নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer
নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer : নমস্কার, বন্ধুরা আজকের আলোচ্য বিষয় নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer নিচে দেওয়া হলো। এই নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা – Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti থেকে MCQ, SAQ, Description Question and Answer, Notes গুলি আগামী নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।
আপনার যারা নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা – West Bengal WBBSE Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারেন।
| বোর্ড | ডাব্লিউ বি সি এইচ এস ই, পশ্চিমবঙ্গ (WBBSE, West Bengal) |
| ক্লাস | পঞ্চম শ্রেণী (WB Class 9) |
| বিষয় | নবম শ্রেণীর বাংলা (Class 9 Bengali) |
| পাঠ | নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী |
নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 9th Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer
বহুনির্বাচনী : নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণির বাংলা | Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti MCQ [প্রশ্নমান – ১]
- প্রাচীন যুগের সব ভাষাই –
(A) আত্মনির্ভরশীল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ
(B) পরনির্ভরশীল
(C) বর্তমানে অপ্রচলিত
(D) বহুল প্রচলিত
Ans: (A) আত্মনির্ভরশীল ও স্বয়ংসম্পূর্ণ।
- বাংলা ভাষায় যে বিদেশি ভাষাটি তুলনামূলকভাবে কম ঢুকেছে তা হল —
(A) ফরাসি
(B) আরবী
(C) ফারসি
(D) সংস্কৃত
Ans: ফরাসি।
- ইরানি আর্য সাহিত্য কোনটি?
(A) ফরাসি
(B) আরবী
(C) ফারসি
(D) বাংলা
Ans: ফারসি।
- বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্য সৃষ্টি কোনটি?
(A) পদাবলী কীর্তন
(B) চর্যাপদ
(C) বাউল
(D) অনুবাদ
Ans: পদাবলী কীর্তন।
- হিন্দি পদ্যের উপর প্রভাব বেশি পড়েছিল যে ভাষার টা হলো —
(A) সংস্কৃত
(B) আরবী
(C) ফারসি
(D) উর্দু
Ans: ফারসি
- ভারতীয় আর্যগণ যে ভাষার সৌন্দর্যমুক্ত হয়েছিলেন —
(A) উর্দু
(B) ফারসি
(C) আরবী
(D) তেলেগু
Ans: ফারসি।
- রচনার ভাষা নির্ভর করে –
(A) তার লেখকের মানসিকতার উপর
(B) তার বিষয়বস্তুর উপর
(C) রচনার সময়কালের উপর
(D) পাঠকে০র চাহিদার উপর
Ans: (B) তার বিষয়বস্তুর উপর।
- বাঙালির চরিত্রে বিদ্রোহ –
(A) বিদ্যমান নয়
(B) অল্প পরিমাণে বিদ্যমান
(C) বিদ্যমান
(D) বহুলরূপে বিদ্যমান
Ans: (C) বিদ্যমান।
- প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর মতে বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যসৃষ্টি তার-
(A) মঙ্গলকাব্যে
(B) চর্যাগানে
(C) পদাবলী কীর্তনে
(D) বাউল গানে
Ans: (C) পদাবলী কীর্তনে।
- উর্দুকে ফার্সির অনুকরণ থেকে কিঞ্চিৎ নিষ্কৃতি দিতে সক্ষম হয়েছিলেন-
(A) কবি ইকবাল
(B) নিদা ফজিল
(C) আলি সরদার জাফরি
(D) মির্জা গালিব
Ans: (A) কবি ইকবাল।
- এদের মধ্যে প্রাচীন যুগের ভাষা নয় –
(A) গ্রিক
(B) এসপেরান্তো
(C) আবেস্তা
(D) হিব্রু
Ans: (B) এসপেরান্তো।
- ‘নব নব সৃষ্টি’ গল্পের রচয়িতা কে?
(A) সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
(B) সৈয়দ মুজতবা আলী
(C) সৈয়দ আলী হোসেন
(D) সৈয়দ হোসেন শাহ
Ans: সৈয়দ মুজতবা আলী।
- যে ভাষা আত্মনির্ভরশীল নয় তা হল —
(A) গ্রীক
(B) আবেস্তা
(C) ইংরেজি
(D) হিব্রু
Ans: ইংরেজি।
- প্রাচীন যুগের ভাষা কোনটি?
