ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer

0
Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer
Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer
Contents hide
3 ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 9th Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর

Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer : নমস্কার, বন্ধুরা আজকের আলোচ্য বিষয় ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer নিচে দেওয়া হলো। এই ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা – Class 9 Bengali Byomjatrir Diary থেকে MCQ, SAQ, Description Question and Answer, Notes গুলি আগামী নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।

 আপনার যারা ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা – West Bengal WBBSE Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারেন।

বোর্ড ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই, পশ্চিমবঙ্গ (WBBSE, West Bengal)
ক্লাস পঞ্চম শ্রেণী (WB Class 9)
বিষয় নবম শ্রেণীর বাংলা (Class 9 Bengali)
পাঠ ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায়

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 9th Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer 

বহুনির্বাচনী : ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণির বাংলা | Class 9 Bengali Byomjatrir Diary MCQ [প্রশ্নমান – ১]

  1. মঙ্গল গ্রহের সরু সর ু সুতোগুলি আসলে কি?

(A) গাছপালা

(B) নদী

(C) পাহাড়

(D) সমভূমি

Ans: (B) নদী

  1. মঙ্গল গ্রহে নামতে চাইনি –

(A) প্রহ্লাদ

(B) বিধুশেখর

(C) নিউটন

(D) কেউই নয়

Ans: (B) বিধুশেখর।

  1. মঙ্গল গ্রহের পর তারা যে গ্রহে পৌঁছেছিলেন –

(A) প্লুটো

(B) টাফা

(C) জুপিটার

(D) শনি

Ans: (B) টাফা।

  1. প্রোফেসর শঙ্কু ফিস পিল (Fish pill) বানিয়েছিলেন- 

(A) নিজের জন্য     

(C) বিধুশেখরের জন্য  

(D) প্রহ্লাদের জন্য

Ans: (B) নিউটনের জন্য বানিয়েছিলেন।

  1. তারকবাবু শঙ্কুর ডায়রি সুন্দরবনের কোন অঞ্চলে পান-

(A) ঝড়খালি  

(B) মাথারিয়া  

(C) বাঘমারি  

(D) সজনেখালি

Ans: (B) মাথারিয়া অঞ্চলে পান।

  1. কোন গ্রন্থ বের করতে গিয়ে আলমারি থেকে শঙ্কুর ডায়রি বেরিয়ে পড়ে – 

(A) গীতাঞ্জলি  

(B) জলাজঙ্গল  

(C) আরোগ্যনিকেতন   

(D) চলন্তিকা

Ans: (D) চলন্তিকা গ্রন্থ বের করতে গিয়ে আলমারি থেকে শঙ্কুর ডায়রি বেরিয়ে পড়ে।

  1. লেখক কত রাত পর্যন্ত জেগে শঙ্কুর ডায়রি পড়ে শেষ করেন – 

(A) ১২টা  

(B) ১টা  

(C) ২টো  

(D) ৩টে

Ans: (D) ৩টে পর্যন্ত জেগে শঙ্কুর ডায়রি পড়ে শেষ করেন।

  1. আয়নার ওপর থেকে প্রহ্লাদ ক্যালেণ্ডারটা নামিয়ে রেখেছিল কারণ – 

(A) বছর শেষ হয়ে গেছে  

(B) আয়না দেখার জন্য 

(C) আয়না ভেঙে গেছে  

(D) ক্যালেণ্ডারের প্রয়োজন নেই

Ans: (A) বছর শেষ হয়ে গেছে।

  1. বাইকর্নিক অ্যাসিডের শিশি উলটে ফেলে দেয় – 

(A) বেড়াল 

(B) আরশোলা  

(C) টিয়া  

(D)  টিকটিকি

Ans: (D)  টিকটিকি।

  1. প্রোফেসর শঙ্কুর ওজন – 

(A) দু’মন সাত সের  

(B) সারে পাঁচ মন  

(C) এক মন এগারো সের   

(D) এক মন সাত সের

Ans: (C) এক মন এগারো সের।

  1. মঙ্গলে নদীর জল দেখল ঠিক মনে হয় যেন স্বচ্ছ –

(A) পেয়ারার জেলি   

(B) আপেলের জেলি   

(C) আমের জেলি   

(D) লিচুর জেলি

Ans: (A) পেয়ারার জেলি।

  1. সুন্দরবনে কি ঘটেছিল?

