তাকে টাকা দেয় এবং রাধারাণীর সন্দেহ হয় যে সেটি পয়সা নয়, চকচকে টাকা তখন সে আগন্তুককে বাইরে অপেক্ষা করতে বলে ভিতরে যায় সেটি টাকা না পয়সা আলো জ্বালিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে। আগন্তুক সত্যই টাকা দিয়েছে দেখে সে টাকা ফেরত দিতে বাইরে আসে। এই ঘটনা থেকে রাধারানীর চরিত্রের সততার দিকটি প্রকাশিত হয়।
পুনরায় তাঁর মা এই ঘটনা শুনে যখন বলেন, ‘…সে দাতা, আমাদের দুঃখ শুনিয়া দান করিয়াছে – আমরাও ভিখারী হইয়াছি, দান গ্রহণ করিয়া খরচ করি।’
তখন স্পষ্টই বোঝা যায় যে প্রাচুর্য একসময় তাঁদের ছিল তা তাঁদের কখনোই অসৎ কিংবা মূল্যবোধহীন হতে শেখায়নি। ভাগ্যের ফেরে আজ এমন দুঃসহ দারিদ্র্য গ্রাস করলেও মাথা নীচু করে দান গ্রহণ করতে তাঁদের বিবেকে বাধে। তাই যখন ঘর ঝাঁট দিতে গিয়ে একটি নোট খুঁজে পায় রাধারাণী যাতে সেই আগন্তুকের নাম লেখা আছে, সেই নোট কিন্তু তাঁরা সযত্নে রেখে দেয়।
লেখক তাই লিখেছেন, ‘…তাহারা দরিদ্র, কিন্তু লোভী নহে।’
২. ‘রাধারাণী’ রচনাংশ অবলম্বনে সেকালের সমাজজীবনের পরিচয় দাও।
Ans: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘রাধারাণী’ রচনাংশটি কোনো সামাজিক সমস্যা ও সংকটকে অবলম্বন করে রচিত না হলেও কাহিনির প্রেক্ষাপটে সমাজ উঁকি দিয়েছে বারেবারেই রাধারাণীর মার নিঃস্ব হওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ কিংবা মামলা-মোকদ্দমা তখন যথেষ্টই ছিল। রথের মেলা উপলক্ষ্যে লোকের ভিড় গ্রামবাংলারই জীবন্ত ছবি। দারিদ্র্য কত কষ্টকর হতে পারে তার পরিচয় পাওয়া যায় যখন রাধারাণীদের খাবার জোটে না, কিংবা রাধারাণী জানায় তার দুটি ভিন্ন কাপড় নেই—ভিজে কাপড়ে থাকতেই সে অভ্যস্ত। কাপড়ের ব্যবসায়ী পদ্মলোচন সাহা অসৎ ব্যাবসাবৃত্তির প্রতীক হয়ে থাকে, যে চার টাকার কাপড় আট টাকা সাড়ে চোদ্দো আনায় বিক্রি করে। মেয়েদের মধ্যে শিক্ষার যে চল ছিল তা বোঝা যায় যখন রাধারাণী সম্পর্কে লেখক বলেন— “রাধারাণী বড়োঘরের মেয়ে, একটু অক্ষরপরিচয় ছিল।” রাধারাণী এবং তার মায়ের রুক্মিণীকুমার রায়ের রেখে যাওয়া নোট তুলে রাখার মধ্য দিয়ে বোঝা যায় পদ্মলোচনের মতো অসৎ চরিত্রের বিপরীতে সৎ এবং আদর্শবাদী মানুষও তখন সমাজে যথেষ্ট ছিল।
৩. “রাধারাণী নামে এক বালিকা মাহেশে রথ দেখিতে গিয়াছিল।” — রিধারাপীর মাহেশে রথ দেখতে যাওয়ার কারণ কী ছিল? সেখানে তার কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল?