(A) ফারসি
(B) হিব্রু
(C) ইংরেজি
(D) আবেস্তা
Ans: হিব্রু।
- হিন্দির বঙ্কিম হলেন —
(A) প্রেমচাঁদ
(B) গুলজার
(C) ইকবাল
(D) নিরীলা
Ans: প্রেমচাঁদ।
- উর্দু ভাষার একজন বিখ্যাত কবি হলেন —
(A) মুর্শিদিয়া
(B) প্রেমচাঁদ
(C) নজরুল ইসলাম
(D) ইকবাল
Ans: ইকবাল।
- “সংস্কৃত শব্দ বাংলায় ঢুকেছে”, কারণ –
(A) সংস্কৃত চর্চা এদেশে ছিল বলে
(B) সংস্কৃত বাংলা ভাষার জননী বলে
(C) বাংলায় এখনও বহু সংস্কৃত শব্দের প্রয়োগ রয়েছে,
(D) সংস্কৃত ভাষা জানা আবশ্যক বলে
Ans: (A) সংস্কৃত চর্চা এদেশে ছিল বলে।
- ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধাংশটির নাম –
(A) ‘চতুরঙ্গ’
(B) ‘বত্রিশ সিংহাসন’
(C) ‘পঞ্চতঞ্চ’
(D) ‘চাচা কাহিনী’
Ans: (A) ‘চতুরঙ্গ।
- ‘আবেস্তা’ ভাষাটি ব্যবহার করত-
(A) গ্রিকরা
(B) ইহুদিরা
(C) আরবদেশীয়রা
(D) জরাথুস্ট্রিয়রা
Ans: (D) জরাথুস্ট্রিয়রা।
- ‘আতর’ একটি –
(A) তামিল
(B) ফারসি
(C) আরবি
(D) ইংরেজি – শব্দ
Ans: (B) ফারসি শব্দ।
অতিসংক্ষিপ্ত : নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণির বাংলা | Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti SAQ [প্রশ্নমান – ১]
- “সেগুলাে নিয়ে অত্যধিক দুশ্চিন্তা করার কোনাে কারণ নেই।”— কোন্ বিষয়ে দুশ্চিন্তা করা নিষ্প্রয়ােজন?
Ans: পাের্তুগিজ, ফরাসি, স্প্যানিশ ইত্যাদি শব্দ বাংলা ভাষায় এত কম এসেছে যে তাদের নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কোনাে কারণ নেই বলে লেখক মনে করেছেন।
2.“সে ভাষার শব্দ বাংলাতে ঢুকবেই।”—কোন্ ভাষার?
Ans: বাংলা ছাড়া অন্য যে-কোনাে ভাষার চর্চা আমরা করি না কেন সে ভাষার শব্দ বাংলাতে ঢুকবেই।
- লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী বিস্তর সংস্কৃত শব্দ বাংলায় প্রবেশের কারণ কী বলেছেন?
Ans: প্রাচীন যুগ থেকেই বাংলাদেশে সংস্কৃত ভাষার চর্চা ছিল। ফলে বিস্তর সংস্কৃত শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে।
- কোন্ বিশেষ বিশেষ বিদ্যাচর্চায় ইংরেজি অবশ্যই প্রয়ােজন বলে লেখক মনে করেন?
Ans: দর্শন, নন্দনশা, পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যার মতাে বিদ্যাচর্চায় ইংরেজি অবশই প্রয়ােজন বলে লেখক মনে করেন।
- “এই দুই ভাষা থেকে ব্যাপকভাবে আর নূতন শব্দ বাংলাতে ঢুকবে।” — কোন্ দুই ভাষার কথা এখানে বলা হয়েছে?
Ans: ‘নব নব সৃষ্টি’ রচনাংশে সৈয়দ মুজতবা আলী দুই ভাষা বলতে আরবি এবং ফারসি ভাষার কথা বলেছেন।
- হিন্দি গদ্যের ওপর কোন্ ভাষার প্রভাব পড়ার কথা বলেছেন লেখক?