(A) সুনামি

(B) তুষারপাত

(C) উল্কাপাত

(D) ভূমিকম্প

Ans: (C) উল্কাপাত।

  1. মঙ্গল অভিযানে প্রফেসর শঙ্কুর সঙ্গী ছিল —

(A) নিউটন

(B) প্রহ্লাদ

(C) বিধুশেখর

(D) নদী

Ans: (D) নদী।

  1. প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা যাঁর থেকে পাওয়া গিয়েছিল, তিনি হলেন- 

(A) প্রোফেসর শঙ্কু 

(B) তারক চাটুজ্যে 

(C) প্রহ্লাদ  

(D) অবিনাশবাবু 

Ans: (B) তারক চাটুজ্যে।

  1. তারকবাবু তাঁর সব ঘটনা টেনে আনতেন – 

(A) রোবটাকে 

(B) হরিণকে 

(C) বিড়ালকে 

(D) বাঘকে

Ans: (D) বাঘকে।

  1. তারকবাবু সুন্দরবন থেকে ডায়রি ছাড়া পেয়েছিলেন – 

(A) হরিণের শিং 

(B) গোসাপের চামড়া 

(C) কিছু ছবি 

(D) কিছু পাথর

Ans: (B) গোসাপের চামড়া।

  1. শঙ্কুর ডায়রির লেখায় লেখক প্রথমবার যে রংটি  দেখেছিলেন- 

(A) লাল 

(B) সবুজ 

(C) নীল 

(D) কালো

Ans: (B) সবুজ।

  1. বিজ্ঞানের কথা উঠলেই শঙ্কুর সঙ্গে ঠাট্টা করতেন –

(A) প্রহ্লাদ 

(B) বিধুশেখর 

(C) অবিনাশবাবু 

(D) তারকবাবু

Ans: (C) অবিনাশবাবু।

  1. ‘আজ দিনের শুরুতেই একটা বিশ্রী কাণ্ড ঘটে গেল।’ – উদ্ধৃতাংশে যে দিন্টির প্রসঙ্গ রয়েছে সেটি হল – 

(A) ১লা জানুয়ারি  

(B) ৫ই জানুয়ারি 

(C) ১২ই জানুয়ারি 

(D) ২৫শে জানুয়ারি

Ans: (A) ১লা জানুয়ারি।

  1. প্রোফেসর শঙ্কুর চাকর তার কাছে রয়েছে – 

(A) ১২ বৎসর  

(B) ১৮ বৎসর  

(C) ২৭ বৎসর  

(D) ২৮ বৎসর

Ans: (C) ২৭ বৎসর তার কাছে রয়েছে।

  1. প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা কে খেয়েছিল? 

(A) কুকুরে 

(B) পাগলে 

(C) বিড়ালে 

(D) ডেঁয়োপিঁপড়েতে

Ans: (D) ডেঁয়োপিঁপড়েতে খেয়েছিল।

  1. প্রোফেসর শঙ্কু মানুষের ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য আবিষ্কার করেন- 

(A) বটিকা – ইণ্ডিকা  

(B) ফিসপিল 

(C) শাঙ্কোভাইট 

(D) নস্যাস্ত্র

Ans: (A) বটিকা – ইণ্ডিকা।

  1. উল্কার গর্তে কী উঁকি মারছিল? 

(A) শেয়ালের বাচ্চা   

(B) গো – সাপ   

(C) ডায়রি   

(D) জ্বলন্ত উল্কাখন্ড

Ans: (C) ডায়রি  উঁকি মারছিল।

  1. ব্যোমযাত্রী হল- 

(A) পাতাল যাত্রী     

(B) আকাশ যাত্রী   

(C) অরণ্য যাত্রী    

(D)   জেল যাত্রী

Ans: (B) আকাশ যাত্রী।

  1. মঙ্গলগ্রহের রং কী ? 

(A) নীল    

(B) লাল   

(C) হলুদ    

(D) সবুজ

Ans: (B) লাল।

অতিসংক্ষিপ্ত : ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণির বাংলা | Class 9 Bengali Byomjatrir Diary SAQ [প্রশ্নমান – ১]

  1. উল্কাপাতের ফলে গুলঞ্চ গাছটার কি হয়েছিল?