Ans: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘রাধারাণী’ গল্পাংশের প্রধান চরিত্র রাধারাণী ছিল এগারো বছরেরও কমবয়সি একটি মেয়ে। জ্ঞাতির সঙ্গে মোকদ্দমায় বিপুল সম্পত্তি বেহাত হওয়ার পরে রাধারাণীর বিধবা মা একটা কুটিরে আশ্রয় নিয়ে শারীরিক পরিশ্রম করে পেটের ভাত জোগাড় করতেন। কিন্তু হঠাৎ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় রাধারাণীদের দিন চলা দায় হয়। রাধারাণীকে উপোস করতে হয়। কিন্তু রথের দিন তার মায়ের অসুখ বেড়ে গেলে পথ্যের প্রয়োজন হয়। এই পথ্য জোগাড়ের জন্য রাধারাণী বন থেকে ফুল তুলে এনে একটি মালা গাঁথে। মালাটি বিক্রি করে মায়ের পথ্য জোগাড় করার জন্যই রাধারাণী মাহেশে রথের মেলায় যায়। প্রবল বৃষ্টির কারণে মেলা অসময়ে ভেঙে যাওয়ায় রাধারাণীর মালা বিক্রি হয় না। রাধারাণী যখন কাঁদতে কাদতে বাড়ি ফিরছে তখনই অন্ধকার পথে তার ঘাড়ের উপরে একটি লোক এসে পড়ে। সে রাধারাণীর কান্নার কারণ জানতে চায়। লোকটির গলার আওয়াজেই তার দয়ালু স্বভাব উপলদ্ধি করে রাধারাণী। এরপরে রাধারাণীর হাত ধরে সেই অন্ধকার পিছল পথে লোকটি তাকে বাড়ি পৌঁছোতে সাহায্য করে এবং তার রথের মেলায় যাওয়ার কারণনে মালাটি কিনে নেয়।
৪. “আমরাও ভিখারি হইয়াছি, দান গ্রহণ করিয়া খরচ করি।” — বক্তার এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপট গল্পাংশ অবলম্বনে আলোচনা করো।
Ans: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘রাধারাণী’ গল্পাংশে রাধারাণীর মা এই উক্তিটি করেছেন। রাধারাণীর পরিবার একসময় খুবই সম্পন্ন ছিল। কিন্তু রাধারাণীর বাবার মৃত্যুর পরে এক জ্ঞাতির সঙ্গে সম্পত্তি সম্পর্কিত বিবাদে জড়িয়ে গিয়ে, হাইকোর্টে হেরে মামলার খরচ ও ওয়াশিলাত অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ দিতে, প্রিভি কাউন্সিলে আবেদন করতে রাধারাণীর মা নিঃস্ব হয়ে যান। রাধারাণীর মা একটা কুটিরে আশ্রয় নিয়ে শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে দিন কাটাতে থাকেন। মা অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের অবস্থা আরও খারাপ হয়। উপোস করে দিন কাটানো শুরু হয়। অসুস্থ মায়ের পথ্য সংগ্রহের উদ্দেশে রাধারাণী বনফুলের মালা গেঁথে রথের মেলায় বিক্রি করতে গেলেও বৃষ্টিতে মেলা ভেঙে যাওয়ায় তার মালা বিক্রি হয় না। ফেরার পথে এক পথিক সব শুনে চার পয়সায় মালাটি কিনে নেয়। কিন্তু বাড়ি ফিরে পথিককে বাইরে দাড়াতে বলে সে আগুন জ্বালিয়ে যখন দেখে তাকে পয়সার বদলে টাকা দেওয়া হয়েছে, তখন বাইরে বেরিয়ে সে পথিককে খুঁজে পায় না। বিভ্রান্ত হয়ে রাধারাণী তার মায়ের কাছে পরামর্শ চাইলে মা বলেন যে, দাতা অর্থ দিয়েছেন এবং দরিদ্র বলেই তাদের তা গ্রহণ করে খরচ করা ছাড়া অন্য উপায় নেই।
৫. “নোটখানি তাহারা ভাঙাইল না — তুলিয়া রাখিল — তাহারা দরিদ্র, কিন্তু লোভী নহে।” — মন্তব্যটির তাৎপর্য গল্পাংশ অবলম্বনে আলোচনা করো।
Ans: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘রাধারাণী’ গল্পাংশে রাধারাণীর মা অসুস্থ হয়ে পড়ায় এগারো বছরেরও কমবয়সি পিতৃহীন রাধারাণীকে মায়ের পথ্য সংগ্রহের জন্য ফুলের মালা গেঁথে তা রথের হাটে বিক্রির জন্য যেতে হয়। কিন্তু প্রবল বৃষ্টির কারণে মালা বিক্রি না হলে এক পথিক তার সাহায্যকারীর ভূমিকায় উপস্থিত হন। তিনি যে শুধু মালাটি কিনে নেন তাই নয়, চার পয়সা দাম ঠিক হলেও তার বদলে দুটি টাকা দেন। এই ঘটনাটি রাধারাণী মেনে নিতে না পারলেও মায়ের কথায় তা গ্রহণ করে। এরপরে কাপড় ব্যবসায়ী পদ্মলোচনের মাধ্যমে ওই ব্যক্তির পাঠানো দুটি কাপড়ও রাধারাণী বিস্ময়ের