Ans: হিন্দি গদ্যের ওপর ফারসি ভাষার প্রভাব পড়ার কথা বলেছেন।
- লেখক ভারতীয় আর্যরা কোন্ ভাষার সৌন্দর্যে বেশি অভিভূত হয়েছিল?
Ans: ভারতীয় আর্যরা ফারসি ভাষার সৌন্দর্যে বেশি অভিভূত হয়েছিল।
- “ভারতবর্ষীয় এ তিন ভাষা ফার্সির মতাে নব নব সৃষ্টি দিয়ে ঐশ্বর্যশালী সাহিত্যসৃষ্টি করতে পারল না।” — ভারতবর্ষের এ তিন ভাষা কী কী?
Ans: ভারতবর্ষীয় এ তিন ভাষা’ বলতে সিদ্ধি, উর্দু এবং কাশ্মীরি ভাষাকে বােঝানাে হয়েছে।
- ‘নব নব সৃষ্টি’ রচনাংশে লেখক কোন্ উর্দু কবির কথা উল্লেখ করেছেন?
Ans: ‘নব নব সৃষ্টি’ রচনাংশে লেখক উর্দু কবি ইকবালের কথা উল্লেখ করেছেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর মতে বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যসৃষ্টি কোনটি?
Ans: সৈয়দ মুজতবা আলী বলেছেন যে, বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যসৃষ্টি হল পদাবলি কীর্তন।
- বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যসৃষ্টি কী?
Ans: বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যসৃষ্টি পদাবলী কির্তন।
- “ধর্ম বদলালেই জাতির চরিত্র বদলায় না।” – কেন এরূপ বলেছেন লেখক?
Ans: কারণ বাংলা ভাষার বিবর্তন কেবল মাত্র বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়,বাঙালি মুসলমানরাও এই কর্মে সমান তৎপর তাই লেখক বলেছেন, “ধর্ম বদলালেই জাতির চরিত্র বদলায় না”।
- হিন্দি পদ্যের ওপর কোন্ ভাষার প্রভাব পড়েছে?
Ans: হিন্দি পদ্যের ওপর আরবি – ফার্সি ভাষার প্রভাব পড়েছে।
- ‘নব নব সৃষ্টি’ রচনাংশে কোন্ কোন্ ভাষাকে লেখক সৈয়দ মুজতবাআলী বলেছেন ‘আত্মনির্ভরশীল?
Ans: ‘নব নব সৃষ্টি’ রচনাংশে লেখক প্রাচীন যুগের হিব্রু, খ্রিক, আবেস্তা,সংস্কৃত এবং আরবি ভাষাকে ‘আত্মনির্ভরশীল’ বলেছেন।
- লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর মতে বর্তমান যুগের কোন্ কোন্ ভাষাআত্মনির্ভরশীল নয়?
Ans: লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর মতে বর্তমান যুগের ইংরেজি এবংবাংলা ভাষা আত্মনির্ভরশীল নয়।
- পাঠান-মােগল যুগে আরবি ও ফারসি থেকে শব্দ গ্রহণ করতে হয়েছিল কেন?
Ans: পাঠান-মােগল যুগে আইন-আদালত, খাজনাখারিজ নতুন করে দেখা দেওয়ায় আরবি-ফারসি ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করতে হয়।
- নব নব সৃষ্টি’ রচলাংশে লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী কোন্ প্রশ্নকে অবার বলেছেন?
Ans: ভাষায় বিদেশি শব্দগ্রহণ ভালাে না মন্দ — এই প্রশ্নকে লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী অবান্তর বলেছেন।
- “সে সম্বন্ধেও কারও কোনাে সন্দেহ নেই।” — কোন্ বিষয়ে সন্দেহ নেই?
Ans: শিক্ষার মাধ্যমরূপে ইংরেজির বদলে বাংলা গ্রহণ করলে প্রচুর পরিমাণে ইউরােপীয় শব্দ বাংলায় প্রবেশ করবে। এ বিষয়ে কারও কোনাে সন্দেহ নেই।
- ‘নব নব সৃষ্টি’ রচনাংশে লেখক রান্নাঘর থেকে কী কী তাড়ানাে মুশকিল বলেছেন?