Ans: উল্কাপাতের ফলে গাছটা য় আঙ্গুলের মতো ঝোলা পাপড়িওয়ালা এক রকমের ফুল ফুটতো, যা দিনের বেলায় কালো কিন্তু রাতের বেলায় ফসফরাস এর মত জ্বলে।

  1. শংকর রকেট এ কত মন জিনিস নেওয়া যায়?

Ans: শংকর রকেটে কুড়ি মন পর্যন্ত জিনিস নেওয়া যায়।

  1. প্রফেসর শঙ্কুর পোষা বেড়ালের নাম কি ছিল?

Ans: প্রফেসর শংকর পোষা বেড়ালের নাম ছিল নিউটন।

  1. প্রফেসর শঙ্কুর তৈরি যন্ত্রমানবের নাম কি ছিল?

Ans: প্রফেসর শংকর তরি যন্ত্রমানবের নাম ছিল বিধুশেখর।

  1. মঙ্গলের লাল নদীর জলের সাধ কেমন ছিল?

Ans: মঙ্গলের নদীর জলের স্বাদ অমৃতের মত, একদম খেলে শরীর ও মনের ক্লান্তি দূর হয়।

  1. টাফার প্রাণীরা দেখতে কেমন ছিল?

Ans: টাফার প্রাণীরা ছিল বিরাট মাথা ও চোখ, সেই তুলনায় হাত-পা সর ু অনেকটা পিঁপড়ের মত।

  1. “সময় হলে আত্মপ্রকাশ করবেন।” – প্রোফেসর শঙ্কু সম্পর্কে এমন মন্তব্যের কারণ কী?

Ans: প্রোফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু পনেরো বছর নিরুদ্দেশ থাকায় এক্সপেরিমেন্টে প্রাণ হারানো, গা–ঢাকা দেওয়ার মতো রটনা ওঠায় এমন মন্তব্য করা হয়েছে।

  1. “খাতাটা হাতে নিয়ে খুলে কেমন যেন খটকা লাগল।” – ‘খটকা’ লেগেছিল কেন?

Ans: লেখক শঙ্কুর ডায়রি প্রথমবার যখন দেখেছিলেন, তখন কালির রং সবুজ থাকলেও কিছুদিন পর দেখল কালির রং লাল, তাই খটকা লেগেছিল।

  1. “বিধুশেখরও প্রহ্লাদকে দেখে হাসছিল।” – হাসার কারণ কী?

Ans: প্রহ্লাদকে মঙ্গলযাত্রার প্রয়োজনীয় পোশাক ও হেলমেট পরানোয় তার বিচিত্র চেহারা এবং হাবভাব দেখে বিধুশেখরের হাসি পেয়েছিল।

  1. “সে দিব্যি নিশ্চিন্ত আছে।” – কে, কেন নিশ্চিন্ত ছিল?

Ans: সরল বিশ্বাসে বিশ্বাসী প্রহ্লাদ মনে করে গ্রহের নাম মঙ্গল বলে সেখানে কোনো অনিষ্ট হতে পারে না – তাই সে নিশ্চিন্তে ছিল।

  1. “আরেকটা জন্তু কোথা থেকে এসে প্রহ্লাদকে তাড়া করে।” – প্রহ্লাদকে তাড়া করার কারণ কী?

Ans: প্রহ্লাদের সঙ্গে থাকা নিউটন মঙ্গল গ্রহের জন্তুটাকে মাছ ভেবে এক লাফে কাছে গিয়ে হাঁটুতে কামড়ে দেওয়ায় আরেকটা জন্তু প্রহ্লাদকে তাড়া করে।

  1. “বিধুশেখর আশ্চর্য সাহসের পরিচয় দিয়েছিল।” – “আশ্চর্য সাহস” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

Ans: প্রহ্লাদ ও রকেটের দিকে ধেয়ে আসা মঙ্গলীয় এক সৈন্যকে লোহার হাতের বাড়ি দিয়ে ঘায়েল করে আরো তিনশো জন্তুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে যাওয়া হল “আশ্চর্য সাহস”।

  1. “কিন্তু তা হবার জো নেই।” – কী হবার জো নেই এবং কেন?

Ans: প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা ছাপিয়ে, পরে বৈজ্ঞানিককে দিয়ে পরীক্ষা করে জাদুঘরে রাখার জো নেই; কারণ ডায়রিটা প্রায় শ-খানেক বুভুক্ষু ডেঁয়োপিঁপড়ে উদরসাৎ করে ফেলেছিল।

  1. “একটা বিশ্রী কান্ড ঘটে গেল” – বিশ্রী কাণ্ডটি কি?