সঙ্গে গ্রহণ করে। কিন্তু ঘর ঝাট দিতে গিয়ে পাওয়া নোটটি সে বা তার মা গ্রহণ করতে পারেনি। কারণ তা ছিল তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত। তাই নোটটি পাওয়ার পরদিন সেটি ফেরত দেওয়ার জন্য তারা সেই পথিক রুক্মিণীকুমার রায়ের অনেক খোঁজ করেছিল। তাকে খুঁজে না পেয়ে নোটটি না ভাঙিয়ে তারা তুলে রাখে। এই ঘটনা প্রমাণ করে দারিদ্র্য রাধারাণীর পরিবারের সততা ও নির্লোভ মানসিকতা কেড়ে নিতে পারেনি, বরং লোভকে জয় করার মধ্য দিয়ে তারা মহান হয়ে উঠেছে।
Class 9 Question and Answer | নবম শ্রেণীর সাজেশন
আরো পড়ুন:-
Class 9 Bengali Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 English Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Geography Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 History Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Science Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Mathematics Suggestion Click here
West Bengal class 10th Bengali Board Exam details info
West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) Class 9 Exam Bengali Question and Answer download for Bengali subject. West Bengal Board of Secondary Education will organise this Examination all over West Bengal. Students who are currently studying in Class 10th, will sit for their first Board Exam Class 9. WBBSE Class 9 Bengali question paper download.
Class 9 Bengali Radharani Golpo Syllabus
West Bengal Class 9 Bengali Radharani Golpo Syllabus with all the important chapters and marks distribution. Download the Class 9 Bengali Radharani Golpo Syllabus and Question Paper. Questions on the Bengali exam will come from these chapters. All the chapters are equally important, so read them carefully.
Class 9 Bengali Syllabus Download Click Here
রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer
রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer : রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer – রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer উপরে আলোচনা করা হয়েছে।
West Bengal WBBSE Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা
West Bengal WBBSE Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা : Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer Question and Answer | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর – West Bengal WBBSE Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা উপরে আলোচনা করা হয়েছে।
Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর : Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর – Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer | রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর গুলো উপরে আলোচনা করা হয়েছে।
রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer
এই “রাধারাণী (গল্প) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Radharani Golpo Question and Answer” পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী সমস্ত শ্রেণীর প্রতিটি অধ্যায় অনুশীলন, বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার গাইডেন্স ও চারীর খবর বা শিক্ষামূলক খবর জানতে আমাদের এই Porasuna.in ওয়েবসাইটি দেখুন, ধন্যবাদ।




