Ans: ‘নব নব সৃষ্টি’ রচনাংশে রান্নাঘর থেকে আলুকপি এ জাতীয় বিদেশি সবজি তাড়ানাে মুশকিল বলেছেন লেখক।
- “বহু সাহিত্যিক উঠে পড়ে লেগেছেন”—লেখক কোন্ ভাষার সাহিত্যিকদের কথা বলেছেন?
Ans: লেখক হিন্দি ভাষার সাহিত্যিকদের কথা বলেছেন।
- নজরুল ইসলাম বাংলা ভাষায় আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করেছেন তার কী কী উদাহরণ দিয়েছেন সৈয়দ মুজতবা আলী?
Ans: নজরুল ইসলাম ইনকিলাব’ এবং ‘শহিদ’ প্রভৃতি আরবি-ফারসি শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যবহার করেছেন।
- ‘আলাল’ ও ‘হুতোম’-এর ভাষা —‘আলাল’ ও ‘হুতোম’ কী?
Ans: আলাল’ হল আলালের ঘরের দুলাল, লেখক প্যারীচাঁদ মিত্র। ‘তােম’ হল হুতােম প্যাঁচার নকশা, লেখক কালীপ্রসন্ন সিংহ।
- হিন্দি ভাষাসাহিত্যের বঙ্কিম কাকে বলা হয়?
Ans: হিন্দি ভাষাসাহিত্যের বঙ্কিম বলা হয় বিখ্যাত সাহিত্যিক মুন্সী প্রেমচাঁদকে।
- “এখানে আর একটি কথা বলে রাখা ভালাে।” — কী কথা বলেছেন লেখক?
Ans: রলার ভাষা তার বিষয়বস্তুর ওপর নির্ভর করে, এ কথা বলেছেন লেখক।
- বাংলায় যেসব বিদেশি শব্দ ঢুকেছে তার মধ্যে কোন্ কোন্ ভাষা প্রধান বলেছেন লেখক?
Ans: বাংলায় যেসব বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে তার মধ্যে আরবি, ফারসি এবং ইংরেজি অন্যতম।
- উর্দু সাহিত্যেরমূল সুর কোন্ ভাষার সঙ্গে বাঁধা?
Ans: উর্দু সাহিত্যেরমূল সুর ফারসি ভাষার সঙ্গে বাঁধা।
- স্কুল-কলেজ থেকে আমরা সংস্কৃতচর্চা উঠিয়ে দিতে চাই না কেন?
Ans: স্কুল-কলেজ থেকে আমরা সংস্কৃতচর্চা উঠিয়ে দিতে চাই না এর প্রধান কারণ বাংলাতে এখনও আমাদের বহু সংস্কৃত শব্দের প্রয়োজন।
সংক্ষিপ্ত : নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণির বাংলা | Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti QNA [প্রশ্নমান – ২/৩]
- “সংস্কৃত চর্চা উঠিয়ে দিলে আমরা অন্যতম প্রধান খাদ্য থেকে বঞ্চিত হব।” — লেখক এ কথা বলেছেন কেন?