Ans: বিশ্রী কাণ্ডটি হলো বহু বছর পর আয়নায় হঠাৎ নিজের চেহারা দেখে প্রফেসর শঙ্কু চমকে উঠেছিলেন।

  1. সুন্দরবনের কাছে কোন ঘটনা ঘটেছিল?

Ans: সুন্দরবনের মাথারিয়া অঞ্চলে একটা বড় উল্কাখণ্ড এসে পড়েছিল।

  1. প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরিটি কেমন ছিল?

Ans: প্রফেসর শঙ্কুর ডায়েরির রং বদলায়। এটি ছেড়া যায় না পোড়ানো যায় না এবং টানলে আকারে বড় হয়।

  1. লেখক শঙ্কুর ডায়েরিটা কোথা থেকে পেয়েছিলেন?

Ans: লেখক ডায়েরিটি তারক চাটুজ্যের কাছ থেকে পেয়েছিলেন।

  1. “প্রথমবারের কেলেঙ্কারিটার জন্য একমাত্র প্রহ্লাদই দায়ী।” – ‘কেলেঙ্কারিটা কী?

Ans: প্রহ্লাদ ঘড়িতে দম দিতে গিয়ে কাঁটাটা ঘুরিয়ে সাড়ে তিনঘণ্টা লেট করে ফেলে, যার ফলে রকেট উঠতে গিয়ে গোঁৎতা খেয়ে অবিনাশবাবুর মুলোর খেতে পড়ে কেলেঙ্কারি ঘটায়।

  1. “আমার রকেট কুড়ি মন পর্যন্ত জিনিস নির্ভয়ে নেওয়া চলতে পারে।” – রকেটে নেওয়া জিনিসগুলির ওজন বর্ণ্না করো।

Ans: প্রহ্লাদ – দুমন সাত সের, শঙ্কু- এক মন এগারো সের, বিধুশেখর- সাড়ে পাঁচ মন আর জিনিসপত্তর সরঞ্জাম মিলিয়ে পাঁচ মন; সর্বমোট ১৩ মন ৩৮ সের।

  1. “আর কোনো চিন্তা নেই।” চিন্তা না থাকার কারণ কী?

Ans: শঙ্কুর বেড়াল নিউটন মঙ্গল অভিযানে যাওয়ার জন্য মাছের মুড়োর বদলে Fish Pill বড়ি খাওয়ায় প্রোফেসর চিন্তামুক্ত হন।

সংক্ষিপ্ত : ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণির বাংলা | Class 9 Bengali Byomjatrir Diary QNA [প্রশ্নমান – ২/৩]

  1. ব্যোমযাত্রীর ডায়েরী গল্প অবলম্বনে মঙ্গল গ্রহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

Ans: ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়েরী’ নামক কল্পবিজ্ঞানমূলক গল্পে আমরা মঙ্গল গ্রহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা পাই। মঙ্গল গ্রহের গাছপালা মাটি, পাথর সবই যেন নরম রবারের মতো। নরম পাথরের ঢিবির রং হলুদ। এছাড়া ওখানকার সমস্ত নদীর রঙ লাল। সেখানকার জল স্বচ্ছ পেয়ারা জেলির মত, স্বাদ অমৃতের মত। জল বয়ে যাওয়ার কুলকুল শব্দ শোনা যায় না; একটা স্থির শান্ত থমথমে ভাব রয়েছে চারপাশে। আবহাওয়া গরমের দিকে হলেও মাঝে মাঝে একটা ক্ষণস্থায়ী হাড় কাঁপানো ঠান্ডা হওয়া বয়ে যায়। নতুন জগতের বিচিত্র গন্ধ পেয়েছিলেন শঙ্কু, যা গাছপালা জল মাটির নয় একান্ত মঙ্গল গ্রহেরই গন্ধ, তার আবহাওয়ার সঙ্গে মিলে রয়েছে। আর এই মঙ্গল গ্রহেই রয়েছে মানুষ, মাছ ও জন্তুর সংমিশ্রণে গঠিত একদল অদ্ভুত প্রাণী। হাত তিনেক লম্বা, মাছের মত ডানা, বুক জোড়া দন্তহীন হাঁ, মাঝখানে প্রকাণ্ড সবুজ চোখ এবং এদের সর্বাঙ্গ মাছের আশেঁ ঢাকা। এদের আক্রমণের মুখে পড়ে প্রফেসর শঙ্কু এবং তার সঙ্গী সাথীরা অত্যন্ত সাহস ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে নিজেদের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন।

  1. “আমি মোটেই বিশ্বাস করি না…” – বক্তা কি বিশ্বাস করেন না? বক্তার মনোভাব ব্যক্ত করো।

Ans: প্রফেসর শঙ্কু নিজের তৈরি রকেটে চেপে মঙ্গলের উদ্দেশে পাড়ি দেওয়ার জন্য কেবলমাত্র বুদ্ধিমান লোকেরই প্রয়োজন এ কথা তিনি বিশ্বাস করেন না।

মঙ্গল অভিযানে প্রফেসর শঙ্কু পোষা বেড়াল নিউটন, বৃত্ত প্রহ্লাদ এবং যন্ত্র মানব বিধুশেখর কে সঙ্গে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। শঙ্কুর মতে যেকোনো অভিযানে শুধু বুদ্ধিমান মানুষ থাকলেই চলেনা সঙ্গে সাহসী লোকেরও প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে সর্ববুদ্ধির মানুষেরা বেশি সাহসী হয়; কেননা তারা ভয়ের কারণটা ভেবে বের করতে অনেক সময় নেয়। এইজন্য টিকটিকির কেরামতিতে এসিডের শিশির উল্টে পড়ায়, ভয়াবহ বিস্ফোরণের আশঙ্কায় শঙ্কুর নিশ্চল হয়ে পড়েন। অথচ প্রহ্লাদ সাহসিকতার সঙ্গে কিছু না জেনেও ক্ষিপ্ত হাতে গামছা দিয়ে এসিড মুছে ফেলে বিস্ফোরণের সম্ভাবনা সহজেই নির্মূল করে দেয়। সুতরাং শঙ্কু বুদ্ধিমান হওয়া সত্ত্বেও অন্যের গুরুত্ব এবং যোগ্যতাকে স্বীকৃতি দেন। তাই তার মঙ্গল অভিযানে তিনি তার সঙ্গে নির্বাচনের মাধ্যমে তার দূরদর্শিতা, অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণ মনের পরিচয় দিয়েছেন।

বিশ্লেষণধর্মী ও রচনাধর্মী | ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা বড় প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer : 

1. ‘আমরা দুঘণ্টা হল মঙ্গল গ্রহে নেমেছি।’ – তারা নামার পর মঙ্গলের প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং প্রাণী যা দেখেছিল তার বর্ণনা দাও।

Ans: সত্যজিৎ রায় রচিত কল্পবিজ্ঞানের গল্প  ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’-তে বর্ণিত মঙ্গল গ্রহের পাথরের ঢিপিগুলির রং হলদে। গাছপালা মাটি পাথর সবই নরম রবারের মতো। সেখানকার নদীতে বহমান জলের বর্ণ লাল। প্রবাহিত জল তরল নয় বরং স্বচ্ছ পেয়ারার জেলির মতো। মঙ্গলের ঘাস আর গাছপালা সব নীল রঙের, আর আকাশের রং সবুজ। পৃথিবীর তুলনায় উলটো রকমের মঙ্গলে বিচিত্র আবহাওয়া এবং বরফের পাহাড় বিরাজমান। মঙ্গল গ্রহের মাধুর্যময় ভোরের আকাশে সবুজ রঙের ওপর লালের ছোপ পড়ে অসাধারণ হয়ে ওঠে। সুতরাং সব মিলিয়ে প্রোফেসর শঙ্কু এবং তার সহযাত্রীরা মঙ্গল গ্রহের যে নিসর্গ সৌন্দর্য্য অবলোকন করেছিলেন, তা এককথায় বিস্ময়কর।