Ans: নব নব সৃষ্টি প্রবন্ধের লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী মনে করেন আমরা যে ভাষার চর্চা বেশি করি তার শব্দ আমাদের বাংলাতে ঢোকে বেশি। সংস্কৃত বেশি চর্চার ফলে বাংলায় বিস্তর সংস্কৃত এককালে ঢুকেছে। স্কুল-কলেজের পাঠ্য বিষয় থেকে সংস্কৃত তুলে না দেওয়াই শ্রেয়। কারণ বাংলা ভাষাতে এখনও সংস্কৃত শব্দের প্রয়োজনীয়তা আছে। লেখক সেজন্য বলেছেন যে, সংস্কৃত চর্চা উঠিয়ে দেওয়ার অর্থ হল বাঙালির অন্যতম খাদ্য থেকে বঞ্চিত হওয়া।
- “বাঙালির চরিত্রে বিদ্রোহ বিদ্যমান।” – এ প্রসঙ্গে তোমার মত উপযুক্ত উদাহরণসহ প্রতিষ্ঠা করো।
Ans: প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলি বলেছেন, বাঙালি জাতির চরিত্রে বিদ্রোহ বর্তমান। বাঙালিরা যখন রাজনীতি, ধর্ম বা সাহিত্যে কোন নতুনত্বের স্বাদ পেয়েছে, সংকীর্ণতার ভুলে তা গ্রহণ করেছে, কিন্তু আবার যদি প্রাচীনত্বের দোহাই দিয়ে কিছু চাপিয়ে দিতে চেয়েছে তখন মাথা তুলে তার প্রতিবাদ করেছে। আবার যখন সেই বিদ্রোহ উশৃঙ্খলতায় পরিণত হতে চেয়েছে, তখন তার বিরুদ্ধে আবার বিদ্রোহ করেছে। প্রাবন্ধিকের এই মতামতের জলন্ত সাক্ষী একাত্তরের ভাষা আন্দোলন, পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালিদের উপর জোর করে উর্দু ভাষা চাপিয়ে দিতে চাইলে বাঙালিরা একজোট হয়ে আন্দোলন শুরু করে এবং এর ফলস্বরূপ বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়।
- ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধে বাংলা সাহিত্যে বিদেশি শব্দ ব্যবহারের যে সকল দৃষ্টান্ত লক্ষ করা যায় তা উল্লেখ করো।
Ans: ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধে, প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলি বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশী শব্দের প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলা ভাষায় প্রয়োজনে এবং অপ্রয়োজনে ভিন্ন ভিন্ন বিদেশী শব্দ নেওয়া হয়েছে, যেমন পাঠান – মোগল যুগে তাদের ব্যবহৃত ভাষা আরবি ও ফার্সি থেকে বিভিন্ন শব্দ যেমন আইন – আদালত, খাজনা – খারিজ শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে। পরবর্তী সময়ে বাংলা সাহিত্যে আব্রু, ইজ্জত, শহিদ, ইনকিলাবের মত বিদেশী শব্দ স্থান পেয়েছে রবীন্দ্রনাথ এবং নজরুলের লেখায়। বিদ্যাসাগর মহাশয় তাঁর ‘সাধু’ রচনায় বিদেশী শব্দ ব্যবহার না করলেও, তাঁর রচিত বেনামী রচনায় আরবি এবং ফার্সি শব্দের ব্যাপক ব্যবহার করেছেন। এমনকি অতিশয় নিষ্ঠাবান হরপ্রসাদ-ও বাংলা ভাষায় আরবি এবং ফার্সি শব্দের ব্যবহারের বিরোধী ছিলেন না।
- ‘বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যসৃষ্টি তার পদাবলি কীর্তনে।’ – এই মন্তব্যের সপক্ষে লেখকের বক্তব্য লেখো।
Ans: প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলি, তাঁর ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধে বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যসৃষ্টি পদাবলী কীর্তনের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, পদাবলী কীর্তনের প্রাণ ও দেহ উভয়ই খাঁটি বাঙালি। সংস্কৃত সাহিত্য মহাভারতের অন্যতম প্রধান চরিত্র ‘শ্রীকৃষ্ণ’ পদাবলীতে ‘কানু’ রূপে বর্ণিত হয়েছেন। আবার শ্রীরাধাও যে খাঁটি বাঙালি একটি মেয়ে তাও সহজেই অনুমেয়। এমনকি বাংলার ভাটিয়ালি গান
- “বর্তমান যুগের ইংরেজি ও বাংলা আত্মনির্ভরশীল নয়।” — ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক কীভাবে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন?
Ans: প্রাচীন যুগের সংস্কৃত ভাষা তো বটেই, তা ছাড়া হিব্রু, গ্রিক, আবেস্তা প্রভৃতি সব ভাষাই ছিল আত্মনির্ভরশীল। কিন্তু বর্তমান যুগের ইংরেজি ও বাংলা ভাষা আত্মনির্ভরশীল নয়। কারণ, প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা থেকে শব্দ গৃহীত হয়েছে ও হচ্ছে। পাঠান-মোগল শাসন যুগে আইন-আদালত, খাজনাখারিজ ব্যাপারে নতুন নতুন শব্দের জন্য আরবি ও ফারসি ভাষা থেকে শব্দ নিতে হয়েছিল। তার পরবর্তী ইংরেজ শাসন যুগে ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে নিতে হয়েছে কিংবা হচ্ছে অন্যান্য ভাষা থেকে শব্দ। ইংরেজির মাধ্যমে প্রচুর ইউরোপীয় শব্দ আমাদের বাংলা ভাষায় ঢুকেছে। কাজেই বর্তমান বাংলা ভাষা আত্মনির্ভরশীল নয়।
- “সংস্কৃতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাষা বলাতে কারও কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়।” ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ’ শব্দের অর্থ লেখো। সংস্কৃত কেন স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাষার মর্যাদা পেতে পারে?