এদিকে মঙ্গলের জীবগুলিকে অদ্ভুত দেখতে। আঁশটে গন্ধে পূর্ণ মঙ্গল গোছের জীব দেখতে মানুষও নয়, জন্তুও নয় আবার মাছও নয়; আসলে তিনের সঙ্গেই কিছু কিছু মিল আছে। এরা লম্বায় তিন হাত পরিমাণ। এদের পা রয়েছে, তবে হাতের বদলে মাছের মতো ডানা। অস্বাভাবিক রূপের সেই প্রাণীদের মাথায় ‘মুখজোড়া দন্তহীন হাঁ, ঠিক মাঝখানে প্রকান্ড একটা সবুজ চোখ’। এদের সর্বাঙ্গে চামড়ার বদলে মাছের মতো আঁশ। এরা ভালো ছুটতে পারে না, মানুষের মতো কথা বলতে পারে না। সামান্য বেড়ালের কামড় খেয়ে পালায়, ঝিঝির মতো ‘তিন্তিড়ি তিন্তিড়ি’ বলে ডাকে আর প্রচণ্ড আঘাত পেলে ‘চী’ শব্দ করে। তবে এদের একটা গুণ রয়েছে, বিপদ বুঝলে সঙ্গবদ্ধ প্রতিরোধ ও আক্রমণ করে।

2. “মঙ্গল যে কত অমঙ্গল হতে পারে, সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি।” মঙ্গল কীভাবে অমঙ্গল হয়ে উঠেছিল আলোচনা করো।

Ans: উক্তিটি সত্যজিৎ রায় রচিত ব্যোমযাত্রীর ডায়রি ছোটগল্প থেকে উধৃত হয়েছে।

গল্পের প্রথমে আমরা জানতে পেরেছি যে, প্রফেসর শঙ্কু তার সঙ্গীদের নিয়ে, তাঁর সৃষ্ট মহাকাশযানে চড়ে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছেছেন। মঙ্গলে অবতরণের পর, তারা নানান সমস্যার সম্মুখীন হন।

প্রথম ভোরে পাথর কুড়োতে ব্যস্ত প্রহ্লাদ হঠাৎ দেখে যে বিড়াল নিউটন একলাফে এক মঙ্গলীয় প্রাণীর হাঁটুতে কামড় বসিয়েছে। মঙ্গলীয় প্রাণীটি মানুষও নয়, জন্তুও নয় আবার মাছও নয়, বরং এই তিন রকম প্রাণীর সাথেই তাঁর মিল আছে। নিউটনের কামড় খেয়ে ভীত জন্তুটা ঝিঝির মতো বিকট চিৎকার করে পালিয়ে যায় ঠিকই, কিন্তু আরেকটা জন্তু কোথা থেকে এসে প্রহ্লাদকে তাড়া করে। বিপদ বুঝে প্রহ্লাদ নিউটনকে নিয়ে উর্ধবশ্বাসে রকেটের দিকে দৌড়ে যায়। প্রহ্লাদ দৌড়ে জন্তুটাকে পরাস্ত করে রকেটে উঠে পড়লে সেই মূহূর্তে প্রফেসর শঙ্কুর যন্ত্রমানব বিধুশেখর লাফ দিয়ে রকেট থেকে জন্তুটার সামনে এসে দাঁড়ায়। এবং এরপর চোখের পলকে বিধুশেখরের লোহার হাতের বাড়ি খেয়ে জন্তুটা ‘চী’ শব্দ করে ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে মাটিতে পড়ে যায়। এই সময়ে শত শত মঙ্গলীয় সৈন্য রকেটের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। কয়েক মুহুর্তের মধ্যে প্রোফেসরের সামনে এই ঘটনাগুলি ঘটে যায় এবং বেগতিক বুঝে উত্তেজিত বিধুশেখরকে বোতাম টিপে বিকল করে দেন। এদিকে একশো গজের মধ্যে চলে আসা শত-সহস্র মঙ্গলীয় সৈন্যের প্রতিহিংসা থেকে বাঁচতে কোনো রকমে বিধুশেখরকে দুটুকরো করে আলাদা আলাদা করে টেনে হিচড়ে রকেটে তোলেন।

দরজা বন্ধের মূহূর্তে মঙ্গলীয়ের ঝাপটা খেয়ে শঙ্কু জ্ঞান হারান এবং কোন অলৌকিক উপায়ে তাদের ব্যোমযান পুনরায় চালু হয়ে মঙ্গলের মাটি ছেড়ে মহাকাশে ভেসে যায়। মঙ্গল গ্রহের এই অদ্ভুত ঘটনাকেই প্রফেসর শঙ্কু অমঙ্গল বলে উল্লেখ করেছেন।

3. “সে তার চেয়ারে বসে দুলছে ও মধ্যে মধ্যে ‘টাফা’ বলেছে।” – ‘টাফা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