Ans: ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ’ কথার অর্থ যা নিজ দ্বারা সম্পূর্ণ বা যার নিজ ভিন্ন অন্য কারুর সাহায্যের প্রয়োজন নেই।
প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলি তাঁর ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধাংশে সংস্কৃত ভাষাকে ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। এর কারণ কোনো নূতন চিন্তা, অনুভুতি কিংবা বস্তুর জন্য নবীন শব্দের প্রয়োজন হলে সংস্কৃত ভাষা অন্য কোন ভাষা থেকে শব্দ ধার না করে নিজ শব্দ ভাণ্ডার থেকে নতুন শব্দের অনুসন্ধান করে। কোনো ধাতু বা শব্দের সামান্য অদল বদল করে বা পুরানো ধাতু দিয়ে নবীন শব্দের সৃষ্টি করে। সংস্কৃত ভাষাতেও বিদেশী শব্দের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, কিন্তু তা এতই যতসামান্য যে তা সহজেই উপেক্ষা করা যায়। তাই লেখকের মতে সংস্কৃত ভাষা স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাষার মর্যাদা পেতে পারে।
- “নূতন আমদানিও বন্ধ করা যাবে না।” – ‘নূতন আমদানি’র কোন্ কোন্ প্রসঙ্গ এক্ষেত্রে এনেছেন লেখক? ভাষার ক্ষেত্রে ‘নূতন আমদানি’ বন্ধ করা যাবে না কেন?
Ans: প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলি বাংলা ভাষায় বিদেশী ভাষায় ব্যবহার প্রসঙ্গে ‘নূতন আমদানি বন্ধ করা যাবে না’ উক্তিটি করেছেন। তাঁর মতে প্রাচীন যুগের সকল ভাষাই স্বয়ংসম্পূর্ণ, প্রাচীন ভাষার ক্ষেত্রে নূতন কোনো চিন্তা, অনুভুতি কিংবা বস্তুর জন্য নবীন শব্দের প্রয়োজন হলে তা নিজ শব্দভাণ্ডারের পরিবর্তিত রূপ হিসাবে ব্যবহার হত। কিন্তু বাংলা বা ইংরেজি ভাষার মত অপেক্ষাকৃত নতুন ভাষার ক্ষেত্রে বিদেশী শব্দের প্রভাব বা ‘নূতন আমদানি’ যথেষ্ট বেশি।
ইংরেজি বা বাংলার মত নবীন ভাষার ক্ষেত্রে বিদেশী শব্দের প্রভাব বা প্রাবন্ধিকের ভাষায় ‘নূতন আমদানি’ বন্ধ করা অসম্ভব। কারণ প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে আমরা বিদেশী ভাষা থেকে শব্দবন্ধ আমাদের নিজেদের ভাষায় নিয়ে এসেছি, যেমন আইন – আদালত এই বহুল প্রচলিত শব্দগুলি আরবি শব্দভান্ডার থেকে এসেছে, তেমনই আতর (সুগন্ধি) শব্দটি এসেছে ফার্সি শব্দভাণ্ডার থেকে। তাই এই ধরণের শব্দগুলি আমাদের ভাষার মধ্যে মিশে গেছে, যা আজ আলাদা করা একপ্রকার অসম্ভব। আবার শিক্ষার মাধ্যমরূপে ইংরেজিকে বর্জন করে বাংলাকে গ্রহণ করার পরে বাংলা ভাষায় আরো বেশি ইউরোপীয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা যাবে। অপরদিকে আগামীদিনে প্রয়োজনের তাদিগে বিদেশী দ্রব্যের ব্যবহারের মাধ্যে দিয়ে (যেমন বিদেশী ওষুধ) নতুন শব্দ ‘আমদানী’ হবে।
বিশ্লেষণধর্মী ও রচনাধর্মী | নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর | WB Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer :
1. বাংলা ভাষায় আগন্তুক শব্দ কোনগুলি? প্রসঙ্গক্রমে সংস্কৃত ও ইংরেজি ভাষা নিয়ে লেখকের বক্তব্য স্পষ্ট করাে।
Ans: সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর ‘নব নব সৃষ্টি’ রচলাংশে জানিয়েছেন যে বাংলায় যেসব বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে সেগুলির মধ্যে আরবি, ফারসি ও ইংরেজি ভাষার শব্দই প্রধান।