Ans: সত্যজিৎ রায় রচিত কল্পবিজ্ঞানের গল্প  ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’-তে আমরা টাফা গ্রহের বিবরণ পাই। এক অবিশ্বাস্য জগতের মধ্যে অবস্থিত ‘টাফা’ যেখানে আকাশময় কেবল সোনার বুদবুদ ফুটছে আর ফাটছে বলে মনে হয়। মনোহরণকারী আলোর আতসবাজির উৎসব যেখানে অনবরত চলে, যে জগতে ভয়ঙ্কর পাথরের অগ্নিপিণ্ডও বিচরণ করে। সেই জগতের এক মনোমুগ্ধকর ঝলমলে সাদা গ্রহ হল ‘টাফা’। বিধুশেখরের বিবরণ থেকে জানা যায় টাফাতে সৌরজগতের প্রথম সভ্য লোকেরা বাস করে। পৃথিবীর চেয়ে কয়েক কোটি বছরের পুরানো তাদের সভ্যতা; তাদের গ্রহের প্রত্যেকে বৈজ্ঞানিক ও বুদ্ধিমান। তাই টাফাবাসীদের প্রয়োজনে তারা অন্যান্য সব গ্রহ থেকে কমবুদ্ধি লোক বেছে টাফায় আনিয়ে বসবাস করাচ্ছে।

কিন্তু টাফায় পৌঁছে প্রফেসর শঙ্কু বুঝতে পারেন যে বিষয়টি ঠিক তার উল্টো। অর্থাৎ টাফাবাসীরা মানুষের অবস্থার থেকে অনেকটাই পিছিয়ে আছে। টাফাবৃন্দরা আসলে অতিকায় পিঁপড়ে জাতীয় – ‘বিরাট মাথা, আর চোখ, কিন্তু সেই অনুপাতে হাত-পা সরু।’ তাদের ঘরবাড়ি কিছু নেই, এমনকী সেখানে গাছপালাও নেই। এরা গর্ত দিয়ে মাটির ভিতর ঢুকে যায় আর সেখানে বসবাস করে।

তবে টাফাবৃন্দরা প্রোফেসর ও তাঁর সঙ্গীদের থাকার জন্য যথাযথ আয়োজন করে। তাই টাফাতে প্রহ্লাদ, নিউটন, প্রোফেসরের যত্নের কোন অভাব হয় না। টাফাবাসীরা  বাংলা ভাষাও জানে দেখে প্রোফেসর বিস্মিত হন ।

4. “কিন্তু সে ডায়রি তারকবাবুর কাছে এলো কী করে?” – প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রি তারকবাবুর হস্তগত হওয়ার বৃত্তান্ত সংক্ষেপে আলোচনা করো।

Ans: ভবঘুরে তারক চাটুজ্জ্যের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, সুন্দরবনের মাথারিয়া অঞ্চলে এক বার একটা উল্কাখণ্ড পড়েছিল। খবরের কাগজ পড়ে তিনি জানতে পারেন পাথরটা বেশ বড়ো। সেই সঙ্গে এই খবরও জানতে পারেন যে, অতো বড়ো উল্কাপাতের ফলে সেখানে অনেক জন্তু-জানোয়ার মারা যায়। তাই সুযোগ সন্ধানী তারকবাবু সেখানে গিয়েছিলেন বাঘছাল পাওয়ার আশায়। জন্তু-জানোয়ারের ছাল বিক্রি করে অর্থলাভের আকাঙ্খায় সুন্দরবনে গেলেও সেখানে পৌঁছাতে তার ‘লেট’ হয়ে যায়। ফলে আশাহত হন তারকবাবু। বাঘ-হরিণের আশা ত্যাগ করে গোসাপের ছাল নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেন না তিনি। তাই উল্কা পড়া গর্তে তখনো খোঁজ চালিয়ে যেতে থাকেন আশাবাদী চাটুজ্জ্যে মশাই। হঠাৎ উল্কার পাথরটির খুব কাছেই মাটির মধ্যে ‘লাল কী একটা’ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। তারপর তিনি টেনে তুলে দেখেন ডায়রি, আর তা খুলে দেখেন প্রোফেসর শঙ্কুর নাম।

এভাবেই তারকবাবু সুন্দরবনের মাথারিয়া অঞ্চলে উল্কা পড়া গর্ত থেকে প্রোফেসর শঙ্কুর ডায়রিটা পান।