একসময়ে ভারতবর্ষ তথা বাংলাদেশে সংস্কৃত ভাষার ব্যাপক চর্চা ছিল। কারন সংস্কৃতই ছিল আদি ও মূল ভাষা এখনও স্কুল কলেজে সংস্কৃতচর্চা হয়। সংস্কৃত থেকে উৎপন্ন হওয়ার ফলে বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ভাষার প্রভাব থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। সংস্কৃত শব্দ এখনও সামান্য হলেও বাংলা ভাষায়।
প্রবেশ করছে। সংস্কৃত ভাষাকে বাংলার মাতৃসম ভাষাই বলা হয়, তাই সংস্কৃতচর্চা বন্ধ করে দিলে বাংলা ভাষা এক স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাষা থেকে বিচ্ছিন্ন হবে। তাই লেখক এ প্রসঙ্গে বলেছেন, “আমরা অন্যতম প্রধান খাদ্য থেকে বঞ্চিত হবাে।
আধুনিক শিক্ষার ধারায় দর্শনশাস্ত্র, নন্দনশা, পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা এবং বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষার বিকল্প নেই। উদাহরণ হিসেবে লেখক বলেছেন যে রেলের ইঞ্জিন কী করে চালাতে হয়, সে বিষয়ে বাংলায় কোনাে বই নেই। ফলে এই বিষয়টা বুঝতে হলে বাঙালিকে ইংরেজি ভাষারই আশ্রয় নিতে হয়। সুতরাং ইংরেজি চর্চা বন্ধ করার সময় এখনও আসেনি।”— এ কথা বলাই যায়।
2. ফল যদি ভাল হয় তখন তারা না হয় চেষ্টা করে দেখবেন।কী চেষ্টা করে দেখার কথা এখানে বলা হয়েছে? এবিষয়ে বাঙালি সাহিত্যিকদের ভূমিকা কী ছিল?
Ans: সমালোচকদের মতে, একটা ভাষা তখনই। আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠে যখন নতুন শব্দের প্রয়োজনে বিদেশি। শব্দের মুখাপেক্ষী না থেকে নিজস্ব শব্দভাণ্ডার থেকেই শব্দ খুঁজে এনে প্রয়োগ করে। হিন্দি উপস্থিত সেই চেষ্টাটা শুরু করেছে। হিন্দি সাহিত্যিকেরা হিন্দি থেকে আরবি, ফারসি এবং ইংরেজি শব্দ বর্জন করতে শুরু করেছে। এখানে এই প্রচেষ্টার কথাই বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাঙালি সাহিত্যিকদের ধারণা ছিল বেশ স্পষ্ট। বাংলায় সংস্কৃত অন্যান্য প্রাচীন ভাষার মতো বা শব্দ সৃষ্টির ক্ষমতা ছিল না। তাই নতুন শব্দ বা বিষয়-ভাবনার অভিনব চিন্তা-ভাবনার প্রকাশ করতে বিদেশি ভাষার প্রয়োজন। ইংরেজিকে শিক্ষার মাধ্যমরূপে বর্জন করার ফলে বাংলায় প্রচুর ইউরোপীয় শব্দ প্রবেশ করেছে। রচনার সঙ্গে পারম্পর্য রক্ষা করলে বিদেশি ভাষা ব্যবহারে অসুবিধা নেই। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, বিদ্যাসাগরের মত ব্যক্তিত্বরা অনায়াসেই আরবি-ফারসির ব্যবহার বাংলায় । করে গেছেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তো এই দুই ভাষার বিরোধীদের আহাম্মুখ’ বলেছেন। ‘আলাল ও ‘হুতোম’-এর ভাষার যেমন ঐতিহাসিক প্রাসঙ্গিকতা আছে ঠিক তেমনি শংকর দর্শন, বসুমতী’র সম্পাদকীয় ভাষা কিংবা ‘বাঁকা চোখের ভাষা ও ভিন্ন। ভিন্ন প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। এককথায় রচনার ভাষা। বিষয়ানানুগ হলে ভাষা সমৃদ্ধ ও ঐশ্বর্যশালী হয়।
3. “ধর্ম বদলালেই জাতির চরিত্র বদলায় না।” – উৎস ও প্রসঙ্গ নির্দেশ কর। উদ্ধৃতির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
Ans: আলোচ্য উদ্ধৃতিটি প্রখ্যাত প্রবন্ধকার সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘নব নব সৃষ্টি’ গল্প থেকে গৃহীত। নব নব সৃষ্টি গল্পের শেষে সৈয়দ মুজতবা আলী বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যসৃষ্টি ও বাঙালি চরিত্রের বিদ্রোহ সম্পর্কে আ্লোচনা করেছেন। বৈষব পদাবলি কীর্তনে খাঁটি বাঙালিয়ানার পরিচয় ফুটে উঠেছে। মহাভারতে শ্রীকৃষ্ণ, পুরাণ ও ভাগবতের শ্রীরাধা যথাক্রমে বাঙালি পুরুষ ও বাঙালি নারী হয়ে উঠেছেন বৈষ্ণব পদকর্তাদের কলমে। আবার আরবী ও ফারসী ভাষার নানা শব্দও বাঙ্গালী নিঃসন্দেহে গ্রহণ করেছে।বাঙালি চরিত্রে বিদ্রোহের পরিচয় মিলেছে রাজনীতি, ধর্ম, সাহিত্যের ক্ষেত্রে যেখানে সত্যশিব-সুন্দরের সন্ধান পেয়ে তা গ্রহণের বিরুদ্ধে বাধা এসেছে, সেখানে সেই বাধার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রকাশ দেখা গেছে।এই বৈশিষ্ট্য কেবল হিন্দুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। যারা হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান ধর্ম গ্রহণ করেছে তাদের মধ্যেও সমানভাবে বিদ্যমান। এটিও বাঙালি জাতীয় চরিত্রের আর-একটি বৈশিষ্ট্য। তা হল ধর্ম যেন বাইরের আবরণ। আচ্ছাদনের পরিবর্তন দেহগত কাঠামোকে যেমন পালটায় না, তেমনি ধর্মও জাতিগত চরিত্রকে পালটাতে পারেনি বলেই বাঙালি চরিত্রের বিদ্রোহের বৈশিষ্ট্যটি হিন্দু-মুসলমান এই ধর্মগত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও অটুট থেকেছে।
Class 9 Question and Answer | নবম শ্রেণীর সাজেশন
আরো পড়ুন:-
Class 9 Bengali Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 English Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Geography Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 History Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Life Science Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Mathematics Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 Physical Science Suggestion Click here
আরো পড়ুন:-
Class 9 All Subjects Suggestion Click here
West Bengal (WBBSE) Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer | নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
West Bengal (WBBSE) Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer | নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর : West Bengal Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer | নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর – WBBSE Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer | নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর গুলো আলোচনা করা হয়েছে।
নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer
এই “নব নব সৃষ্টি (প্রবন্ধ) সৈয়দ মুজতবা আলী – নবম শ্রেণীর বাংলা | Class 9 Bengali Nobo Nobo Srishti Question and Answer” পোস্টটি থেকে যদি আপনার লাভ হয় তাহলে আমাদের পরিশ্রম সফল হবে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী সমস্ত শ্রেণীর প্রতিটি অধ্যায় অনুশীলন, বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার গাইডেন্স ও চারীর খবর বা শিক্ষামূলক খবর জানতে আমাদের এই Porasuna.in ওয়েবসাইটি দেখুন, ধন্যবাদ।





