5. শঙ্কুর ল্যাবরেটারিতে করা এক্সপেরিমেন্ট এবং তার আবিষ্কার সম্পর্কে ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ থেকে যা জানা যায় লেখো।

Ans: ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ গল্প থেকে আমরা জানতে পারি যে প্রোফেসর শঙ্কু তার ল্যাবরেটারিতে নিত্যদিন বিভিন্ন রাসায়নিক এবং বিভিন্ন ধরণের যন্ত্র নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতেন।

প্রফেসরের পরীক্ষাগুলি একাধারে যেমন রোমাঞ্চকর তেমনই বিপদজনক, যেমন একটি ঘটনায় তাঁর ল্যাবে রাখা প্যারাডক্সাইট পাউডারের স্তূপের সঙ্গে বাইকর্নিক অ্যাসিড ‘কনট্যাক্ট’ হয়ে সাংঘাতিক বিস্ফোরণ ঘটার পরিস্থিতি তৈরি হয়। আবার, তিনি রকেট তৈরি করার উপাদান হিসাবে এক বিশেষ ধরনের ধাতু আবিষ্কারের জন্য যে কমপাউন্ড তৈরি করেন তার উপাদান ছিল – ব্যাঙের ছাতা, সাপের খোলস আর কচ্ছপের ডিমের খোলা। আবার কমপাউন্ডের সঙ্গে একুইয়স ভেলোসিলিকা মিশিয়ে নতুন একটি ধাতু তৈরি করেন।

এছাড়া, প্রোফেসরের আবিষ্কারের কীর্তিও নেহাৎ কম নয়! মঙ্গল গ্রহে যাবার জন্য কুড়ি মন ওজন বহন সক্ষম রকেট তিনি আবিস্কার করেন। বছরের পর বছর রকেটে যাত্রাকালীন সময়ে বেঁচে থাকার জন্য বেড়াল নিউটনের জন্য আবিষ্কার করেন Fish Pill -যা একটা খেলে সাত দিনের খাওয়া হয়ে যায়। প্রহ্লাদ ও নিজের জন্য বটফলের রস থেকে তৈরি করেছিলেন ‘বটিক-ইন্ডিকা’ নামের বড়ি, যা খেলে পুরো একদিনের জন্য খিদে-তেষ্টা মিটে যায়। এছাড়া মঙ্গল যাত্রীদের জন্য হেলমেট ও পোশাক আবিষ্কার করেন। বিস্ময়কর যন্ত্রমানব বিধুশেখর তৈরি করেন। ‘Snuff-gun’ (নস্যাস্ত্র) নামক তেত্রিশ ঘণ্টার হাঁচি উৎপাদক বন্দুক এবং ভয়ংকর স্বপ্ন উৎপাদক ‘জৃম্ভনাস্ত্র’ বড়ি-ও ছিল তাঁর আবিষ্কারের ঝুলিতে।

Class 9 Question and Answer | নবম শ্রেণীর সাজেশন

আরো পড়ুন:-

Class 9 Bengali Suggestion Click here

আরো পড়ুন:-

Class 9 English Suggestion Click here

আরো পড়ুন:-

Class 9 Geography Suggestion Click here

আরো পড়ুন:-

Class 9 History Suggestion Click here

আরো পড়ুন:-

Class 9 Life Science Suggestion Click here

আরো পড়ুন:-

Class 9 Mathematics Suggestion Click here

আরো পড়ুন:-

Class 9 Physical Science Suggestion Click here

আরো পড়ুন:-

Class 9  All Subjects Suggestion Click here

West Bengal (WBBSE) Class 9 Bengali Byomjatrir Diary  Question and Answer | ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর 

West Bengal (WBBSE) Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer | ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর : West Bengal Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer | ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর – WBBSE Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer | ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর গুলো আলোচনা করা হয়েছে।

ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer 

  এই “ব্যোমযাত্রীর ডায়রি (সহায়ক পাঠ) সত্যজিৎ রায় – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Byomjatrir Diary Question and Answer” পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী সমস্ত শ্রেণীর প্রতিটি অধ্যায় অনুশীলন, বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার গাইডেন্স ও চারীর খবর বা শিক্ষামূলক খবর জানতে  আমাদের এই  Porasuna.in ওয়েবসাইটি দেখুন, ধন্যবাদ।